Connect with us

top1

১৯ বছর পর পৈতৃক ভিটায় যাচ্ছেন তারেক রহমান

Published

on

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৯ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার বগুড়ায় ফিরছেন। প্রিয় নেতাকে বরণে প্রস্তুত দলীয় নেতা-কর্মীরা। এ সময় রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের পৈতৃক ভিটা ও নিজ নির্বাচনি এলাকা সফর করবেন তিনি। বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামে এখন সাজসাজ রব। তার এই আগমনকে ঘিরে উত্তরবঙ্গের এই জনপদে বইছে উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে জিয়া পরিবারের আদি নিবাস ‘জিয়া বাড়ি’সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন নেতাকর্মীরা।

ইতোমধ্যেই তার নির্বাচনি এলাকা বগুড়া-৬ এর স্থানীয় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো অঞ্চল ছেয়ে গেছে ব্যানার-ফেস্টুনে এবং প্রচারের মাইকগুলো মাঠে এসে গেছে। মাঠের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক সুমন বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই মাঠের কাজ শেষ হবে। মাঠের ধুলোবালি দমাতে পানি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক জেনারেটরের ব্যবস্থা আছে।

একই দিনে তারেক রহমান উত্তরবঙ্গের তিনটি জেলায় নির্বাচনি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। প্রায় দুই দশক পর তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে বগুড়াসহ উত্তরবঙ্গের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক অঙ্গন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ২৮ জানুয়ারি সমাবেশ হওয়ার কথা থাকলেও বিমানের টিকিট জটিলতার কারণে তা একদিন পিছিয়ে ২৯ জানুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিএনপির একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।

বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা আমার দেশকে বলেন, আমরা আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ পরিদর্শন করেছি। আশা করছি, জনসভায় কয়েক লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে। ২৯ জানুয়ারি জনসভা শেষে তারেক রহমান বগুড়াতেই রাত্রিযাপন করে পরদিন ৩০ জানুয়ারি সকালে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগ করবেন। গাবতলী উপজেলার পৈতৃক ভিটা বাগবাড়ী গ্রামে স্থানীয় নেতাকর্মী ও মানুষজনের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং গণসংযোগে অংশ নেবেন। এরপর তিনি পুনরায় বগুড়া শহরে ফিরে রাত্রি যাপন করবেন।

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, আলী আজগর হেনা, এমআর ইসলাম স্বাধীন, জেলা মহিলা দলের নাজমা আক্তার, জয়নাল আবেদিন চাঁন, অ্যাড. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, ছাত্রদল সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান বলেছেন, আমরা জনসভা এবং ভোটকে সফল করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

২০০৬ সালের পর দীর্ঘ সময় প্রবাসে কাটিয়ে দেশে ফেরার পর এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। সফরের শেষলগ্নে পৈতৃক ভিটায় তার এই অবস্থানকে ঘিরে গাবতলী ও সারিয়াকান্দি এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিপুল জনসমাগমের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে নেতানিয়াহুর, চাপে ইসরায়েল

Published

on

By

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রীতিমতো বাজি ধরেছিলেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সমন্বিত যুদ্ধের মাধ্যমে ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল কিংবা উৎখাত করবেন।

একইসঙ্গে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সখ্যতা আসন্ন নির্বাচনের আগে তাকে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে। ওয়াশিংটন-তেলআবিব জোট মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বাস্তবতাই বদলে দেবে বলেও তার প্রত্যাশা ছিল।

কিন্তু বাস্তবতার গতিপথ ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। এখন ইসরায়েলের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময়ের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র ট্রাম্পের সঙ্গেই মতবিরোধের পথে হাঁটছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, যুদ্ধের শুরুতে উভয় পক্ষ যে লক্ষ্যগুলোর কথা বলেছিল, তার সিংহভাগই এখন অর্জিত হয়নি। একইসঙ্গে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানও জটিল অবস্থায় আটকে আছে।

আপাতত, এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখছেন। কারণ তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ট্রাম্প যেন অসন্তুষ্ট না হন। অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট সমালোচকদের বিষয়ে বরাবরই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, প্রাথমিক চুক্তিটি ‘ইসরায়েলের জন্য ভয়াবহ’। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সেনাপ্রধান পর্যন্ত ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের কেউই এটিকে ভিন্নভাবে দেখছেন না।

