Connect with us

ShakeBets mobiele ervaring en snelle navigatie

Mobiel starten zonder gedoe

Een goede mobiele casino-ervaring begint al vóór het eerste spel. ShakeBets zet duidelijk in op snelle toegang via smartphone, met een mobiele webversie en een app- of downloadroute voor mobiel gebruik. De site noemt Android- en iOS-stappen, maar houdt ook de browseroptie open voor spelers zonder installatie. Dat maakt de instap laag. Een speler opent de site, kiest de mobiele route, logt in en gaat daarna direct naar de lobby.

Die aanpak past goed bij modern speelgedrag. Veel spelers willen niet eerst door zware menu’s, pop-ups of lange technische stappen heen. Ze willen hun account openen, saldo bekijken, een promotie controleren en een spel starten. De mobiele omgeving van ShakeBet Casino richt zich precies op dat korte pad. De gebruiker hoeft geen desktop te gebruiken om bij slots, live games of accountfuncties te komen.

Ook registratie blijft belangrijk op mobiel. ShakeBets beschrijft een aanmeldproces met persoonlijke gegevens, valuta, e-mailbevestiging en daarna een eerste storting vanaf €20. Dat klinkt simpel, maar correcte gegevens blijven nodig. Bij uitbetalingen en controles kan verificatie een rol spelen. Een nette start voorkomt vertraging bij KYC, betalingen of bonusgebruik.

Snelle lobby en helder menu

Een mobiele lobby moet vooral rust geven. ShakeBets gebruikt hoofdkeuzes zoals Casino, Sports, Live, Gokkasten, Live Casino, Bonus en Login in de navigatie. Dat geeft direct richting. De speler hoeft niet te raden waar een categorie staat. De vaste menu-indeling helpt vooral op een klein scherm, waar elke overbodige klik zwaarder voelt dan op desktop.

De kracht zit in de combinatie van korte routes en herkenbare categorieën. Slots, live casino, crash-spellen en sport zitten binnen dezelfde accountomgeving. Daardoor hoeft een gebruiker niet telkens van platform of wallet te wisselen. Dat is prettig voor spelers met gemengd speelgedrag. Iemand kan eerst Big Bass Bonanza openen, daarna naar Crazy Time gaan en daarna sportmarkten bekijken vanuit hetzelfde account.

De site toont ook populaire spelblokken en duidelijke categorieën. Denk aan Popular, Live Casino, Crash-spellen en Gokkasten. Zulke labels helpen bij snelle keuze. Nieuwe spelers zien meteen bekende namen zoals Book of Dead, Gates of Olympus, Starburst en Big Bass Bonanza. Ervaren spelers kunnen sneller naar live titels zoals Lightning Roulette, Monopoly Live, Live Blackjack of Sweet Bonanza CandyLand.

Games onderweg openen

Mobiel spelen draait niet alleen om toegang. Het draait ook om tempo. ShakeBets communiceert meer dan 4.000 casino games en combineert slots, live dealer games, tafelspellen, crash-achtige titels en sportsbook binnen één omgeving. Die breedte maakt de mobiele lobby nuttig voor korte én langere sessies. Een speler met vijf minuten tijd kiest een crash game. Een speler met meer rust opent live roulette of een slot met bonusrondes.

De variatie in providers helpt daarbij. De site noemt en toont bekende studio’s zoals Evolution, Pragmatic Play, NetEnt en Play’n GO. Dat is relevant, omdat mobiele prestaties sterk afhangen van gamekwaliteit. Grote providers bouwen meestal spellen met duidelijke knoppen, schaalbare schermen en snelle laadtijden. Dat merk je vooral bij live casino en crash games, waar vertraging direct storend kan zijn.

