Connect with us

三連ダイスの鼓動:カジノの伝統「大小」で勝機を掴む究極のメソッド

カジノのフロアで古くから愛され、アジアを起点に世界中のギャンブラーを魅了し続けているのが「大小(タイサイ)」です。このゲームは3つのサイコロを振り、その出目の合計や組み合わせを予想するという極めてシンプルなルールでありながら、賭け方のバリエーションによって無限の戦略性が生まれます。現代のオンライン環境で「大小 カジノ」を楽しむプレイヤーにとって、そのスピーディーな展開と一撃で軍資金を跳ね上げる爆発力は、他のテーブルゲームにはない唯一無二の魅力となっています。

大小カジノのダイスとテーブルレイアウト

大小の醍醐味は、なんといっても配当の幅広さにあります。合計値が「大(11〜17)」か「小(4〜10)」かを当てる最も的中率の高いベットから、特定の数字が3つ揃う「トリプル」を狙う超高配当ベットまで、自分のリスク許容度に合わせて自在に勝負をコントロールできます。「大小 カジノ」では、運の要素が強いと思われがちですが、確率論に基づいたチップコントロールを徹底することで、長期的な収支を安定させることも十分に可能です。サイコロがカップの中で踊る瞬間の緊張感こそが、カジノ体験の真髄と言えるでしょう。

戦略的に「大小 カジノ」を攻略するためには、まず各ベットエリアのハウスエッジ(控除率)を理解することが欠かせません。最も勝率が高い「大・小」や「奇数・偶数」へのベットは、初心者でも取り組みやすい一方で、特定の数字の組み合わせを狙う「ペア」や「トータル」は、的中時の喜びを倍増させる高いリターンが設定されています。感情に流されず、過去の出目傾向を示す「罫線」を冷静に分析しながら、勝負どころを見極めてチップを置く姿勢が、最終的な勝利をたぐり寄せます。

基本ルールと多彩なベットオプションの全貌

大小(シックボー)は、ディーラーがボタンを押すと機械が自動で3つのサイコロを振る、あるいはディーラー自らがシェイカーを振ることで進行します。プレイヤーは出目が確定する前に、テーブル上の多彩なエリアにベットを行います。最も一般的な合計値予想のほか、特定の1つの数字が出るかどうかに賭けるシングルベット、2つのサイコロが特定の組み合わせになるダブルベットなど、多層的な賭けが可能です。それぞれの出現確率と配当を照らし合わせ、自分なりの「必勝パターン」を構築することが勝利への近道です。

ライブカジノで味わう圧倒的な臨場感と透明性

最新のオンラインカジノでは、ライブ配信を通じてプロのディーラーと対峙しながら大小を楽しむことができます。高画質なマルチアングルカメラにより、サイコロが振られる様子を鮮明に確認できるため、実店舗のカジノにいるかのような没入感と高い透明性が保証されています。他のプレイヤーのベット状況をリアルタイムで確認したり、チャット機能で交流したりしながらプレイすることで、単なる賭けを超えたエンターテインメントとしての深みを体験できるのが特徴です。

期待値を最大化するためのマネーシステム運用術

大小で勝ち越すためには、統計学的なアプローチが有効です。例えば、マーチンゲール法やパーレー法などのシステムベットを「大・小」のエリアに適用することで、資金のパンクを防ぎながら着実に利益を積み上げることができます。また、特定の数字が出やすい傾向にあるのか、あるいは交互に結果が入れ替わる「テレコ」の状態なのかを瞬時に判断する「出目読み」のスキルを磨くことも重要です。無闇に高配当を追うのではなく、確実性の高い勝負を積み重ねることが、カジノマスターへの道となります。

結論として、大小はシンプルさと奥深さを兼ね備えた、カジノにおける究極のダイスゲームです。自分なりのロジックを磨き、サイコロが描き出す無限の可能性に挑戦してみてください。「大小 カジノ」の世界では、正しい知識と一瞬の閃きが、あなたに輝かしい幸運をもたらすはずです。今日からでも、三つのダイスが織りなすドラマティックな勝負の舞台に飛び込んでみてはいかがでしょうか。

ঘাটতি গ্যাসে বাড়তি লোডশেডিং

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

মহেশখালীতে একটি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে তীব্র গ্যাস-সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এর সঙ্গে কয়লা ও তরল জ্বালানির সরবরাহ-সংকট এবং কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি ত্রুটি যুক্ত হয়ে লোডশেডিং আরও বেড়েছে। শনিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে দেশের বিদ্যুতের ঘাটতি একপর্যায়ে প্রায় ২ হাজার ৯১৬ মেগাওয়াটে পৌঁছায়।

