Connect with us

What is a press release?

Is a press release an effective advertisement and promotion or a pit trap?

The press release is being written on a significant occasion. And this reason should be important for the addressees. In principle, you can create news even from a small event. I think many people will be amused and even published a message that today, for the first time in many months, all employees of the company came to work on time. And if you already have a large and well-known company, then this correctly presented news will work to your advantage. The keywords in this case are correctly submitted.

It is a great art to write not only a competent press release, but also one that covers the event correctly for you. And, as you know, big things are seen from a distance. Therefore, it is more convenient for an outside specialist to isolate the main thing and serve the essence with the right sauce. A professional writer (if you want, a writer) of press releases will not delve into the minor nuances of the event, but will emphasize the benefits to you. He will create the text quickly and in the form that you order. And, importantly, in accordance with the rules of writing informational messages.

In short, the press release consists of several parts.

The title should be short and contain a concise announcement of the information. Everyone reads the headlines on the news feeds. And if something interests them, they already go to the text. Therefore, it is better if the title of your press release is also intriguing – it will catch on faster.

Important: the title must contain the date of the event.

The first paragraph of the message should contain complete but concise information. That is, the answers to 3 questions: who, where, and when. This is the next frontier of the struggle for the reader’s attention. If the reader is from your target audience, then after reading the first paragraph of the press release, they will continue to read, return to your news later, and even tell it to others. If a person accidentally accessed the message, then because of the brevity of the information, he:

a) will not be upset that a lot of his time has been taken away;

b) nevertheless, he will remember the news and, on occasion, he will convey it to your potential client, partner;

c) he will note for himself that this company reports its news intelligibly and clearly.

And that means your press release has worked for you again!

In the main text of the release, you can tell in detail about the event, give the opinions of significant people (necessarily indicating their positions, regalia), and give a brief information about your company.

The signature under the press release should be detailed: full name, title of the position without abbreviations, indication of the contact phone number and e-mail.

As a rule, a press release is issued on the official letterhead of the company. Its volume should not exceed one A4 sheet. The message should not contain overtly promotional information – it irritates the reader like any spam. Many players search for a bookmaker that offers generous conditions especially for newcomers. Simple registration with the correct code opens access to an increased welcome package. This is a great opportunity to double or even triple your starting capital. Upon activation you will receive promo code 1xbet 100% bonus up to $100, increased up to $130. The extra funds allow you to place more accumulators and singles. The platform also provides convenient tools for event analysis, which raises the chances of successful predictions.

গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে প্রথম দফার সংঘর্ষের পর বিকেলেও আবার দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির কারণে কলেজের ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ ও মাস্টার্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা গেছে, কলেজের ভবনের দেয়ালে ‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগ মুক্ত ক্যাম্পাস’ লেখা একটি গ্রাফিতিতে ছিল। সোমবার রাতে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী সেখানে গিয়ে ‘ছাত্র’ শব্দটি মুছে দেন এবং সে জায়গায় ‘গুপ্ত’ শব্দটি লিখে দেন। বিষয়টি নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে বিতণ্ডার জেরে আজ সকালে প্রথম দফায় সংঘর্ষে জড়ান উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা।

চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ জসীম উদ্দিন বলেন, ‘সকালে গ্রাফিতির ওপর লেখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপুর ১২টার পর কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস এবং পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।’

সকালের সংঘর্ষের পর বিকেল ৪টার দিকে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুটি পক্ষ। এ সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায়। কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে দুই পক্ষ একে অন্যকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও তাদের অনেকটা নির্বিকার অবস্থায় দেখা যায়। সংঘর্ষে হতাহতের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানা যাবে

