Connect with us

Super Baji বাংলাদেশে ক্যাসিনো এবং স্পোর্টস বেটিং

Super Baji ক্যাসিনো VB Digital N.V. এর অধীনে পরিচালিত হয়, যার কুরাসাও লাইসেন্স GLH-OCCHKTW0712302019, এবং এটি একক অ্যাকাউন্টে স্লট, লাইভ টেবিল, মেগাওয়েজ, বাই-বোনাস শিরোনাম এবং স্পোর্টস বেটিং মিশ্রিত করে। এই সেটআপটি তাদের জন্য তৈরি যারা বিস্তৃত পেমেন্ট বিকল্প, বহুভাষিক অ্যাক্সেস এবং নিয়মিত উত্তোলনে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সময় চান। পরবর্তী মূল পর্যালোচনায় দেখা হবে ওয়েলকাম প্যাকেজটি কতটা কার্যকর, ক্যাশআউটের আগে KYC প্রক্রিয়াটি কতটা মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়, মাসিক পেমেন্ট সীমা কি শক্তিশালী বাজি ধরার সুযোগকে সীমাবদ্ধ করে, এবং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য স্পোর্টসবুক, ই-স্পোর্টস ট্যাব এবং ভার্চুয়াল বেটিং মেনুর পেছনে কতটা গভীরতা রয়েছে।

Super Baji-তে স্বাগত: নতুন খেলোয়াড়দের জন্য তিনটি বোনাস

বাংলাদেশের নতুন খেলোয়াড়রা Super Baji https://superbaji.app/তে যোগ দিলে তিনটি আলাদা স্বাগত অফারের মধ্যে থেকে পছন্দমতো একটি বেছে নিতে পারেন। প্রতিটি বোনাস প্ল্যাটফর্মের ভিন্ন একটি বিভাগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, তাই আপনি স্লট পছন্দ করুন, ক্রিকেট বেটিং করুন বা পুরো গেম লাইব্রেরি অন্বেষণ করতে চান — সবার জন্যই একটি উপযুক্ত অফার রয়েছে।

  • ১৫০% প্রথম ডিপোজিট বোনাস (JILI) — JILI গেমে প্রথমবার ডিপোজিট করলে ৳১,০০০ পর্যন্ত ১৫০% বোনাস পাওয়া যায়। অ্যাক্টিভ করতে সর্বনিম্ন ৳২০০ ডিপোজিট প্রয়োজন। বোনাসটি মাত্র ১ দিনে ১৮x ওয়েজারিং সম্পন্ন করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৳৫,০০০ উইথড্রয়াল করা যাবে।
  • ১০০% HEYVIP IPL স্বাগত বোনাস — ক্রিকেট ও স্পোর্টস বেটারদের জন্য প্রথম ডিপোজিটে ৳১,৫০০ পর্যন্ত ১০০% বোনাস। সর্বনিম্ন ৳২০০ ডিপোজিট করলেই অফারটি সক্রিয় হয়। ৩ দিনের মধ্যে ১৫x ওয়েজারিং পূরণ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৳৫০,০০০ উইথড্রয়াল করা সম্ভব। এছাড়াও প্রতিটি যোগ্য ডিপোজিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে HEYVIP Cricket Crown Challenge-এ প্রবেশাধিকার দেয়।
  • সকল গেমে ৳৫০০ স্বাগত বোনাস — যারা কোনো নির্দিষ্ট বিভাগে সীমাবদ্ধ থাকতে চান না তাদের জন্য এই অফারটি আদর্শ। ৳৫০০ ডিপোজিট করলে একটি ফ্ল্যাট ৳৫০০ বোনাস পাওয়া যায় যা Super Baji-এর যেকোনো গেমে ব্যবহার করা যাবে। ৩ দিনের মধ্যে ১২x ওয়েজারিং সম্পন্ন করতে হবে এবং উইথড্রয়ালের কোনো ঊর্ধ্বসীমা নেই।

Super Baji অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন

অ্যাকাউন্ট তৈরি করা সহজ, যা ব্যবহারকারীদের সাইন-আপ থেকে যাচাইকৃত খেলা পর্যন্ত গাইড করে। নাম, ইমেইল, এবং পাসওয়ার্ডের মতো মৌলিক বিবরণগুলি লিখুন। নিরাপত্তা এবং সম্মতি নিশ্চিত করার জন্য যাচাইকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা উত্তোলনগুলি মসৃণভাবে প্রক্রিয়া করা হয় তা নিশ্চিত করে। বিবরণগুলি নিশ্চিত করুন, মুদ্রা এবং অঞ্চল পছন্দগুলি নির্বাচন করুন। প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারী-বান্ধব হতে ডিজাইন করা হয়েছে।

  1. নিবন্ধন পৃষ্ঠায় যান এবং রেজিস্টার ক্লিক করুন।
  2. আপনার পছন্দের মুদ্রা এবং অঞ্চল নির্বাচন করুন।
  3. নিশ্চিতকরণ লিঙ্কে ক্লিক করে আপনার ইমেল যাচাই করুন।
  4. সেটআপ সম্পূর্ণ করতে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
  5. খেলা শুরু করতে আপনার প্রথম আমানত করুন।