গ্যাস-সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে শিল্প, আবাসিক ও পরিবহন খাতে। অনেক শিল্পকারখানার উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাসাবাড়িতে রান্নার চুলায় পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় রাজধানীর বাইরে, বিশেষ করে জেলা ও গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়েছে।

পেট্রোবাংলার একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত ২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীতে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত পেট্রোবাংলার মালিকানাধীন এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি জানিয়েছে, টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল করতে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে অক্ষত অংশ থেকে চলতি সপ্তাহেই গ্যাস সরবরাহ চালুর চেষ্টা চলছে, যা জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস যোগ করতে সক্ষম হবে।

গ্যাস সরবরাহ নেমেছে ২১০ কোটি ঘনফুটে

দেশে আমদানি করা এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) রয়েছে। এর মধ্যে একটি পেট্রোবাংলার এবং অন্যটি সামিটের মালিকানাধীন হলেও দুটি টার্মিনালই পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জি। একটি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দেশের দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ২৬০–২৭০ কোটি ঘনফুট থেকে কমে ২১০–২১৫ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে। অথচ বর্তমান চাহিদা প্রায় ৪১০ কোটি ঘনফুট।

মোট গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ এলএনজি থেকে আসে। ফলে আবাসিক, শিল্প, বিদ্যুৎ ও সিএনজিসহ প্রায় সব খাতেই গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের আওতাধীন সব শ্রেণির গ্রাহক স্বল্পচাপের সমস্যায় ভুগবেন।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় প্রভাব

গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। সাধারণত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে দৈনিক প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও শুক্রবার তা নেমে আসে প্রায় ৬৭ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুটে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, গ্যাসের অভাবে দেড় হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে।

শনিবার রাত ১টার দিকে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৫৪ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৩ হাজার ২৩৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ২ হাজার ৯১৬ মেগাওয়াট। দিনের বিভিন্ন সময়েও বিদ্যুতের ঘাটতি আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি ছিল।

গ্যাস-সংকটের পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এছাড়া কিছু ফার্নেস অয়েলচালিত কেন্দ্রেও জ্বালানির ঘাটতি রয়েছে। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

ঢাকার বাইরে লোডশেডিং বেশি

বিদ্যুতের ঘাটতি সামাল দিতে দেশজুড়ে লোডশেডিং করা হলেও রাজধানীর তুলনায় জেলা ও গ্রামাঞ্চলে এর মাত্রা বেশি। গ্যাস না থাকায় অনেক পরিবার বৈদ্যুতিক চুলা ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করায় বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে। যদিও সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও তুলনামূলক কম তাপমাত্রার কারণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার কিছুটা কম থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শিল্প, সিএনজি ও আবাসিকে দুর্ভোগ

রাজধানীর রামপুরা, মিরপুর, উত্তরা, মগবাজার, মোহাম্মদপুর ও আদাবরসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দিন ধরেই গ্যাসের চাপ কম। অনেক এলাকায় গভীর রাতেও পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।

সিএনজি স্টেশনগুলোতেও দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় অনেক স্টেশন দিনের বড় একটি সময় গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে অনেক চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ভালুকাসহ দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের চাপ তীব্রভাবে কমে যাওয়ায় অনেক কারখানা উৎপাদন কমাতে বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। বিকল্প হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে।

পরিস্থিতির উন্নতি কবে?

পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলএনজি টার্মিনাল মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আনা হয়েছে এবং দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীরা যৌথভাবে মেরামত কাজ করছেন। চলতি সপ্তাহেই অক্ষত অংশ চালু করা সম্ভব হলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প ও আবাসিক খাতে সরবরাহ কিছুটা বাড়বে এবং গ্যাসের স্বল্পচাপ ও লোডশেডিং পরিস্থিতিরও আংশিক উন্নতি হতে পারে। তবে টার্মিনাল পুরোপুরি সচল হতে আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

Click to comment

দুই বছর পর প্রথমবার প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, জানাবেন রাজনৈতিক পরিকল্পনা

