Connect with us

Betwinner: নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সম্পূর্ণ গাইড

অনলাইন স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার শুরু করার আগে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। এই গাইডে Betwinner সম্পর্কে নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হলো। আপনি চাইলে Betwinner ওয়েবসাইট থেকে প্ল্যাটফর্মটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জানতে পারেন। এরপর বোনাস, অ্যাকাউন্ট সেটআপ, ডিপোজিট, বেট করা এবং নিরাপত্তা—এই ধাপগুলো কীভাবে কাজ করে তা ধাপে ধাপে দেখা হবে। এখানে দেওয়া তথ্যগুলো শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে, যাতে আপনি নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। প্রথমে আপনার লক্ষ্য স্থির করুন, যেমন লাইভ বেটিং করবেন নাকি প্রি-ম্যাচ বেটিং।

Betwinner কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে

Betwinner মূলত একটি অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিভিন্ন ধরনের স্পোর্টস ইভেন্টে বাজি ধরা যায়। সাধারণত ব্যবহারকারীকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয় এবং তারপর অর্থ যোগ করে বেট করতে হয়। প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের আগে এবং ম্যাচ চলাকালীন আলাদা ধরনের বাজার দেখা যায়। প্রি-ম্যাচে সাধারণত অডস স্থির থাকে, তবে সময়ের সাথে পরিবর্তনও হতে পারে। লাইভ বেটিংয়ে ইভেন্ট চলার সাথে সাথে অডস আপডেট হয়। আপনার পছন্দের খেলাধুলা ও বাজার বেছে নিয়ে আপনি বাজি দিতে পারেন।

উপলব্ধ বাজার ও ইভেন্টের ধারণা

বাজার বলতে নির্দিষ্ট ধরনের ফলাফল বা ঘটনার ভিত্তিতে বেট করার অপশনকে বোঝায়। উদাহরণ হিসেবে ম্যাচের ফলাফল, গোল সংখ্যা, নির্দিষ্ট দল বা খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স—এসব বিভিন্ন বাজারে দেখা যায়। কিছু বাজারে একাধিক শর্ত যুক্ত থাকতে পারে, যেখানে একাধিক ফল একসাথে পূরণ হলে পেআউট হয়। ইভেন্ট তালিকায় সময়, লিগ, এবং প্রতিযোগিতা অনুযায়ী সাজানো অপশন থাকে। আপনি যে বাজারে বেট করবেন, সেটির নিয়ম আগে দেখে নেওয়া জরুরি। এতে করে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং সিদ্ধান্ত আরও নির্ভুল হয়।

নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি ও সেটআপ ধাপ

নতুন ব্যবহারকারীর প্রথম কাজ হলো একটি বৈধ অ্যাকাউন্ট তৈরি করা। সাধারণত নাম, জন্মতারিখ, দেশ এবং যোগাযোগের তথ্য দিতে হয়। এরপর আপনাকে শর্তাবলীতে সম্মতি দিতে হয় এবং একটি সুরক্ষিত পাসওয়ার্ড সেট করতে হয়। রেজিস্ট্রেশনের পর ইমেইল বা ফোন নম্বর যাচাই লাগতে পারে। যাচাই সম্পন্ন হলে আপনি ডিপোজিট এবং বেট করার জন্য প্রস্তুত হন। সেটআপের সময় আপনার তথ্য সঠিকভাবে দিন, কারণ পরে তা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে।

যাচাই ও নিরাপত্তা সেটিংস

অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তার জন্য সাধারণত অতিরিক্ত যাচাই প্রক্রিয়া থাকে। এতে ইমেইল ভেরিফিকেশন বা পরিচয় যাচাইয়ের ধাপ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে অর্থ উত্তোলনের আগে পরিচয় নিশ্চিত করা লাগে। তাই শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা ভালো। পাসওয়ার্ড শক্তিশালী রাখলে অননুমোদিত প্রবেশের ঝুঁকি কমে। আপনি যদি ডিভাইস শেয়ার করেন, তাহলে লগআউট নিশ্চিত করুন।