Super Baji লগইন ধাপ

Super Baji-এ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা সহজ। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য নিবন্ধনের জন্য “Sign Up” এ ক্লিক করুন। ফিরে আসা খেলোয়াড়রা তাদের শংসাপত্র ব্যবহার করে লগইন করতে পারেন। প্রবেশে সমস্যা এড়াতে আপনার বিবরণ সঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করুন। এই প্রক্রিয়াটি সকল ব্যবহারকারীর জন্য নির্বিঘ্ন হতে ডিজাইন করা হয়েছে।

  1. Super Baji হোমপেজ খুলুন।
  2. লগইন বোতামে ক্লিক করুন।
  3. আপনার নিবন্ধিত ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড লিখুন।
  4. আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে সাবমিট বোতামে ক্লিক করুন।
  5. গেমিং অপশনের জন্য আপনার ড্যাশবোর্ডে নেভিগেট করুন।

কেওয়াইসি ডকুমেন্টের প্রয়োজনীয়তা

যাচাইয়ের জন্য, খেলোয়াড়দের পরিচয়, ঠিকানা এবং পেমেন্টের জন্য ডকুমেন্ট প্রদান করতে হবে। উত্তোলনের সময় সাধারণত এগুলো চাওয়া হয়। ডকুমেন্ট অনুপস্থিত বা অস্পষ্ট হলে বিলম্ব হয়। এগুলো আগে থেকে প্রস্তুত রাখলে লেনদেন আরও মসৃণ হয়।

Super Baji ক্যাসিনো গেমস রিভিউ

Super Baji একটি বৈচিত্র্যময় গেমিং পোর্টফোলিও অফার করে, যা ব্যবহারকারী-বান্ধব নেভিগেশন দিয়ে সাজানো। ক্যাসিনো লবিটি বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত, যা সাধারণ এবং অভিজ্ঞ উভয় খেলোয়াড়ের জন্য উপযোগী। এটি স্লট গেমগুলোকে গুরুত্ব দেয়, পাশাপাশি লাইভ টেবিল এবং হাইব্রিড কন্টেন্টের একটি সুষম নির্বাচন প্রদান করে। সাইটটির বিন্যাস ইঙ্গিত করে যে এটি স্লট উত্সাহী এবং লাইভ গেম ভক্তদের উভয়কেই আকৃষ্ট করতে ফোকাস করে, সবার জন্য কিছু না কিছু অফার করে।

  • স্লট
  • লাইভ ক্যাসিনো
  • টেবিল গেমস
  • ভিডিও পোকার
  • বিশেষ গেমস
  • হাইব্রিড গেমস

স্লট গেমস

Super Baji-এর স্লট সংগ্রহ বিশাল, এতে রয়েছে বিভিন্ন থিম, ভোল্যাটিলিটি স্তর এবং জ্যাকপট। খেলোয়াড়রা একাধিক প্রদানকারীর গেম উপভোগ করতে পারেন, যা বিস্তৃত স্টেক অপশন এবং ফিচার সেট নিশ্চিত করে। লবি সহজ অনুসন্ধান এবং ফিল্টারিং সমর্থন করে, যা বোনাস হান্টার এবং বিনোদনপ্রার্থী উভয়ের জন্যই উপযোগী। জনপ্রিয় শিরোনামগুলো আকর্ষণীয় স্পিন এবং জয়ের সম্ভাবনা প্রদান করে, যা বিভিন্ন খেলোয়াড়ের পছন্দ অনুযায়ী এটিকে একটি আকর্ষণীয় পছন্দ করে তোলে।

  • Starburst
  • Gonzo’s Quest
  • Book of Dead
  • Wolf Gold
  • Immortal Romance

টেবিল গেমস

Super Baji ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট এবং ব্যাকার্যাটসহ বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল টেবিল গেম হোস্ট করে। এই গেমগুলো বিভিন্ন স্টেক স্তর এবং খেলার গতি প্রদান করে, যা সাধারণ এবং কৌশল-নির্ভর উভয় ধরনের খেলোয়াড়দের আকর্ষণ করে। মেনুতে কিছু বৈচিত্রসহ ক্লাসিক স্ট্যাপলস রয়েছে, যা গেমিং অভিজ্ঞতা বাড়ানোর জন্য সাইড বেট এবং বিভিন্ন ফরম্যাট অফার করে।

  • রুলেট: বিভিন্ন স্টাইল, নমনীয় সীমা
  • ব্ল্যাকজ্যাক: ক্লাসিক, সাইড বেট উপলব্ধ
  • ব্যাকার্যাট: একাধিক ভেরিয়েশন, উচ্চ সীমা
  • সীমা: কম থেকে উচ্চ, বৈচিত্র্যময় বিকল্প
  • সাইড বেট: ব্ল্যাকজ্যাক এবং ব্যাকার্যাটে উপলব্ধ
  • উপস্থাপনা ফরম্যাট: ইন্টারেক্টিভ, আকর্ষণীয়

লাইভ ক্যাসিনো গেমস

Super Baji-এর লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে রয়েছে উচ্চ-মানের স্টুডিও এবং বিভিন্ন ধরনের টেবিল। খেলোয়াড়রা কম-স্টেক এবং প্রিমিয়াম লিমিট অপশনের সাথে উপস্থাপক-নেতৃত্বাধীন গেম উপভোগ করতে পারেন। গেম-শো স্টাইলের অফারগুলো উত্তেজনা যোগ করে, আর স্ট্রিমের স্থিতিশীলতা মসৃণ খেলা নিশ্চিত করে। লাইভ ইন্টারঅ্যাকশন RNG টেবিলের তুলনায় একটি স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা প্রদান করে, যা ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা এবং মূল্য বৃদ্ধি করে।