Click to comment

বিস্ফোরক আইনের মামলায় দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী


রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার দেড় মাস বয়সী শিশুসন্তান থাকা সত্ত্বেও মানবিক দিক বিবেচনা করে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। দুপুর ২টার দিকে শিল্পী বেগমকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক শেখ নজরুল ইসলাম আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয় আসামি মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।আসামি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলে তদন্তে জানা যাচ্ছে। মামলাটির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা বিশেষ প্রয়োজন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তিনি আদালতকে জানান, আসামির ১ মাস ১৬ দিনের একটি সন্তান রয়েছে এবং সম্প্রতি তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। মানবিক বিবেচনায় যেকোনো শর্তে জামিন প্রার্থনা করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের আদেশ ঘোষণার পর বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় বারান্দায় কান্নায় ভেঙে পড়েন শিল্পী বেগম। এ সময় তার কোলে দেড় মাস বয়সী শিশুসন্তানকে তুলে দেওয়া হয়। আদালতের বারান্দার বেঞ্চে বসেই তিনি সন্তানকে দুধ খাওয়ান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শিশুসন্তানসহ তাকে কারাগারে যেতে হচ্ছে। পরে শিশুকে কোলে নিয়েই তাকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. তাহমিদ মুবিন রাতুলকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চানখাঁরপুল এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শিক্ষার্থী তাহমিদ মুবিন। চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পর সেখানেও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের আক্রমণের শিকার হন তিনি।মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় আসামি শিল্পীর নির্দেশে ১২০-১৩০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল ও বোমা নিয়ে ভুক্তভোগীর বাসায় হামলা চালায়।

হামলায় পাঁচ লাখ টাকার আসবাব ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ভাঙচুর করা হয় এবং তিন লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়। ভুক্তভোগীর বাসার সামনে রাস্তার ওপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া হত্যার উদ্দেশ্যে ছাত্রের পিতা মো. সোহেল রানাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়

Click to comment

শিক্ষিকা হত্যা: চার দফা দাবিতে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ, কী হয়েছিল সেদিন?

স্টাফ রিপোর্টার:

গেল ১৫ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক ঘোষিত নববর্ষ উদযাপন কর্মসূচি প্রত্যাখ্যান করে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি শিক্ষিকা রুনা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত সহ ৪ দফা দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এসময় দফায় দফায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনে ও প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়েছিলেন তারা। দুপুর ১২ টায় থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। প্রথমে নির্ধারিত সময়ের আল্টিমেটাম, পরে কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি না পেয়ে অবস্থানরত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন-সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে চার দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হল— নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সকল দোষীর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও একজন সদস্যের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, নির্মাণাধীন হল ম্যামের নামে নামকরণ করা ও বিভাগে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া। তবে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে প্রশাসন ভবনের ভিতরে থাকা অবরুদ্ধ এক ব্যক্তির অসদাচরণের কারণে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হন। ওই সময় উত্তেজিত অবস্থায় শিক্ষক ও ছাত্র সংগঠনের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলতে দেখা যায়।

তখন আন্দোলনরত বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, “ম্যাম হত্যার ৪২দিন পার হওয়ার পরেও আমরা দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ দেখতে পাইনি। যার প্রেক্ষিতে প্রথমে অবস্থান কর্মসূচি করি এবং যথাসময়ে প্রশাসনের কোনো রেসপন্স না পেয়ে তালা দিলে ভিসি স্যার ও অন্যান্য শিক্ষকেরা আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পরবর্তীতে ভিসি স্যাররা ডিপার্টমেন্টে এসে আমাদের সাথে বসেন এবং আমরা ভিসি স্যারের কাছে ফেস টু ফেস অনেক কথাবার্তা বলেছি।”

ব্যানার ছেঁড়া নিয়ে সমালোচনা ও অভিযোগ:

প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করলে ভিতর থেকে এক কর্মকর্তার সঙ্গে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বাগবিতণ্ডা হয়। উত্তেজিত অবস্থায় পাশে টাঙানো ছবি সম্বলিত ব্যানার (ছাত্র সংগঠন, জিয়া পরিষদ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত) ছিঁড়ে ফেলতে দেখা যায়। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়। শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেন, “আমরা এতদিন আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটতে দেখিনি। হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে প্রশাসনকে আরও তৎপর হওয়া উচিত।”

