Connect with us

Super Baji বাংলাদেশে ক্যাসিনো এবং স্পোর্টস বেটিং

Super Baji ক্যাসিনো VB Digital N.V. এর অধীনে পরিচালিত হয়, যার কুরাসাও লাইসেন্স GLH-OCCHKTW0712302019, এবং এটি একক অ্যাকাউন্টে স্লট, লাইভ টেবিল, মেগাওয়েজ, বাই-বোনাস শিরোনাম এবং স্পোর্টস বেটিং মিশ্রিত করে। এই সেটআপটি তাদের জন্য তৈরি যারা বিস্তৃত পেমেন্ট বিকল্প, বহুভাষিক অ্যাক্সেস এবং নিয়মিত উত্তোলনে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সময় চান। পরবর্তী মূল পর্যালোচনায় দেখা হবে ওয়েলকাম প্যাকেজটি কতটা কার্যকর, ক্যাশআউটের আগে KYC প্রক্রিয়াটি কতটা মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়, মাসিক পেমেন্ট সীমা কি শক্তিশালী বাজি ধরার সুযোগকে সীমাবদ্ধ করে, এবং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য স্পোর্টসবুক, ই-স্পোর্টস ট্যাব এবং ভার্চুয়াল বেটিং মেনুর পেছনে কতটা গভীরতা রয়েছে।

Super Baji-তে স্বাগত: নতুন খেলোয়াড়দের জন্য তিনটি বোনাস

বাংলাদেশের নতুন খেলোয়াড়রা Super Baji https://superbaji.app/তে যোগ দিলে তিনটি আলাদা স্বাগত অফারের মধ্যে থেকে পছন্দমতো একটি বেছে নিতে পারেন। প্রতিটি বোনাস প্ল্যাটফর্মের ভিন্ন একটি বিভাগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, তাই আপনি স্লট পছন্দ করুন, ক্রিকেট বেটিং করুন বা পুরো গেম লাইব্রেরি অন্বেষণ করতে চান — সবার জন্যই একটি উপযুক্ত অফার রয়েছে।

  • ১৫০% প্রথম ডিপোজিট বোনাস (JILI) — JILI গেমে প্রথমবার ডিপোজিট করলে ৳১,০০০ পর্যন্ত ১৫০% বোনাস পাওয়া যায়। অ্যাক্টিভ করতে সর্বনিম্ন ৳২০০ ডিপোজিট প্রয়োজন। বোনাসটি মাত্র ১ দিনে ১৮x ওয়েজারিং সম্পন্ন করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৳৫,০০০ উইথড্রয়াল করা যাবে।
  • ১০০% HEYVIP IPL স্বাগত বোনাস — ক্রিকেট ও স্পোর্টস বেটারদের জন্য প্রথম ডিপোজিটে ৳১,৫০০ পর্যন্ত ১০০% বোনাস। সর্বনিম্ন ৳২০০ ডিপোজিট করলেই অফারটি সক্রিয় হয়। ৩ দিনের মধ্যে ১৫x ওয়েজারিং পূরণ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৳৫০,০০০ উইথড্রয়াল করা সম্ভব। এছাড়াও প্রতিটি যোগ্য ডিপোজিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে HEYVIP Cricket Crown Challenge-এ প্রবেশাধিকার দেয়।
  • সকল গেমে ৳৫০০ স্বাগত বোনাস — যারা কোনো নির্দিষ্ট বিভাগে সীমাবদ্ধ থাকতে চান না তাদের জন্য এই অফারটি আদর্শ। ৳৫০০ ডিপোজিট করলে একটি ফ্ল্যাট ৳৫০০ বোনাস পাওয়া যায় যা Super Baji-এর যেকোনো গেমে ব্যবহার করা যাবে। ৩ দিনের মধ্যে ১২x ওয়েজারিং সম্পন্ন করতে হবে এবং উইথড্রয়ালের কোনো ঊর্ধ্বসীমা নেই।

Super Baji অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন

অ্যাকাউন্ট তৈরি করা সহজ, যা ব্যবহারকারীদের সাইন-আপ থেকে যাচাইকৃত খেলা পর্যন্ত গাইড করে। নাম, ইমেইল, এবং পাসওয়ার্ডের মতো মৌলিক বিবরণগুলি লিখুন। নিরাপত্তা এবং সম্মতি নিশ্চিত করার জন্য যাচাইকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা উত্তোলনগুলি মসৃণভাবে প্রক্রিয়া করা হয় তা নিশ্চিত করে। বিবরণগুলি নিশ্চিত করুন, মুদ্রা এবং অঞ্চল পছন্দগুলি নির্বাচন করুন। প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারী-বান্ধব হতে ডিজাইন করা হয়েছে।