ডিপোজিট, বোনাস এবং অর্থ ব্যবস্থাপনা

অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেলে পরের ধাপ হলো ডিপোজিট করা। প্ল্যাটফর্মে সাধারণত বিভিন্ন পেমেন্ট পদ্ধতি থাকে, যেমন ব্যাংক কার্ড বা অন্যান্য অনলাইন পেমেন্ট। আপনার জন্য কোন পদ্ধতি উপলব্ধ আছে তা ওয়েবসাইটে চেক করা দরকার। ডিপোজিট করার আগে ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ সীমা দেখা গুরুত্বপূর্ণ। বোনাস ব্যবহার করলে শর্তগুলোও পড়া উচিত, কারণ বোনাসের কিছু নির্দিষ্ট ব্যবহার শর্ত থাকতে পারে। আপনি বোনাস সম্পর্কিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।

বোনাস কীভাবে কাজ করে

বোনাস সাধারণত নির্দিষ্ট ইভেন্ট বা ডিপোজিটের সাথে যুক্ত থাকে। অনেক সময় বোনাসের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিপোজিট প্রয়োজন হয়। এছাড়া বোনাস কবে ব্যবহার করতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ কতটা বেট করা যাবে, সেটি উল্লেখ থাকে। কিছু বোনাসে ওয়েজারিং শর্ত থাকতে পারে, যেখানে নির্দিষ্ট অংকের বেট করার পরেই লাভ তোলার সুযোগ তৈরি হয়। আপনি যদি বোনাস নেন, তাহলে সব শর্ত একবারে বুঝে নিন। এতে করে ভবিষ্যতে সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিভ্রান্তি কমে।

বেট করা: প্রি-ম্যাচ এবং লাইভ ধাপ

Betwinner এ বেট করতে হলে প্রথমে একটি ইভেন্ট নির্বাচন করতে হয়। ইভেন্টে প্রবেশ করলে আপনি উপলব্ধ বাজার ও সংশ্লিষ্ট অডস দেখতে পাবেন। এরপর আপনি পছন্দের ফলাফল বেছে নিয়ে স্টেক নির্ধারণ করবেন। প্রি-ম্যাচে সাধারণত ম্যাচ শুরুর আগে অডস দেখা যায় এবং বেট নিশ্চিত করার পর তা কার্যকর হয়। লাইভ বেটিংয়ে ইভেন্ট চলাকালীন অডস পরিবর্তন হতে পারে, তাই আপডেট লক্ষ্য রাখা দরকার। শেষ ধাপে আপনি রিভিউ করে বেট কনফার্ম করলে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

স্টেক নির্বাচন ও অডস যাচাই

স্টেক হলো আপনি যে পরিমাণ অর্থ বাজি ধরবেন। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য কম স্টেক দিয়ে শুরু করা সাধারণত ভালো অভ্যাস। অডস দেখে নেওয়া জরুরি, কারণ একই ধরনের ফলাফলেও অডস ভিন্ন হতে পারে। বেট দেওয়ার আগে বাজারের নিয়ম ও শর্ত যাচাই করুন। আপনি যদি সিস্টেম বা ফর্মুলা ব্যবহার করতে চান, তাহলে সেটি নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী করুন। অডস পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকলে কনফার্ম করার আগে একবার দেখে নেওয়া সুবিধাজনক।

বেট ইতিহাস ও স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং

বেট নিশ্চিত হলে সাধারণত বেট হিস্ট্রি অংশে তা দেখা যায়। সেখানে স্ট্যাটাস হিসেবে ম্যাচ শুরু হয়নি, চলছে, অথবা নিষ্পত্তি হয়েছে—এমন তথ্য থাকতে পারে। নিষ্পত্তির পর ফল অনুযায়ী পেআউট বা ক্ষতি নির্ধারিত হয়। আপনি যদি একাধিক বেট দেন, তাহলে মোট ফলাফল বুঝতে আলাদা করে হিসাব দেখা লাগতে পারে। স্ট্যাটাস নিয়মিত দেখা আপনার সিদ্ধান্ত উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়া কোনো বেটের ফল বুঝতে অসুবিধা হলে বাজারের বিবরণ আবার যাচাই করুন।