De mobiele ervaring voelt sterker door de mix van speltempo’s. Funky Time, Dream Catcher en Cash or Crash geven een showgevoel. Aviator, Spaceman, JetX en Big Bass Crash passen bij korte rondes. Book of Dead, Sweet Bonanza, Wolf Gold en Reactoonz geven meer klassieke slotstructuur. Zo krijgt de gebruiker geen eenzijdige lobby, maar een mobiel speelmenu met duidelijke keuzes per stemming, budget en tijd.

Betalen en account beheren

Een snelle mobiele site verliest waarde zonder goede kassafunctie. ShakeBets noemt Visa, Mastercard, Instant Banking, bankoverschrijving en geselecteerde crypto-oplossingen. De minimale storting begint vanaf €20. Voor standaarduitbetalingen communiceert de site meestal 24 tot 72 uur. Bankoverschrijvingen kunnen 1 tot 3 werkdagen duren. Crypto kan sneller uitvallen, afhankelijk van coin, wallet en netwerk.

Voor mobiel gebruik is die betaalmix praktisch. Kaarten en instant banking voelen vertrouwd. Crypto past beter bij spelers met focus op snelheid en digitale wallets. E-walletnamen en betaaloplossingen zoals Skrill, Trustly, Klarna, Paysafecard, MiFinity en MuchBetter verschijnen ook in het betalingsoverzicht. Daardoor krijgt de speler meerdere routes voor stortingen en saldoverkeer. De beste keuze hangt af van snelheid, kosten, limieten en persoonlijke voorkeur.

Accountveiligheid hoort bij snelle navigatie. ShakeBets noemt SSL-encryptie, KYC- en AML-processen, verantwoord-spelen-tools en tweefactorauthenticatie als extra beveiligingslaag op de mobiele informatiepagina. Dat geeft spelers meer controle over sessies, transacties en inlogmomenten. Toch blijft eigen gedrag belangrijk. Gebruik een sterk wachtwoord, controleer bonusvoorwaarden vóór activatie en speel met vaste limieten. Een soepele mobiele route werkt pas echt goed met bewust accountbeheer.

শাকসু বন্ধ করে ‘উপাচার্য’ হয়েছেন, এবার শাকসু নির্বাচন দিন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের
সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি অ্যাকাডেমিক ভবন ‘ই’ প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব রিয়াজ রিমন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিনিধি থাকলেও শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিনিধি নাই। শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে কথা বলার মানুষ নেই। তাই প্রশাসনকে উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ঠিক করতে হবে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিগত সময়ে আপনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন যদি শাকসু নির্বাচন হয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা কোন সহযোগীতা করবে না। তার বিনিময়ে তারেক রহমান সরকার আপনাকে শাবিপ্রবির উপাচার্য বানিয়েছেন। আপনি আপনার পুরস্কার পেয়েছেন। এখন আপনি শিক্ষার্থীদের শাকসু নির্বাচন দিয়ে দিন।

ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি ও ছাত্রদলের ষড়যন্ত্রের কারণেই শাকসু নির্বাচনের একদিন আগে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এটা আমাদের সকলের কাছে পানির মতো পরিষ্কার।’

উপাচার্যেকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনার রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে। কিন্তু আপনি যখন উপাচার্যের দায়িত্বে আছেন, তখন আপনি ৯ হাজার শিক্ষার্থীর উপাচার্য। রাজনৈতিক পরিচয় এক পাশে রেখে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা করাই আপনার প্রধান দায়িত্ব।’

এ সময় প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘রবিবারের মধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা না করলে আপনাকে অতীত স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির কারণে অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় মাসের পর মাস বন্ধ ছিল। আপনারা যদি শিক্ষার্থীদের দাবিকে উপেক্ষা করেন এবং আমাদের সঙ্গে বসে রোডম্যাপ ঘোষণা না করেন, তাহলে আবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’
জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আবরার রাশিদ বলেন, একটি রাজনৈতিক দল এবং একই সঙ্গে প্রশাসনের যোগসাজশে যেভাবে শাকসু বন্ধ হয়েছে এবং বর্তমান পর্যায়ে যেখানে নতুন প্রশাসন এসে সেটাকে পুনরুদ্ধার ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার কথা, কিন্তু একই প্রশাসন বর্তমান প্রশাসনও সেই আগের প্রশাসনের সঙ্গে যেভাবে হাঁটছে, এর ফল আমরা খুব একটা সুখকর মনে করছি না।

