Connect with us

top1

৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, বাড়বে বিভিন্ন ভাতা

Published

on

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যাপক বরাদ্দ বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে বাজেট পেশকালে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের জন্য ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। এই বাজেটে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় ৪১ লাখ নারীকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বাজেট অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের জন্য আগামী অর্থবছরে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সরকারের অগ্রাধিকারমূলক এই কর্মসূচিটি ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য ট্রেনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভ্রমণ এবং মেট্রোরেলের ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যা প্রবীণদের চলাচলে স্বস্তি আনবে।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য ভাতার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বয়স্ক ভাতা কর্মসূচিতে বর্তমানে ৬১ লাখ ব্যক্তি মাসে ৬৫০ টাকা পান, আগামী অর্থবছরে তা ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হবে এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ১ লাখ বাড়িয়ে ৬২ লাখে উন্নীত করা হবে। বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা কর্মসূচিতেও ভাতার পরিমাণ ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হচ্ছে এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৩০ লাখে পৌঁছাবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ভাতা ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৩৮ লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা ও বৃত্তির আওতা এবং ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে।

ক্যানসার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিসসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তদের আর্থিক সহায়তা দ্বিগুণ করা হয়েছে। বর্তমানে এককালীন ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হলেও এখন তা বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৬৫ হাজারে উন্নীত করা হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারগুলোর জন্য মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের জন্য ক্যাটাগরি ভেদে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত মাসিক ভাতা প্রদানের বিষয়টিও বাজেটে গুরুত্ব পেয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ২০ হাজার টাকা অপরিবর্তিত থাকলেও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক সম্মানী ৫ হাজার টাকা করে বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া সর্বজনীন পেনশন তহবিলের আওতায় বেসরকারি খাতের কর্মীদের অবসরের সময় সঞ্চিত অর্থের ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুইটি হিসেবে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

মির্জা ফখরুলের বাসায় যুবদলের পদবঞ্চিতরা, সাক্ষাৎ চান প্রধানমন্ত্রীর

Published

on

By

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা। এ সময় তারা তাকে দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৮টা ৪০ থেকে ৯টা পর্যন্ত হেয়ার রোডের নিজ বাসায় পদবঞ্চিতদের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। যুবদলের পদবঞ্চিত ৩০ থেকে ৩৫ জন নেতা এতে অংশ নেন।

এর আগে গত ৪ জুন যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তবে এ ঘোষণায় ক্ষুব্ধ হন পদবঞ্চিতরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তারা হাজির হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, পদবঞ্চিত নেতারা মূল দলের মহাসচিবের কাছে তাদের ক্ষোভের বিষয়টি তুলে ধরেন। বিশেষ করে দলের অভিভাবক তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধৈর্য সহকারে তাদের কথা শোনেন এবং বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যারা

যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক এবং সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুবদলের সদ্য সাবেক কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম রিয়ন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলি উদ্দিন সুমন ও গোলাম ফারুক, সাবেক সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুল আলম টিটু, সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক বি এম আমান উল্লাহ বিপুল, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বাছেদুর রহমান সোহেল, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম হিমেল প্রমুখ।

সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সরকার মামুন, শাহিনুজ্জামান মিন্টু, সেলিম হোসাইন মুন্না আকন্দ, মিজান খান ও দুলাল হোসেনও বৈঠকে অংশ নেন।

স্থানীয় নির্বাচনে যেসব যোগ্যতায় মিলবে বিএনপির সবুজ সংকেত

সাবেক ছাত্রদল নেতারা

ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক ও জাকির হোসেন খান; সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, আবুল হাসান, মাহফুজুর রহমান, মিজানুর রহমান সোহাগ; সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল আলম, ইসমাইল হোসেন খান শাহীন, মুজাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আরিফ, আনোয়ার জাহিদ, সুমন চৌধুরী, ফজলুল হক নিরব; সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ সরকার, গোলাম আজম সৈকত, সবুর খান সাগর, জাহাঙ্গীর আলম, শফিউল আজম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও অংশ নেন ছাত্রদলের সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মিরাজ আজিম, সাবেক জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক স্বপন মন্ডল, সাবেক সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম মাসুম, সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল হাসান আরিফ, সাবেক বেসরকারি বিষয়ক সম্পাদক ইয়াকুব রাজু এবং সাবেক সদস্য মহিবুল্লাহ জয়, খলিলুর রহমান জনি ও এম কামরুল হাসান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম নাহিদ, সাবেক সহ-সভাপতি ফরিদ খান, শরিফ আল ফরহাদ দীপু ও বিশ্বজিৎ ভদ্র; জহুরুল হক হলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি খসরু আহমেদ হিরন এবং সাবেক ছাত্রনেতা কবির আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