উত্তোলন, লেনদেন এবং অ্যাকাউন্ট রক্ষণাবেক্ষণ

বেট শেষ হলে আপনার ব্যালেন্সে পরিবর্তন আসে এবং সেটি উত্তোলনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। উত্তোলন প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি উইথড্রয়াল ফর্ম পূরণ করতে হয়। আপনাকে পেমেন্ট পদ্ধতি নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে উত্তোলনের আগে পরিচয় যাচাই সম্পন্ন করতে বলা হতে পারে। প্রসেসিং সময় ব্যাংক বা পেমেন্ট সিস্টেমের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে। তাই প্রথম উত্তোলনের আগে আনুমানিক সময় এবং ন্যূনতম উত্তোলন সীমা দেখে নেওয়া ভালো।

লেনদেনের রেকর্ড রাখা

ডিপোজিট এবং উত্তোলনের তারিখ, পরিমাণ, এবং পদ্ধতি নোট করে রাখা সহায়ক। অনলাইনে কোনো সমস্যা হলে এই তথ্য দ্রুত সমাধানে কাজে লাগে। প্ল্যাটফর্মে লেনদেন হিস্ট্রি দেখা যায়, যা ব্যবহারকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি একাধিক বোনাস বা ক্যাম্পেইন ব্যবহার করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট রেফারেন্সও মনে রাখুন। নিয়মিত চেক করলে কোনো অনিয়ম দ্রুত ধরা পড়ে। তথ্য সংরক্ষণ করলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়।

গ্রাহক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ

সমস্যা হলে সাধারণত গ্রাহক সহায়তার মাধ্যমে সহায়তা পাওয়া যায়। প্রশ্ন থাকলে আপনার অ্যাকাউন্ট তথ্য এবং লেনদেনের বিবরণ প্রস্তুত রাখুন। এতে সাপোর্ট টিম দ্রুত যাচাই করতে পারে। আপনি যদি ভুল ডিপোজিট বা ভুল বেট সংক্রান্ত বিষয় দেখেন, তাহলে দ্রুত রিপোর্ট করা ভালো। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়ম ও প্রক্রিয়া সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই বর্তমান নীতিমালা দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজন হলে সাহায্য চাওয়ার আগে নিজের পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে লিখুন। এতে সমাধান দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

নিরাপত্তা, দায়িত্বশীল বেটিং এবং সাধারণ সতর্কতা

নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য প্রধান বিষয়। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করা এড়িয়ে চলুন। আপনার অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে লগইন তথ্য শেয়ার করবেন না। দায়িত্বশীল বেটিংয়ের জন্য বাজেট নির্ধারণ করা দরকার। আপনি যে পরিমাণ হারাতে প্রস্তুত, তার বেশি স্টেক নেবেন না। এছাড়া অল্প সময়ে বেশি বেট দেওয়ার প্রবণতা এড়িয়ে চলুন। কোনো পর্যায়ে আপনি নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন মনে হলে বিরতি নিন এবং প্রয়োজন হলে সহায়তা নিন।

দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চেকলিস্ট

বেট দেওয়ার আগে কিছু বিষয় যাচাই করলে ভুল সিদ্ধান্ত কমে। নিচের তালিকাটি নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সহজ চেকলিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। এটি প্রতিটি বেটের আগে দ্রুত দেখে নেওয়া যায়। স্টেক নির্ধারণ, অডস যাচাই, এবং বাজারের শর্ত বুঝে নেওয়া—সবই এতে অন্তর্ভুক্ত। আপনি চাইলে নিজের জন্য আলাদা একটি নোট তৈরি করতে পারেন। ধারাবাহিকভাবে এসব অভ্যাস মানলে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।

  • নিজের বাজেট ঠিক করুন এবং সেই সীমার মধ্যে স্টেক রাখুন।
  • বাজারের নিয়ম ও সম্ভাব্য ফলাফল আগে বুঝে নিন।
  • অডস পরিবর্তন হচ্ছে কি না—বিশেষ করে লাইভ বেটিংয়ে—খেয়াল করুন।
  • বোনাস নিলে শর্ত, ওয়েজারিং, ও সময়সীমা যাচাই করুন।
  • বেট ইতিহাস নিয়মিত দেখে নিজের ফলাফল ট্র্যাক করুন।