ডিজিটাল ডেস্ক

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে গণমাধ্যমের সামনে আসছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ভারতের নয়াদিল্লির মথুরা রোডে অবস্থিত স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া)। একই সঙ্গে সংগঠনটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হচ্ছে শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে যান। এরপর থেকে তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক জনসভা বা গণমাধ্যমের অনুষ্ঠানে অংশ নেননি।

আয়োজকদের আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী, শেখ হাসিনার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক ও জনপরিচিত ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

অংশগ্রহণকারীদের তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক।

এ ছাড়া প্যানেলে থাকবেন সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমিনুল হক পলাশ, রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশ্লেষক আবু ওবাইদাহ আরিন এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ইউএসএর পরিচালক শাহ মো. বখতিয়ার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন এফসিসি সাউথ এশিয়া এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব প্রেস ক্লাবসের (আইএপিসি) সভাপতি ড. ওয়ায়েল আউয়াদ।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের মেয়াদ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে শেষ হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন সরকার সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচারাধীন মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।

Click to comment

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মার্শাল আর্টের নেতৃত্বে ইরফান-সাজ্জাদ

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত সংগঠন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মার্শাল আর্ট সাইন্স অ্যাসোসিয়েশন (আইইউএমএএসএ) -এর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইরফান উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসাইন মনোনীত হয়েছেন।

রোববার (২ আগস্ট) সংগঠনটির উপদেষ্টা মন্ডলীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

আংশিক কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে ফারহানা নাসরিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তিথী খাতুন, অর্থ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ, দপ্তর সম্পাদক আহাফিন হাসান এবং সদস্য সচিব সুমাইয়া বিনতে আজম মনোনীত হয়েছেন।

‎সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলী নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আইইউএমএএসএ ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাবোধ, আত্মরক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞানভিত্তিক মার্শাল আর্ট চর্চার একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। নতুন নেতৃত্ব সততা, দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।”

নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ইরফান উল্লাহ বলেন, প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য উদ্দেশ্য অনুযায়ী নতুন কমিটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। বরাবরের মতোই শিক্ষার্থীদের জন্য আত্মরক্ষা, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নেতৃত্ব বিকাশে আমরা বৃহৎ পরিসরে কাজ করে যাব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, প্রশিক্ষক, সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং সকল সদস্যের সহযোগিতা নিয়ে আমরা সংগঠনটিকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই।

তিনি আরও বলেন, ‎আইইউএমএএসএ বিশ্বাস করে, নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে সংগঠনটি ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত মার্শাল আর্ট শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও আত্মরক্ষাবিষয়ক কার্যক্রমের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে‎ আইইউএমএএসএ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক মার্শাল আর্ট শিক্ষা, আত্মরক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা, নেতৃত্ব ও শৃঙ্খলা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

Click to comment

চায়ের টংয়ের আড্ডায় চলছিল এইচএসির উত্তরপত্র মূল্যায়ন, অভিযানে ১ বস্তা খাতা জব্দ

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
সিলেটের চায়ের টংয়ের আড্ডায় বসে উচ্চ-মাধ্যমিক-(এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন অবস্থায় প্রায় ১ বস্তা খাতা জব্দ করেছে সিলেটের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

শনিবার (১লা আগস্ট) রাত সাড়ে এগারটায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি চায়ের টং দোকানে এ উত্তরপত্রের খাতা জব্দ করেন বলে জানান সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন।

সিলেটের মেট্রোসিটি ওমেন্স কলেজের প্রভাষক ইকবাল হোসেন সোহান থেকে এ খাতা জব্দ করা হয়। তিনি শাবিপ্রবি বাংলা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রভাষক ইকবাল হোসেন রাত সাড়ে ১০টার দিকে চা দোকানে বন্ধুদের নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়ন করছিলেন। এসময় তার দুই বন্ধুও তার সাথে খাতা কাটতেছিলেন। দোকানে ওই সময় খাতা চালের বস্তায় এক বস্তা ছিল।”

তার মধ্যে আইরিন লিনজা নামে একজন বন্ধু ছিলেন। তিনি তার বিভাগের শিক্ষার্থী এবং শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ছিলেন বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এদিকে শুক্রবারও রাত সাড়ে দশটার দিকে একই দোকানে বসে প্রভাষক ইকবাল, আইরিন লিনজাসহ ৪ জন লোক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতেছিল বলে জানান আরেক প্রত্যক্ষদর্শী এবং প্রতিবেদকের হাতে আসা এক ভিডিও তে তাই দেখা যায়।