তিনি আরো বলেন, আমরা কিন্তু জুলাই থেকে উঠে আসা মানুষ। আমরা চাই, এই প্রশাসন, এই সরকার আমাদের শিক্ষার্থীদের স্পিডটা বুঝুক। যদি শিক্ষার্থীদের স্পিড বুঝতে ব্যর্থ হয়, যদি শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়া বুঝতে এই সরকার ও প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তবে এর পরিণাম খুব একটা সুখকর হবে বলে আমরা মনে করি না।

Click to comment

জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন হাসিনাকন্যা পুতুল

জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর প্রেক্ষাপটে সংস্থাটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ধাক্কা তার রাজনৈতিক মিত্রদের গণ্ডি পেরিয়ে এখন পরিবারের সদস্যদের ওপরও দৃশ্যমান হচ্ছে। হাসিনার ঘনিষ্ঠ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বর্তমানে বাংলাদেশে দুর্নীতিসহ নানা ফৌজদারি মামলার মুখে পড়েছেন কিংবা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মতো প্রবাসে অবস্থান করছেন।

২০২৪ সালের শুরুর দিকে পাঁচ বছর মেয়াদে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সায়মা ওয়াজেদ। তবে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২৫ সালের মার্চে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা দায়ের করলে একই বছরের জুলাই মাসে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে গত বছরের শেষের দিকে ডব্লিউএইচও তাকে অবৈতনিক প্রশাসনিক ছুটিতে রাখে।

রয়টার্সের দেখা গত ৩ জুলাই ডব্লিউএইচও বরাবর পাঠানো সায়মা ওয়াজেদের আইনজীবীদের একটি চিঠি অনুযায়ী, সংস্থাটি তার বিরুদ্ধে ‘চীন সফরের বিষয়ে আর্থিক জালিয়াতি’ এবং ‘শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুল তথ্য উপস্থাপনের’ অভিযোগ তোলে। তবে সায়মা ওয়াজেদ শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

এ ছাড়া মহাপরিচালক বরাবর পদত্যাগপত্রে সায়মা উল্লেখ করেন, ডব্লিউএইচও তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বেআইনিভাবে একটি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগও এনেছিল। এর জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় যোগদানের আগেই তিনি ওই জমি পেয়েছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত আইনের অধীনে তিনি তা পাওয়ার বৈধ অধিকারী ছিলেন।

ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুসকে দেওয়া চিঠিতে সায়মা ওয়াজেদ নেতৃত্বের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার অঞ্চলের দেশগুলোর সেবা করার লক্ষ্যেই আমি আঞ্চলিক পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছিলাম এবং নিষ্ঠার সঙ্গেই সেই দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু আপনি ক্রমাগত আমাকে দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে আসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আপনার নেতৃত্বের ওপর আমি সম্পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা হারিয়েছি।’

চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমাকে বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর প্রায় এক বছর কোনো পারিশ্রমিক না পাওয়ায় আমার আর্থিক পরিস্থিতি চরম সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’ তবে এ বিষয়ে তিনি নতুন করে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাৎক্ষণিকভাবে ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি এর আগে গোপনীয়তার স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য জানানো থেকে বিরত থেকে শুধু তার ছুটিতে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।

সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সায়মা ওয়াজেদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অপসারণের পরিকল্পনা করছিল জাতিসংঘ সংস্থাটি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, ডব্লিউএইচও আগামী ১২ অক্টোবর এই পদের জন্য নতুন মনোনয়ন আহ্বান করবে, ডিসেম্বরে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২০২৭ সালের ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্বের জনস্বাস্থ্য নীতিনির্ধারণে আঞ্চলিক পরিচালকের পদটি অত্যন্ত প্রভাবশালী। যে কোনো মহামারি বা জরুরি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নেতৃত্ব দেওয়া এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নীতিমালা বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকে এই পদের ওপর। বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্য দেশগুলোর ভোটে প্রতি পাঁচ বছর পরপর এ পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আইনজীবীদের মাধ্যমে পাঠানো জুলাইয়ের চিঠিতে চীন সফরের আর্থিক জালিয়াতির ব্যাখ্যায় সায়মা ওয়াজেদ জানান, এটি মূলত তার এক সহকারী কর্তৃক রুটিন বিল দাখিলের সময় ঘটে যাওয়া একটি প্রশাসনিক অসাবধানতা ছিল, যার পরিমাণ ছিল ৯০১ ডলার। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একটি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছিলেন এবং নিজের এই যোগ্যতার বিষয়টি ডব্লিউএইচও মহাপরিচালকের কাছে আগে থেকেই সম্পূর্ণ পরিষ্কার ছিল।

Click to comment

সরকারি ছয় চাকরিতে বাড়ছে না ভাইভার নম্বর

সরকারি চাকরির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির (১১-২০ গ্রেড) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন যেকোনো দিন জারি হতে পারে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের খসড়া সরকার ইতোমধ্যে প্রস্তুত করেছে। খসড়াটি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, ভাইভার নম্বর বাড়ানোর এ উদ্যোগ নিয়ে যখন বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা ও আন্দোলন চলছে, তখনই প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হওয়ার পর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, এই পরিবর্তনের পেছনে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা বৈষম্য তৈরির চিন্তা নেই; বরং দক্ষ ও যোগ্য প্রশাসনিক জনবল নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

এর আগে, গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়ার পর প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

খসড়া বিধিমালায় বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৭ নং আইন) এর ধারা ৫৯ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪০(২) অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই বিধিমালা প্রণয়ন করা হলো।

এতে উল্লেখ করা হয়, এই বিধিমালা মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও ইহাদের আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং সংস্থাসমূহের ১১তম ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মান বণ্টন (বিশেষ বিধান) বিধিমালা, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

এতে বলা হয়, এই বিধিমালার কোনো কিছুই শৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, আনসার ব্যাটালিয়ন, কোস্ট গার্ড, র‌্যাব বা অন্য কোনো বাহিনী এবং সরকারি কর্ম কমিশনের আওতাভুক্ত কোনো পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

এদিকে খসড়া বিধিমালায় ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

বর্তমানে এসব পদে ভাইভায় ১০ নম্বর থাকলেও নতুন প্রস্তাবে গ্রেডভেদে তা ২৫, ৪০ ও ৫০ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, ১১-১২তম গ্রেডে মোট ১৫০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০ নম্বর থাকবে মৌখিকের জন্য; যা বিদ্যমান নম্বরের চেয়ে ৪০০ শতাংশ বেশি। একই গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় ৯০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে। এই গ্রেডে বিদ্যমান লিখিত পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাস করতে হয়, প্রস্তাবিত খসড়ায় তা ৩৫ শতাংশ করা করা হয়েছে।

১৩ থেকে ১৬ গ্রেডের পদে বর্তমানে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যথাক্রমে ৯০ ও ১০ নম্বর রয়েছে।

নতুন প্রস্তাবে লিখিত পরীক্ষায় ৬০ এবং ভাইভায় ৪০ নম্বর রাখার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অপরদিকে ১৭ থেকে ২০ গ্রেডের পদে বর্তমানে লিখিত পরীক্ষায় ৪০ এবং ভাইভায় ১০ নম্বর রয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় লিখিত ও মৌখিক এ দুই পরীক্ষায় ২৫ নম্বর করে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা যায়, ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে চাকরির ক্ষেত্রে নম্বর বাড়ানোর বিষয়টি সচিব কমিটির সভায় চূড়ান্ত হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর হবে না। এ জন্য প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে একটি মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, খসড়া প্রজ্ঞাপন প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সবুজ সংকেত পেলে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

