Connect with us

নারী

Pin Up Aviator tətbiqini yükləyərək performansımı artırdım

Published

on

Pin Up Aviator tətbiqini yükləyib məşq rejimimi optimallaşdırdım

Mən peşəkar idmançıyam və hər gün reaksiya, koordinasiya və sürət üzərində çalışıram. Rəqiblərlə mübarizədə hər detala diqqət yetirirəm, buna görə də yeni alətlər axtarışındayam. Pin Up Aviator mənim üçün həm əyləncə, həm də taktiki məşq meydançasına çevrildi.

Yükləmə və ilk təəssüratlar

Pin Up Aviator tətbiqini mobil cihazıma quraşdıranda interface-in sürəti və animasiyaların dəqiqliyi məni heyran etdi. Mən məşq planlarımı oyun elementləri ilə birləşdirərək reaksiyamı və qərarvermə sürətimi artıra bildim. Proses sadədir — bir neçə addımda pin up aviator app download edib məşqlərə başlaya bilərsiniz.

İdmançı perspektivi: taktika və dözümlülük

Mən idman terminologiyasından istifadə edərək deyə bilərəm ki, tətbiq mənə “taktiki vizyon” və “situasiya idarəetməsi” üzərində işləməyə kömək etdi. Bu, sürətli qərarlar və stres altında sabit performans üçün vacibdir. Hər oyun mənim üçün interval məşqi kimidir — yüksək intensivlik, qısa rest və fokus.

Mənim məşq protokolum

Gündəlik məşq planımı aşağıdakı kimi qurmuşam:

  • İsitmə: 5 dəqiqə vizual fokus və nəfəs məşqləri
  • İnterval blokları: 10-15 dəqiqə yüksək sürət reaksiya seansları
  • Taktiki analiz: oyun sonrası statistika və qərar qiymətləndirməsi
  • Sərtlik və stabillik: 10 dəqiqə konsentrasiya məşqləri

Texniki tələblər və məsləhətlər

Mənim cihazım və əlaqə şəraiti aşağıdakılar üçün kifayətdir: sabit internet, güncəllənmiş əməliyyat sistemi və kifayət qədər yaddaş. Oyun zamanı gecikməni azaltmaq üçün fon tətbiqlərini bağlamağı və ekran parlaklığını optimallaşdırmağı tövsiyə edirəm.

Etibarlılıq və qaydalar

İdmançı kimi mən həmişə qaydalara və etikaya önəm verirəm. Tətbiqin istifadəsi və məsul oyun anlayışı ilə bağlı rəsmi qaydalar haqqında məlumat üçün rəsmi idman orqanlarının tövsiyələrinə baxa bilərsiniz: Azərbaycan Respublikası Gənclər və İdman Nazirliyi.

Pin Up Aviator mənə həm reaksiya sürətini, həm də taktiki düşüncəni inkişaf etdirmək üçün praktiki platforma verdi. Mənim kimi peşəkar idmançıya uyğun məşq rejimi yaratmaq istəyirsinizsə, tətbiqi yoxlamağı məsləhət görürəm.

Continue Reading

top2

জাইমা রহমান: ‘নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক মুখ’

Published

on

By

বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে সম্প্রতি যে নতুন নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে, তিনি হলেন জাইমা রহমান—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনী এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাতনী। তার শান্ত, পরিমিত ও পেশাদারী উপস্থিতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আগ্রহের জন্ম দিয়েছে।

জন্ম ও পারিবারিক পটভূমি
জাইমা জারনাজ রহমান জন্মগ্রহণ করেন ২৬ অক্টোবর ১৯৯৫ সালে, ঢাকায়। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবার—জিয়া–মজুমদার পরিবারের সদস্য। তার বাবা তারেক রহমান বিএনপির শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা এবং মা ড. জুবাইদা রহমান একজন চিকিৎসক। দাদা–দাদি হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
শৈশবের একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত হলো ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচন, যখন তিনি মাত্র ছয় বছর বয়সে দাদী খালেদা জিয়ার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যান এবং প্রথমবার গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শিক্ষাজীবন ও পেশাগত পরিচয়
জাইমা রহমান তার প্রাথমিক জীবন কাটান ঢাকার সেনানিবাসে। ২০০৮ সালে তার বাবা গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পরিবারসহ তিনি লন্ডনে চলে যান এবং দীর্ঘ ১৭ বছর সেখানেই অবস্থান করেন। লন্ডনে থেকেই তার শিক্ষা ও পেশাগত বিকাশ ঘটে।

শিক্ষা
আইন বিষয়ে স্নাতক: কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন (Queen Mary University of London)
Bar-at-Law: ২০১৯ সালে লন্ডনের লিংকনস ইন (Lincoln’s Inn) থেকে বার অ্যাট ল’ উত্তীর্ণ।

পেশা
জাইমা রহমান যুক্তরাজ্যে প্রশিক্ষিত একজন ব্যারিস্টার। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবার থেকে আসা অনেকের মতো তিনি শুরু থেকেই রাজনীতিতে অংশ নেননি; বরং আইন পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং আধুনিক বিচারব্যবস্থার অভিজ্ঞতা তার প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের থেকে তাকে আলাদা করেছে।

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা: নীরবতা থেকে এগিয়ে আসা
যদিও দীর্ঘ সময় তিনি রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন না, তবুও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মাধ্যমে তিনি আলোচনায় আসেন—

