Connect with us

রাজনীতি

একযোগে আওয়ামী লীগের ১৬ নেতার পদত্যাগ

Published

on

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৬ নেতার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পশারগাতি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান মীরের কৃষ্ণাদিয়া গ্রামের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ ঘোষণা দেন।

আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণাকারী নেতারা হলেন- মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, পশারগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী সামসুদ্দোহা, আব্দুর রহমান মীর, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আফজাল মাসুদ, ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি নাসিরুদ্দিন মিয়া, ৮নং ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক জামালুদ্দিন মিলু, ৬নং ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ঘোষ, ৮নং ওয়ার্ড কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্যা, ১নং ওয়ার্ড কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ মোল্যা, ২নং ওয়ার্ড কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ শরীফ, ২নং ওয়ার্ড কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বজল চক্রবর্তী, ১নং ওয়ার্ড কমিটির সহ-সভাপতি মো. আলী জিন্নাহ, ইউনিয়ন কমিটির সদস্য জামাল শেখ, ১নং ওয়ার্ড কমিটির সম্পাদক জাকির মীর এবং ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি আলীম খান।

পদত্যাগী নেতাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন পশারগতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মীর। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দল। তাই আমরা স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যসহ দলীয় সব পদ থেকে একযোগে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শনিবার (১ আগস্ট) থেকে ওই দলের সঙ্গে আমাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই। ভবিষ্যতেও থাকবে না। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যতে আমরা জনকল্যাণে কাজ করে যাব বলে অঙ্গীকার করছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কারো চাপে বা অত্যাচারে নয়, আমরা স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে কারণে সংবাদ সম্মেলন করে আমরা পদত্যাগের ঘোষণা দিলাম।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত

Published

on

By

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের (ফেরত পাঠানোর) অনুরোধটি ভারতের প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় পেশ করা একটি সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

ভারতীয় কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের ওপর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্যটি প্রকাশ পায়। 

‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক’ শীর্ষক কমিটির নবম প্রতিবেদনে উল্লেখিত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলোর ওপর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সম্বলিত এই প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভারতের সংসদে পেশ করা হয়।

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ সম্পন্ন করে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো এই প্রত্যর্পণ আবেদনটি নোট করার কথা জানিয়েছে কমিটি। একই সঙ্গে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি সম্পর্কে সংসদকে অবহিত রাখার জন্য কেন্দ্রের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে তারা।

সংসদীয় কমিটি উল্লেখ করেছে যে, দিল্লিতে শেখ হাসিনার অবস্থানের বিষয়টি ভারতীয় ‘সভ্যতার চেতনা ও অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি বা চরম কষ্টে থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয় দেয়ার মানবিক ঐতিহ্য’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ভারতীর ভূখণ্ড থেকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য শেখ হাসিনাকে কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম বা সুযোগ দেওয়া হয়নি।

কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ভূখণ্ডকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না দেওয়ার নীতিতে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে দেশটি। কমিটি সুপারিশ করেছে যে, এই ধরনের সংবেদনশীল পরিস্থিতিগুলো আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সংগতি রেখে যথাযথভাবে সামলানোর সময় সরকার যেন তার এই ‘নীতিভিত্তিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি’ বজায় রাখে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Continue Reading

top1

দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির

Published

on

By

দেশ পরিচালনায় বিএনপি সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ কোন দলের একার অর্জন নয়, এটা ১৮ কোটি মানুষের অর্জন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি সরকার যুবকদের চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোড়ে মোড়ে চাঁদাবাজ তৈরি করছে।

Continue Reading

রাজনীতি

৫ আগস্ট পল্টনে সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য

Published

on

By

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীর পল্টনে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। একই সঙ্গে হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে জোটটি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনের সামনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। এর আগে সন্ধ্যায় সেখানে জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ২৫ জুলাই সিলেট বিভাগীয় সমাবেশের মধ্য দিয়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি শেষ হয়েছে। নতুন কর্মসূচি নির্ধারণে লিয়াজোঁ কমিটি বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ৩ আগস্ট বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে পরবর্তী কর্মসূচির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।

আলিফের বাম চোখের আলো কোনো দিন ফিরবে না: মাহমুদা মিতু

লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুল মাজেদ আতহারী এবং বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হামিদুর রহমান আযাদ। তবে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন না।

বৈঠকে সম্প্রতি হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচিতে এনসিপির নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানানো হয়। জোটের পক্ষ থেকে এ হামলার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানানো হয়।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্য ও এর শরিক দলগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এ সময় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জবাব রাজনৈতিকভাবেই দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থতা আড়াল করতে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

হামিদুর রহমান আযাদ আরও অভিযোগ করেন, যুবদল, ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা এনসিপির কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Continue Reading

Trending