ঝুঁকি কমাতে প্রযুক্তিগত সতর্কতা

অনেক সময় ব্যবহারকারীরা নিরাপত্তাজনিত ভুলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হন। পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করলে সতর্ক থাকুন এবং সম্ভব হলে ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন। ব্রাউজার বা অ্যাপ আপডেট রাখা নিরাপত্তা বাড়ায়। লগইন করার পর অটো-ফিল তথ্য অন্যের সাথে শেয়ার হতে পারে, তাই পাবলিক ডিভাইসে সাবধান থাকুন। কোনো অস্বাভাবিক অ্যাক্টিভিটি দেখলে দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন এবং সহায়তায় যোগাযোগ করুন। পাশাপাশি আপনার ডিভাইসে ম্যালওয়্যার আছে কি না তা যাচাই করা উপকারী। এসব অভ্যাস অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা জোরদার করে।

শাবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রদল নেতার বহিরাগতের নিয়ে হলে শোডাউন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকা ছাত্রদলের এক নেতা বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে শোডাউন দিয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে প্রধান সড়কে এ রাজনৈতিক শোডাউন করেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা।

এসময় তারা ১২ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেল নিয়ে প্রায় ৩০ জনের মত বহিরাগতদের একটি দল ছাত্রদলের স্লোগানে এ কর্মসূচি করেন।

গত দেড় মাসে আগে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে আগামী দুই বছরের জন্য সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হওয়া ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা হাসিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ শোডাউন হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তাকর্মীরা। একই সাথে তাকে ( হাসিব)
আগামী দুই বছরের জন্য ক্যাম্পাসে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আদেশ জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অভিযুক্ত হাসিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) ছিলেন।

এ সময় তারা ‘জিয়ার সৈনিক এক হও, লড়াই কর’, ‘কে বলে রে জিয়া নাই, জিয়া সারা বাংলায়’ এবং ‘এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তবে শোডাউনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশকেই বহিরাগত বলে মনে করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

অভিযোগের বিষয়ে হাসিবুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও তার ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান বলেন, “যদি এটা করে থাকে, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আবাসিক হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও শোডাউন করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “হলের বাইরে শোডাউন দেওয়া নিষিদ্ধ নয়। তবে যদি হলের ভেতরে কিংবা সামনে করে থাকে, তাহলে বিষয়টি যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ছাত্ররাজনীতি, শোডাউন, মিছিল ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ রেখে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি চালুর সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Click to comment

সরকারের ১৮০ দিনের হিসাব নিয়ে শাবিপ্রবিতে দুই ছাত্রসংগঠনের পাল্টাপাল্টি ব্যানার

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের ‘সাফল্য’ ও ‘ব্যর্থতা’ নিয়ে পাল্টাপাল্টি ব্যানার টানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও উদ্যোগ তুলে ধরে ছাত্রদল ‘বাংলাদেশ সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক ব্যানার টানিয়েছে। অন্যদিকে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখা টানিয়েছে ‘বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের যত ব্যর্থতা’ শীর্ষক ব্যানার।

ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জহিরের উদ্যোগে টানানো ব্যানারে সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের ২১টি সাফল্য ও বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধির দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া রেকর্ড ২৮ লাখ টন খাদ্য মজুত, শিক্ষায় বরাদ্দ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি এবং ২ কোটি ২২ লাখ বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন করার তথ্যও ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যানারে আরও বলা হয়েছে, বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের কাজ শুরু, ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারণা বন্ধ, অপচয় রোধ ও জনবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু, জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষায় দায়মুক্তি আইন পাস এবং শিশু রামিসা হত্যার বিচার সম্পন্ন করার বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে।

এ ছাড়া বিচার বিভাগ ও আইন সংস্কার, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন, পররাষ্ট্র ও কূটনৈতিক সাফল্য, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও ই-হেলথ, বিনিয়োগ-বাণিজ্য ও শিল্পায়ন, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং তরুণদের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, যোগাযোগ, পরিবহন ও এভিয়েশন খাতের উন্নয়ন, ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্রীড়া উন্নয়ন, পানিব্যবস্থাপনা ও নদী রক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতির দাবিও করা হয়েছে।

