Connect with us

丼上の覇権:チンチロリンにおける出目の序列と勝負の理

チンチロリンは、たった3つのサイコロと1つの丼さえあれば成立する、日本古来のシンプルかつ奥深いギャンブルです。このゲームの醍醐味は、一瞬の振りに込められた緊張感と、出目の組み合わせによって決まる厳格な「強さ」の序列にあります。どんぶりの中でサイコロが奏でる音に耳を傾けながら、プレイヤーは常にどの役が相手を圧倒し、どの目が敗北を意味するのかを熟知していなければなりません。基本的な「チンチロ 強さ」のヒエラルキーを理解することは、場を支配するための絶対条件となります。

チンチロリンの熱き勝負の世界

ゲームの序列において、頂点に君臨するのは言わずと知れた「ピンゾロ」です。1の目が3つ揃うこの役は、通常の配当の数倍、時には5倍もの支払いを受けることができる絶対的な破壊力を持っています。初心者がまず叩き込むべきは、こうした特殊役と通常の「目」の明確な違いです。「チンチロ 強さ」の法則に従えば、どんなに良い目を出したつもりでも、上位の特殊役には抗えないという残酷な真実が、このゲームのスリルをより一層引き立てています。

また、実戦において勝敗を分けるのは、強運だけではありません。役が成立しない「役なし」の状態や、サイコロが丼の外に飛び出してしまう「ションベン」といったミスをいかに回避し、冷静に確率を追えるかが重要です。親と子の攻防の中で、どのタイミングで勝負をかけるべきか。それを判断する基準もまた、知識としての「チンチロ 強さ」に集約されます。出目の強弱を完璧に把握した者だけが、どんぶりという名の戦場で生き残ることができるのです。

絶対王者の特殊役:ピンゾロとアラシの衝撃

チンチロリンには、成立した瞬間に場が凍り付くほどの強力な役が存在します。最強の「ピンゾロ(1・1・1)」、それに次ぐ2から6のゾロ目である「アラシ」、そして4・5・6が揃う「シゴロ」は、通常の目とは比較にならないほどの優位性を持ちます。特にシゴロは、通常の出目の中では最強の「6」に対しても勝利を収めるため、これらを引けるかどうかが大きな波を掴む鍵となります。これらの役は出現率が低い分、恩恵も絶大です。

逆転の絶望:ヒフミとションベンのペナルティ

強さを追求する一方で、避けなければならないのが最弱の役である「ヒフミ(1・2・3)」です。この役が出てしまうと、通常は倍の支払いが発生し、親であれば即座に親権を失うという屈力が待っています。また、物理的な失策であるションベンも、役の強さ以前に勝負師としての格を問われる行為です。プレッシャーがかかる場面ほど、こうした自滅を避ける冷静な動作が、最終的な勝利を支える土台となるのです。

戦略的思考:親と子の期待値コントロール

チンチロリンは親が最大3回まで振れるというルール上、親に大きなアドバンテージがあります。しかし、子が最初の一振りで親よりも強い目を出すことで、そのアドバンテージを逆手に取ることも可能です。出目の序列を完璧に覚え、期待値を冷静に判断できるようになれば、単なる運ゲーは「戦略的な勝負」へと変わります。勝負を分けるのは、一瞬の運と、積み重ねてきた知識の深さなのです。

結論として、チンチロリンで勝ち越すためには、基本的な「チンチロ 強さ」の序列を体に染み込ませた上で、場の空気を読む冷静な視点が不可欠です。サイコロが止まるまでの数秒間、どんぶりの中で何が起きているのかを正しく理解し、最善の選択を続けましょう。ルールをマスターした時、あなたはただの参加者から、場を支配する真の勝負師へと進化を遂げるのです。

কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান ব্র্যাক সিডের

হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

‎ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের যাদুরানী বাজারে ব্র‍্যাক সীড এন্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের আয়োজনে কৃষকদের সাথে আধুনিক ফসল উৎপাদনের কলাকৌশল প্রয়োগ ও হাইব্রিড-১০ ধানের অধিক ফলন উৎপাদন ও বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎সোমবার (১১ মে) দুপুরে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ব্র্যাক সীডের ডিলার দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বেে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র‍্যাক সীড এন্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজ এর রিজিওনাল সেলস অফিসার, কৃষিবিদ মোফাখায়রুল ইসলাম।
‎আরো বক্তব্য রাখেন এসিস্ট্যান্ট সেলস অফিসার রাকিবুল ইসলাম ও কীটনাশক, বীজ, রাসায়নিক সার বিক্রেতাবৃন্দ।
‎অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন টেরিটোরি সেলস অফিসার কৃষিবিদ খোন্দকার মাহাবুবুজ্জামান তামজিদ ।

