Connect with us

জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২০

Published

on

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ওসি-সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার কুলিকুন্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন- নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খায়রুল আলম (৪২), পুলিশ সদস্য মো. মামুনুর রশিদ (৩৬), আক্কাস মিয়া (৬০), মামুন মিয়া (২৫), শাকিব মিয়া (১৮), জাহাঙ্গীর (৪৮), রোকসানা বেগম (৪৮), রেহেনা (৩০), চুমকি আক্তার (১৪), রহমান মিয়া (৪৪), আলী আকবর (৩৪), আজিজ (২৬), জসিম মিয়া (৪৫), ছায়াতুন্নেছা (৬০), শিল্পী আক্তার (৩০) ও হোসনেহার বেগম (৪৫)।

আহতদের নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র, কুলিকুন্ডা গ্রামের মো. কাউসার মিয়া প্রতিবেশী মো. এরশাদ মিয়ার বাড়ির জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন। এ নিয়ে এরশাদ মিয়া আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে একাধিক সালিশি বৈঠক হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। সম্প্রতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম.এ. হান্নানের মধ্যস্থতায় এক সালিশে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত পাশ কেটে সোমবার সকালে মো. কাউসারের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এরশাদ মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা বাড়ির তিনটি ঘর ভাঙচুর করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার-সহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এতে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল ইসলাম-সহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ওসি মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, “জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জাতীয়

যমুনা ছাড়ছেন ইউনূস, তারেক ওঠার আগে সংস্কারে যাবে ১ মাস

Published

on

By

প্রায় দেড় বছর বসবাসের পর শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন— যমুনা ছাড়তে পারেন সদ্য বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর মাসখানেকের সংস্কার শেষে ভবনটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওঠার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।

২০২৪ সালের ৮ অগাস্ট প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর যমুনায় ওঠেন ইউনূস। এরপর সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্বে এলেও তিনি এখনও যমুনা ছাড়েননি। এরমধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও যমুনায় থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকালে যমুনা ছাড়ার কথা রয়েছে ইউনূসের।

তবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নতুন সরকার গঠন করার পর থেকেই প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে কয়েকবার যমুনা ছাড়ার কথা বলা হয়েছে। সবশেষ বৃহস্পতিবার ছাড়বেন বলে আমাদের জানিয়েছেন। তারপরের কথা জানি না।”

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “উনার বাসা ছাড়ার বিষয়টা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী দেখছেন, আজকে ছাড়ার বিষটি আমার জানা নেই, তবে শনিবার বিকালে যমুনা ছেড়ে দেওয়ার কথা।”

খালেকুজ্জামান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যমুনায় থাকবেন বলে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। মাসখানেক সময় লাগবে প্রধানমন্ত্রী বাসবভবনের কিছু কাজ আছে, তা করতে।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে গুলশানে থাকছেন। তিনি সেখান থেকে আবদুল গণি রোডের সচিবালয় ও তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন।

১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান এবং ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান তাদের দায়িত্বের দিনগুলো রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যুমনাতেই ছিলেন।

২০০৮ সালে এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমেদও এ ভবনে থেকেছেন।

Continue Reading

top1

ইসির সংশোধনীতে পাল্টে গেল গণভোটের ফলাফল

Published

on

By

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের সংশোধনী এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পূর্বে ঘোষিত ফলাফলের তুলনায় প্রায় ১১ লাখ ভোট কমিয়ে নতুন করে সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, পূর্বে ঘোষিত ফলাফলের তুলনায় ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—উভয় ভোটের সংখ্যাই কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অতিরিক্ত গেজেটের মাধ্যমে এ সংশোধনী তথ্য জানানো হয়।

উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি যাচাইয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ওই ভোটের ফলাফল যা গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছিল।

গেজেটে জানানো হয়, প্রথম গেজেটের হিসাব অনুযায়ী ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন। হ্যাঁ এবং না ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬ জন।

সংশোধিত গেজেটের হিসেব অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১ জন। হ্যাঁ ও না ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১ জন।

আগের তুলনায় ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০টি ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে। অন্যদিকে ‘না’ ভোটের সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫টি। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা আগের চেয়ে ১২ হাজার ৫৫৯টি বেড়েছে। সার্বিকভাবে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি কমেছে।

নির্বাচন কমিশন সংশোধনের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি। গেজেটে কেবল বলা হয়েছে, কমিশনের আদেশক্রমে সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে এত বড় অঙ্কের ভোট কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফলাফল পুনঃযাচাই, তথ্য সংকলনে ত্রুটি সংশোধন কিংবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনার কারণে এ পরিবর্তন আসতে পারে।

উল্লেখ্য, এই গণভোটের মাধ্যমেই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর সাংবিধানিক বৈধতা ও জনসমর্থন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। 

Continue Reading

top2

জাতীয় ভোটার দিবসের সকল কর্মসূচি স্থগিত

Published

on

By

আগামী ২ মার্চ অষ্টম ‘জাতীয় ভোটার দিবস’ উদযাপনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচিসহ মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মসূচি স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ বৃহস্পতিবার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আদেশে বলা হয়েছে, ২ মার্চ অষ্টম ‘জাতীয় ভোটার দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিসহ মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মসূচি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে।

আদেশে অষ্টম জাতীয় ভোটার দিবসের সকল কর্মসূচি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য বলা হয়েছে।

Continue Reading

Trending