অন্যদিকে সরকারের সমালোচনা করে জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দের টানানো ব্যানারে বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের বিভিন্ন ‘ব্যর্থতা’ তুলে ধরা হয়েছে।

ব্যানারে অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ সংকট ও রেকর্ড লোডশেডিং, ওষুধের মূল্যনির্ধারণ নীতি বাতিল ও হাম ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা, ব্যাংক দখল ও বাজার সিন্ডিকেটের অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিরোধী দলের ওপর দমনপীড়ন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, গণভোটের জনরায় উপেক্ষা, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দলীয়করণ ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে।

এতে আরও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিল করে দুর্বল আইন প্রণয়ন, স্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দখল ও চাঁদাবাজি, শিক্ষাঙ্গনে সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের সন্ত্রাস এবং জুলাইয়ের আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে গাফিলতির অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক সমিতি ও ডাকসুর নির্বাচিত নেতৃবৃন্দের ওপর ছাত্রদলের হামলা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশক্তি ও জকসু নেতৃবৃন্দের ওপর হামলাসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্যের অভিযোগও ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণ ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে ব্যানারে বলা হয়েছে, ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতাকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ, ১৯ জন দলীয় ভিসি নিয়োগ, ১১টি সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশন এবং আটটি নগর উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১১টি সিটি করপোরেশন ও ৬৩টি জেলা পরিষদে দলীয় নেতাদের নিয়োগের অভিযোগও করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক রশিদ আবরার বলেন, “আমাদের ক্যাম্পাসে প্রকৃত সত্য গোপন রেখে বিএনপি সরকারের সাফল্য ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। আমরা শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

অন্যদিকে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহির বলেন, “বিএনপির অফিসিয়াল পেজের তথ্যের আলোকে আমরা ব্যানারে বিএনপির ১৮০ দিনের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেছি। আমাদের ব্যানারে অতিরঞ্জিত কোনো কিছু করা হয়নি। আমি ৪৮ পৃষ্ঠার পিডিএফ থেকে সারসংক্ষেপ আকারে আমার ব্যানারে তথ্যগুলো তুলে ধরেছি।”

Click to comment

নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

জুমার নামাজ শেষে বিকেল ৩টার দিকে চকবাজার চক মসজিদ থেকে শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা হন আন্দোলনকারীরা। প্রায় ৪৫ মিনিট পর তারা শাহবাগে পৌঁছে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন।

এ সময় নোয়াখালীকে দ্রুত পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের এই দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করে নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণা করা হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বৃহত্তর এলাকার মানুষের নাগরিক সেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।

এদিকে আন্দোলনকারীদের সড়ক অবরোধের কারণে শাহবাগ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে আশপাশের সড়কগুলোতেও। ফলে ওই এলাকায় যানজট তৈরি হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পুলিশের সঙ্গে কথা হলে সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

Click to comment

ববিতে পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০-এ মঞ্চ মাতালো আবৃত্তি আসর বরিশাল

ববি প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ( ববি) সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আয়োজিত পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০ অনুষ্ঠানে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে আবৃত্তি আসর, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর সমন্বিত পরিবেশনা “নবীন প্রাণে নতুন সুর”। গত ৩ সেপ্টেম্বর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাুউন্ড ফ্লোরে পলাশকুড়ি অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ।

লাল-সবুজের আবহ, প্রাণবন্ত মঞ্চসজ্জা এবং আবেগঘন উপস্থাপনায় পরিবেশনাটি হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। আবৃত্তির সঙ্গে সংগীতের সুনিপুণ সংমিশ্রণ দর্শকদের মধ্যে সৃষ্টি করে ভিন্নমাত্রার অনুভূতি, যা উপস্থিত শ্রোতাদের করতালিতে বারবার প্রতিফলিত হয়।