‎এ সময় কৃষিবিদ মোফাখায়রুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের মাঝে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের কলাকৌশল ও বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড ধান, ভুট্টা, মিষ্টিকুমড়া, শাক-সবজি, করলা, আলু সহ ব্র‍্যাকের উন্নত জাতের ফসল কিভাবে কম কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার করে ফসল উৎপাদন করা যায় সে বিষয়ে দিকনির্দেশনামুলক পরামর্শ দেন ।
এ সময় তিনি কৃষক ও ডিলারদেরকে বায়ো-পেস্টিসাইজের বিষয় উল্লেখ্য করে বলেন অধিকাংশ কৃষকরা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহার।তাই তিনি বায়ো পেস্টিসাইজের সুফল তুলে ধরেন। সেই সাথে ব্র্যাকের বায়ো পেস্টিসাইজের পণ্যগুলো নিয়ে আলোচনা ও ব্যবহার করতে বলেন। তিনি আরো বলেন মাটিতে যদি গ্যাস না থাকে তাহলে ফসল ভালো হবে।
তিনি মাটির গুনাগুন, অল্মীয় বা ক্ষারত্ব, পিএইচ এর মান ৫.৫-৭.৫ এর মধ্যে থাকে তাহলে সেই মাটিতে ভালো ফলাফল আশা করা যায়।

‎কর্মশালায় ৫৭ জন প্রান্তিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ১কেজি করে ব্র‍্যাকের হাইব্রিড-১০ জাতের বিজ প্রদান করা হয়।

আল আমিন আব্দুল্লাহ

Click to comment

ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে টানা দুই টেস্ট জিতে নতুন ইতিহাস লিখেছিল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বরের লাল বলের সেই জয়ের ছন্দটা এবার লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ধরে রাখল ঘরের মাঠেও। মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে অতিথি পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এতে নতুন ইতিহাস লিখল বাংলার দামাল ছেলেরা। ঘরের মাটিতে প্রথমবার টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে অবিস্মরণীয় জয় পেল দেশের ক্রিকেটাররা। এর আগে নিজেদের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেরা সাফল্য এসেছিল ২০১৫ সালে। ওই বছর খুলনাতে পাকিস্তানে সঙ্গে প্রথম টেস্ট ড্র করেছিল বাংলাদেশ। এই প্রথম ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হারালো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।এই ব্যাট-বলের দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে দাপুটে এ জয়ে দুই টেস্টের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম ফাইফারের দেখা পেয়েছেন নাহিদ রানা। তার ফাইফারের ওপর ভর করে মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১৬৩ রানে। তাতে ১০৪ রানের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই প্রথম ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হারালো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ব্যাটিংয়ের মাঝে ভালো করলেও শুরুতে আর শেষ দিকে দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়ায় লড়াই জমিয়ে তুলতে পারেননি পাকিস্তান। শেষের ৭ উইকেট সফরকারীরা হারিয়েছেন মাত্র ৪৪ রানের ব্যবধানে। যে কারণে লড়াই থেকে ছিটকে যায় শান মাসুদের দল। অথচ ৪ উইকেট হারিয়ে ১১৯ রান তুলে ফেলেছিল পাকিস্তান।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৬৬ রানের দারুণ এক ইনিংস উপহার দেন আব্দুল্লাহ ফজল। আর ২৬ রান আসে সালমান আগার ব্যাট থেকে। দলীয় স্কোরে সমান ১৫ রান করে যোগ করেন আজান আওয়াইস, সৌদ শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। নাহিদ ৪০ রান দিয়ে শিকার করে ৫ উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম।

তার আগে ১৭৯ রানের লিড নিয়ে আজ পঞ্চম ও শেষ দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে মুশফিকুর রহিমকে হারালেও লিড বাড়াতে কোনো সমস্যা হয়নি। ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে খেলা শুরু করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ব্যক্তিগত ১৬ রান নিয়ে দিন শুরু করা মুশফিক ফিরে যান ৩৭ বলে ২২ রান করেই। শাহিন শাহ আফ্রিদির বাউন্সারে ফাইন লেগে ক্যাচ তুলে দেন লিটন দাস। ফেরার আগে তার ব্যাটে আসে ২৮ বলে ১১ রান।


রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোরের শিকার হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৮৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। ৫৮ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে সেঞ্চুরির আভাসই দিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক। কিন্তু জাদুকরী তিন অঙ্ক মিস করেছেন শান্ত। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি করার সুযোগ ছিল তার সামনে। তবে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান তিনি। শান্তকে শতক থেকে বঞ্চিত করেন নোমান আলী।

ব্যাটিংয়ে নেমে ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং শুরু করেছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। নোমান আলীর বলে সালমান আগার হাতে ক্যাচ তুলে দেন। ফেরার আগে তার ব্যাটে আসে ২৭ বলে ২৪ রান। তাসকিন আহমেদ অনেকটা ওয়ানডে স্টাইলে করছিলেন ব্যাট। ৬ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। হাসান আলীর বলে তার বিদায়ের পর ইনিংস ঘোষণা করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তাতে বাংলাদেশের লিড দাঁড়ায় ২৬৭। আর তাতে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ১ম ইনিংসে ৪১৩/১০ ও ২য় ইনিংসে ২৪০/৯ ডিক্লে. (নাজমুল ৮৭, মুমিনুল ৫৬, মিরাজ ২৪, মুশফিক ২২, তাসকিন ১১; হাসান ৩/৫২, নোমান ৩/৭৬, শাহিন ২/৫৪)।
পাকিস্তান: ১ম ইনিংসে ৩৮৬/১০ ও ২য় ইনিংসে ১৬৩/১০ (ফজল ৬৬, সালমান ২৬; নাহিদ রানা ৫/৪০, তাইজুল ২/২২)।
ফল: বাংলাদেশ ১০৪ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: নাজমুল হোসেন শান্ত।
সিরিজ: ২ ম্যাচ টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ ১-০তে এগিয়ে।

Click to comment

তামিলনাড়ুর ইতিহাসে প্রথম খ্রিস্টান মুখ্যমন্ত্রী

ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে সম্প্রতি এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। গত রোববার (১০ মে) ৫১ বছর বয়সি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয় ওরফে চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। 

তামিলনাড়ুর ইতিহাসে তিনিই প্রথম খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই দায়িত্ব নিলেন। 

বিজয়ের নবগঠিত দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম বা ‘তামিল ভিক্টরি পার্টি’ (টিভিকে) বিধানসভার ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতে জয়লাভ করেছে। এর পর কয়েকদিনের নাটকীয়তা শেষে বামপন্থী ও কমিউনিস্ট দল এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের সমর্থনে সরকার গঠন করতে সক্ষম হন তিনি। 

এই ফলাফলের মাধ্যমে তামিলনাড়ুতে গত প্রায় ছয় দশক ধরে দুই রাজনৈতিক দল ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-এর পর্যায়ক্রমিক ক্ষমতার ধারার অবসান ঘটল।

পরিচয় ও আদর্শ  

জনপ্রিয়ভাবে ‘থালাপতি’ (সেনাপতি) নামে পরিচিত বিজয় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক এস.এ. চন্দ্রশেখর এবং গায়িকা শোভা চন্দ্রশেখরের সন্তান। তিনি ক্যাথলিক হিসেবে বেড়ে উঠেছেন। তবে নির্বাচনি প্রচারণায় ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে জনকল্যাণমূলক কাজের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। 

তিনি তার আদর্শিক পথপ্রদর্শক হিসেবে সমাজ সংস্কারক পেরিয়ার ই.ভি. রামাসামি, সি.এন. আন্নাদুরাই, কে. কামরাজ এবং সংবিধান প্রণেতা বি.আর. আম্বেদকরের নাম উল্লেখ করেন। 

ক্যাথলিক প্রকাশনা দ্য নিউ লিডার-এর সম্পাদক ফাদার চার্লস অ্যান্থনিস্বামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দলের এই জয়কে ‘প্রকৃতপক্ষে ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। 

তার মতে, নির্বাচনি প্রচারণায় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বিজয়ের ধর্মীয় পরিচয়কে লক্ষ্যবস্তু করায় সংখ্যালঘুদের ভোট একীভূত হতে সাহায্য করেছে। তবে বিজয় নিজে সব ধর্মের উপাসনালয় পরিদর্শন করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রেখেছেন। 

বিজয়ের দল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। সেটা হলো তারা ‘দলিত খ্রিস্টান’দের জন্য তফসিলি জাতি মর্যাদার দাবিকে সমর্থন করেছেন। 