যদিও ওয়াশিংটনের দাবি, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উদ্বেগ, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার পথ তৈরি হবে।

তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আলোচনার সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইসরায়েলের উদ্বেগগুলো অমীমাংসিত থেকেই যাবে এবং দেশটি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতার মুখে পড়বে।

লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান সীমিত করতে অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের মধ্যে বারবার মতবিরোধ হয়েছে। অথচ যুদ্ধবিরতি ছিল ইরানের অন্যতম প্রধান দাবি।

চলতি মাসের শুরুতে এক উত্তপ্ত ফোনালাপে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ‘উন্মাদ’ বলে অভিহিত করেন। একইসঙ্গে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চলাকালে বৈরুতে হামলা না করার নির্দেশ দেন। সেদিন নেতানিয়াহু হামলা স্থগিত করলেও এক সপ্তাহ পর বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরে আবারও আক্রমণ চালান। ইসরায়েলের দাবি, এর জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পরে ট্রাম্প উভয় পক্ষকেই প্রকাশ্যে তিরস্কার করেন।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচু্ক্তিতে বাগড়া ইসরায়েলের, জোরালো আক্রমণের ঘোষণা

রোববার (১৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরায়েল আবারও বৈরুতে হামলা চালায়। এর আগে লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছিল। ট্রাম্প ওই হামলাকে ‘ছোট ও অর্থহীন’ বলে বর্ণনা করেন।

পরদিন রাতে জেরুজালেমে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, দৃঢ় ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণে ইসরায়েল এখন ‘শক্তিশালী ও স্থিতিশীল’। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার মাঝে মাঝে মতপার্থক্য হয়েছে।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, আমি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। অনেক বিষয়ে আমাদের মত এক হয়, আবার কিছু বিষয়ে ভিন্নতাও থাকে। আমি ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার দায়িত্বে আছি।’

নির্বাচনের আগে বাড়ছে চাপ

আসন্ন শরতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি ট্রাম্পের অবস্থান উপেক্ষা করতে আরও আগ্রহী হতে পারেন। কারণ জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলি জনগণের একটি বড় অংশ এখন দেশটির নিরাপত্তা নিয়ে ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে সন্দিহান।

বারাক এইচ ওবামা প্রশাসনের সময়ে ইসরায়েলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড্যান শ্যাপিরো বলেন, ‘এটি স্বার্থগত বিভেদের একটি অত্যন্ত স্পষ্ট মুহূর্ত’।

বর্তমানে আটলান্টিক কাউন্সিলের এই গবেষক বলেন, নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে চুক্তির বিরোধিতা করে ট্রাম্পের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে চাইবেন না। তবে তিনি ইঙ্গিত দেবেন যে, ইসরায়েল এ চুক্তি মানতে বাধ্য নয় এবং প্রয়োজনে নিজস্ব পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে।

ইসরায়েল ইতোমধ্যে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতায় তারা বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে না।

শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও এর বিস্তারিত শর্ত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান জানিয়েছে, এতে লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেছেন, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে সেনা মোতায়েন বজায় রাখবে এবং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ‘অপারেশনাল স্বাধীনতা’ ধরে রাখবে।

তিনি বলেন, ইরান চেয়েছিল আমরা সেখান থেকে সরে আসি। কিন্তু আমি সেই অবস্থান মেনে নেইনি। আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনার স্বাধীনতা বজায় রাখছি এবং উত্তরাঞ্চলের নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য নিরাপত্তা বলয়ও ধরে রাখছি।

ইসরায়েলের উদ্বেগ কাটছে না

অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ পুনরায় খুলে যাবে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যত ৬০ দিনের আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধের শুরুতে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প উভয়েই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি দমন এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করাকে যুদ্ধের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু এসব বিষয় বর্তমান আলোচনার আনুষ্ঠানিক এজেন্ডায় নেই বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

তিনজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের ধারণা ৬০ দিনের চুক্তির মেয়াদ ৯০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। একই সঙ্গে বৃহত্তর সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলজুড়ে তার সামরিক উপস্থিতিও বজায় রাখবে।