পরিবেশনায় অংশ নেন রেজওয়ানা ইসলাম, আবু সাঈদ, জোহরা জিমসহ আবৃত্তি আসরের সদস্যরা। তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত কবিতার পঙ্‌ক্তি ও সম্মিলিত পরিবেশনা নবীনদের উদ্দীপনা, স্বপ্ন এবং মানবিক চেতনার বার্তা তুলে ধরে। পরিবেশনায় সংগীত সহযোগিতায় ছিলেন জারিন তাসনিম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, আবৃত্তি ও সংগীতের এমন সমন্বিত পরিবেশনা পুরো মঞ্চকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং পলাশকুড়ির আবহে নতুন মাত্রা যোগ করে।

পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০-এ আবৃত্তি আসরের এই পরিবেশনা প্রমাণ করেছে শব্দ, সুর ও আবেগ একত্রিত হলে একটি মঞ্চ উঠতে পারে অনুভূতির এক অনন্য উৎসব।

Click to comment

ব্যালন ডি’অর নিয়ে মরিনিহোকে পাল্টা জবাব পিএসজি কোচ এনরিকের

অনলাইন ডেস্ক

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর নিয়ে এখনই শুরু হয়েছে আলোচনা। এবারের পুরস্কারের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে নিজের দলের খেলোয়াড়দের এগিয়ে রেখেছেন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) কোচ লুইস এনরিকে। তার এই মন্তব্যকে হোসে মরিনিহোর সাম্প্রতিক বক্তব্যের পাল্টা জবাব হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে ঘোষণা করা হবে এবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম। টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর পিএসজির একাধিক খেলোয়াড়ই পুরস্কারের দৌড়ে রয়েছেন। তাদের মধ্যে উসমান দেম্বেলে, খিচা কাভারাস্কেইয়া ও ফাবিয়ান রুইজ উল্লেখযোগ্য। স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিতে রুইজও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন।

মোনাকোর বিপক্ষে লিগ ওয়ানের ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এনরিকে বলেন, ব্যালন ডি’অর কে জিতবেন তা নিয়ে তিনি খুব একটা চিন্তিত নন। তবে তার মতে, এবারের পুরস্কার পিএসজির কোনো খেলোয়াড়েরই পাওয়া উচিত।

এনরিকের যুক্তি, পিএসজির খেলোয়াড়দের হাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের সাফল্য রয়েছে। ফাবিয়ান রুইজ বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং উসমান দেম্বেলে গত মৌসুমে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। তাই পিএসজির খেলোয়াড়দেরই এবারের পুরস্কারের দাবিদার মনে করেন তিনি।

এর আগে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হোসে মরিনিহো অবশ্য ভিন্ন মত প্রকাশ করেছিলেন। সরাসরি কারও নাম না বললেও নিজের দলের তারকা কিলিয়ান এমবাপেকে তিনি এগিয়ে রেখেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পর এমবাপেও এবারের পুরস্কারের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী।

এ ছাড়া ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে রয়েছেন লামিন ইয়ামাল, হ্যারি কেইন, লিওনেল মেসি, রদ্রি ও মাইকেল ওলিসের মতো তারকারাও।

মরিনিহো এর আগে বলেছিলেন, শুধু চ্যাম্পিয়নস লিগ বা বিশ্বকাপ জয়ের ভিত্তিতে ব্যালন ডি’অর দেওয়া উচিত নয়। তার মতে, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও একজন খেলোয়াড়ের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

এখন অপেক্ষা ২৬ অক্টোবরের। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে এগিয়ে থাকা এমবাপে, নাকি দলীয় সাফল্যের কারণে পিএসজির কোনো তারকা—শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে ফুটবলের কাঙ্ক্ষিত ‘সোনার বল’, সেটিই দেখার বিষয়।

Click to comment

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি জুলাইয়ের মাঝামাঝির পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক বৃদ্ধি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের ভবিষ্যৎ সরবরাহমূল্য ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বেড়ে ৯৫ দশমিক ৯৩ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৩২ সেন্ট বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১ দশমিক ৮৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ব্রেন্টের দাম ৭ শতাংশের বেশি এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর আগে ২০ জুলাইয়ের পর কোনো একক সপ্তাহে তেলের বাজারে এত বড় সাপ্তাহিক উত্থান দেখা যায়নি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কয়েক দিন ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে।

সূত্র: অয়েল প্রাইস ডটকম

Click to comment

গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক

গাজা উপত্যকা থেকে সব ফিলিস্তিনিকে অন্য দেশে সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী নেতা ও জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির। আসন্ন ইসরায়েলি নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।

