Connect with us

ক্যাম্পাস

সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গোবিপ্রবি শিক্ষকের চাকরি বাতিল

Published

on

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় তাঁর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। রিজেন্ট বোর্ডের সর্বসম্মত মতামত অনুযায়ী, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনসংক্রান্ত অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার  মো: এনামুজ্জামান  স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়, অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ২৩/০৬/২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/৬ নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ফাতেমা খাতুন এর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির রিপোর্ট এবং শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ডে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং রিজেন্ট বোর্ডের সকল সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে এই ঐকমত্যে পৌঁছান যে, তিনি সরকারি চাকুরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত (Moral Turpitude) অভিযোগে সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্ত।

এমতাবস্থায় উক্ত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩/০৬/২০২৬ তারিখ (৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড অনুষ্ঠানের তারিখ) থেকে জনার ফাতেমা খাতুন (সহকারী অধ্যাপক, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, গোবিপ্রবি) কে বিশ্ববিদ্যাদয়ের শিক্ষক পদ হতে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করা হলো। অধিকন্তু বিশ্ববিদ্যালয় হতে তাঁর দ্বারা গৃহিত অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরাত দেওয়ার সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

অনুমতি ছাড়া শিক্ষকের কক্ষে ভিডিও ধারণ, মোবাইল হারাল সাংবাদিক

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ব্যক্তিগত কক্ষে অনুমতি ছাড়া দুই শিক্ষকের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ‘দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার ক্যাম্পাস সাংবাদিক ওয়াসিফ আল আবরার।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টররিয়াল টিম বলছে, শিক্ষার্থীদের রোষানলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে মোবাইলটি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে লিখিত স্টেটমেন্টে নিয়ে সুরক্ষিত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগে অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণকালে এমন ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী কয়েকজন শিক্ষক-কর্মকর্তা ফেসবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দেন। এছাড়া শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে হেনস্তা এবং তাদের কক্ষ ও অফিস ভাঙচুর করেছেন। পরে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও চিহ্নিত আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ড. মাহবুবুর রহমানের কক্ষে গিয়ে তাকে হুমকি, হেনস্তা ও টেবিল ভাঙচুর এবং শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এদিন দুপুর ১টা ২০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান উপস্থিত হলে নিরাপত্তার ইস্যুতে ড. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। তারা দুইজনই একই বিভাগের অধ্যাপক। অনুমতি না নিয়ে হুট করে রুমে প্রবেশ করে দুই শিক্ষকের পার্সোনাল বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণ করতে থাকেন সাংবাদিক আবরার। পরে অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়ে ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ জানান। এবং মোবাইল নিয়ে টানাটানি শুরু হয়৷ বিশৃঙ্খলা এড়াতে নিরাপত্তাকর্মী মিজানুর রহমান সাংবাদিকের মোবাইলটি হেফাজতে নেয়।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা তাকে চিনি না, জিজ্ঞেস করলাম আপনি কে? তখন সে সাংবাদিক পরিচয় দেয়। যেহেতু অনুমতি ছাড়া পার্সোনাল কক্ষের ভিডিও ধারণ করছে, তাকে ডিলিট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি, সে কোনো মতেই ডিলিট দেওয়ার পক্ষে না। উত্তেজিত অবস্থায় একজন কর্মকর্তা মোবাইলটা নিয়ে নেয়।

তবে সাংবাদিক আবরারে দাবি- হিট অব দ্যা মোমেন্টের ডকুমেন্টস সংগ্রহ করতে গিয়ে ভিডিও ধারণ করেছি। ধস্তাধস্তি করে মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অধিকার তো রাখে না।

নিরাপত্তা কর্মী মিজানুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার সম্ভবনা দেখে উত্তেজিত মোমেন্টে মোবাইলটা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক আবরার আমাকেও ধাক্কা দেয়, এর আগেও সে আমাকে কল দিয়ে হুমকিও দিয়েছে।