এসময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলেও উল্লেখ করেন সেই কর্মকর্তা।

খসড়া বিধিমালায় চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। বিধিমালা কার্যকর হওয়ার সময় ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী চলমান থাকলে তা আগের বিধিমালা অনুসারেই নিষ্পত্তি করতে হবে। অর্থাৎ নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার আগে শুরু হওয়া নিয়োগ কার্যক্রমে নতুন নম্বর কাঠামো প্রযোজ্য হবে না।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়, নতুন বিধিমালা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারবে।

Click to comment

‘সুদূরপ্রসারী ভাবনা’ থেকে জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় বাদ, সিট পেল প্রাধ্যক্ষের বিভাগের নবীনরা

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিজয়-২৪ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের খেলোয়াড় কোটায় সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে দুজনই হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলামের নিজ বিভাগ সমাজকর্মের শিক্ষার্থী। এ নিয়ে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। তবে প্রাধ্যক্ষের দাবি, হলের খেলাধুলার মান বাড়াতে ‘সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা’ থেকেই নবীনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

হল সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে খেলোয়াড় কোটায় চারজন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তাদের একজন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এবং অন্য তিনজন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন। নবীন তিনজনের মধ্যে দুজন সমাজকর্ম ও একজন দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী।

প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক হওয়ায় তার বিভাগের দুই নবীনকে খেলোয়াড় কোটায় সিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিলের নীতিমালা অনুযায়ী, স্নাতকের দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ বর্ষ এবং স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা আবাসিকতার জন্য আবেদন করতে পারেন। আসনের তুলনায় আবেদনকারী বেশি হলে একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের সাফল্যও বিবেচনায় নেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় হয়েও সিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ভাইভায় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলার কথা জানালে প্রাধ্যক্ষ শারীরিক শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রত্যয়নপত্র আনতে বলেন। পরে আমি প্রত্যয়নপত্র নিয়ে গেলে জানানো হয়, সিট নেই। পরে সার্কুলার দিলে আবেদন করতে হবে।’

চতুর্থ বর্ষে এসেও আবাসিক সিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহ জামাল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা চতুর্থ বর্ষে এসেও সিট পাইনি। অথচ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা কতদিন নিজেদের খেলা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে যে তাঁদের খেলোয়াড় কোটায় সিট দেওয়া হলো? এখানে স্বজনপ্রীতির বিষয়টি স্পষ্ট।’

অভিযোগের বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘ওরা হলে ভালো পারফরম্যান্স করছে। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের হল খেলাধুলায় পিছিয়ে আছে। চতুর্থ বর্ষ বা মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা পাঁচ-ছয় মাস পরই হল ছেড়ে চলে যায়। তাই সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা করেই নবীনদের সিট দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা দীর্ঘদিন হলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে নবীনদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বৈষম্যের অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো আবেদন তার কাছে আসেনি।

Click to comment

নিয়োগ পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ইবি ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

ইবি প্রতিনিধি

নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশের নম্বর কমিয়ে মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের মাধ্যমে দলীয়করণ ও ঘুষ-দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘দিকে দিকে খবর দে, ভাইভা প্রথার কবর দে’, ‘কোটা গেছে দিল্লিতে, ভাইভা যাবে লন্ডনে’, ‘নব্য কোটার নাম কি, ভাইভা ছাড়া আবার কি’, ‘ভাইভা না মেধা, মেধা মেধা’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, “২০২৪ এ ছাত্রজনতা কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। সেটা অন্য নামে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে ছাত্রজনতা সহ্য করবে না, তা রুখে দিবে।”