ব্যানার ছিঁড়ার বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করে বিভাগের শিক্ষার্থীরা সেইদিন (১৫ এপ্রিল) বিকালে সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “এক কর্মকর্তা আমাদের সঙ্গে মিসবিহেভ করলে উত্তেজিত অবস্থায় ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনা ঘটেছে। যা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা ইচ্ছাকৃত করিনি। দুঃখপ্রকাশ করছি।”

কর্মচারীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাগবিতণ্ডা:

চার দাবিতে প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেয় সমাজকল্যাণ বিভাগের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ওই সময় ভিতরে অবরুদ্ধ থাকা এক কর্মচারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উচ্চবাচ্য করতে শোনা যায়। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, “তোমরা ভিসি স্যারের রুমে গিয়ে তালা দেও, আমাদের আটকিয়ে রাখছো কেন? আমাদের কষ্ট দিবি কেন? ওনার কাছে গিয়ে বিচার চাও, দরজার খুলে দাও। খুলে দিতে বলছি কিন্তু……”। পরপরই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। এদিক থেকে শিক্ষার্থীরা বলেছিলেন, “কষ্ট কি শুধু আপনার হচ্ছে? পারলে বিচার আপনিও চান। ধৈর্য্য ধরতে হবে। বেশি কথা বাড়াবেন না, সরে যান এখান থেকে…..”। একপর্যায়ে “ওনারে ধর ধর” বলে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা ছুটাছুটি করতে লাগছিলেন।

ব্যানার ছিঁড়ে অবমাননার অভিযোগে প্রতিবাদলিপি:

সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ছবি ও জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠন ‘জিয়া পরিষদ’ ও ‘ইউট্যাব’। দোষীদের সনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষরিত পৃথক বিবৃতির মাধ্যমে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মনে করেন, প্রশাসন ভবনের সামনে কতিপয় ছাত্র নামধারী দুষ্কৃতিকারী দেশের আপসহীন নেত্রী সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জাতীয় পতাকার ছবি সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ছিঁড়ে পদদলিত করে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত হলদে পারে না। জাতীয় পতাকা আমাদের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। একইসঙ্গে দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছবি অবমাননা করা শুধু ব্যক্তির প্রতি নয়, বরং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর আঘাত। যারা এ ধরনের ঘৃণ্য কাজে জড়িত, তারা প্রকৃত ছাত্র হতে পারে না। তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উত্তেজনা সৃষ্টির মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। এ ধরনের ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই অবমাননাকর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ব্যানার ছেঁড়ার ইস্যুতে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সমাবেশ:

গত ১৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি অবমাননার অভিযোগে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জাতীয়তাবাদী বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠন ‘ইউট্যাব’ ও ‘জিয়া পরিষদ’। এসময় সংহতি জানিয়ে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা সংগঠন ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে কেউ ৭ দিন আর কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আল্টিমেটাম দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। ১৫ তারিখের ঘটনা ১৯ তারিখ পার হওয়ায় অনেকে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, “প্রশাসনিক চেয়ারে যারা বসে আছে তারা কী করে? যদি আপনারা সরকারের সম্মান রক্ষা করতে না পারেন তাহলে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে চলে যান। আর যদি দায়িত্ব উপযুক্তভাবে পালন করতে পারেন তাহলে দায়িত্বে থাকেন।”

তারা আরও বলেন, “খালেদা জিয়ার অবমাননা মানে বাংলাদেশের অবমাননা, একটি চক্র এরকম তাজ করেই যাবে যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়।”

৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন:

প্রশাসন ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ভবনে তালা লাগিয়ে অবরুদ্ধ করা, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা, ভাংচুর করা, উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দেওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শাহীদ মিয়া-কে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করা। অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তফা আরীফ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহাবুল আলম, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহা. খাইরুল ইসলাম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শহিদুল ইসলাম।