ইইই বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেন, যখন উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তখন গিয়ে দেখি দুই শিক্ষকের মাঝে বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। তখন কোনো ধরনের পারমিশন না নিয়ে সাংবাদিক ভিডিও করা শুরু করে দেয়, এর আগে এক শিক্ষককে হুমকি বা রুমে ভাংচুর করে একদল গেল, তাতে বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ। শিক্ষার্থীরা ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ জানালে অস্বীকার করে সাংবাদিক আবরার। তখন এক নিরাপত্তা কর্মী মোবাইলটি নিয়ে নেয়।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হই। ড. মাহবুবুর রহমানকে সালাম দিই। এনি আমার সিনিয়র কিন্তু সালামটা ওনি নেগেটিভলি নিয়ে বলে ওঠল— ‘বাহ শাহীন, ভালো কাজ করছো, আজকের ঘটনা তুমি করিয়েছো।’ তখন আমি বলল, আমি করাবো কেন, প্রমাণ করতে পারবেন? এভাবে বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। তখন হুট করে রুমে সাংবাদিক আবরার অনুমতি না নিয়ে ভিডিও করতে থাকে৷ পাশে বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম- সাংবাদিক কি কারো অনুমতি নিয়েছে কিনা। পারসোনাল রুমে কিভাবে প্রবেশ করলো। এক পর্যায়ে বিভাগের শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে যায়। মোবাইলটি নেওয়ার চেষ্টা করে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা কর্মী সাংবাদিকের মোবাইল হেফাজতে নেয়। এরপর উপাচার্য স্যারকে অবগত করেছি। প্রক্টরিয়াল মিটিং শেষে লিখিত স্টেটমেন্ট নিয়ে সুরক্ষিত অবস্থায় মোবাইল ফেরত দেওয়া হয়েছে। এখানে কেড়ে নেওয়া বা আটকানোর কোনো ঘটনায় ঘটেনি। বিভাগের সভাপতিকে জানানো হলে তাকে সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা সভাপতির কক্ষে বসে।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, আমি অবগত হয়েছি। প্রক্টরকে মোবাইলটি দিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। ঘটনাটি লিখিত দিতে উভয়কে বলেছি। তদন্ত কমিটি যেহেতু আছে সার্বিক বিষয় দেখবে।

এদিকে সাংবাদিক আবরার প্রক্টরের কাছে দেওয়া লিখিত স্টেটমেন্টে লিখেন, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ওয়াসিফ আবরার, আজ ১৬ আগস্ট দুপুরে ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ইইই বিভাগ থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ইবির নিরাপত্তাকর্মী মিজানুর রহমান আমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়। আজ বিকাল ৫টার সময় ইবির প্রক্টর অফিস থেকে আমি আমার ফোনটি সুরক্ষিত এবং যথাযথভাবে বুঝে পেলাম।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

অনুমতি ছাড়া শিক্ষকের কক্ষে ভিডিও ধারণ, মোবাইল হারাল সাংবাদিক

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ব্যক্তিগত কক্ষে অনুমতি ছাড়া দুই শিক্ষকের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ‘দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার ক্যাম্পাস সাংবাদিক ওয়াসিফ আল আবরার।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টররিয়াল টিম বলছে, শিক্ষার্থীদের রোষানলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে মোবাইলটি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে লিখিত স্টেটমেন্টে নিয়ে সুরক্ষিত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগে অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণকালে এমন ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী কয়েকজন শিক্ষক-কর্মকর্তা ফেসবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দেন। এছাড়া শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে হেনস্তা এবং তাদের কক্ষ ও অফিস ভাঙচুর করেছেন। পরে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও চিহ্নিত আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ড. মাহবুবুর রহমানের কক্ষে গিয়ে তাকে হুমকি, হেনস্তা ও টেবিল ভাঙচুর এবং শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এদিন দুপুর ১টা ২০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান উপস্থিত হলে নিরাপত্তার ইস্যুতে ড. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। তারা দুইজনই একই বিভাগের অধ্যাপক। অনুমতি না নিয়ে হুট করে রুমে প্রবেশ করে দুই শিক্ষকের পার্সোনাল বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণ করতে থাকেন সাংবাদিক আবরার। পরে অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়ে ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ জানান। এবং মোবাইল নিয়ে টানাটানি শুরু হয়৷ বিশৃঙ্খলা এড়াতে নিরাপত্তাকর্মী মিজানুর রহমান সাংবাদিকের মোবাইলটি হেফাজতে নেয়।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা তাকে চিনি না, জিজ্ঞেস করলাম আপনি কে? তখন সে সাংবাদিক পরিচয় দেয়। যেহেতু অনুমতি ছাড়া পার্সোনাল কক্ষের ভিডিও ধারণ করছে, তাকে ডিলিট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি, সে কোনো মতেই ডিলিট দেওয়ার পক্ষে না। উত্তেজিত অবস্থায় একজন কর্মকর্তা মোবাইলটা নিয়ে নেয়।

তবে সাংবাদিক আবরারে দাবি- হিট অব দ্যা মোমেন্টের ডকুমেন্টস সংগ্রহ করতে গিয়ে ভিডিও ধারণ করেছি। ধস্তাধস্তি করে মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অধিকার তো রাখে না।

নিরাপত্তা কর্মী মিজানুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার সম্ভবনা দেখে উত্তেজিত মোমেন্টে মোবাইলটা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক আবরার আমাকেও ধাক্কা দেয়, এর আগেও সে আমাকে কল দিয়ে হুমকিও দিয়েছে।