আরও দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে ট্রাম্প যখন প্রথমবারের মতো বলেন যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, তখন ইসরায়েল বিস্মিত হয়েছিল। তাদের মতে, আলোচনায় প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে ইসরায়েল খুব কমই সফল হয়েছে।

সব কর্মকর্তাই পরিচয় গোপন রাখার শর্তে কথা বলেছেন, কারণ এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করার অনুমতি তাদের ছিল না।

‘এই চুক্তি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করা কঠিন’

ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা ও জো বাইডেনের প্রশাসনের সময়ও নেতানিয়াহু একাধিকবার ওয়াশিংটনের সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়েছিলেন। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি ভোটারদের কাছে নিজেকে রিপাবলিকান ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে দক্ষ নেতা হিসেবে তুলে ধরেছেন।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তর করে এবং আব্রাহাম চুক্তিকে সমর্থন দেয়। এর মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। একই সময়ে ট্রাম্প ওবামা আমলের ইরান পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করেন, যেটিকে ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল বলে সমালোচনা করে আসছিল।

২০১৯ সালের নির্বাচনে নেতানিয়াহু তেলআবিব ও জেরুজালেমে বড় বড় বিলবোর্ড টাঙিয়েছিলেন। সেখানে তাকে ট্রাম্পের সঙ্গে হাসিমুখে করমর্দন করতে দেখা যায়। তবে বার-ইলান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জোনাথন রাইনহোল্ডের মতে, বর্তমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নেতানিয়াহুর সেই রাজনৈতিক সুবিধাকেই দুর্বল করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, নেতানিয়াহু এই চুক্তি ইসরায়েলি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারবেন না। সর্বোচ্চ তিনি আশা করতে পারেন, আলোচনা ব্যর্থ হবে এবং ৬০ দিনের মধ্যে ইসরায়েলের অনুকূলে যুদ্ধ আবার শুরু হবে।

ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের শুক্রবার প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৪১ শতাংশ ইহুদি ইসরায়েলি মনে করেন, ট্রাম্পের কাছে তাদের নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। গত মার্চ মাসে এ হার ছিল ৬৪ শতাংশ।

এদিকে ইসরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন বলেছেন, ইরান যদি তার পারমাণবিক বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করে, তবে ইসরায়েল একাই ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, ইরান যদি তার পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুনরায় চালুর চেষ্টা করে, আমরা সেখানে থাকব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

Continue Reading

top1

‘ব্রাজেন্টিনা’ দিয়ে অভিনয়ে নামছেন ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া, নায়িকা কে

Published

on

By

সবুজ গালিচার পর এবার ক্যামেরার সামনে নতুন রূপে হাজির হচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘ব্রাজেন্টিনা’ নামের আট পর্বের একটি ওয়েব সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। সোমবার রাজধানীর কলাবাগান মাঠে সিরিজটির শুটিং শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ জুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে এটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

তারিক মুহাম্মাদ হাসানের পরিচালনায় এই সিরিজে জামাল ভূঁইয়ার বিপরীতে অভিনয় করছেন তাসনুভা তিশা। এছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে রয়েছেন শরাফ আহমেদ জীবন, লামিমা লাম, সহিদ উন নবী এবং ইশতিয়াক আহমেদ।

এর আগে টুকটাক বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করলেও ওয়েব সিরিজ বা নাটকে এটাই জামাল ভূঁইয়ার প্রথম অভিনয়। নতুন এই জগতে পা রাখা নিয়ে শুরুতে বেশ দ্বিধায় ছিলেন তিনি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক জানান, চার বছর আগেও পরিচালক তাকে নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সে সময় ব্যস্ততার কারণে রাজি হননি। এবারও শুরুতে প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে পরিচালকের আগের কাজগুলো দেখে এবং সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি শেষ পর্যন্ত অভিনয়ে রাজি হন।

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে জামাল ভূঁইয়া বলেন, পুরো বিষয়টি তার কাছে জাদুকরি মনে হলেও কাজটিকে বেশ কঠিন বলেই মনে করছেন তিনি। পেশাদার অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করাটা তার কাছে চ্যালেঞ্জিং হলেও তিনি তা উপভোগ করছেন। কাকতালীয়ভাবে কলাবাগানের যে মাঠে সিরিজটির শুটিং চলছে, সেখান থেকেই নিজের ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন এই তারকা মিডফিল্ডার।