শিক্ষার্থীদের দুঃখপ্রকাশ:

শিক্ষক সংগঠনের প্রতিবাদ সমাবেশের পর গতকাল (২০ এপ্রিল) বিষয়টা স্পষ্ট করতে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাখ্যা দিলেন সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ঘটনার দিন (১৫ এপ্রিল) বিকেলেই আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকে আমরা দুঃখ প্রকাশ করেছি। আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে দেখেছি- গতকালকে আমাদের সম্মানিত শিক্ষকরা একটা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত আমরা জানি না। তারপরও যদি উনারা কষ্ট পেয়ে থাকেন; আমরা সমাজকল্যাণ পরিবারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা চাই না ম্যামের হত্যাকাণ্ডের বিচার কেউ রাজনৈতিকভাবে অন্যদিকে ডাইভার্ট করুক।তারা বলেন, দাবি আদায়ে যখন আমরা প্রশাসন ভবনের গেটে তালা দিই, গুটিকয়েক শিক্ষার্থী ও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ভিতরে আটকা ছিল। উনারা আমাদেরকে বলছিল যে “আপনারা গেট খুঁলে দেন”। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের তাড়া বা খুব বেশি সমস্যা যাদের ছিল, তাদের প্রবেশ/বাহির হওয়ার সুযোগ দিয়েছি। ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়ে কর্মচারীদের বলেছিলাম যে “ভিসি স্যার আসা পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করেন, যদি কথা বলে সন্তুষ্ট হই; আমরা আপনাদেরকে ছেড়ে দিব।”

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, একপর্যায়ে রেজিস্টারভুক্ত কর্মচারী কি-না জানি না, একজন লোক আমাদের সাথে এবং আমাদের মেয়েদের স্লেজিং করেন। রাগান্বিত অবস্থায় তেড়ে আসার চেষ্টা করেন। পরপরই হুমকি ধামকি দিচ্ছিল তিনি। তখন আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঐ মানুষটার সাথে একটু বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটায়। গেটের বামপাশের যে পুরোটা দৃশ্য বিভিন্ন ব্যানারে আটকা। ওখানে দেখা যায় না। উনি যখন ব্যানারের ওপাশে লুকিয়ে যায়, নিচ থেকে উনার (কর্মচারীর) পা দেখা যাচ্ছিল। তখন শিক্ষার্থীরা তাঁকে খুঁজতে গিয়ে ব্যানার বেখেয়ালি সরাতে যায়। ব্যানারগুলো সাধারণত শক্ত রশি দিয়ে টাঙানো না। কর্মচারীকে দেখতে গিয়ে উত্তেজিত অবস্থায় ব্যানারগুলো ছিঁড়ে পড়ে যায়। আমরা কোনো ইনটেনশনালি এই কাজ করতে যাইনি। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থী ম্যামের হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইতে গিয়েছি।

আসামির রিমান্ড শেষে পরবর্তী প্রক্রিয়া:

শিক্ষিকা রুনা হত্যার প্রধান আসামির ২ দিন পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞেসাবাদের (রিমান্ড) পর বিজ্ঞ আদালতে রিপোর্ট জমা দিয়েছে পুলিশ। বাদীপক্ষ আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ সাইদ এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলমান। যদি ঘটনাক্রমে আরও জিজ্ঞেসাবাদের প্রয়োজন পড়ে তারা যেকোনো সময় রিমান্ড চাইবেন। আসামি পক্ষ যদি জামিন চাওয়া তাহলে রাষ্ট্রপক্ষ নামঞ্জুরের প্রক্রিয়ায় যাবেন।

(প্রতিবেদনে সহযোগিতা করেছেন ক্যাম্পাস সাংবাদিক রবিউল আলম ও মোসাদ্দেক হোসেন)