  • স্টুডিও: উচ্চ-মানের, নিমগ্ন
  • টেবিল: বিস্তৃত বৈচিত্র্য, একাধিক সীমা
  • উপস্থাপক: পেশাদার, আকর্ষণীয়
  • সীমা: নিম্ন থেকে প্রিমিয়াম, নমনীয়
  • স্ট্রিমের গুণমান: স্থিতিশীল, হাই-ডেফিনিশন
  • ইন্টারঅ্যাকশন বৈশিষ্ট্য: রিয়েল-টাইম চ্যাট, সামাজিক

প্রধান গেম প্রদানকারী

Super Baji-এর লাইব্রেরি শীর্ষস্থানীয় সফটওয়্যার স্টুডিওগুলির দ্বারা গঠিত, যা গুণমান এবং বৈচিত্র্যময় গেম বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে। প্রদানকারীর বৈচিত্র্য গেমের পরিচিতি এবং ন্যায্যতা বৃদ্ধি করে। খ্যাতনামা নামগুলি স্বতন্ত্র উপাদান যোগ করে, যা অনন্য থিম, মেকানিক্স এবং খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা দিয়ে ক্যাটালগকে সমৃদ্ধ করে।

Super Baji-এ স্পোর্টস বেটিং

Super Baji একটি ব্যাপক স্পোর্টসবুক অফার করে যা এর ক্যাসিনো অফারকে আরও উন্নত করে। এই দ্বৈত ফোকাস বিভিন্ন আগ্রহকে পূরণ করে, ক্যাসিনো উত্সাহী এবং ক্রীড়া ভক্ত উভয়কেই আকর্ষণ করে। স্পোর্টসবুক এলাকা সামগ্রিক সাইটের সাথে নির্বিঘ্নে একীভূত হয়, ক্যাসিনো-প্রথম ছাপের পরিবর্তে একটি সুষম অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এই প্ল্যাটফর্মটি অভিজ্ঞ বাজি ধরোয়াড় এবং নতুনদের উভয়ের জন্যই আকর্ষণীয়, কারণ এটি একটি স্বজ্ঞাত ইন্টারফেস এবং বিস্তৃত পরিসরের বিকল্প প্রদান করে। ইন্টিগ্রেশন সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।

  • ক্রিকেট: বিস্তৃত মার্কেট এবং লাইভ বেটিং অপশন।
  • বাস্কেটবল: প্রি-ম্যাচ এবং ইন-প্লে বেটিং ফিচার।
  • টেনিস: ভার্চুয়াল স্পোর্টস এবং বিস্তৃত বেটিং মার্কেট।
  • কব্জি: লাইভ স্ট্রিম এবং একাধিক বেট ধরন।
  • ই-স্পোর্টস: উদ্ভাবনী বেটিং ফিচার এবং গতিশীল মার্কেট।

স্পোর্টসবুক কভারেজ

Super Baji-এর স্পোর্টসবুকে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। BPL এবং IPL-এর মতো প্রধান লীগ। ডার্টস এবং স্নুকারের মতো বিশেষ খেলাধুলাও এখানে গুরুত্বের সাথে স্থান পায়। প্রি-ম্যাচ অফারগুলো ব্যাপক, যেখানে অসংখ্য বিকল্প উপলব্ধ। লাইভ বেটিং শক্তিশালী, যা বাস্তব-সময় সম্পৃক্ততা প্রদান করে। ভার্চুয়াল স্পোর্টস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা অবিরাম অ্যাকশন প্রদান করে। কভারেজের বিস্তৃতি প্রতিটি বেটিং পছন্দের জন্য বিকল্প নিশ্চিত করে।

বেটিং অডস

Super Baji-এর স্পোর্টসবুক আন্তর্জাতিক ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন অডস ফরম্যাট সমর্থন করে। জনপ্রিয় মার্কেটগুলো সহজেই অ্যাক্সেসযোগ্য, একটি ব্যবহারকারী-বান্ধব লাইভ ইন্টারফেস অভিজ্ঞতাকে উন্নত করে।ক্যাশ-আউট ফিচারগুলো নমনীয়তা প্রদান করে, আর বেট-বিল্ডিং টুলগুলো গভীরতা যোগ করে। নির্বাচিত ইভেন্টগুলোর জন্য স্ট্রিমিং অপশনও রয়েছে, যা অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করে। সামগ্রিকভাবে, স্পোর্টসবুকটি ব্যবহারযোগ্যতা এবং ব্যাপক বাজার অফারকে অগ্রাধিকার দেয়, যা স্পোর্টস বেটিং উত্সাহীদের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলে।

Super Baji পেমেন্ট অপশন

Super Baji একটি ব্যাপক ক্যাশিয়ার অভিজ্ঞতা প্রদান করে, যা ফিয়াট এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি উভয় লেনদেনকেই সমর্থন করে। ডিপোজিট দ্রুত হয়, তবে উইথড্রয়ের গতি ভিন্ন হতে পারে। খেলোয়াড়দের এগিয়ে যাওয়ার আগে কোনো ফি আছে কিনা এবং লেনদেনের সীমা নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত। লেনদেনের প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য চার্জগুলি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Bkash
  • Nagad
  • Rocket
  • UPay
  • OK Wallet
  • SureCash
  • iPay
  • Rupee-O
  • ব্যাংক ট্রান্সফার
  • USDT