বর্তমানে ভারতীয় আইন অনুযায়ী কেবল হিন্দু, শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মের দলিতরা সরকারি চাকরিজীবী এবং শিক্ষায় এই সংরক্ষণ সুবিধা পান। বিজয় এই সুবিধা খ্রিস্টান ধর্মান্তরিতদের জন্যও বাড়ানোর পক্ষে সোচ্চার। 

ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট 

এমন এক সময়ে বিজয়ের এই উত্থান ঘটল যখন ভারতে খ্রিস্টানদের ওপর সহিংসতার হার ক্রমাগত বাড়ছে। ইউনাইটেড খ্রিস্টান ফোরামের তথ্যমতে, ২০২১ সালে ভারতে এই সহিংসতার ঘটনা ছিল ৪৮৬টি। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৩৪টিতে এবং গত বছর এই সংখ্যা প্রায় ৯০০-তে পৌঁছেছে। 

সিনিয়র সাংবাদিক জন দয়াল উল্লেখ করেছেন, বিজয় ভারতের প্রথম খ্রিস্টান মুখ্যমন্ত্রী নন (উত্তর-পূর্ব ভারতে এমন নজির রয়েছে), তবে তামিলনাড়ুর মতো বড় রাজ্যে তার এই বিজয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের এই জয়যাত্রা কেবল তারকার জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করছে না, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জনকল্যাণমুখী প্রশাসনের প্রত্যাশাকে সামনে নিয়ে এসেছে। 

Click to comment

‎রুয়েটে কেক কেটে এশিয়া পোস্টের শুভ উদ্বোধন

‎রুয়েট প্রতিনিধি

‎নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার অঙ্গীকার নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার (১১ মে) যাত্রা শুরু করেছে অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘এশিয়া পোস্ট’। এ উপলক্ষে সোমবার বিকাল ৬টায় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)  ক্যাফেটেরিয়াতে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

‎কেক কেটে এ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রবিউল ইসলাম সরকার। 

‎অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মনির হোসেন মাহিন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সোহাগ রানা, রুয়েট রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রাকিবুল হাসান নুর, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

‎এসময় ছাত্রকল্যাণ দফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, নতুন একটি নিউজ পোর্টাল এশিয়া পোস্ট যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।  আশা করি তারা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাদের উত্তরোত্তর মঙ্গল কামনা করি।  এবং আশা প্রকাশ করছি, এটি দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নিউজ পোর্টালে পরিণত হতে পারে।”

Click to comment

বিএনপি নেতার ইয়াবা সেবনের ছবি ভাইরাল

সম্প্রতি একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে।

সবুজ মিয়া জামালপুর সদরের রানাগাছা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

ছড়িয়ে পড়া ওই ছবিতে সবুজ মিয়াকে নিচু হয়ে ইয়াবা সেবন করতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক বিএনপি নেতা বলেন, সে আগে থেকেই মাদকের সঙ্গে যুক্ত। ২৩ সালে ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার আগেই সে মাদক সেবন করত।

এ বিষয়ে সবুজ মিয়া ছবিটি তার স্বীকার করে বলেন, ছবিটি কোনো এক ঈদের পরের দিন তোলা হয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে ঈদের পরের দিন একটু মজা করতে গিয়ে সবাই মিলে মাল খেয়েছি, বেড়ার ফাঁক দিয়ে কেউ ছবিটা তুলেছিল। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার কয়েক মাস পর এই ছবি প্রথমবার পোস্ট করা হয়েছিল একটি আইডি থেকে। দুই বছর পর কয়েক দিন ধরে নতুন করে ছবিটি পোস্ট করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি নেশা করি না, আগে মাঝেমধ্যে টুকটাক করলেও এখন করি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান সফি বলেন, মাদকের সঙ্গে যুক্ত কেউ বিএনপির রাজনীতিতে থাকতে পারে না। মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পেলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে

Click to comment

ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত

ইরানের ওপর গোপনে সামরিক হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)— এমন দাবি উঠে এসেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে সরাসরি অংশ নেওয়া একমাত্র আরব দেশ হিসেবে নাম এসেছে আরব আমিরাতের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে সোমবার (১২ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, গত এপ্রিলের শুরুতে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায় আমিরাত। হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল পারস্য উপসাগরের লাভান দ্বীপে অবস্থিত একটি তেল শোধনাগার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সে সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে হামলাটি ওই ঘোষণার আগে নাকি পরে হয়েছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, হামলার পর ইরান একটি নির্দিষ্ট স্থাপনায় ‘অজ্ঞাত শত্রুর’ হামলার কথা জানিয়েছিল। একই সঙ্গে এর প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর কথাও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