যুবদল মহানগর উত্তর ও অন্যান্য ইউনিট

যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ ও মাহমুদ খান; ছাত্রদল পূর্বের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুলাল মাতব্বর; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার আমিনুল হক কাকন, সাবেক ছাত্রনেতা এমদাদুল হক পারভেজ, ইমদাদুল হক, জাহিদ হাসান হিরন, নজরুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে মো. হুমায়ুন কবির, শাহীন আকন্দ, সেলিম রেজা, মাসুদ রানা, মানিক হোসেন, মহিউদ্দিন বেগ সুজন, আমির হোসেন বাদশা এবং হাসান জাহিদ হিরনসহ যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পদবঞ্চিত নেতাদের দাবি, দলের ক্রান্তিলগ্নে দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও তাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই তারা সরাসরি দলীয় হাইকমান্ডের কাছে তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে চান।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিবের এপিএস ইউনুস আলী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘যুবদলের পদবঞ্চিতরা মহাসচিব স্যারের কাছে এসেছিলেন। তাদের কাছে স্যার আবেদনপত্র চেয়েছেন। সেটি পেলে যাছাই বাছাই করে চেয়ারম্যান।

Continue Reading

top1

ছাত্রশিবিরের ভর্তি কেন্দ্রের বুথ থেকে জমা রাখা আইফোন হারানোর অভিযোগ, পাঁচ মাসেও নেই সমাধান

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষায় হলে প্রবেশের আগে জমা রাখা একটি মোবাইল ফোন (আইফোন ১৩) হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাবি শাখার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগকারীর দাবি, গত ১৭ জানুয়ারি সকাল ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে মোবাইল ফোনটি শাখা ছাত্রশিবিরের হেফাজত থেকে হারিয়ে যায়। তবে ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো ফোনটি ফেরত পাননি। একই সঙ্গে তার দাবি, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণও তাকে দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের দাবি, ঘটনার পর থেকেই তারা ভুক্তভোগীকে সহযোগিতা করছে এবং পুলিশের মাধ্যমে ফোন উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি, এ ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টার অভিযোগও করেছে সংগঠনটি।

এদিকে গতকাল (১ জুলাই) “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার নামক” একটি ফেসবুক গ্রুপে অভিযোগকারী লিখেন, ‘আমার পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে ছাত্রশিবিরের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কাছে আমার ফোনটি জমা রাখি। পরীক্ষা শেষে বের হয়ে যখন তাদের কাছে ফোনটি ফেরত চাই, তখন তারা জানায় যে ফোনটি হারিয়ে গেছে। এরপর তারা আমাকে নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। কিন্তু জিডিতে সম্পূর্ণ দোষ আমার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, ফোনটি আমার অজান্তে হারিয়ে গেছে।’

তিনি আরও লিখেন, প্রথমে সংশ্লিষ্টরা তার মোবাইল ফোনটি খুঁজে পাওয়া যাবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। পরে ফোনটি উদ্ধার করা সম্ভব না হলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। তবে ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি ফোনটি ফেরত পাননি এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো ক্ষতিপূরণও পাননি। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে ছাত্রশিবিরের একাধিক দায়িত্বশীলের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাদের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার সময় আমাদের একটি বুথ দেওয়া হয়েছিল। আমাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল, ওই বুথে কোনো ব্যাগ বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখা যাবে না। সেখানে শুধুমাত্র অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ পানি পানের ব্যবস্থা ছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘তবে ওই ছেলেটি অনেক অনুরোধ করায় তার ব্যাগটি রাখা হয়। আমরা টোকেন ছাড়া কখনো কোনো মোবাইল ফোন গ্রহণ করি না। পরে সে এসে দাবি করে, তার ফোনটি ব্যাগের ভেতরে ছিল। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই বুথে দায়িত্বে থাকা সদস্যরা তাকে নিয়ে থানায় যান এবং একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে ওই ছেলেটির সঙ্গে আমার সরাসরি আর যোগাযোগ হয়নি।’