Super Baji মোবাইল অ্যাপ

Super Baji অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোন উভয় মোবাইল ব্যবহারকারীর জন্য একটি নির্বিঘ্ন অভিজ্ঞতা প্রদান করে। নেভিগেশন স্বজ্ঞাত, যেখানে ক্যাশিয়ার এবং বোনাসে দ্রুত অ্যাক্সেসের সুবিধা রয়েছে। সাইটটি দ্রুত লোড হয়, যা মসৃণ গেমপ্লে নিশ্চিত করে। ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী পোর্ট্রেট এবং ল্যান্ডস্কেপ মোডের মধ্যে সহজেই পরিবর্তন করতে পারেন। যদিও কোনো ডেডিকেটেড অ্যাপ নেই, ব্রাউজার-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মটি iOS এবং Android ডিভাইসে ভালোভাবে কাজ করে। লাইভ লবি এবং স্পোর্টসবুক ব্যবহারকারী-বান্ধব, যা সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করে। প্রগ্রেসিভ ওয়েব অ্যাপ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

Super Baji ক্যাসিনোতে নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা

Super Baji ক্যাসিনো একটি স্বীকৃত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, যা নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড মেনে চলার নিশ্চয়তা দেয়। স্বচ্ছ কোম্পানি তথ্যের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহারকারীর ডেটা সুরক্ষিত রাখে, যা আস্থা বৃদ্ধি করে। স্বাধীন নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাইকৃত এলোমেলো গেম ফলাফলের মাধ্যমে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা হয়। অভিযোগগুলি দক্ষতার সাথে সমাধান করা হয়, যা আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলে।

Super Baji-এ দায়িত্বশীল জুয়ার সরঞ্জাম

খেলোয়াড় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিরাপদ জুয়া প্রচারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিকল্প যা খেলোয়াড়দের তাদের কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে দেয়। এগুলো শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা নয় তা নিশ্চিত করতে তাদের দৃশ্যমানতা এবং ব্যবহারিকতা মূল্যায়ন করা অপরিহার্য। দৃশ্যমান এবং ব্যবহারিক সরঞ্জামগুলি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে, একটি স্বাস্থ্যকর জুয়া পরিবেশ গড়ে তোলে।

  • ডিপোজিট সীমা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সর্বোচ্চ পরিমাণ নির্ধারণ করে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • সেশন সীমা গেম খেলার সময়কাল সীমিত করে।
  • কুলিং-অফ অপশন জুয়া থেকে অস্থায়ী বিরতি প্রদান করে।
  • সেল্ফ-এক্সক্লুশন খেলোয়াড়দের জুয়া সেবা থেকে নিজেকে ব্লক করার সুযোগ দেয়।
  • অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা জুয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থায়ীভাবে বেরিয়ে আসার উপায় প্রদান করে।
  • সমর্থন সংস্থানগুলির লিঙ্ক ব্যবহারকারীদের সহায়তা ও পরামর্শের সাথে সংযুক্ত করে।

Super Baji-এ গ্রাহক সহায়তা

সহায়তা লাইভ চ্যাট, ইমেইল এবং একটি সুগঠিত হেল্প সেন্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এর প্রধান শক্তি হল ব্যাপক সেবা। সহায়তা প্রতিদিন সারাদিন চলে, এবং জ্ঞানভান্ডার পেমেন্ট, যাচাইকরণ, বোনাস, ক্যাসিনো খেলা এবং বাজি সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নগুলির উত্তর দেয়। জরুরি লগইন, আমানত বা উত্তোলন সংক্রান্ত উদ্বেগের জন্য চ্যাট উপযুক্ত।

ইমেইল ডকুমেন্ট যাচাই এবং দীর্ঘমেয়াদী বিলিং বিরোধের জন্য স্ক্রিনশটসহ উপযুক্ত। সাপোর্ট পেজগুলোতে ব্যবহৃত টোন পরিষ্কার এবং ব্যবহারিক। অ্যাকাউন্ট, পেমেন্ট বা অফার সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে, তহবিল বা বোনাস মুক্তি পাওয়ার আগে অভ্যন্তরীণ বা প্রদানকারী পর্যালোচনা চলাকালীন পরিচয় যাচাই, ফলো-আপ প্রশ্ন এবং আপডেটের প্রত্যাশা করুন।

উপসংহার

Super Baji তাদের জন্য একটি আকর্ষণীয় পছন্দ যারা বৈচিত্র্যময় বিকল্পের সাথে একটি প্রাণবন্ত গেমিং অভিজ্ঞতা চান। নিমগ্ন ক্যাসিনো পরিবেশের উত্সাহীরা এর শক্তিগুলিকে প্রশংসা করবেন। তবে, যারা ঐতিহ্যগত সেটিংস পছন্দ করেন তারা বিকল্পগুলি অন্বেষণ করতে পারেন। প্ল্যাটফর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারী-বান্ধব নেভিগেশন এবং আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স।

সামগ্রিকভাবে, Super Baji আধুনিক গেমারদের জন্য একটি আকর্ষণীয় পছন্দ প্রদান করে। যারা এর অফারগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তারা এটিকে বিশেষভাবে সন্তোষজনক মনে করবেন। অন্যদের হয়তো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের পছন্দগুলো মূল্যায়ন করতে হবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য Super Baji-এ খেলা নিরাপদ কি?