এদিকে প্রথম দিনের শুটিংয়ে ফুটবল অধিনায়কের কাজে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নির্মাতা। তিনি জানিয়েছেন, অভিনয়ে নতুন হলেও জামাল ভূঁইয়ার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। প্রতিটি দৃশ্য খুব আগ্রহ নিয়ে বোঝার পাশাপাশি খুব দ্রুত অভিনয়ের ভাষা আয়ত্ত করে নিচ্ছেন তিনি।

সিরিজটির গল্প প্রসঙ্গে পরিচালক তারিক মুহাম্মাদ হাসান জানান, বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় দর্শকদের মাঝে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাকে ঘিরে যে উন্মাদনা দেখা যায়, মূলত সেটিই এই সিরিজের উপজীব্য। তবে গল্প উপস্থাপনে ভিন্নতা রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। চমক সৃষ্টির জন্য নয়, বরং গল্পের চরিত্র ও দর্শক চাহিদার কথা বিবেচনা করেই জামাল ভূঁইয়াকে এই সিরিজে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

‘ব্রাজেন্টিনা’ সিরিজের শুটিংয়ে (বাম থেকে) লামিমা লাম, জামাল ভূঁইয়া ও তাসনুভা তিশা

উল্লেখ্য, দেশের ক্রীড়াতরকাদের নিয়ে নাটক নির্মাণের পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে পরিচালক তারিক মুহাম্মাদ হাসানের। এর আগে তিনি ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলকে নিয়ে ‘টি-টুয়েন্টি’, নারী ক্রিকেটার জাহানারা আলমকে নিয়ে ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’ এবং জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক আমিনুল হককে নিয়ে ‘টাইব্রেকার’ নামের নাটক নির্মাণ করেছিলেন। এবার সেই ধারাবাহিকতায় যুক্ত হলেন জামাল ভূঁইয়া।

Continue Reading

top1

আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে স্থিতিশীলতা অর্জন করা কঠিন: জিএম কাদের

Published

on

By

আওয়ামী লীগের মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে বৃহৎ একটি গোষ্ঠিতে রাজনৈতিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখা হয়েছে। বিশাল জনগোষ্ঠির রাজনৈতিক অধিকার বহাল না করলে দেশে স্থিতিশীলতা অর্জন করা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

সোমবার (১৫ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক (ব্যবসা-বাণিজ্য) নিরিাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে তাদের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই মুহুর্তে দেশে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনিয়োগের স্থবিরতা দূর করা সম্ভব না।

জিএম কাদের আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করা হলে, তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হলে, নির‌্যাতন ও নিপিড়নের মাধ্যমে দমন করে রাখা হলে, বিশাল জনগোষ্ঠি সব সময় তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম সক্রিয় থাকার চেষ্টা করবে। ফলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বাধাগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কিভাবে বাস্তবায়ন হবে তার কোন দিকনির্দেশনা নেই। বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা। এই খরচ কমানোর কোন সুযোগ নেই, বরং বেড়ে যাবে। রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, এটা কোনভাবেই সম্ভব না। বিশেষ করে অর্থসামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে সাধারণ মানুষের হাতে কর দেওয়ার মত যথেষ্ট অর্থ আছে বলে মনে করিনা।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, অতীতে কখনই ৭৭ শতাংশের বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়নি। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় রাজস্ব আহরণ এবার কমে যাবে বলে আমি মনে করছি। আমার হিসাবে বাজেটের ঘাটতির আকার দাঁড়াবে প্রায় ৪ লাখ ৬৬ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ পরিচালন ব্যয়ে মেটাতে সরকারকে ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিতে হবে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত ঋণ নির্ভর বাজেট, সে বিবেচনায় বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলা যায়। তবে বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে যে, বাস্তবায়নের ব্যত্যয় সমুহ পরবর্তীতে আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করার আশঙ্কা থাকবে।

জিএম কাদের বলেন, আমি মনে করি সরকারের উচিত হবে, সবাইকে নিয়ে পথচলা। রাজনৈতিক ঐক্যমত ছাড়া এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব না। ইরান যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে মন্দা নেমে আসতে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। বাজেটে সেই বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়নি।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম, হাজী সাইফুদ্দীন আহমেদ মিলন প্রমুখ।

Continue Reading

Trending