এই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, শুক্রবার গাড়ি থেকে নামার আগেই বৃষ্টি শুরু হলে শাবিপ্রবি প্রধান ফটকের পাশের একটি টং দোকানে আশ্রয় নিই। সেখানে দেখলাম দুইজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছেন। একই সঙ্গে তারা চা খাচ্ছিলেন, কেউ কেউ সিগারেটও খাচ্ছিলেন।”

“আমার প্রশ্ন- দেশের লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী পরীক্ষার খাতা কি এমন পরিবেশে মূল্যায়ন হওয়া উচিত? সাধারণত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা মূল্যায়ন করেন। যদি সেটিই নিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে এসব খাতা কীভাবে এল?”

শনিবার রাত ১১টায় এই প্রতিবেদক অনুসন্ধান করতে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান। তখন সিলেট মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন উপস্থিত হয়ে এক বস্তা খাতা জব্দ করেন।

এসময় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইকবাল হোসেন সোহানকে এই পরিবেশে খাতা মূল্যায়ন করছেন কেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ম্যাম আমি খাতা মূল্যায়ন করছিলাম তাড়াহুড়োর জন্য ওদেরকে ( তার বন্ধুদের) নিয়ে কোড নাম্বার টা মিলাচ্ছিলাম।

এ বিষয়ে ইকবালের সাথে খাতা মূল্যায়ন করা শাবিপ্রবি সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আইরিন লিনজা বলেন, “আমার থেকে তো খাতা জব্দ করে নাই। আমি এখানকার আসলে কিছুই না। আমি এখান স্টুডেন্টও না, টিচারও না। আমি এখানকার এক্স সাস্টিয়ান।”

“একজন আনছিল খাতা। ওনিই শিক্ষক। যার খাতা উনি হচ্ছে আমার ফ্রেন্ড। এখানে আমার কোন সংশ্লিষ্টা নেই। আমিও তার সাথে ছিলাম। সে আমার বন্ধু-ব্যাচমেট।”

পরবর্তী সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিনের কাছে এ বিষয়ে কি ধরনের প্রদক্ষেপ জানতে চাইলে তিনি বলেন , “আমি অনেক ব্যস্ত আছি। আমি পরে কথা বলছি। আমি এ বিষয়ে অনেক ব্যস্ত।”

জানা যায়, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক খাতা জব্দ করে নিয়ে যাওয়ার পর সিলেট শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান পুলিশ সাথে নিয়ে এসে অভিযুক্তকে নিয়ে থানায় যান।

এ বিষয়ে সিলেট জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব বলেন, “ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের চেয়াম্যান থানায় আসছেন। শিক্ষা বোর্ডের ওরা থানায় একটা জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করছেন। আমরা ওই শিক্ষককে তাদের (শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা) হেফাযতে দিয়ে দিয়েছি।”

Click to comment

কুবিতে মাতৃত্বকালীন একাডেমিক নীতিমালার দাবিতে ছাত্রশক্তির স্মারকলিপি

কুবি প্রতিনিধি:

‘আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতি দেব’- নেপোলিয়নের এই উক্তিকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নরত নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকরের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে কুবি শাখার জাতীয় ছাত্রশক্তি।

রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় ছাত্রশক্তির কুবি শাখার সংগঠক সৈয়দা নাজিফা নাফিলের নেতৃত্বে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি মাতৃত্ব একজন নারীর জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তবে গর্ভকালীন সময় এবং সন্তান জন্মের পর শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক নানা কারণে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা এবং নির্ধারিত সময়ে একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে উপস্থিতির ঘাটতির কারণে অতিরিক্ত জরিমানা দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ইয়ার ড্রপ নেন। এমনকি অনেকের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও বলা হয়, দেশের কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা চালু থাকলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই। তাই নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্থায়ী ও শিক্ষার্থীবান্ধব মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিভাগীয় পর্যায়ে তা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।

এছাড়া গর্ভাবস্থা ও সন্তান জন্মের পর বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় ৬০ শতাংশের কম উপস্থিতি থাকলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ, উপস্থিতিজনিত জরিমানা মওকুফ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইনকোর্স, মিডটার্ম, অ্যাসাইনমেন্ট ও অন্যান্য একাডেমিক মূল্যায়নে বিকল্প সুযোগ রাখার দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “যেসব শিক্ষার্থী মাতৃত্বকালীন সময়ে একাডেমিক কার্যক্রমে শিথিলতা চায়; তাদের নাম, বিভাগ, রোল এবং কোর্সভিত্তিক সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