Super Baji কিউরাও লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত হয়, অ্যাকাউন্ট যাচাই করে, এবং জালিয়াতি, পরিচয়, ও সীমাবদ্ধ এখতিয়ারে নীতিগত নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করে।

নতুন খেলোয়াড়দের জন্য কি Super Baji কোনো ক্যাসিনো ওয়েলকাম ডিল অফার করে?

Super Baji নতুন গ্রাহকদের ম্যাচ বোনাস এবং ফ্রি স্পিনসহ মাল্টি-ডিপোজিট প্যাকেজ প্রদান করে, যা বাজি ধরার শর্ত এবং অ্যাকাউন্ট নিয়মের অধীন।

নিবন্ধন বা রিলোড অফারের জন্য কি কোনো Super Baji প্রোমো কোড আছে?

Super Baji সবসময় কোড চায় না, যদিও কিছু প্রচারণার জন্য ক্যাশিয়ার বা প্রোমো এলাকায় আলাদা সক্রিয়করণ শর্ত থাকতে পারে।

নতুন সাইন-আপের জন্য কি কোনো Super Baji নো-ডিপোজিট বোনাস আছে?

Super Baji ডিপোজিট-ভিত্তিক পুরস্কারের উপর ফোকাস করে, তাই খেলোয়াড়দের স্ট্যান্ডার্ড নো-ডিপোজিট প্যাকেজের পরিবর্তে অর্থায়িত অফার আশা করা উচিত।

Super Baji কি ক্যাসিনো এবং স্পোর্টস ব্যবহারের জন্য মোবাইলে ভালোভাবে কাজ করে?

Super Baji ফোন এবং ট্যাবলেটে ব্রাউজারের মাধ্যমে চলে, যেখানে ক্যাসিনো লবি, বেটিং মার্কেট এবং ক্যাশিয়ার অ্যাক্সেস মোবাইল স্ক্রিনের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

Super Baji-এ উত্তোলন, যাচাইকরণ এবং সহায়তা কীভাবে কাজ করে?

Super Baji কিছু ক্যাশআউটের আগে নথিগুলি পর্যালোচনা করে, সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ ১২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখে, এবং লাইভ চ্যাট, ইমেইল, এবং হেল্প-সেন্টার সাপোর্ট প্রদান করে।

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

ডিজিটাল ডেস্ক

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।

নতুন দাম কার্যকর হওয়ার ফলে সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবর মাসে ভোক্তাদের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে ২৫২ টাকা বেশি গুনতে হবে।

Click to comment

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইবিতে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও অভিযান

ইবি প্রতিনিধি

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সরকারের ঘোষিত তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে ফেলা হয়।

কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশীদ, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সরফরাজ নেওয়াজ, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আব্দুল মঈদ বাবুলসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টরা।

অভিযানের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে জমে থাকা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাইকে সচেতন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “আজকের এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র একদিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়। ইতোমধ্যে ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে। এটি এখন আর শুধু ঢাকা শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; দেশের প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতেও ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। আমরা যদি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন না হই, তাহলে আমাদেরও এর ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের অন্যতম একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই, যা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় অনুসরণ করবে। একাডেমিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম ও শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা এই ক্যাম্পাসকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, ক্লিন ও গ্রিন ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে চাই।”

উপাচার্য আরও বলেন, “এ জন্য আপনাদের সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা নিজ নিজ অবস্থান ও আঙিনায় উদ্যোগ নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করবেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা আশা করি, এক মাসের মধ্যেই ক্যাম্পাসের পরিবেশে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে পাব।”

Click to comment

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।

উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা শাবিপ্রবিতে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য একটি পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যাতে ডেঙ্গুসহ সার্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে আমরা সবাই মুক্ত থাকতে পারি।”

ক্যাম্পাসের বিশাল আয়তনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রাথমিক ধাপে পরিচ্ছন্নতা কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ৭০ জনেরও বেশি বহিরাগত শ্রমিক এনে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসকে ছয়টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবন ও বিভাগ নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজেদের উদ্যোগী হতে হবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে প্রত্যেকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র ও ভবন পরিচ্ছন্ন রাখার চর্চা বজায় রাখলে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর রূপ নেবে।”

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং প্রাথমিক পর্যায়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, শিক্ষায়তনিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, আবাসিক এলাকা ও আশপাশের উন্মু্ক্ত স্থানে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

‘প্রধানমন্ত্রী গাছ লাগাবেন’ বলে রোপণ করা গাছ তুলে ফেলতে বাধ্য হলেন ইবি শিক্ষার্থী

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নবনির্মিত শহীদ আবরার ফাহাদ হল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলতি মাসের ১২-১৫ তারিখের দিকে কুষ্টিয়া শহরের সিডিউল রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে হল উদ্বোধনের কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এখনও নির্ধারিত সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

এদিকে অনুষ্ঠিতব্য উদ্বোধন কর্মসূচির অংশ হিসেবে হলটির আশেপাশে সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ রোপণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য শিক্ষার্থীর রোপণ করা সৌন্দর্যবর্ধনকারী রক্তকাঞ্চন গাছ হলের সামনে থেকে তুলে ফেলার নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বাধ্য হয়ে ইতোমধ্যে রোপণ করা ২০টির মতো গাছ তুলে ফেলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী।