  1. নিবন্ধন পৃষ্ঠায় যান এবং রেজিস্টার ক্লিক করুন।
  2. আপনার পছন্দের মুদ্রা এবং অঞ্চল নির্বাচন করুন।
  3. নিশ্চিতকরণ লিঙ্কে ক্লিক করে আপনার ইমেল যাচাই করুন।
  4. সেটআপ সম্পূর্ণ করতে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
  5. খেলা শুরু করতে আপনার প্রথম আমানত করুন।

Super Baji লগইন ধাপ

Super Baji-এ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা সহজ। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য নিবন্ধনের জন্য “Sign Up” এ ক্লিক করুন। ফিরে আসা খেলোয়াড়রা তাদের শংসাপত্র ব্যবহার করে লগইন করতে পারেন। প্রবেশে সমস্যা এড়াতে আপনার বিবরণ সঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করুন। এই প্রক্রিয়াটি সকল ব্যবহারকারীর জন্য নির্বিঘ্ন হতে ডিজাইন করা হয়েছে।

  1. Super Baji হোমপেজ খুলুন।
  2. লগইন বোতামে ক্লিক করুন।
  3. আপনার নিবন্ধিত ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড লিখুন।
  4. আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে সাবমিট বোতামে ক্লিক করুন।
  5. গেমিং অপশনের জন্য আপনার ড্যাশবোর্ডে নেভিগেট করুন।

কেওয়াইসি ডকুমেন্টের প্রয়োজনীয়তা

যাচাইয়ের জন্য, খেলোয়াড়দের পরিচয়, ঠিকানা এবং পেমেন্টের জন্য ডকুমেন্ট প্রদান করতে হবে। উত্তোলনের সময় সাধারণত এগুলো চাওয়া হয়। ডকুমেন্ট অনুপস্থিত বা অস্পষ্ট হলে বিলম্ব হয়। এগুলো আগে থেকে প্রস্তুত রাখলে লেনদেন আরও মসৃণ হয়।

Super Baji ক্যাসিনো গেমস রিভিউ

Super Baji একটি বৈচিত্র্যময় গেমিং পোর্টফোলিও অফার করে, যা ব্যবহারকারী-বান্ধব নেভিগেশন দিয়ে সাজানো। ক্যাসিনো লবিটি বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত, যা সাধারণ এবং অভিজ্ঞ উভয় খেলোয়াড়ের জন্য উপযোগী। এটি স্লট গেমগুলোকে গুরুত্ব দেয়, পাশাপাশি লাইভ টেবিল এবং হাইব্রিড কন্টেন্টের একটি সুষম নির্বাচন প্রদান করে। সাইটটির বিন্যাস ইঙ্গিত করে যে এটি স্লট উত্সাহী এবং লাইভ গেম ভক্তদের উভয়কেই আকৃষ্ট করতে ফোকাস করে, সবার জন্য কিছু না কিছু অফার করে।

  • স্লট
  • লাইভ ক্যাসিনো
  • টেবিল গেমস
  • ভিডিও পোকার
  • বিশেষ গেমস
  • হাইব্রিড গেমস

স্লট গেমস

Super Baji-এর স্লট সংগ্রহ বিশাল, এতে রয়েছে বিভিন্ন থিম, ভোল্যাটিলিটি স্তর এবং জ্যাকপট। খেলোয়াড়রা একাধিক প্রদানকারীর গেম উপভোগ করতে পারেন, যা বিস্তৃত স্টেক অপশন এবং ফিচার সেট নিশ্চিত করে। লবি সহজ অনুসন্ধান এবং ফিল্টারিং সমর্থন করে, যা বোনাস হান্টার এবং বিনোদনপ্রার্থী উভয়ের জন্যই উপযোগী। জনপ্রিয় শিরোনামগুলো আকর্ষণীয় স্পিন এবং জয়ের সম্ভাবনা প্রদান করে, যা বিভিন্ন খেলোয়াড়ের পছন্দ অনুযায়ী এটিকে একটি আকর্ষণীয় পছন্দ করে তোলে।