Click to comment

এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই : শিক্ষামন্ত্রী

চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, সারাদেশে একযোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, কোথাও প্রশ্নফাঁস করার ঘটনা বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী কোনো অভিযোগ এলে যাচাইয়ের জন্য সিসিটিভি ফুটেজ আর্কাইভের জন্য নির্দেশনা দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নফাঁস যারা করবে, তারা যেই যন্ত্রটি ব্যবহার করবে, সেই যন্ত্র কারেকশন করার লোকও আছে। সাইবার ক্রাইম যেন আমার এ সেক্টরে না হয়, সেজন্য অনেক দিন ধরেই আমার পূর্বপ্রস্তুতি ছিল। প্রশ্নপত্র ও ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্টদের সবার নম্বর সাইবার ক্রাইম অথোরিটির কাছে দিয়ে রেখেছিলাম। যদি কোনো কিছু ঘটে সঙ্গে সঙ্গে তারা ব্যবস্থা নিতে পারবে। কীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায় তার সব সুবিধা বাংলাদেশে রয়েছে। ব্যবহার করছি না আমরা।

হঠাৎ কেন্দ্র পরিদর্শনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি যদি পেট্রোল নিয়ে, পতাকা উড়িয়ে যাই মানুষ আমাকে চিনে ফেলবে। আমি কোথায় যাচ্ছি এটা কেউ না জানুক সেজন্য। আমি পতাকা, পেট্রোল ব্যবহার করি না। আমি কোথায় যাই কাউকে বলি না। আগেই যদি জেনে যাই তাহলে লাভটা কী?

তিনি বলেন, ডিএমপির কমিশনার গতকাল আমাকে বিশেষভাবে রিকোয়েস্ট করেছিলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো যেন সকাল ৮টা থেকে খোলা থাকে। যারা আগে আসতে চায়, দূর-দূরান্ত থেকে সেই ব্যবস্থা আমরা রেখেছি। তবুও যারা খানিকটা দেরি হয়েছে তাদের নিয়ে নিশ্চয়ই আমি আশা করব তারা যেন বিভ্রান্ত না হয়; ভয় না পায়। তাদের সহযোগিতা করাটাই হচ্ছে আমাদের প্রথম কাজ।

Click to comment

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা আমির হামজার বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল আমির হামজাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছিল। তবে তিনি নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন বিচারক।

মামলার বিষয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর আইনজীবী ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল জানান, ধর্মীয় একটি স্থানে বক্তব্য দেয়ার সময় মন্ত্রী টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যা মানহানিকর বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ২৯৬, ৫০০ ও ৫০৪ ধারায় মামলা করা হয়। তার দাবি, সমন জারির পরও আসামি আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আদালত সংসদ চলাকালীন একজন সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই বলে আদালতকে অবহিত করা হলে বিচারক পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত নেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২৬ মার্চে। সেদিন মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে দেয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে আলোচনায় মন্ত্রী টুকুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন আমির হামজা। ওই মন্তব্যে তাকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর বিষয়টি নিয়ে একাধিক মানহানির মামলা দায়ের করা হয়।

একই ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করেন, যেখানে ১০০ কোটি টাকার মানহানির ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়। আদালত সেই মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে ১৩ এপ্রিল কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগেও আমির হামজার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। অভিযোগে বলা হয়, তিনি এক বক্তব্যে দাবি করেন, বর্তমান ডিসি বদলি হয়ে আসার জন্য ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন।

আইনি নোটিশে তাকে সাত দিনের মধ্যে অভিযোগের পক্ষে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

Click to comment

রাবিতে সিওয়াইবি এর উদ্যোগে অভিযান, ৫ দোকানকে ৩২০০০ জরিমানা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পরিবেশন ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ৫টি খাবার হোটেলকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এবং রাকসু নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সরাসরি তত্ত্বাবধানে ছিল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি চিন্ময় প্রামাণিক এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহকারী প্রক্টর জহিরুল ইসলাম, বেলাল হোসেন ও নাসির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে।

