Connect with us

top3

ইবিতে গাজীপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও বিদায়

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গাজীপুর জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘গাজীপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’- এর নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মুগ্ধ সরোবরে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল-রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান প্রভাষক উম্মে সালমা লুনা এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক ইয়ামিন মাসুম।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিয়ে তাঁদের শিক্ষা ও শিক্ষাজীবনে অবদানের প্রতি সম্মান জানানো হয়।

আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা এবং ব্যাপক ভোজনপর্ব। দিনব্যাপী এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে গাজীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। আনন্দঘন পরিবেশে নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত গাজীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

স্থানীয় নারীদের ক্যান্সার সচেতনতায় ইবি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পেইন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

নারীদের স্তন ক্যান্সার ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, ক্যান্সারের ঝুঁকি ও প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদানের লক্ষ্যে ক্যান্সার সচেতনতা ক্যাম্পেইন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম ফর উইমেন (ক্যাপ)-এর উদ্যোগে কুষ্টিয়ার মধুপুর এলাকায় পিয়ারপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই সচেতনতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন ক্যাপ-এর সভাপতি জান্নাতুল মাওয়া ইতি। তিনি অনুষ্ঠানের আলোচনায় ক্যান্সার সম্পর্কে প্রাথমিক ও সামগ্রিক ধারণা তুলে ধরার পাশাপাশি স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ, ঝুঁকির কারণ, প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া জরায়ুমুখ ক্যান্সারের কারণ, ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়, প্রতিরোধের উপায় এবং সময়মতো স্ক্রিনিং ও চিকিৎসার গুরুত্ব বিষয়ে আলোচনা করেন ক্যাপ-এর ক্যান্সার অ্যান্ড এডুকেশন সেক্রেটারি জুবাইদা নাসরিন দোলা।

আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীদের ক্যান্সার বিষয়ে প্রচলিত বিভিন্ন ভুল ধারণা, উদ্বেগ ও দ্বিধা দূর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি নারীদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসুস্থতার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে যথাসময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

এসময় উপস্থিত শিক্ষক ও তরুণীদের মধ্যে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ, প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ক্যান্সার সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন মোহনা আফরিন মুন্নী ও মারিয়া আক্তার।

সংগঠনটির সভাপতি জান্নাতুল মাওয়া ইতি জানান, ক্যান্সার প্রতিরোধের প্রথম ধাপই হলো সচেতনতা। বিশেষ করে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার সম্পর্কে নারীদের সঠিক ধারণা দেওয়া, ঝুঁকির বিষয়গুলো জানানো এবং সময়মতো পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণে উৎসাহিত করাই ক্যাপ-এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।ক্যাপ ২০১৫ সাল থেকে মায়েদের স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার নিয়ে কাজ করে আসছে।

তিনি আরও জানান, আজকে পিয়ারপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে, এওয়ারন্যাস ক্যাম্পেইনে আমরা শুধু ক্যান্সার সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরিনি; বরং শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেছি, তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, একজন নারী সচেতন হলে সেই সচেতনতার প্রভাব পুরো পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে। আর পরিবার থেকেই শুরু হয় একটি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনের পথ।

Continue Reading

top3

ইবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় আইসিটি বিভাগের সংবাদ সম্মেলন, হুঁশিয়ারি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার মারামারির ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার না হলে আমরণ অনশনে বসবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা ভবনের নিচতলায় ক্যাম্পাসে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য সংবাদ সম্মেলন করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এসময় কথা বলেন আইসিটি বিভাগের ২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, সিয়াম ও শামিম।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাসের বিষয়ে উভয় বিভাগের সভাপতি সহ কয়েক শিক্ষার্থী নিয়ে প্রক্টর অফিসে মীমাংসা করা হয়।আমরা যখন বের হচ্ছিলাম সেই মুহূর্তে আমাদের উপর এক অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালায় (অটাকিং টু মার্ডার)। ওদের (বাংলা) ইন্টেনশন ছিল পুরোপুরি মার্ডার করার যেভাবে আমার উপর বা আমার সহপাঠী আমরা সেখানে ছিলাম মাত্র আটজন শিক্ষক তিনজন এই মোট ১১ জন। তাছাড়া আরেকজন শিক্ষক আহত হয়েছে গুরুতরভাবে বারি স্যার নামে। ওখানে আমাদের একজন শিক্ষককে বুকে লাথি মেরেছে তারপর উনি হাসপাতালে গিয়েছেন। আমাদের উপর একটা মব কালচার সৃষ্টি করে আমাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করার চেষ্টা করা ছিল প্রধান উদ্দেশ্য। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আজকের এই অতর্কিত হামলার তদন্ত কমিটি গঠন করে অতি অল্প সময়ের মধ্যে উনারা একটা প্রতিবেদন দেন। সেখানে তিনজন সন্ত্রাসী শিক্ষার্থীদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছেন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দৃঢ় আস্থা রাখতে চাই। আইসিটি বিভাগ বিভাগের সকল শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক সবাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস আছে।