এনিয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের স্ট্যাটাসে প্রতিক্রিয়া জানান হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) বিভাগের শিক্ষার্থী মানিক রহমান।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, চলতি বছরের জুলাই মাসে শহীদ আবরার হলের সামনে রক্তকাঞ্চনের গাছ লাগান তিনি। গাছগুলো লাগানোর পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস, এস্টেট অফিস, ছাত্র উপদেষ্টা অফিস, প্রক্টর অফিস ও ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েছিলেন। যেসব জায়গায় স্থায়ী কোনো স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা নেই এবং সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ লাগানো যেতে পারে— সেসব জায়গায় সৌন্দর্যবর্ধনকারী এসব গাছ লাগিয়েছিলেন তিনি।

তিনি জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর তাকে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের প্রভোস্ট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস থেকে ফোন করে গাছগুলো তুলে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কারণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে শহীদ আবরার ফাহাদ হল উদ্বোধন করে হলের সামনে সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ লাগাবেন।

এবিষয়ে মানিক বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় রোপণ করা গাছগুলো তুলে ফেলছি। ওইগুলো সরিয়ে ৩ জনকে দিয়েছি। ৩টা চাপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে গেছে, ৮টা কুড়িগ্রাম যাবে, আর ৬টা ত্রিবেণীর (ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী) এক মাদ্রাসার জন্য এক আপু নিয়েছে। গাছ ছিল ২২ টা। দুইটা মরে গেছে। দুইটা ওখান ইট ফেলানোর কারণে দুইটা চাপা পড়ছে হয়তো। গাছ তুলার সময় একটা নষ্ট হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান বলেন, হলের সামনে মাটি দ্বারা সমান করা হবে এবং ওখানে গার্ডেন করা হবে এজন্য তাকে গাছ সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সরানোর বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেননি।

গাছগুলো সরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে এস্টেট অফিস প্রধান মো. আলাউদ্দিন বলেন, উপাচার্য স্যারের নির্দেশে এটা করা হয়েছে। এ বিষয়টা উপাচার্য স্যার দেখছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুলকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, প্রভোস্ট তাকে যা বলেছেন, এ ব্যাপারে আমার বক্তব্য নেই। আমি এর সাথে জড়িত নই। তবে আমরা তাকে যেভাবে গাছ রোপণ করতে অনুমতি দিয়েছিলাম, সেভাবে সে রোপণ করেনি।

Click to comment

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির অষ্টম বর্ষে পদার্পণ

ববি প্রতিনিধি

‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তারুণ্যের মূল প্রবাদ’—এই স্লোগানকে ধারণ করে ২০১৯ সালের ৩ অক্টোবর যাত্রা শুরু করা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ববিসাস) গৌরব ও সাফল্যের সঙ্গে অষ্টম বর্ষে পদার্পণ করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষার্থীদের সাফল্য ও সম্ভাবনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরে আসছে।

আট বছরের পথচলায় ববিসাস বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঘটনা ও কার্যক্রমের সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, সংকট ও সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরছে সংগঠনটির সদস্যরা। ক্যাম্পাসের ইতিবাচক উদ্যোগ, শিক্ষার্থীদের অর্জন, গবেষণা ও উদ্ভাবন, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা ও অনিয়মের বিষয়ও গণমাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করে আসছেন তারা।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও সাংবাদিকতার নৈতিকতাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে আসছে ববিসাস। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে দায়িত্বশীল ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে সংগঠনটি।

ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষা ও গবেষণার অগ্রগতি এবং সম্ভাবনাকে সমাজের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই ববিসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা বিষয় জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে তুলে ধরে আসছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ও বৃহত্তর সমাজের মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও সংগঠনটির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরছে। বস্তুনিষ্ঠতার যে ভিশন নিয়ে ববিসাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, আজ অষ্টম বছরে এসে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় থাকবে বলে বিশ্বাস করি।”

তিনি আরো বলেন, “ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের কথা তুলে ধরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার অগ্রগতি ও সম্ভাবনাকে মানুষের সামনে নিয়ে আসা। একই সঙ্গে কোনো সমস্যা থাকলে তা সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টিতে আনা। ববিসাস ভবিষ্যতেও সাংবাদিকতার নীতি ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাবে।”

ববিসাসের আট বছরের পথচলায় সংগঠনটির বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করা সদস্যদের অবদানও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের অভিজ্ঞতা ও বর্তমান সদস্যদের কর্মচাঞ্চল্যের সমন্বয়ে সংগঠনটি সামনে আরও শক্তিশালী ও পেশাদার ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করতে চায়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই সময়ে সংগঠনটির সদস্যদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে ববিসাস আরও বেশি শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ও তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার চর্চা করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা সমান গুরুত্বে তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষা, গবেষণা ও অর্জনের খবর আরও বিস্তৃত পরিসরে গণমাধ্যমে পৌঁছে দেবে।

সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রত্যয় নিয়ে শুরু হওয়া ববিসাসের আট বছরের পথচলা তাই কেবল একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের বিষয় নয়; বরং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্বশীল ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার চর্চাকে আরও এগিয়ে নেওয়ারও একটি প্রত্যয়।