  • Starburst
  • Gonzo’s Quest
  • Book of Dead
  • Wolf Gold
  • Immortal Romance

টেবিল গেমস

Super Baji ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট এবং ব্যাকার্যাটসহ বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল টেবিল গেম হোস্ট করে। এই গেমগুলো বিভিন্ন স্টেক স্তর এবং খেলার গতি প্রদান করে, যা সাধারণ এবং কৌশল-নির্ভর উভয় ধরনের খেলোয়াড়দের আকর্ষণ করে। মেনুতে কিছু বৈচিত্রসহ ক্লাসিক স্ট্যাপলস রয়েছে, যা গেমিং অভিজ্ঞতা বাড়ানোর জন্য সাইড বেট এবং বিভিন্ন ফরম্যাট অফার করে।

  • রুলেট: বিভিন্ন স্টাইল, নমনীয় সীমা
  • ব্ল্যাকজ্যাক: ক্লাসিক, সাইড বেট উপলব্ধ
  • ব্যাকার্যাট: একাধিক ভেরিয়েশন, উচ্চ সীমা
  • সীমা: কম থেকে উচ্চ, বৈচিত্র্যময় বিকল্প
  • সাইড বেট: ব্ল্যাকজ্যাক এবং ব্যাকার্যাটে উপলব্ধ
  • উপস্থাপনা ফরম্যাট: ইন্টারেক্টিভ, আকর্ষণীয়

লাইভ ক্যাসিনো গেমস

Super Baji-এর লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে রয়েছে উচ্চ-মানের স্টুডিও এবং বিভিন্ন ধরনের টেবিল। খেলোয়াড়রা কম-স্টেক এবং প্রিমিয়াম লিমিট অপশনের সাথে উপস্থাপক-নেতৃত্বাধীন গেম উপভোগ করতে পারেন। গেম-শো স্টাইলের অফারগুলো উত্তেজনা যোগ করে, আর স্ট্রিমের স্থিতিশীলতা মসৃণ খেলা নিশ্চিত করে। লাইভ ইন্টারঅ্যাকশন RNG টেবিলের তুলনায় একটি স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা প্রদান করে, যা ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা এবং মূল্য বৃদ্ধি করে।

  • স্টুডিও: উচ্চ-মানের, নিমগ্ন
  • টেবিল: বিস্তৃত বৈচিত্র্য, একাধিক সীমা
  • উপস্থাপক: পেশাদার, আকর্ষণীয়
  • সীমা: নিম্ন থেকে প্রিমিয়াম, নমনীয়
  • স্ট্রিমের গুণমান: স্থিতিশীল, হাই-ডেফিনিশন
  • ইন্টারঅ্যাকশন বৈশিষ্ট্য: রিয়েল-টাইম চ্যাট, সামাজিক

প্রধান গেম প্রদানকারী

Super Baji-এর লাইব্রেরি শীর্ষস্থানীয় সফটওয়্যার স্টুডিওগুলির দ্বারা গঠিত, যা গুণমান এবং বৈচিত্র্যময় গেম বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে। প্রদানকারীর বৈচিত্র্য গেমের পরিচিতি এবং ন্যায্যতা বৃদ্ধি করে। খ্যাতনামা নামগুলি স্বতন্ত্র উপাদান যোগ করে, যা অনন্য থিম, মেকানিক্স এবং খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা দিয়ে ক্যাটালগকে সমৃদ্ধ করে।

Super Baji-এ স্পোর্টস বেটিং

Super Baji একটি ব্যাপক স্পোর্টসবুক অফার করে যা এর ক্যাসিনো অফারকে আরও উন্নত করে। এই দ্বৈত ফোকাস বিভিন্ন আগ্রহকে পূরণ করে, ক্যাসিনো উত্সাহী এবং ক্রীড়া ভক্ত উভয়কেই আকর্ষণ করে। স্পোর্টসবুক এলাকা সামগ্রিক সাইটের সাথে নির্বিঘ্নে একীভূত হয়, ক্যাসিনো-প্রথম ছাপের পরিবর্তে একটি সুষম অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এই প্ল্যাটফর্মটি অভিজ্ঞ বাজি ধরোয়াড় এবং নতুনদের উভয়ের জন্যই আকর্ষণীয়, কারণ এটি একটি স্বজ্ঞাত ইন্টারফেস এবং বিস্তৃত পরিসরের বিকল্প প্রদান করে। ইন্টিগ্রেশন সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।

