Connect with us

top1

কঠিন সময়ে মুসলিম উম্মাহকে ধৈর্য ধারণ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান 

Published

on

কঠিন সময়ে মুসলিম উম্মাহকে ধৈর্য ধারণ ও ঐক্যবদ্ধ থাকা আহ্বান জানিয়ে মসজিদে নববীর ইমাম শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি বলেন, আমাদের পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখতে হবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে হজের খুতবায় তিনি এ আহ্বান জানান।

খুতবায় হজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য তুলে ধরে শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান বলেন, হজ হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয়, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার এক অনন্য প্রতিফলন।

জনসমুদ্রের উদ্দেশে ইমাম বলেন, ‘হে মানুষ, আল্লাহকে ভয় করো, কারণ তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই বান্দা পরকালে মুক্তি লাভ করতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, পরকালের শ্রেষ্ঠ প্রস্তুতি হলো একত্ববাদ (তৌহিদ) এবং শুধু আল্লাহর ইবাদত করা। সেই সঙ্গে তিনি হাজিদের সততা বজায় রাখা এবং মিথ্যাচার ও গিবত থেকে দূরে থাকার নসিহত করেন।

খুতবা শেষে মুসলিম উম্মাহর সার্বিক অবস্থার উন্নতি এবং হাজিদের ইবাদত কবুল করার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। শেখ হুদাইফি দোয়া করেন, ‘হে আল্লাহ, হাজিদের দোয়া ও ইবাদত কবুল করুন, তাদের জন্য সবকিছু সহজ করে দিন এবং তাদের নিরাপদে নিজ নিজ দেশে ফেরার তৌফিক দান করুন।’

খুতবা সমাপ্ত হওয়ার পর হাজিরা মসজিদে নামিরায় একত্রে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন। এরপর হজের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তারা মিনার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

উল্লেখ্য, মসজিদে নামিরা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এখানেই বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র আর ‘নিরাপদ আশ্রয়’ পাবে না: মোজতবা খামেনি

Published

on

By

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র আর ‘নিরাপদ আশ্রয়’ পাবে না। তিনি বলেন, এসব দেশ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর জন্য আর ‘ঢাল’ হিসেবে আর কাজ করবে না।

মঙ্গলবার টেলিগ্রাম চ্যানেলে এই মন্তব্য করেন খামেনি। তিনি এমন সময়ে এ মন্তব্য করলেন, যখন ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিমান হামলায় তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর গত মার্চ মাসে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোজতবা। এরপর থেকে তিনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি।

সূত্র: আলজাজিরা

Continue Reading

top1

হামলা হলেও কয়েকদিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব: রুবিও

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক হামলার পর ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি নিয়ে সংশয় তৈরি হলেও ইরানের সঙ্গে এখনো একটি চুক্তি করা সম্ভব বলে মনে করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভারত সফরকালে জয়পুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মার্কো রুবিও জানান, এই চুক্তি নিয়ে বর্তমানে কাতারে মধ্যস্থতা চলছে। আজ কাতারে কিছু আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার মনে হয় প্রাথমিক খসড়ার সুনির্দিষ্ট ভাষা নিয়ে অনেক আলোচনা চলছে, তাই এতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।

তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনড় অবস্থানের কথা উল্লেখ করে জানান, প্রেসিডেন্ট এটি সম্পন্ন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি হয় একটি ভালো চুক্তি করবেন, নয়ত কোনো চুক্তিই করবেন না।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি চুক্তির বিষয়ে নতুন করে মার্কিন হামলার ফলে সংশয় তৈরি হলেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি ‘যেভাবেই হোক’ পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রণালিটি অবশ্যই খোলা থাকতে হবে এবং এগুলো এক বা অন্য উপায়ে খোলা হবেই।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধের তীব্র সমালোচনা করে রুবিও আরও বলেন, সেখানে যা ঘটছে তা বেআইনি, অবৈধ, বিশ্বের জন্য টেকসই নয় এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

তথ্যসূত্র: এএফপি

Continue Reading

top1

যুদ্ধের শঙ্কার মধ্যেই পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ, বেড়েছে উপস্থিতি

Published

on

By

সৌদি আরবে শুরু হয়েছে মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ হজ। তবে এবারের হজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাত এখন পুরো অঞ্চলের উদ্বেগের বিষয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৫ লাখ ১০ হাজার হাজি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১১ হাজার বেশি। যদিও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল। কিন্তু সেই উদ্বেগ হাজিদের সংখ্যায় প্রভাব ফেলেনি।

গত মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এসব হামলায় সৌদি আরবের আল-খারজ শহরে দুই বেসামরিক নাগরিক এবং একটি মার্কিন বিমানঘাঁটির এক সেনাসদস্য নিহত হন। আশঙ্কা করা হচ্ছিলো, সেই হামলার প্রভাব পড়তে পারে এবারের হজে।

এদিকে হজকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে সৌদি সরকার। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পবিত্র নগরী মক্কার আকাশসীমা রক্ষায় বিশেষ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে মক্কার আশপাশে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যাটারি স্থাপনের দৃশ্যও দেখা গেছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক হাজি। মিসরের হাজি মোহাম্মদ শাহাদা বিবিসিকে বলেন, “ইরানের যুদ্ধ পুরো বিশ্বকে প্রভাবিত করেছে। কেউ যুদ্ধ বা মানুষের ক্ষতি চায় না”।

অনেক মুসল্লি জানান, কয়েক মাসের অনিশ্চয়তা, বিমান চলাচলে বিঘ্ন এবং অতিরিক্ত ভ্রমণ ব্যয়ের পরও তারা হজ পালনের সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। মরক্কোর ৬৮ বছর বয়সী জ্রেইশ মোহাম্মদ বলেন, “দীর্ঘ ৪০-৫০ বছর ধরে হজ করার স্বপ্ন দেখেছি। এ বছর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে”।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হজ। সামর্থ্যবান ও শারীরিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন ফরজ।

হজের প্রথম দিনেই হাজিদের ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে হয়েছে। পরে তারা মিনায় গিয়ে অবস্থান নেন। সেখান থেকে আজ তারা আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে আজ হজের মূল খুতবা পাঠ করা হবে। এ বছর খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের সম্মানিত ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুবিধার্থে এই খুতবা বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫টি ভাষায় সরাসরি অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হচ্ছে।

খুতবা শেষে এক আজান ও দুই ইকামতে জোহর এবং আসরের নামাজ একসঙ্গে জামাতে আদায় করবেন মুসল্লিরা। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ না পড়েই হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করে খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। মিনায় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় কংকর বা পাথর তারা এই মুজদালিফা থেকেই সংগ্রহ করবেন।

পর দিন (১০ জিলহজ) বুধবার সকালে পুনরায় মিনায় ফিরে হাজিরা ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। প্রথমে বড় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ, এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা এবং কাবা শরিফ তাওয়াফে জিয়ারত সম্পন্ন করবেন।

পরবর্তী দিনগুলোতেও মিনায় অবস্থান করে তিন শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। সবশেষে বিদায়ি  তাওয়াফের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে এই ইবাদত।

Continue Reading

Trending