তারা আরও বলেন, প্রশাসন উক্ত ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে যারা দোষী তাদেরকেই শুধু বিচারের আওতায় নিয়ে আসুক। আমরা চাই না— এখানে বাহিরের তৃতীয় পক্ষের কোন একজন ব্যক্তির নাম ঢুকিয়ে ওকে আবার বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হোক। আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলা বিভাগের সকল শিক্ষকদের প্রতি, বিশেষ করে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান স্যার সহ আরো যারা অন্যান্য স্যার ছিলেন উনারা যথেষ্ট আন্তরিক ছিলেন। উনারা সবার প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক ছিলেন। বিশেষ করে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এ কারণে উনারা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রথম আজকের যে ঘটনাটা ঘটেছে তিন ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে তিনজনকে দোষী সাভ্যস্ত করে তাদেরকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।

বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থী ছাড়াও আরও কিছু কিছু শিক্ষার্থীকে সনাক্ত করেছেন দাবি তাদের। তারা বলেন, বাংলা বিভাগে ২১-২২ বর্ষের আকো, ২২-২৩ বর্ষের চয়েজ কুমার ও রনি নামের শিক্ষার্থীদের সনাক্ত করেছে বলে দাবি। এছাড়া অজ্ঞাত ১০/১৫ জন শিক্ষার্থী সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর করেন বলে দাবি আইসিটি বিভাগের।

তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাদেরকে আমরা আইডেন্টিফাই করতে পেরেছি এবং যারা এখনো আইডেন্টিফাই হয়নি তাদের সবাইকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর যদি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থ হয় তাহলে পুরো আইসিটি বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি নেব এবং আমরা অনুসরণ অনশনে যাব।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলি’তে বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করে। পরদিন বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বুর) দুপুরে দুই বিভাগের মীমাংসা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদের ওপর অতর্কিত হামলা করে বলে অভিযোগ ওঠে। এতে দুই শিক্ষকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনার পর আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং ফটক আটকে রাখেন।

Continue Reading

top3

ইবিস্থ দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায়

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত দিনাজপুর জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মুগ্ধ সরোবরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নবীনদের ফুল, ক্রেস্ট ও চাবির রিং দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইনসানুল ইমামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আব্দুল মুন্তাকিম আল-মারুফ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ফিরোজ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল মালেক, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক সিলভিয়া খানম ও ফাইন আর্টস বিভাগের অধ্যাপক অনিন্দিতা হাবিব।

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মুন্তাকিম আল-মারুফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দিনাজপুর জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য সুদৃঢ় করাই আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য। নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে স্বাগত জানানো এবং তাদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। এই পরিবেশে নিজেদের মানিয়ে নিতে নবীনদের একে অপরের সহযোগিতা করতে হবে। শুধু একাডেমিক পড়াশোনা নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও নিজেদের সম্পৃক্ত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন নিজেকে দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ সময়। একই সঙ্গে আমাদের জেলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সুনাম ধরে রাখার দায়িত্বও সবার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী অধ্যাপক মো. ফিরোজ আল মামুন বলেন, “বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থীর মূল লক্ষ্য যেন শুধু সার্টিফিকেট অর্জন করা অথচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করাই হওয়া উচিত প্রধান উদ্দেশ্য। বর্তমান সময়ে সাধারণ জ্ঞানের পাশাপাশি বিশেষ জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জন জরুরি। নিজের যে বিষয়ে পারদর্শিতা রয়েছে, সে বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। পাশাপাশি লিংকইন্ড, বিডিজবসসহ পেশাগত যোগাযোগের প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকা এবং কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো প্রয়োজন। কারণ অনেক সময় যোগ্যতার পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতাও ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

তিনি আরও বলেন, “ভালো ফলাফলও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি চাকরি ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও সিজিপিএ ও যোগাযোগ দক্ষতা বিবেচিত হয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে। ইসলামের প্রথম বার্তাগুলোর একটি হলো ‘ইকরা’ অর্থাৎ পড়ো। জ্ঞান অর্জনের জন্য নিয়মিত পড়াশোনার বিকল্প নেই। একই সঙ্গে বাবা-মা, শিক্ষক ও অন্যদের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।”

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায় নেওয়ার সময় এমন একটি পরিচয় রেখে যেতে হবে, যাতে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ভদ্রতা, বিনয়, ভালো ফলাফল ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য স্মরণ করেন। ক্যাম্পাসের অস্থিতিশীলতা বা কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে নয়, বরং ভালো উদ্যোগ, মানবিক কাজ ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে নিজেদের পরিচিত করতে হবে।”

Continue Reading

Trending