Click to comment

ইবিতে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইবি প্রতিনিধি

দেশের ২২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) প্রথমবারের মতো ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন-২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সঙ্গে শিল্প খাতের সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে ‘শিক্ষা-শিল্পের ঐকতান: কর্মসংস্থানের সমাধান’ প্রতিপাদ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান।

সভায় বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভাবনা তুলে ধরেন। এ জন্য পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিল্প খাতের চাহিদার সমন্বয় এবং গবেষণা ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশের শিক্ষা ও গবেষণাব্যবস্থায় উদ্ভাবন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে স্টার্টআপ খাতে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষকদের একটি করে ট্যাব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে শিক্ষাকে আরও আনন্দময় ও প্রযুক্তিনির্ভর করা যায়।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা অর্জন, সংস্কৃতিচর্চা ও খেলাধুলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য শিক্ষাক্রমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প খাতের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি সফরে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও প্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের মেধাবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের পর কয়েকজন বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে চিন্তা-চেতনা ও ধ্যানধারণায় মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষাক্রমে এসব পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটাতে না পারলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশিত অবস্থান তৈরি করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, গবেষণা, একাডেমিক কার্যক্রম ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুত। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার সব সময় উন্মুক্ত থাকবে।

উপাচার্য আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ একাডেমিক কর্তৃপক্ষ একাডেমিক কাউন্সিল প্রতিটি ডিসিপ্লিনের পাঠ্যক্রমে তিন ক্রেডিটের ১০০ নম্বরের একটি করে শিল্পসংশ্লিষ্ট কোর্স অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ, গবেষণা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, সভায় স্কয়ার, প্রাণ-আরএফএল, নেসলে, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, আনোয়ার ইস্পাত, শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক, বিআরবি ক্যাবলস, বাংলালিংক, টেলিটক, বিটোপিয়া লিমিটেড, বেনকিউ, টেকনোডেরা, এনসিংগা, টিপি-লিংক, সিটিও টেকনোলজি, এজি ফুড, রাজবাড়ী জুট মিলস, আকিজ রিসোর্স, আকিজ ভেঞ্চার, মাতাদোর, ওয়ালিদ লিফট, বিএটি বাংলাদেশ ও গোল্ডেন জুটসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

Click to comment

বেরোবিতে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু

বেরোবি প্রতিনিধি,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর -এর ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান আজ শনিবার (০৩ অক্টোবর, ২০২৬) একাডেমিক ভবন ০৩ এর মার্কেটিং বিভাগের ২০১ নং কক্ষে (গ্যালারি রুম) শুরু হয়েছে। এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত সেখানে গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আজ ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স ঝঃধঃরংঃরপং রহ জবংবধৎপয (ওজঊ ১০১) এর কোর্সশিক্ষক বেরোবি পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান সকালে উপর্যুক্ত বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন। অপরদিকে ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেকটি কোর্স জবংবধৎপয গবঃযড়ফড়ষড়মু (ওজঊ ১০২) এর কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান বিকেলে দ্বিতীয় সেশনে উপর্যুক্ত বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।

এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স এর পরিচালক (দায়িত্বে) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট কোর্সওয়ার্ক কার্যক্রম সম্পন্ন করে তাঁরা তাঁদের গবেষণা কার্যক্রম নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন। ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য যে, এম ফিল ও পিএইচ ডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫-২০২৬) গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।

Click to comment

জাতীয় পথশিশু দিবস ও ডেঙ্গু সচেতনতায় সিআরসির আলোচনা সভা

ইবি প্রতিনিধি

জাতীয় পথশিশু দিবস উপলক্ষে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাম ফর রোড চাইল্ড (সিআরসি), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়(ইবি) শাখার স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় সিআরসি স্কুল, ইবি শাখায় এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সিআরসি, ইবি শাখার সভাপতি তানভীর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, স্কুল পরিচালক সাইফুদ্দীন সিদ্দীকসহ স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

আলোচনা সভায় সিআরসির সভাপতি তানভীর আহমেদ বলেন, “আমাদের উচিত নিজে শিক্ষার আলো গ্রহণ করে তা অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া। শিক্ষার মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক থাকার বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
আলোচনা শেষে সিআরসি স্কুল পরিচালক সাইফুদ্দীন সিদ্দীক বলেন, “আজ আমরা যেসব বিষয় শুনলাম, সেগুলো নিজেদের জীবনে মেনে চলার পাশাপাশি আমাদের আশপাশের মানুষদেরও জানাতে হবে এবং তাদের সচেতন করতে হবে। সম্মিলিত সচেতনতাই একটি সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উল্লেখ্য, আলোচনা সভায় জাতীয় পথশিশু দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি পথশিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Click to comment

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল মুম্বাই, ১০ অক্টোবর ‘দিল্লি চলো’ ডাক

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা রক্ষা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে ভারতের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক শিবাজি পার্কে হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর বিশাল বিক্ষোভের পর আগামী ১০ অক্টোবর রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। খবর এনডিটিভি ডটকম। 

জ্ঞানেশের পদত্যাগ-সহ একাধিক দাবিতে শুক্রবার (২ অক্টোর) গান্ধীরজয়ন্তীতে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে জড়ো হয়েছিলেন ককরোচেরা। তাদের ডাকে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত করেন। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) নামে গণহারে ভোটারদের নাম বাদ এবং অনিয়মের প্রতিবাদ জানান তারা। সেখান থেকেই রাতে ‘দিল্লি চলো’ ডাক দেন অভিজিৎ। 