Click to comment

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়েকেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও আন্তঃ অনুষদ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

রাশেদ হোসেন,জাককানইবি প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও জুলাই-আগস্ট শহিদ স্মরণে আন্তঃ অনুষদ ছাত্র ফুটবল প্রতিযোগিতা- ২০২৬ উদ্বোধন করা হয়েছে। মাঠ ও প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

রবিবার(২ আগস্ট) বিকালে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই প্রতিযোগিতা ও মাঠের উদ্বোধনীপর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘কথায় আছে- সুস্থ্য দেহ সুস্থ্য মন, তাই দেহ ও মনের সুস্থ্যতার জন্য খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে অন্য অনেক খারাপ কাজ থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। বিশ্বে কোন কোন দেশ শুধু খেলার উপরই গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আমাদের ৫৭ একরের ক্যাম্পাসকে বাড়িয়ে আরও ৭৫ একর অধিগ্রহণের পথে অনেক দূর এগিয়েছি। অধিগ্রহণ করা হলে আমরা সেখানে স্পোর্টস কমপ্লেক্স বানাবো। সেখানে আরও খেলার মাঠসহ, সুইমিংপুলের ব্যবস্থা রাখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা খেলাধুলা করবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তর। তবে আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় দলে খেলার মতো খেলোয়াড় তৈরি করতে। খেলা একই সাথে একে অপরের ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি করে। খেলা একটি টিমওয়ার্ক, দলের একজন খেলোয়াড় একা গোল করতে পারে না, তাকে সকলের সহযোগিতা নিতে হয়।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মোফাছিরুল ইসলাম। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম উদ্বোধনী পর্বের সঞ্চালনা করেন। এসময় বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরর্চচা শিক্ষা দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি অনুষদের ৬টি দল (ছাত্র) অংশগ্রহণ করছে।

উদ্বোধনী দিনে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং কলা অনুষদ ও চারুকলা অনুষদের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ০৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বুধবার একই মাঠে ফাইনাল খেলা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

মাঠ ও খেলার উদ্বোধন শেষে মাননীয় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

Click to comment

সিসিআরটিবি’র উদ্যোগে ইবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ইবি প্রতিনিধি

‘ওয়ান ম্যান, ওয়ান প্লান্ট – প্লান্ট টুডে, প্রটেক্ট টমোররো (One Man, One Plant – Plant Today, Protect Tomorrow)’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবেশ রক্ষা ও ক্যাম্পাসকে সবুজায়ন করতে শতাধিক জার্মান প্রজাতির রক্তকাঞ্চন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ট্রাস্ট বাংলাদেশ (সিসিআরটিবি)।

রোববার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনে ও ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ সংলগ্ন এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বৃক্ষরোপণের উদ্দেশে শাহ আজিজুর রহমান হল গেট থেকে একটি র‍্যালী বের হয়ে বৃক্ষরোপণের এলাকায় এসে শেষ হয়।

এ সময় সিসিআরটিবি’র সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এ সময় সংগঠনের সদস্যরা জানান, সিসিআরটিবি’র এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি চমৎকার আয়োজন। আমাদের এই বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এই ক্যাম্পাস সুসজ্জিত হবে ও দেশের অন্যতম সৌন্দর্যমন্ডিত ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সিসিআরটিবি’র সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন, “সিসিআরটিবি স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ভবিষ্যতেও আমরা ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করব।”

উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম বলেন, “একটি গাছ শুধু অক্সিজেনের উৎস নয়, এটি একটি সুস্থ, নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যতের প্রতীক। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য এবং এটি অন্যদেরও পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করবে।”

আরেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, “পরিকল্পিতভাবে সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করে তোলা সম্ভব। কয়েক বছরের মধ্যেই এই সড়কগুলো ফুলে-ফলে সুশোভিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করবে। আমি আশা করি, অন্যান্য ছাত্রসংগঠনও এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগে এগিয়ে আসবে।”

Click to comment

দুবাই কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত বেনজীর, ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, মুক্তির পর তিনি ইউরোপের একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত তার দুবাই ত্যাগের অনুমতি নেই এবং পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি কারামুক্ত হন। এর আগে ২৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