ইইই বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেন, যখন উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তখন গিয়ে দেখি দুই শিক্ষকের মাঝে বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। তখন কোনো ধরনের পারমিশন না নিয়ে সাংবাদিক ভিডিও করা শুরু করে দেয়, এর আগে এক শিক্ষককে হুমকি বা রুমে ভাংচুর করে একদল গেল, তাতে বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ। শিক্ষার্থীরা ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ জানালে অস্বীকার করে সাংবাদিক আবরার। তখন এক নিরাপত্তা কর্মী মোবাইলটি নিয়ে নেয়।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হই। ড. মাহবুবুর রহমানকে সালাম দিই। এনি আমার সিনিয়র কিন্তু সালামটা ওনি নেগেটিভলি নিয়ে বলে ওঠল— ‘বাহ শাহীন, ভালো কাজ করছো, আজকের ঘটনা তুমি করিয়েছো।’ তখন আমি বলল, আমি করাবো কেন, প্রমাণ করতে পারবেন? এভাবে বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। তখন হুট করে রুমে সাংবাদিক আবরার অনুমতি না নিয়ে ভিডিও করতে থাকে৷ পাশে বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম- সাংবাদিক কি কারো অনুমতি নিয়েছে কিনা। পারসোনাল রুমে কিভাবে প্রবেশ করলো। এক পর্যায়ে বিভাগের শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে যায়। মোবাইলটি নেওয়ার চেষ্টা করে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা কর্মী সাংবাদিকের মোবাইল হেফাজতে নেয়। এরপর উপাচার্য স্যারকে অবগত করেছি। প্রক্টরিয়াল মিটিং শেষে লিখিত স্টেটমেন্ট নিয়ে সুরক্ষিত অবস্থায় মোবাইল ফেরত দেওয়া হয়েছে। এখানে কেড়ে নেওয়া বা আটকানোর কোনো ঘটনায় ঘটেনি। বিভাগের সভাপতিকে জানানো হলে তাকে সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা সভাপতির কক্ষে বসে।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, আমি অবগত হয়েছি। প্রক্টরকে মোবাইলটি দিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। ঘটনাটি লিখিত দিতে উভয়কে বলেছি। তদন্ত কমিটি যেহেতু আছে সার্বিক বিষয় দেখবে।

এদিকে সাংবাদিক আবরার প্রক্টরের কাছে দেওয়া লিখিত স্টেটমেন্টে লিখেন, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ওয়াসিফ আবরার, আজ ১৬ আগস্ট দুপুরে ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ইইই বিভাগ থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ইবির নিরাপত্তাকর্মী মিজানুর রহমান আমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়। আজ বিকাল ৫টার সময় ইবির প্রক্টর অফিস থেকে আমি আমার ফোনটি সুরক্ষিত এবং যথাযথভাবে বুঝে পেলাম।

Continue Reading

top3

ব্র্যাক ব্যাংকের সহায়তায় কুবিতে ৩৫০০ দুর্লভ প্রজাতির চারা রোপণ শুরু

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসে ব্র্যাক ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতা ও উদ্ভিদ ও পরিবেশবিষয়ক সংগঠন ‘তরুপল্লব’-এর সার্বিক সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রজাতির ৩ হাজার ৫০০টি দুর্লভ গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন চত্বরে চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, ব্র্যাক ব্যাংকের কুমিল্লা শাখার আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ মাসুদ আলম, ‘তরুপল্লব’-এর সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন ও সংগঠক হেনা সোলতানা।

জানা যায়, চারাগুলোর মধ্যে রয়েছে কনকচাঁপা, স্বর্ণচাঁপা, ম্যাগনোলিয়া, পলাশ, বিভিন্ন ঔষধি ও ফলজ গাছের চারা।

ব্র্যাক ব্যাংকের কুমিল্লা শাখার আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ মাসুদ আলম বলেন, ‘প্রকৃতির উন্নয়ন ও সবুজায়নে ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় বিশ্বাসী। এরই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও আর্থিক সহায়তায় ৩ হাজার ৫০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। সারাদেশের ১৪টি প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় ব্র্যাক ব্যাংকের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে।’

‘তরুপল্লব’-এর সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় ‘তরুপল্লব’ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও প্রতিষ্ঠানে মোট ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করছে। এর অংশ হিসেবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩ হাজার ৫০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা এসব চারার মধ্যে দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির গাছই বেশি।’

তিনি আরও বলেন, “উপাচার্য কনকচাঁপার চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিনিধিরা স্বর্ণচাঁপার চারা রোপণ করেন। বর্তমানে এ প্রজাতির চারা পাওয়া অত্যন্ত দুর্লভ।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার প্রধান মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক ও ‘তরুপল্লব’-এর সহযোগিতায় রোপণ করা ৩ হাজার ৫০০টি গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও দেখাশোনা করা হবে। গাছগুলো বেড়ে উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও সবুজ ও সুন্দর হয়ে উঠবে।”

Continue Reading

Trending