সংগঠনের শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ ‘দিল্লি চলো’র ডাক দিয়ে বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে দেশের জেন জি (তরুণ প্রজন্ম) দিল্লি অভিমুখে মিছিল করবে। এবার আমরা গড়ে তুলব “যন্তর মন্তর ২.০”।’

তিনি সাফ জানান, পুলিশ বাধা দিলে যেখানে আটকানো হবে, সেখানেই প্রতিবাদের নতুন ক্ষেত্র প্রস্তুত হবে। এই অহিংস আন্দোলনে দেশের প্রতিটি অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনকামী নাগরিককে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল মুম্বাই, আটক পাঁচ শতাধিক

মুম্বাই পুলিশের অনুমতি না থাকা এবং তীব্র দাবদাহ সত্ত্বেও তরুণদের এই বিক্ষোভ সমাবেশ দাদর ও শিবাজি পার্ক এলাকায় জনস্রোতে পরিণত হয়। জাতীয় পতাকা, প্লে-কার্ড এবং অভিনব নানা ব্যানার হাতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। সমাবেশে সিজেপি নেতা অজিন্ক্য শিন্দে দাবি তোলেন, সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করতে হবে, ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা স্থগিত রাখতে হবে এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন বাতিল করতে হবে।

অভিজিৎ দীপকের মতে, বিগত লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক ভোটার ছাঁটাই এবং নতুন নাম অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম ব্যবধান তৈরি করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিশেষ করে দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তামিলনাড়ুর এম কে স্টালিন এবং পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ বিরোধী নেতাদের কেন্দ্রে হাজার হাজার ভোটার বাদ পড়া ও তাঁদের পরাজয়ের বিষ্যে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শাসকদলের ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতির তীব্র সমালোচনা করে একে ‘এক দেশ, এক দল’ ব্যবস্থা চালুর ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেন বিক্ষোভকারীরা।

গান্ধী জয়ন্তীতে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অহিংসা ও সংবিধান রক্ষার বার্তা দেওয়া হয়। বামপন্থী সংগঠন এসএফআই, এআইএসএফ ছাড়াও এতে যোগ দেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা। অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ, শাবানা আজমি, চলচ্চিত্র নির্মাতা বিশাল ভরদ্বাজ, হানসাল মেহতা, সংগীত পরিচালক বিশাল দাদলানি এবং মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী উপস্থিত থেকে তরুণদের আন্দোলনকে সংহতি জানান। এছাড়া শিবসেনা (উদ্ধভ বালাসাহেব ঠাকরে) দলও এতে পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করে।

শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সমাবেশস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে দেশাত্মবোধক গান ও প্রতিবাদী স্লোগানে। আইনি ও নৈতিক দিক থেকে নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করে আন্দোলনকারীরা জানান, ভোটাধিকার হরণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এবং নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই দিল্লি রাজপথে অব্যাহত থাকবে।

Click to comment

দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে ‘ফেরা’য় বাকৃবি মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের নতুন যাত্রা 

বাকৃবি প্রতিনিধি

দীর্ঘ বিরতির পর নতুন কমিটির হাত ধরে আবারও সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট’। নতুন কমিটির প্রথম আয়োজন হিসেবে ‘ফেরা’ শিরোনামে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি নতুন যাত্রা শুরু করেছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। ‘পুরনো পথে নতুন পথ চলা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মোট ১৮টি গান পরিবেশিত হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রিভু কুমার সাহা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের আয়োজনে মিউজিশিয়ানদের নিয়মিত অংশগ্রহণ ও গান পরিবেশনের সুযোগ সীমিত থাকায় ক্যাম্পাসের সংগীতপ্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রয়োজন থেকেই মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটির মূল লক্ষ্য সংগীতপ্রেমী শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।

তিনি জানান, প্রথম কমিটির অধীনে সংগঠনটি সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও দ্বিতীয় কমিটির সময়ে বিভিন্ন কারণে কার্যক্রম থেমে যায়। একই সময়ে ক্যাম্পাসের অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যক্রমও অনেকটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। পরে শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক চাঁদ রাত উপলক্ষে ‘মুনলিট নাইট’ আয়োজন করা হলেও নতুন কমিটি না থাকায় পরবর্তী সময়ে সংগঠনটির কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।

রিভু কুমার সাহা আরও বলেন, ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নতুন করে সক্রিয় হতে শুরু করলে মিউজিক্যাল রেজিমেন্টকেও পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। শিক্ষক প্রতীক, ফরহাদ কাদির ও শহিদুলের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় ‘ফেরা’ আয়োজন সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

বাকৃবির পুরোনো সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর অন্যতম মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের সঙ্গে বর্তমানে গান ও বাদ্যযন্ত্রচর্চায় আগ্রহী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। নতুন কমিটি তাদের প্রতিভা ও উদ্যমকে কাজে লাগিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

দীর্ঘ বিরতি ও নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে নতুন কমিটি গঠন এবং ‘ফেরা’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাকৃবির সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আবারও যাত্রা শুরু করল মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট।

Click to comment