তবে অভিযোগকারী বলেন, ‘সেদিন রাতেই আমি সালাহউদ্দিন আম্মারের কাছে যাই। প্রক্টর তাকে ফোন করে বিষয়টি সমাধানের ব্যবস্থা করতে বলেছিলেন। তখন প্রক্টর আমাকে সাত দিন সময় দিতে বলেন এবং আশ্বস্ত করেন যে ফোনটি পাওয়া যাবে। পরে তারা আরও তিন মাস সময় চান। তিন মাস পর আমি আবার সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি শিবিরের কেউ নই, আমি স্বতন্ত্র। আপনি শিবিরের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলুন।” এরপর আমি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসানকে ফোন করি। তিনি বলেন, “আচ্ছা, দেখতেছি।” কিন্তু এরপর তিনি আর আমার ফোন রিসিভ করেননি। একদিন অসুস্থতার অজুহাতও দেন তিনি।’

এ বিষয়ে শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ‘এডমিশন হেল্প ক্যাম্প থেকে সাধারণত তথ্য সেবা, পানি, গার্ডিয়ানদের বসার ব্যবস্থা, প্রাইমারি মেডিসিন সেবা দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়াও উপহার হিসেবে কলম এবং চাবির রিং দেওয়া হয়েছিলো। ফোন বা ব্যাগ রাখা আমাদের সার্ভিসের মধ্যে ছিলো না কিংবা প্রস্তুতিও ছিলো না। কিন্তু ঐদিন হলে ফোন, ব্যাগ নিয়ে ঢুকতে দিচ্ছিলো না বিধায় ক্যান্ডিডেটদের বারবার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বুথে কয়েক’শ ফোন ব্যাগ জমা রাখা হয়। শতশত ফোন ব্যাগ ক্যান্ডিডেটরা ফেরত পেলেও প্রচন্ড ভীড়ের মধ্যে একটা ফোন মিসিং হয়। এরপর উক্ত ক্যান্ডিডেটকে সাথে নিয়ে দায়িত্বশীল ভলান্টিয়াররা প্রক্টর স্যারের অফিসে নিয়ে যায়। প্রক্টর স্যার পুলিশের সাথে কথা বলে থানায় একটা জিডি করতে বলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিবিরের দায়িত্বশীলরা ভুক্তভোগীকে সাথে নিয়ে থানায় যায় এবং জিডি করে। এখানে উল্লেখ্য যে জিডিতে চুরি লেখা যায়না, হারিয়ে যায় লিখতে হয়। চুরি লিখলে জিডি নয় মামলা করতে হয়। এটি বাংলাদেশের আইনেরই দুর্বলতা। তারপর প্রক্টর স্যার ও আমরা থানার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি, আপডেট নেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ফোন, ল্যাপটপ উদ্ধার হতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটু সময় বেশি লাগে। ৬ মাস ১ বছর পরেও পাওয়া যায়। কিন্তু ভুক্তভোগী সময় দিতে রাজি না হয়ে বারবার জরিমানা দাবি করতে থাকেন। ইভেন রিসেন্ট সময়েও পুলিশের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। তাদের উদ্ধারের কাজ চলমান আছে বলে জানিয়েছেন।’

ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এমতাবস্থায় একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে নিয়ে ছাত্রদল নোংরা রাজনীতি করতে চাচ্ছে এবং সবাই গণহারে পোস্ট দিয়ে তাদের হলে অবৈধভাবে সিট দখলের ইস্যুকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা আশাবাদী পুলিশ প্রশাসন এবং প্রক্টরিয়াল বডির প্রচেষ্টার ভুক্তভোগীর ফোন উদ্ধার হবে এবং তছরুপকারীকেও আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

আবদুল্লাহর দাবি, সেখানে মোবাইল ফোন জমা রাখার ব্যবস্থা ছিল এবং তিনি ফোন জমা দেওয়ার পর একটি টোকেনও পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা শেষে আমি টোকেন দেওয়ার পর তারা ১০–১৫ মিনিট অপেক্ষা করিয়ে জানায়, “ভাই, ফোন তো মিসিং। ফোন পাওয়া যাচ্ছে না।” এরপর আমার টোকেনটিও আমাকে আর ফেরত দেওয়া হয়নি। আমি কোনো ব্যাগ জমা দিইনি, শুধু আমার মোবাইল ফোনটি জমা দিয়েছিলাম। পরে বিজয়-২৪ হলের ভিপি ভাইসহ আরেকজন আমাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। প্রক্টরের পরামর