জরিমানার বিবরণ:

অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বর ও সংলগ্ন এলাকার ৫টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতামূলক এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে ক্যাফে গ্রিন ভিউ ২০,০০০ টাকা, সুরুজ হোটেল ৫,০০০ টাকা, বাবু হোটেল ৩,০০০ টাকা, রকি হোটেল ২,০০০ টাকা, মনির হোটেল ২,০০০ টাকা।

অভিযান চলাকালীন সিওয়াইবি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপদেষ্টা ড. মোঃ সালেহ মাহমুদ এবং সংগঠনটির সভাপতি সাদমান প্যারিসসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। এছাড়া রাকসু নেতৃবৃন্দ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

Click to comment

অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে প্রতিনিধিদল পাঠাবে না ইরান

ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের শান্তি আলোচনায় অংশ না নেওয়ার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন শান্তি আলোচনায় কোনো প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে না দেশটি। রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান তার পূর্বের অবস্থানে সম্পূর্ণ অনড়। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলোতে যতক্ষণ পর্যন্ত মার্কিন নৌ-অবরোধ কার্যকর থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ধরনের আলোচনা বা কূটনৈতিক তৎপরতায় বসবে না ইরান।

এদিকে, কূটনীতির মাঠে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন আগামীকাল সোমবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠককে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের ‘শেষ সুযোগ’ হিসেবে প্রচার করলেও, তেহরানের এই অনড় সিদ্ধান্তে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একতরফা অবরোধ অব্যাহত রেখে আলোচনার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা প্রায় অসম্ভব, যা ইরানের এই সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়েছে।

গত কয়েক দিনে ট্রাম্প প্রশাসন কেবল অবরোধই আরোপ করেনি, বরং আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি জাহাজ জব্দ এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এই হুমকির পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও তাদের সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। ইরানের সামরিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের সেনারা এখন ‘আঙুল ট্রিগারে’ রেখেই যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

শান্তি আলোচনার আগে দুই পক্ষের এই বৈরী আচরণ ও সামরিক হুঙ্কার মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা

Click to comment

দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই হিসাবে বাস-ট্রাকের জ্বালানি ‘ডিজেল’ মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাড়া সমন্বয় করতে সরকারকে অনুরোধ করেছেন বাস-ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা।

রবিবারের (১৯ এপ্রিল) মধ্যে সমিতির পক্ষ থেকে দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আশা করছিলাম যে সরকার তেলের দাম যদি বৃদ্ধি করে, তবে সেই সঙ্গে গেজেটে উল্লেখ করে দেবে যে তেলের কারণে এত পয়সা করে প্রতি কিলোমিটার ইনক্লুড হবে।

কিন্তু সেটি হয়নি। আজ মালিকরা বেশি দামে তেল কিনছেন, কিন্তু ভাড়া নিচ্ছেন আগের রেটে। এভাবে তো মালিকরা লস দিয়ে বাস চালাবেন না। আমরা অলরেডি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি যে, আজকের মধ্যে এটা নিরসন করে দিতে।

এই বাস মালিক আরো বলেন, ‘গাড়ির মূল্যের ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২২ সালে একটি বাসের চেসিসের দাম ছিল প্রায় ২৪ লাখ টাকা এবং বডি তৈরি করতে খরচ হতো প্রায় ১১ লাখ টাকা। বর্তমানে সেই একই চেসিসের দাম বেড়ে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা এবং বডি তৈরির খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকায়। অর্থাৎ শুধু এই দুই খাতেই মোট খরচ বেড়েছে প্রায় ২০-২১ লাখ টাকা।

এর সঙ্গে ব্যাংক ঋণের সুদের হারও ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে, ফলে কিস্তির চাপ আরো বেড়েছে মালিকদের ওপর।’