২০২১ সালের বিতর্কের পর জাতীয় নজরকাড়া
আওয়ামী লীগের প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান তার সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করলে বিষয়টি জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে মুরাদ হাসানকে পদত্যাগ করতে হয় এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এই ঘটনাই তাকে সরাসরি জনদৃষ্টিতে আনে।

২০২5 সালে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি প্রতিনিধিদলে অংশগ্রহণ
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ৭৩তম ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট–এ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতিনিধিদলে অংশ নেন যেখানে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নেতৃবৃন্দ ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ তার রাজনৈতিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

বিনপির ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রথম অংশগ্রহণ (২০২৫)
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে তিনি প্রথমবারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দেন, যেখানে দলের ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এই অংশগ্রহণকে দলীয় নেতারা তার আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যাত্রার সম্ভাব্য সূচনা বলে মনে করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা ও প্রত্যাবর্তন (ডিসেম্বর ২০২৫)
১৭ বছর পর বাংলাদেশে ফিরে এসে তিনি একটি আবেগঘন বার্তা দেন-
“I never forgot to tend to and cultivate my roots”
এই বার্তার মধ্য দিয়ে তিনি পরিবার, রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে তার অবস্থানকে অনেকটা স্পষ্ট করেন। বিশ্লেষকদের মতে, তার এই ভাষ্য ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক এঙ্গেজমেন্টের একটি কৌশলগত ইঙ্গিত।

সামাজিক–সাংস্কৃতিক ভূমিকা
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার উপস্থিতি তাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তুলছে।
নারী নেতৃত্বের সম্ভাব্য রোল মডেল হিসেবে তাকে অনেকে দেখছেন।
আন্তর্জাতিক পরিসরে তার যোগাযোগ–সম্পৃক্ততা বিএনপির কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

কেন তিনি আলোচনায়?
রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম, কিন্তু দীর্ঘদিন রাজনীতির বাইরে থাকা—যা রহস্য তৈরি করেছে।
আন্তর্জাতিকভাবে প্রশিক্ষিত তরুণ ব্যারিস্টার, যা রাজনীতিতে নতুন ব্র্যান্ডিং তৈরি করছে।
বিএনপি–র পুনর্গঠন, যুবভিত্তি শক্তিশালীকরণ এবং ২০২৬ নির্বাচনের আগে দলীয় ভাবমূর্তি নতুন করে সাজানোর অংশ হিসেবে তাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জাইমা রহমান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন তা ঘোষণা করেননি। তবুও তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং সাম্প্রতিক কার্যক্রম তাকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সম্ভাবনাময় এক নতুন মুখ হিসেবে তুলে ধরেছে। তিনি কি ভবিষ্যতে বিএনপি–র নেতৃত্বে আরও সক্রিয় হবেন—এ প্রশ্ন এখন জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়।

Continue Reading

নারী

বিএনপি নেতার বসতঘরে দুর্বৃত্তের আগুন, শিশু আয়েশার পর মারা গেলেন ৯০ শতাংশ দগ্ধ ‘স্মৃতি’

Published

on

By

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার বসতঘরে দুর্বৃত্তদের আগুনে শিশু শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার বিন্তির (৮) পর এবার তার বড় বোন সালমা আক্তার স্মৃতিও (১৭) মারা গেছেন। আগুনে শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে স্মৃতি আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্মৃতি সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যবসায়ী বেলাল হোসেনের মেয়ে। বেলাল নিজেও আগুনে দগ্ধ হন। অভিযোগ রয়েছে ১৯ ডিসেম্বর রাতে ভবানীগঞ্জের চরমনসা গ্রামের সুতারগোপ্তা এলাকায় দুর্বৃত্তরা বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পেট্রোল ঢেলে বিএনপি নেতা বেলালের বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে আগুনে পুড়ে ঘর, আসবাবপত্রসহ তার ছোট মেয়ে আয়েশা মারা যায়। আগুনে বেলালসহ তার বড় মেয়ে স্মৃতি, মেজো মেয়ে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া সায়মা আক্তার বিথি দগ্ধ হন। এর মধ্যে বেলাল লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। স্মৃতি ও বিথিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে নেওয়া হয়। আগুনে স্মৃতির শরীরের ৯০ শতাংশ ও বিথির ২ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়। বিথিকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে ভর্তির পরদিনই ছাড় দেওয়া হয়। তবে স্মৃতি আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন। অবশেষে মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন তিনি।

এদিকে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপি নেতা বেলাল বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে কাজ করছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি তালা উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে দুটি তালা লক ও একটি খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগানোর আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ঘটনার দিন আগুনে পুড়ে আয়েশার মৃত্যু হয়। এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ স্মৃতিও মারা গেছে। নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানা মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্ত চলছে।

Continue Reading

top2

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে

Published

on

By

এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে তার বাসায় ফিরতে আরো কিছুটা সময় লাগবে।

মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার।

এর আগে রোববার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় খালেদা জিয়াকে। পরে জানানো হয়, তার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন রয়েছে। খালেদা জিয়া এখন মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে কেবিনে চিকিৎসাধীন আছে।

দলের পক্ষ থেকে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। লল্ডন থেকে তার ছেলে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান সার্বক্ষণিক খালেদা জিয়ার খোঁজ রাখছেন। ঢাকায় তার পাশে আছেন ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান।

Continue Reading

Trending