যদিও পুরো যুদ্ধে আমিরাতের সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে লাভান দ্বীপে হামলাকে দেশটির সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণের স্পষ্ট উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, উপসাগরীয় অন্য দেশগুলো যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ওয়াশিংটন আবুধাবির অবস্থানকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে।

তবে এ বিষয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের কাছে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা আগের এক বিবৃতির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, ইরানের হামলার জবাব দেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। একইভাবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য এড়িয়ে গেছে।

এর আগে গত মার্চে কয়েকটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল, উপসাগরীয় অঞ্চলে তেহরানের হামলার জবাবে ইরানের একটি পানি শোধনাগার প্ল্যান্টে হামলা চালিয়েছিল আমিরাত। সে সময় আবুধাবি ওই প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যা’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেয়। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে সেই ঘটনার বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

যুদ্ধ চলাকালে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০-এর বেশি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। এতে অঞ্চলটির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি হয়ে ওঠে আরব আমিরাত।

ইরান যুদ্ধ চলাকালে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও হামলার হুমকি দিয়েছিল। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাতেও চাপ সৃষ্টি করে তেহরান। যদিও অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছিল, তবুও কিছু হামলায় সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করা এবং দেশটির সামরিক অবকাঠামো ভেঙে দিতেই যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে এই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সে লক্ষ্য পূরণ হয়নি বলে বিশ্লেষকদের মত

Click to comment

ইরান-সংশ্লিষ্ট ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা

ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ১২ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য।

সোমবার (১১ মে) ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটিশ সরকারের অভিযোগ, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দেশে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে।

মূলত বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি লন্ডনের।

ব্রিটিশ সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী, অভিযুক্তদের ওপর তিন ধরণের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে:

১. সম্পদ বাজেয়াপ্ত: যুক্তরাজ্যে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজ বা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

২. ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা: তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ব্রিটেনে প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

৩. পরিচালক পদে নিষেধাজ্ঞা: এই ব্যক্তিরা কোনো ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বা নীতি-নির্ধারণী পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাজ্যের এই নতুন নিষেধাজ্ঞা তেহরান ও লন্ডনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও তিক্ত করে তুলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা

Click to comment

নেতানিয়াহু ‘বৃহত্তর ইসরাইল’ রূপ দিতে ইরান যুদ্ধকে ব্যবহার করছেন: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যকে সহিংসভাবে নতুন রূপ দেওয়ার জন্য এবং একটি ‘বৃহত্তর ইসরাইল’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমান ইরান যুদ্ধকে ব্যবহার করছেন বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জসিম আল থানি।

আল জাজিরার ‘আল মুকাবালা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিস্ফোরক মূল্যায়ন তুলে ধরেন।

শেখ হামাদ জানান, ইরানের সাথে বর্তমান সংঘাত কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। নব্বইয়ের দশকে ক্লিনটন প্রশাসন থেকেই নেতানিয়াহু তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করে আসছিলেন। তিনি বলেন, “নেতানিয়াহু মার্কিন প্রশাসনকে এই ‘বিভ্রম’ দেখাতে সফল হয়েছেন যে, এই যুদ্ধ হবে স্বল্পস্থায়ী এবং দ্রুত ইরানি শাসনের পতন ঘটবে।”

তিনি ওয়াশিংটনের সামরিক শক্তির ওপর অতি-নির্ভরতার সমালোচনা করে বলেন, এ বছরের শুরুতে ওমানের নেতৃত্বে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সফল হলে এই বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব ছিল।

সাক্ষাৎকারে শেখ হামাদ সতর্ক করেন যে, এই যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিণতি হলো হরমুজ প্রণালীর সংকট। ইরান এখন এই জলপথকে তার নিজস্ব সার্বভৌম অঞ্চল হিসেবে গণ্য করছে এবং একে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করছে। এটি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির চেয়েও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অনেক বড় হুমকি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইরান যুদ্ধে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার আড়ালে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে তেহরান এই অঞ্চলে তার রাজনৈতিক পুঁজি ও জনসমর্থন হারিয়েছে।

অঞ্চলের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলায় শেখ হামাদ একটি “উপসাগরীয় ন্যাটো” গঠনের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বাইরে থেকে নয়, বরং অভ্যন্তরীণ বিভেদ থেকে আসছে। সৌদি আরবকে মেরুদণ্ড হিসেবে রেখে একটি যৌথ রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা প্রকল্প শুরু করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মার্কিন নিরাপত্তার ওপর চিরকাল নির্ভর না করে তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি।