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “বর্তমানে সরকার সকল জায়গায় দলীয়করণ করার জন্য ষড়যন্ত্র করে ভাইভাকে মার্কস বৃদ্ধি করেছে। এই পদ্ধতিতে তারা বাংলাদেশের ভূখন্ডে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। এর উদাহরণ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও দেখতে পেয়েছি। দেখতে পেয়েছি চাকরির লোভ দেখিয়ে এলাকার মানুষদের সন্ত্রাসী করাতে। তাদের এই ষড়যন্ত্র আমরা সফল হতে দিব না। যে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে ক্যাম্পাসে এসেছে তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। তা নাহলে প্রশাসনকে দ্বায় নিয়ে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হলগুলোতেও অবৈধভাবে দলীয় লোক উঠিয়ে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। শহীদ জিয়াউর রহমান হলে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে হলে উঠিয়েছে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করার জন্য। এতে প্রশাসনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই জড়িত আছে। তারা আমাদের হল সেক্রেটারির গায়ে হাত তুলেছে। আর কোনোদিন কোনো কর্মীর গায়ে হাত তোলার দুঃসাহস করবেন না, তা নাহলে তাদের হাত আমরা ভেঙে দিব।”

তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, “হলগুলো থেকে অবৈধভাবে তিন দিনের মধ্যে অবৈধদের বের করতে হবে, তা নাহলে চতুর্থদিনের জন্য প্রস্তুত থাকবেন। ছাত্রশিবির এতদিন মার খেয়েছে, এবার সময় প্রতিহত করার। আল্লাহর ফরজ বিধানকে মানার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন নিয়োগ দেওয়া হবে বলে শুনতে পেয়েছি। আমাদের রক্তের বিনিময়ে স্বচ্ছ নিয়োগ বাস্তবায়ন করবো। আমরা কোনো অনিয়ম সহ্য করবো না। ধৈর্য্যের বাধ ভেঙে গেলে কি হবে তা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিবেন। চাকরি পরীক্ষাসহ ইবির সকল অনিয়ম বন্ধ করতে হবে, নয়তো কিভাবে বন্ধ করতে হয় তা আমাদের জানা আছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেবেন না। শিক্ষার্থীবান্ধব কাজে মনোযোগী হন, আধিপত্য নিয়ে মনোযোগী হবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রসঙ্গত, ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগের জন্য বিদ্যমান বিধিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি প্রস্তাবিত বিধিমালায় ১১ ও ১২ গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০, ১৩ থেকে ১৬ গ্রেডে ১০ থেকে ৪০ এবং ১৭ থেকে ২০ গ্রেডে ১০ থেকে ২৫ করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বরও কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গেজেট আকারে এখনও প্রকাশিত হয়নি।

Click to comment

‘কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় টেরও পাবেন না’: ববিতে নাহিদ ইসলাম

ববি প্রতিনিধি

‘কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় নিজেরাও টের পাবেন না’ বলে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে আয়োজিত ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারুণ্যের রাজনৈতিক ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ববির কীর্তনখোলা হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেষ পর্যন্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সমান্তরালে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিল। সেজন্য আমরা সবাই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ট্রেন্ড চলছে—সবাই আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে। এই সরকারও মনে হয় আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে, যখন গ্যাস-বিদ্যুৎ ছিল না। তবে আমরা চাই, পুরো পৃথিবী যখন এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ যেন কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান ও সরকারি নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সরকারের বিশেষ নীতি থাকবে—এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে দলীয় লোকদের চাকরি দেওয়ার জন্য জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছিল। পুরোনো পথে না হেঁটে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মানের দিক থেকে প্রকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলুন।”

চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “দুই দিন ধরে আমরা দেখছি, ন্যক্কারজনকভাবে চাকরির ভাইভায় নম্বর কয়েক গুণ বৃদ্ধি করার প্রস্তাব এসেছে। অথচ সরকারে আসার আগে তারা বিসিএসের ভাইভায় নম্বর কমানোর কথা বলেছিলেন। এখন তারা ক্ষমতায় এসে উল্টো পথে হাঁটছেন।”