তিনি বলেন, ২০২২ সালে জ্বালানির দাম বাড়ার পর সরকার ভাড়া সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছিল। তখন প্রথমে প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ২০ পয়সা নির্ধারণ করা হলেও পরে তা সমন্বয় করে ২ টাকা ১২ পয়সায় স্থির করা হয়। সেই সময় মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ২ টাকা ৮০ পয়সা প্রস্তাব করা হলেও তা গৃহীত হয়নি। এরপর দীর্ঘ সময় ভাড়ার আর কোনো সমন্বয় হয়নি, যদিও খরচ ধারাবাহিকভাবে বেড়েই গেছে।

এবার অন্তত কিলোমিটারপ্রতি সাড়ে ৩ টাকা না হলে আর গাড়ি চালানো যাবে না।

Click to comment

যেকোনো মুহূর্তে ফের যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আবারও তুঙ্গে উঠেছে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটনকে তেহরান বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যেই এমন কঠোর মন্তব্য সামনে এলো।

ইরানের এই সতর্কবার্তার পরপরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ পেয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও সামরিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাব্য সমাপ্তি এবং আকস্মিক হামলার আশঙ্কায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে ‘হাই অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত ও কৌশলগত অবস্থানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এমন যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতির মধ্যেই অভ্যন্তরীণ চাপে পড়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার সরকারের পদত্যাগ এবং অবিলম্বে তদন্তের দাবিতে শনিবার রাতে তেল আবিবে কয়েক হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু নিজের স্বার্থ রক্ষায় দেশকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। রাফায়েল পিনাইনা নামে এক বিক্ষোভকারী মন্তব্য করেন যে, প্রধানমন্ত্রী ভেতর থেকে ইসরায়েলি সমাজকে ধ্বংস করছেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করছেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিক ও সমাজকর্মীরা গত ৭ অক্টোবর এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তারা মনে করেন, জনগণের সত্য জানার অধিকার আছে। লি হফম্যান-আজিভ নামে এক সমাজকর্মী জানান, তিনি সেইসব শোকাতুর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন, যারা প্রধানমন্ত্রীর শুরু করা এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে প্রিয়জন হারিয়েছেন।

বিক্ষোভকারীদের অনেকেই মনে করেন, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধ শুরু করা ইসরায়েলের একটি বড় কৌশলগত ভুল ছিল। হাইম ট্রিভ্যাক্স নামে এক প্রতিবাদকারী সরাসরি অভিযোগ করেন যে, নেতানিয়াহু দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা না করে কেবল সম্ভাব্য কারাদণ্ড থেকে নিজেকে বাঁচাতেই যুদ্ধের এই পথ বেছে নিয়েছেন

Click to comment

জয়-পলকের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন বিটিসিএল কর্মকর্তা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হত্যাযজ্ঞ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই মামলার পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেবেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) একজন কর্মকর্তা।

প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে এই কর্মকর্তার নাম গোপন রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, আজকের কার্যক্রমের শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষের চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) একজন কর্মকর্তাকে জেরা করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। জেরা সম্পন্ন হওয়ার পরপরই বিটিসিএল কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

এই মামলায় অভিযুক্ত দুই আসামির মধ্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক রয়েছেন। পলাতক থাকায় জয়ের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র থেকে আইনজীবী মনজুর আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশে জুনাইদ আহমেদ পলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা নৃশংস হামলা চালায়।

এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে মারণাস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে হত্যাযজ্ঞ চালানোর প্ররোচনা ও সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এই হামলার ধারাবাহিকতায় রাসেল ও মোসলেহ উদ্দিনসহ অন্তত ২৮ জন নিহতের ঘটনা প্রথম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া উত্তরা এলাকায় ৩৪ জনকে হত্যার পেছনেও তাদের সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আজ পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে এই আলোচিত মামলার বিচারিক কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।

Click to comment