গাজায় ইসরাইলি কর্মকাণ্ডকে “নৈতিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়” হিসেবে অভিহিত করেন শেখ হামাদ। তিনি সতর্ক করেন যে, ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি ছাড়তে উৎসাহিত করার জন্য ইসরাইল অর্থ প্রদান করছে, যা গাজাকে কার্যত একটি ‘রিয়েল এস্টেট প্রকল্পে’ পরিণত করার ষড়যন্ত্র। তবে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ছাড়া হামাসকে নিরস্ত্র করার প্রস্তাব তিনি নাকচ করে দেন। একই সঙ্গে, ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান ছাড়া ইসরাইলের সাথে স্বাভাবিকীকরণ চুক্তিতে সৌদি আরবের অস্বীকৃতির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বাশার আল-আসাদের পতনে স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং নতুন সিরীয় নেতৃত্বের বাস্তবসম্মত অবস্থানের প্রশংসা করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি একটি ঐতিহাসিক গোপন তথ্যও ফাঁস করেন। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে ক্লিনটন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনি একটি বার্তা নিয়ে তেহরানে গিয়েছিলেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল যে ইরান যেন তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করে অথবা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা মেনে নেয়।

শেখ হামাদ বিন জসিম আল থানি উপসংহারে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে একটি বড় ধরনের পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার প্রভাব আগামী কয়েক দশক ধরে অনুভূত হবে।

Click to comment

ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির সর্বশেষ ৮ খবর

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ইসরায়েল এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পাল্টা হুঁশিয়ারিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। সর্বশেষ ঘটনাগুলো তুলে ধরা হলো—

ইরানের জবাব প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে ইরান যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’। তিনি জানান, ইরানের পাঠানো জবাব তার পছন্দ হয়নি।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে বৈঠকে যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মঙ্গলবার বহুজাতিক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক করবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এতে ৪০টির বেশি দেশের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

শি জিনপিংয়ের ওপর চাপ দিতে পারেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে বেইজিং সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওপর ইরান ইস্যুতে চাপ প্রয়োগ করতে পারেন ট্রাম্প।

পাকিস্তানের মাধ্যমে জবাব পাঠিয়েছে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাব পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠিয়েছে ইরান। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আলোচনা মানেই আত্মসমর্পণ নয়।

যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সকে হুঁশিয়ারি তেহরানের

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হলে ‘তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব’ দেওয়া হবে বলে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সতর্ক করেছে ইরান।

উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন হামলা

রোববার উপসাগরীয় অঞ্চলে কয়েকটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। কাতারের দিকে যাওয়া একটি পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন আঘাত হানলে সামান্য আগুন লাগে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কুয়েতও একটি ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে।

যুদ্ধ শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত পুরোপুরি সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হয়নি।

মার্কিন স্থাপনায় হামলার হুমকি আইআরজিসির

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ইরানের ট্যাংকার বা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন স্থাপনা ও শত্রুপক্ষের জাহাজে পাল্টা হামলা চালানো হবে।

Click to comment

পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বজায় রাখা হবে এবং বাহিনীর ‘চেইন অব কমান্ড’ ও ডিসিপ্লিন রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না।

সোমবার (১১ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে ‘ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তৃতা করেন পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন।

মন্ত্রী বলেন, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে অপরাধের ধরন ও মাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। সেজন্য সাইবার ক্রাইম, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব এবং অপপ্রচার প্রতিরোধে একটি বিশেষায়িত ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশের পেশাদারিত্ব বাড়াতে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে দুটি নতুন পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি হবে এলিট ফোর্সের জন্য এবং অন্যটি সাধারণ ফোর্সের জন্য। এলিট ফোর্সের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আলাদা লেজিসলেশন (আইন) প্রণয়ন করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাছাড়া জমি প্রাপ্তি সাপেক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘পুলিশ স্পোর্টস কমপ্লেক্স’ নির্মাণ করা হবে।

অপারেশনাল কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে বডিওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বল প্রয়োগ নীতি অনুসরণে পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অপরাধ দমনে কৌশলী হতে হবে, তবে কোনো অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।

মন্ত্রী পুলিশের সেবার মানোন্নয়নে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ও অনলাইন জিডিসহ সব ধরনের সেবা দ্রুততম সময়ে প্রদানের নির্দেশ দেন। তিনি ট্যুরিস্ট পুলিশের সক্ষমতা বাড়িয়ে পর্যটন খাতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অ্যাডিশনাল ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।

Click to comment