সরকারকে হুঁশিয়ার করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় নিজেরাও টের পাবেন না।” এ সময় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া হঠাৎ করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বায়ক সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল। অনুষ্ঠান শেষে ‘জুলাই ৩৬’ কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

Click to comment

আশরাফুলের চিকিৎসায় ৭০ হাজার টাকা সহায়তা দিল স্পোর্টস সাস্ট

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী আশরাফুল আলমের চিকিৎসায় সহায়তার জন্য আয়োজিত ‘স্পোর্টস সাস্ট অ্যাসিস্ট ফর আশরাফুল চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ থেকে সংগৃহীত ৭০ হাজার টাকা তাঁর চিকিৎসার জন্য হস্তান্তর করেছে স্পোর্টস সাস্ট।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) আশরাফুল আলমের বিভাগের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসার জন্য সংগৃহীত অর্থ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম।

আশরাফুল আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। তিনি বর্তমানে দুই কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজনীয়তায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী চিকিৎসা ব্যয় বাবদ আনুমানিক ৬০ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। এই বিপুল চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাঁর পরিবারের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

আশরাফুলের চিকিৎসায় সহায়তার উদ্দেশ্যে স্পোর্টস সাস্ট চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্টটির আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি দল অংশগ্রহণ করে। টুর্নামেন্ট থেকে সংগৃহীত অর্থ আশরাফুলের চিকিৎসার জন্য তাঁর বিভাগের মাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্পোর্টস সাস্টের এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার পাশাপাশি মানবিক সহায়তার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আশরাফুলের চিকিৎসায় সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Click to comment

স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ইবি শাখা শিবিরের স্বাক্ষরতা অভিযান

ইবি প্রতিনিধি

বিশ্ব স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে ‘স্বাক্ষরতা অভিযান’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল মসজিদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস্থ ডরমেটরি ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের শিশুদেরকে নাম ও ঠিকানা লেখা শেখানো হয়।

এসময় শাখা ছাত্রশিবিরের পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ খান ও সহকারি পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

শাখা ছাত্রশিবিরের পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ খান বলেন, “আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে শিশুদের নিজের নাম লিখতে, স্বাক্ষর করতে এবং নিজ ঠিকানা লেখার প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হয়। সাক্ষরতার গুরুত্ব সম্পর্কে শিশুদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, ৮ সেপ্টেম্বরও সংগঠনটি এ কর্মসূচি পালন করে।

Click to comment

ইবির অর্থনীতি বিভাগের ‘কন্সেপ্ট কম্পিটিশন ২০২৬’ এর পুরস্কার বিতরণ

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘Concept Competition-2026’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১৮ জন বিজয়ীর মধ্যে অসামান্য বিশ্লেষণমূলক কাজের জন্য সেরা তিনজনকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ সময় বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনে অর্থনীতি ক্লাবের উদ্যোগে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল—‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণ চিহ্নিতকরণ ও উত্তরণের সম্ভাব্য উপায়’।

অর্থনীতি ক্লাবের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল জলিল পাঠানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর, সহকারী অধ্যাপক মোছা. শামীমা নাসরীন, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন মো. সাব্বির হোসাইন (মাস্টার্স, ২০২৪-২৫)। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তানজিন আরা দিনা (অনার্স, ২০২৪-২৫) এবং তৃতীয় হন প্রতিত্ত চাকমা (অনার্স, ২০২৫-২৬)।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল জলিল পাঠান বলেন, “পরিবর্তিত বিশ্বে বাংলাদেশের চলমান ইতিবাচক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর চিত্রায়ণ এবং এর সম্ভাব্য প্রতিকার—এটাই ‘Concept Competition-2026’-এর মূল প্রতিপাদ্য। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রচলিত জ্ঞানের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমান বাস্তবতার আলোকে নতুনভাবে চিন্তা করতে ও সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করতে উদ্বুদ্ধ হবে।”