  • ক্রিকেট: বিস্তৃত মার্কেট এবং লাইভ বেটিং অপশন।
  • বাস্কেটবল: প্রি-ম্যাচ এবং ইন-প্লে বেটিং ফিচার।
  • টেনিস: ভার্চুয়াল স্পোর্টস এবং বিস্তৃত বেটিং মার্কেট।
  • কব্জি: লাইভ স্ট্রিম এবং একাধিক বেট ধরন।
  • ই-স্পোর্টস: উদ্ভাবনী বেটিং ফিচার এবং গতিশীল মার্কেট।

স্পোর্টসবুক কভারেজ

Super Baji-এর স্পোর্টসবুকে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। BPL এবং IPL-এর মতো প্রধান লীগ। ডার্টস এবং স্নুকারের মতো বিশেষ খেলাধুলাও এখানে গুরুত্বের সাথে স্থান পায়। প্রি-ম্যাচ অফারগুলো ব্যাপক, যেখানে অসংখ্য বিকল্প উপলব্ধ। লাইভ বেটিং শক্তিশালী, যা বাস্তব-সময় সম্পৃক্ততা প্রদান করে। ভার্চুয়াল স্পোর্টস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা অবিরাম অ্যাকশন প্রদান করে। কভারেজের বিস্তৃতি প্রতিটি বেটিং পছন্দের জন্য বিকল্প নিশ্চিত করে।

বেটিং অডস

Super Baji-এর স্পোর্টসবুক আন্তর্জাতিক ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন অডস ফরম্যাট সমর্থন করে। জনপ্রিয় মার্কেটগুলো সহজেই অ্যাক্সেসযোগ্য, একটি ব্যবহারকারী-বান্ধব লাইভ ইন্টারফেস অভিজ্ঞতাকে উন্নত করে।ক্যাশ-আউট ফিচারগুলো নমনীয়তা প্রদান করে, আর বেট-বিল্ডিং টুলগুলো গভীরতা যোগ করে। নির্বাচিত ইভেন্টগুলোর জন্য স্ট্রিমিং অপশনও রয়েছে, যা অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করে। সামগ্রিকভাবে, স্পোর্টসবুকটি ব্যবহারযোগ্যতা এবং ব্যাপক বাজার অফারকে অগ্রাধিকার দেয়, যা স্পোর্টস বেটিং উত্সাহীদের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলে।

Super Baji পেমেন্ট অপশন

Super Baji একটি ব্যাপক ক্যাশিয়ার অভিজ্ঞতা প্রদান করে, যা ফিয়াট এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি উভয় লেনদেনকেই সমর্থন করে। ডিপোজিট দ্রুত হয়, তবে উইথড্রয়ের গতি ভিন্ন হতে পারে। খেলোয়াড়দের এগিয়ে যাওয়ার আগে কোনো ফি আছে কিনা এবং লেনদেনের সীমা নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত। লেনদেনের প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য চার্জগুলি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Bkash
  • Nagad
  • Rocket
  • UPay
  • OK Wallet
  • SureCash
  • iPay
  • Rupee-O
  • ব্যাংক ট্রান্সফার
  • USDT

Super Baji মোবাইল অ্যাপ

Super Baji অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোন উভয় মোবাইল ব্যবহারকারীর জন্য একটি নির্বিঘ্ন অভিজ্ঞতা প্রদান করে। নেভিগেশন স্বজ্ঞাত, যেখানে ক্যাশিয়ার এবং বোনাসে দ্রুত অ্যাক্সেসের সুবিধা রয়েছে। সাইটটি দ্রুত লোড হয়, যা মসৃণ গেমপ্লে নিশ্চিত করে। ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী পোর্ট্রেট এবং ল্যান্ডস্কেপ মোডের মধ্যে সহজেই পরিবর্তন করতে পারেন। যদিও কোনো ডেডিকেটেড অ্যাপ নেই, ব্রাউজার-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মটি iOS এবং Android ডিভাইসে ভালোভাবে কাজ করে। লাইভ লবি এবং স্পোর্টসবুক ব্যবহারকারী-বান্ধব, যা সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করে। প্রগ্রেসিভ ওয়েব অ্যাপ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