বেন গাভিরের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম বছরেই গাজা থেকে প্রায় আড়াই লাখ ফিলিস্তিনিকে সরিয়ে নেওয়া হবে। পরবর্তী ছয় বছরের মধ্যে অঞ্চলটির বাকি বাসিন্দাদেরও স্থানান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কোন কোন দেশ গাজাবাসীদের গ্রহণ করতে প্রস্তুত—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি।

তার দল ‘জুইশ পাওয়ার’ আগামী সরকার গঠিত হলে ‘অভিবাসনবিষয়ক নতুন মন্ত্রণালয়’ গঠনের দাবি জানাবে বলেও জানান বেন গাভির। তার দাবি, প্রায় দেড় বছর গবেষণার পর ২০ পৃষ্ঠার পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছে। নথিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘গাজা উপত্যকা থেকে স্বেচ্ছায় অভিবাসনের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’।

তবে ‘স্বেচ্ছায়’ অভিবাসনের কথা বলা হলেও পরিকল্পনাটি নিয়ে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, অধিকৃত ভূখণ্ডের বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা নিষিদ্ধ।

বেন গাভিরের বক্তব্যের কয়েক দিন আগেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজও গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। তার দাবি, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছে ইসরায়েল।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও গাজার প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দাকে সরিয়ে অঞ্চলটি পুনর্গঠনের একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ওই প্রস্তাব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

এদিকে অক্টোবরের ইসরায়েলি সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে বেন গাভিরের এমন বক্তব্যকে চরম ডানপন্থী ও জাতীয়তাবাদী ভোটারদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি গাজার একটি সামরিক অবস্থান পরিদর্শন করে জানান, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল থেকে তারা সরে যাবে না। ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গাজার প্রায় ৬৫ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Click to comment

শাবিপ্রবি’র ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমেদ চৌধুরী।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত কমিটির সভায় আলোচনা শেষে ভর্তি পরীক্ষার এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়। পরীক্ষার সময়সূচি, আবেদন প্রক্রিয়া ও ইউনিটভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

Click to comment

শাবি প্রেসক্লাবের উদ্যােগে ‘সাংবাদিকতায় মুক্তপাঠ’ তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

‎সাংবাদিকদের দক্ষতা ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের উদ্যােগে মাসিক পাঠচক্র ‘সাংবাদিকতায় মুক্তপাঠ’ তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস এর জেনারেল ম্যানাজার (জনসংযোগ) ও ঢাকাপোস্ট এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম।
‎‎
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন শাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি নোমান ফয়সাল ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নুর আলম।

কর্মশালায় ‘সাংবাদিকতায় কমিউনিকেশন ও নেটওয়ার্কিং’ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়। এতে সাংবাদিকতায় যোগাযোগ রক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
‎‎
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শাবি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সৈকত মাহাবুব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাগর হাসান শুভ্র, দপ্তর সম্পাদক মোফাজ্জল হক, কার্যকরী সদস্য ইকবাল হোসেন, মাঈন উদ্দিন, নাদির আহমেদ, সদস্য ইসফাক আলি, কাজী মু. আতহার ও হিমেল হান্নান।

Click to comment

বেরোবিতে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ “পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও তৃতীয় স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, “পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধ করা কেবল একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের নৈতিক অঙ্গীকার। মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী অধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তার পক্ষে সোচ্চার থাকা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

উপাচার্য দেশে ইভটিজিং, অনলাইন সাইবার হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কেবল আইন বা প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালাই যথেষ্ট নয়, বরং মানসিকতার পরিবর্তন ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যেখানে কোনো নারী, শিক্ষার্থী বা কর্মী ভয়ের মধ্যে থাকবেন না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ, সমতাভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেরোবি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম। বেরোবি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াছ প্রামানিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউএন ওমেন বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম এনালিস্ট তশিবা কাশেম, আইন ও শালিস কেন্দ্রের উপদেষ্টা মুবারক মোহাম্মদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে সচেতনতামূলক কর্মশালা এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

Click to comment