তিনি আরও বলেন, ‘শিবিরের দায়িত্বশীলরা ভুক্তভোগীকে সাথে নিয়ে থানায় যায় এবং জিডি করে। এখানে উল্লেখ্য যে জিডিতে চুরি লেখা যায়না, হারিয়ে যায় লিখতে হয়। চুরি লিখলে জিডি নয় মামলা করতে হয়। এটি বাংলাদেশের আইনেরই দুর্বলতা। তারপর প্রক্টর স্যার ও আমরা থানার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি, আপডেট নেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ফোন, ল্যাপটপ উদ্ধার হতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটু সময় বেশি লাগে। ৬ মাস ১ বছর পরেও পাওয়া যায়। কিন্তু ভুক্তভোগী সময় দিতে রাজি না হয়ে বারবার জরিমানা দাবি করতে থাকেন। ইভেন রিসেন্ট সময়েও পুলিশের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। তাদের উদ্ধারের কাজ চলমান আছে বলে জানিয়েছেন।’

ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এমতাবস্থায় একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে নিয়ে ছাত্রদল নোংরা রাজনীতি করতে চাচ্ছে এবং সবাই গণহারে পোস্ট দিয়ে তাদের হলে অবৈধভাবে সিট দখলের ইস্যুকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা আশাবাদী পুলিশ প্রশাসন এবং প্রক্টরিয়াল বডির প্রচেষ্টার ভুক্তভোগীর ফোন উদ্ধার হবে এবং তছরুপকারীকেও আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

আবদুল্লাহর দাবি, সেখানে মোবাইল ফোন জমা রাখার ব্যবস্থা ছিল এবং তিনি ফোন জমা দেওয়ার পর একটি টোকেনও পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা শেষে আমি টোকেন দেওয়ার পর তারা ১০–১৫ মিনিট অপেক্ষা করিয়ে জানায়, “ভাই, ফোন তো মিসিং। ফোন পাওয়া যাচ্ছে না।” এরপর আমার টোকেনটিও আমাকে আর ফেরত দেওয়া হয়নি। আমি কোনো ব্যাগ জমা দিইনি, শুধু আমার মোবাইল ফোনটি জমা দিয়েছিলাম। পরে বিজয়-২৪ হলের ভিপি ভাইসহ আরেকজন আমাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। প্রক্টরের পরামর্শে আমরা থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। কিন্তু জিডিতে এমনভাবে লেখা হয়, যেন ফোনটি আমার অজান্তে হারিয়ে গেছে। অথচ ফোনটি তাদের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় হারিয়েছিল।’

আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘পরে আমি শাখা রাকসুর সভাপতি (ভিপি) জাহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের কেউ নই, আমি কিছু করতে পারব না।” সর্বশেষ আমি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমার কাছ থেকে জিডির কাগজ নিয়েছিলেন, কিন্তু এরপর আর আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।’

Continue Reading

top1

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত

Published

on

By

বাংলাদেশের তিস্তা নদী প্রকল্পে চীন সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে ঢাকায় চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা প্রকল্পে চীন কাজ করবে। বাংলাদেশের অনুরোধে তিস্তা প্রকল্পে চীন কাজ করবে।

তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। চীন তাদের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এই প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে। এর বাইরে অন্য কেনো ইস্যু আমাদের ভাবনার বিষয় নয়।

তিনি বলেন, তিস্তা একটি বাংলাদেশি প্রকল্প।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প (টিআরসিএমআরপি) বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কারণ, এর সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর অত্যন্ত সফল উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর সম্পূর্ণভাবেই সফল হয়েছে। এটি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক, যা এক নতুন কৌশলগত উচ্চতায় পৌঁছেছে।

এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থার এক নতুন স্তর তৈরি হয়েছে। এ সফরে দুই দেশের কৌশলগত পর্যায়ে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের নেতাদের অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে।

Continue Reading

Trending