Super Baji ক্যাসিনোতে নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা

Super Baji ক্যাসিনো একটি স্বীকৃত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, যা নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড মেনে চলার নিশ্চয়তা দেয়। স্বচ্ছ কোম্পানি তথ্যের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহারকারীর ডেটা সুরক্ষিত রাখে, যা আস্থা বৃদ্ধি করে। স্বাধীন নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাইকৃত এলোমেলো গেম ফলাফলের মাধ্যমে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা হয়। অভিযোগগুলি দক্ষতার সাথে সমাধান করা হয়, যা আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলে।

Super Baji-এ দায়িত্বশীল জুয়ার সরঞ্জাম

খেলোয়াড় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিরাপদ জুয়া প্রচারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিকল্প যা খেলোয়াড়দের তাদের কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে দেয়। এগুলো শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা নয় তা নিশ্চিত করতে তাদের দৃশ্যমানতা এবং ব্যবহারিকতা মূল্যায়ন করা অপরিহার্য। দৃশ্যমান এবং ব্যবহারিক সরঞ্জামগুলি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে, একটি স্বাস্থ্যকর জুয়া পরিবেশ গড়ে তোলে।

  • ডিপোজিট সীমা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সর্বোচ্চ পরিমাণ নির্ধারণ করে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • সেশন সীমা গেম খেলার সময়কাল সীমিত করে।
  • কুলিং-অফ অপশন জুয়া থেকে অস্থায়ী বিরতি প্রদান করে।
  • সেল্ফ-এক্সক্লুশন খেলোয়াড়দের জুয়া সেবা থেকে নিজেকে ব্লক করার সুযোগ দেয়।
  • অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা জুয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থায়ীভাবে বেরিয়ে আসার উপায় প্রদান করে।
  • সমর্থন সংস্থানগুলির লিঙ্ক ব্যবহারকারীদের সহায়তা ও পরামর্শের সাথে সংযুক্ত করে।

Super Baji-এ গ্রাহক সহায়তা

সহায়তা লাইভ চ্যাট, ইমেইল এবং একটি সুগঠিত হেল্প সেন্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এর প্রধান শক্তি হল ব্যাপক সেবা। সহায়তা প্রতিদিন সারাদিন চলে, এবং জ্ঞানভান্ডার পেমেন্ট, যাচাইকরণ, বোনাস, ক্যাসিনো খেলা এবং বাজি সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নগুলির উত্তর দেয়। জরুরি লগইন, আমানত বা উত্তোলন সংক্রান্ত উদ্বেগের জন্য চ্যাট উপযুক্ত।

ইমেইল ডকুমেন্ট যাচাই এবং দীর্ঘমেয়াদী বিলিং বিরোধের জন্য স্ক্রিনশটসহ উপযুক্ত। সাপোর্ট পেজগুলোতে ব্যবহৃত টোন পরিষ্কার এবং ব্যবহারিক। অ্যাকাউন্ট, পেমেন্ট বা অফার সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে, তহবিল বা বোনাস মুক্তি পাওয়ার আগে অভ্যন্তরীণ বা প্রদানকারী পর্যালোচনা চলাকালীন পরিচয় যাচাই, ফলো-আপ প্রশ্ন এবং আপডেটের প্রত্যাশা করুন।

উপসংহার

Super Baji তাদের জন্য একটি আকর্ষণীয় পছন্দ যারা বৈচিত্র্যময় বিকল্পের সাথে একটি প্রাণবন্ত গেমিং অভিজ্ঞতা চান। নিমগ্ন ক্যাসিনো পরিবেশের উত্সাহীরা এর শক্তিগুলিকে প্রশংসা করবেন। তবে, যারা ঐতিহ্যগত সেটিংস পছন্দ করেন তারা বিকল্পগুলি অন্বেষণ করতে পারেন। প্ল্যাটফর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারী-বান্ধব নেভিগেশন এবং আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স।

সামগ্রিকভাবে, Super Baji আধুনিক গেমারদের জন্য একটি আকর্ষণীয় পছন্দ প্রদান করে। যারা এর অফারগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তারা এটিকে বিশেষভাবে সন্তোষজনক মনে করবেন। অন্যদের হয়তো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের পছন্দগুলো মূল্যায়ন করতে হবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য Super Baji-এ খেলা নিরাপদ কি?

Super Baji কিউরাও লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত হয়, অ্যাকাউন্ট যাচাই করে, এবং জালিয়াতি, পরিচয়, ও সীমাবদ্ধ এখতিয়ারে নীতিগত নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করে।

নতুন খেলোয়াড়দের জন্য কি Super Baji কোনো ক্যাসিনো ওয়েলকাম ডিল অফার করে?