তবে বেনজীর আহমেদের মুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্টারপোল শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়ার কথা জানায়নি। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথি এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দুবাই পুলিশের সহায়তায় এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় ওই অভিযান পরিচালিত হয়। গত ১২ জুন এ বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে দুবাই পুলিশ।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারসহ একাধিক অভিযোগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে দুদক। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক ছিলেন।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাবের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে সেই তালিকায় বেনজীর আহমেদের নামও অন্তর্ভুক্ত হয়।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে তদন্ত শুরু করে দুদক। অভিযোগ ওঠার পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পরে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।

Click to comment

গণরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে কুবি উপাচার্যের কাছে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোতে স্বচ্ছ ও নীতিভিত্তিক আসন বরাদ্দ, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আবাসন ব্যবস্থা এবং গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে উপাচার্যের কাছে পাঁচ দফা দাবি-সংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, আবাসিক হলে মেধা, দূরত্ব, আর্থিক অসচ্ছলতা ও অন্যান্য যৌক্তিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে সুস্পষ্ট, লিখিত ও স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন করে আসন বরাদ্দ নিশ্চিত করা; হলকে সর্বাত্মক রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থী ওঠানোর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব হল প্রশাসনের হাতে রাখা; গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ; নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য র‍্যাগিংমুক্ত, ভয়ভীতিহীন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা; এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংগঠনের সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, ‘বিজয়-২৪ হলের ছাত্রদল কর্তৃক প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থী ওঠানোর প্রতিবাদে আমরা উপাচার্য বরাবর পাঁচ দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। এছাড়া ২০১৭–১৮ ও ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী মাস্টার্স সম্পন্ন করার পরও হলে অবস্থান করছেন, তাদের বিষয়ে প্রশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, চব্বিশ-পরবর্তী ক্যাম্পাসে গেস্টরুম সংস্কৃতি, দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে হলে ওঠার প্রবণতার অবসান হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোকে কোনো দলীয় প্রভাবের আওতায় না রেখে কেবল শিক্ষার্থীদের আবাসন, পড়াশোনা ও সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত করার জন্য আমরা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমি তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। আমাদের নীতিমালায় এ বিষয়ে কী রয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর ছাত্র পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে হল প্রশাসনকে না জানিয়ে ছাত্রদলের দুই নেতার মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা উপাচার্যের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেয়।

Click to comment

শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাই, আটক ১

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারীরা শিক্ষার্থীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় এক ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সিলেটে গোয়াবাড়ি চা-বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. হাবিবুল্লাহ মেসবাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোয়াবাড়ির কুচারপাড়ায় টিউশনি করাতে যায়। রাত ৯টার দিকে টিউশন শেষে ফেরার পথে রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের বিদেশি (নেপালি) হোস্টেলের সামনে পৌঁছালে ৩ জন দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তারা পাশের চা-বাগানের ভেতরে নিয়ে গিয়ে সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় একজন ছিনতাইকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ মেসবাহ বলেন, ‘রাত ৯টার দিকে টিউশন থেকে ফেরার পথে ৩ ছিনতাইকারী আমাকে আটক করে গোয়াবাড়ি চা বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে অস্ত্রের মুখে আমাকে ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মোবাইল, মানিব্যাগ নিয়ে যায়।’

তিনি আরও জানান, ‘টাকা ও মোবাইল নেওয়ার পরও তারা আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় আমি কিছুটা সামনে এগিয়ে এসে স্থানীয় লোকজনের কাছে সাহায্য চাই। এলাকাবাসীর তাৎক্ষণিক সহায়তায় আমরা ৩ জন দুর্বৃত্তের মধ্যে ১ জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের উপস্থিতিতে আটককৃত ছিনতাইকারীকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জালালাবাদ থানায় যেয়ে মামলা করতে আগ্রহ প্রকাশ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজে বাদী না হয়ে আমাকে বাদী হতে বলছে।’ তবে এ ঘটনায় এখনো মামলা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। এবং আটককৃত একজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাতেই মামলার উদ্যােগ নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ বিষয়ে সিলেট জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব বলেন, গতকাল আমরা একজনকে আটক করে হেফাজতে নিয়ে এসেছি। আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মামলা দায়ের করার কথা। আজ এসে তারা মামলা দায়ের করবে।

Click to comment