অর্থনীতি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, “একটি প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় অর্জন পুরস্কার পাওয়া নয়; বরং এতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজের জ্ঞান, চিন্তাশক্তি ও দক্ষতাকে সমৃদ্ধ করা। আমরা অর্থনীতির শিক্ষার্থী। অর্থনীতি শুধু বইয়ের তত্ত্ব বা সমীকরণের বিষয় নয়; এটি আমাদের চারপাশের সমাজ, মানুষের জীবন, সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎকে বোঝার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।”

তিনি আরও বলেন, “তাই আমাদের সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তিসম্পন্ন, সমস্যা সমাধানে দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। ভবিষ্যতেও অর্থনীতি ক্লাব শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি বিতর্ক, কুইজ, কর্মশালাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করি।”

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর বলেন, “কনসেপ্ট প্রতিযোগিতার আয়োজনের জন্য সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। একটি প্রতিযোগিতা শুধু বিজয়ী নির্ধারণের মাধ্যম নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা, যুক্তিবোধ ও নতুন কিছু করার সাহস বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। একটি ভালো ধারণা বা কনসেপ্টই অনেক সময় বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রতিটি চিন্তা, উদ্ভাবনী ভাবনা ও উপস্থাপনার মধ্যে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু পুরস্কার পাওয়ার জন্য নয়, নিজের চিন্তাকে অন্যদের সামনে তুলে ধরার জন্যও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া উচিত। জয়-পরাজয়ের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিযোগিতা থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং তা থেকে শেখার সুযোগ। আমি আশা করি, এ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন চিন্তার বিকাশ ঘটাবে, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে আরও সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করবে।”

Click to comment

ইবি সায়েন্স ক্লাবের ওয়েবসাইট ও নিবন্ধিত অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম চালু

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রথম সংগঠন হিসেবে নিজস্ব ওয়েবসাইট ও নিবন্ধিত অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম চালু করল ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ক্লাব’।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের উপাচার্যের কক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমানের উপস্থিতিতে ওয়েবসাইটটি উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সায়েন্স ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, উপদেষ্টা ড. মো. মিনহাজ উল হক, ক্লাবের সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার হোসেন সাকিব, মিডিয়া সেক্রেটারি শুভ্রত কুমার, জয়েন্ট সেক্রেটারি মিশনু আল আসনাওয়ি, জয়েন্ট কমিউনিকেশন সেক্রেটারি নওরিন ফাতেমা তোয়া সহ ক্লাবের অন্যান্য কার্যনির্বাহী সদস্য ও সংশ্লিষ্টরা।

এ সময় সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফা উপাচার্যের সামনে ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইটটি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিভাগ, ফিচার, তথ্য, কার্যক্রম এবং এর ব্যবহার ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে উপাচার্যকে অবহিত করেন। পাশাপাশি নিবন্ধিত নিজস্ব অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমের কার্যপ্রণালী এবং এর মাধ্যমে কীভাবে মাসিক চাঁদা, সদস্যপদ, বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও সায়েন্স ফেস্টিভ্যালসহ অন্যান্য কার্যক্রমের ফি অনলাইনে পরিশোধ করা যাবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরা ধরেন।

সায়েন্স ক্লাবের এ উদ্যোগের প্রশংসা করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, “এ ক্লাবের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাই এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সহযোগিতামূলক উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। বিশেষ করে জাপানের সঙ্গে 2+2 শিক্ষা কার্যক্রম, চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও একাডেমিক সহযোগিতা এবং BRAC-এর সঙ্গে Career Hub প্রতিষ্ঠার উদ্যোগসহ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি আলোকপাত করেন।

Click to comment