Super Baji নতুন গ্রাহকদের ম্যাচ বোনাস এবং ফ্রি স্পিনসহ মাল্টি-ডিপোজিট প্যাকেজ প্রদান করে, যা বাজি ধরার শর্ত এবং অ্যাকাউন্ট নিয়মের অধীন।

নিবন্ধন বা রিলোড অফারের জন্য কি কোনো Super Baji প্রোমো কোড আছে?

Super Baji সবসময় কোড চায় না, যদিও কিছু প্রচারণার জন্য ক্যাশিয়ার বা প্রোমো এলাকায় আলাদা সক্রিয়করণ শর্ত থাকতে পারে।

নতুন সাইন-আপের জন্য কি কোনো Super Baji নো-ডিপোজিট বোনাস আছে?

Super Baji ডিপোজিট-ভিত্তিক পুরস্কারের উপর ফোকাস করে, তাই খেলোয়াড়দের স্ট্যান্ডার্ড নো-ডিপোজিট প্যাকেজের পরিবর্তে অর্থায়িত অফার আশা করা উচিত।

Super Baji কি ক্যাসিনো এবং স্পোর্টস ব্যবহারের জন্য মোবাইলে ভালোভাবে কাজ করে?

Super Baji ফোন এবং ট্যাবলেটে ব্রাউজারের মাধ্যমে চলে, যেখানে ক্যাসিনো লবি, বেটিং মার্কেট এবং ক্যাশিয়ার অ্যাক্সেস মোবাইল স্ক্রিনের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

Super Baji-এ উত্তোলন, যাচাইকরণ এবং সহায়তা কীভাবে কাজ করে?

Super Baji কিছু ক্যাশআউটের আগে নথিগুলি পর্যালোচনা করে, সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ ১২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখে, এবং লাইভ চ্যাট, ইমেইল, এবং হেল্প-সেন্টার সাপোর্ট প্রদান করে।

ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূল হুথিদের নিয়ন্ত্রণে

ডিজিটাল ডেস্ক

মাত্র ১৮ ঘণ্টার সামরিক অভিযানের পর ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে হুথিরা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদকের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের সর্বশেষ অংশে অভিযান চালিয়ে হুথি যোদ্ধারা দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। সরকারি বাহিনী এর আগেই মোখা এলাকা থেকে সরে যাওয়ায় তাদের খুব বেশি প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়নি।

অভিযানের শুরুতে হুথিরা দুবাব এলাকা দখলে নেয়। পরে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্বশেষ উপকূলীয় শহর মুরাদও তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।

উপকূলীয় এলাকা দখলের পর হুথিদের নৌবাহিনী সমুদ্রের দিকে অগ্রসর হয়। তারা বাব এল-মানদেব প্রণালির মায়্যুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং জুকাল দ্বীপে প্রবেশ করে। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে হুথিদের পুরো লোহিত সাগর উপকূল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Click to comment

বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল পাস

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল-২০২৬’ সংশোধিত আকারে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের জন্য উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে পাস হয়।

বিলটির বিভিন্ন ধারায় আপত্তি তুলে তা অনুমোদন না করার আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তবে তার আপত্তি এবং বিরোধী দলের বক্তব্য উপেক্ষা করেই বিলটি পাস করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নতুন এ আইনের ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং বাহিনীর কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য একটি কার্যকর কাঠামো গড়ে উঠবে।

Click to comment

‘জরুরি ভিত্তিতে টাকা পাঠান’- এমপিদের নম্বর হ্যাক করে প্রতারণা

‘জরুরি ভিত্তিতে ৫০ হাজার টাকা পাঠান’, ‘৩০ হাজার টাকা পাঠান’- এমন বার্তা পাঠিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্যদের নম্বর হ্যাক করে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। মুঠোফোনের তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাপ হ্যাক, ভয়েস ক্লোন এবং স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার ঘটনায় সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা এর শিকার হচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে গিয়ে এ বিষয়ে সতর্ক করেন চিফ হুইপ।

চিফ হুইপ বলেছেন, ‘পত্রিকায় এসেছে মোবাইল ফোনে… আমি কালকে এখানে পেয়েছি, আমাকে তিনজন সংসদ সদস্য বলেছেন জরুরি ভিত্তিতে ৫০ হাজার টাকা পাঠান, ৩০ হাজার টাকা পাঠান, আবার ২৫ হাজার টাকা পাঠান। তিনটা নম্বর থেকে এসেছে। যাদের নম্বর থেকে এসেছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কল করেছিলাম কিন্তু ধরেননি। মানে মোবাইল (নম্বর) হ্যাক হয়েছে।’

সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিফ হুইপ বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট সচেতন হওয়া জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি আপনারা জানলে সারা বাংলা জানবে বলে মনে করি। টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ জানুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভয়েস ক্লোন করে এবং কাগজপত্র নিয়ে কাজটা করছে, কিছু কিছু মানুষ স্বাক্ষর জাল করে একটি কাগজ হাজির করছে, সেটাও সমস্যা হয়েছে। বিরোধী দলের অনেক সদস্যদের হয়েছে, সরকার দলের সদস্যদেরও হয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্যদের সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান চিফ হুইপ।

এ সময় চিফ হুইপকে উদ্দেশ্য করে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ‘বিষয়টি যখন উঠালেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব কার? রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে কিছু বলবেন না? ক্লোন হয় না হয়, সেটা তো ব্যক্তিগত পর্যায়ে যাদের হচ্ছে, তারা তো সেটার জন্য দায়ী নয়। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের, নির্বাহী বিভাগ বা রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে বলার থাকলে বলেন।’

জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে গতকালই (বুধবার) কথা হয়েছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা বিটিআরসি শুরু করেছে। যাতে এ সমস্যার সমাধান করতে পারি।’

এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘সব লবিতে ফেস রিডিং ডিভাইস রয়েছে। সেখানে ফেস রিডিং করা হয় না, ১২০ থেকে ১২২ জনের মতো হয়। আমাকে সংসদ থেকে অবহিত করা হয়েছে, যাতে সব সংসদ সদস্য ফেস রিডিং করে সংসদ কক্ষে ঢোকেন। আজ যেন যাওয়ার সময় সব সদস্য ফেস রিডিং করে যান।’

Click to comment

রাবি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যাধুনিক নতুন দুটি অ্যাম্বুলেন্স দিল প্রশাসন

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবার জন্য অত্যাধুনিক নতুন দুটি অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত করেছে বিশবিদ্যালয় প্রশাসন ।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম অ্যাম্বুলেন্স দুটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে উপাচার্য অ্যাম্বুলেন্সের চাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান মাফরুহা সিদ্দিকা লিপির কাছে হস্তান্তর করেন।

অ্যাম্বুলেন্স দুটি উদ্বোধন করে উপাচার্য তাঁর মন্তব্যে বলেন, এর মাধ্যমে রাবিতে জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীদের আনা-নেওয়া ও চিকিৎসা সেবা প্রদান আরও গতিশীল হলো। নতুন এই অ্যাম্বুলেন্স দুটিতে অক্সিজেন সরবরাহসহ জরুরি চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা আছে যা শিক্ষার্থীদের জরুরি মুহূর্তে ভোগান্তি দূর করবে।

উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জরুরি পরিস্থিতিতে আমরা অনেক বেশি রামেক হাসপাতালের আইসিইউ এর উপর নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে রাবি চিকিৎসা কেন্দ্রের সেবার অধিকতর উন্নয়নের জন্য আরও কিছু পরিকল্পনা, যেমন জরুরি চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানো, প্রয়োজনীয় ঔষুধের সরবরাহ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ দক্ষ টেকনিশিয়ান ও নার্স নিয়োগের কথা জানান। এছাড়া রাবি চিকিৎসা কেন্দ্রে আইসিইউ সুবিধা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান মাফরুহা সিদ্দিকা লিপি বলেন, আমাদের মেডিকেল সেন্টারে অনেক অনেক সমস্যা। এই মুহুর্তে এম্বুলেন্সটি তৃষ্ণার্ত পথিকের নিকট একগ্লাস পানির মতো হয়ে আসলো। আমি এই মুহুর্তে অনেক খুশি। আশা করি প্রশাসন আমাদের লোকনল দিয়ে সবকাজে সাহায্য করবে।

উদ্বোধনকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মো. আব্দুল আলিম ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মামুনুর রশীদ। এছাড়া ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ এইচ এম আসলাম হোসেন, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর এ এইচ এম খুরশীদ আলম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর এস এম কামরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

নেহাল রাফি
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
০১৮২৯৩৩৬৪১৬

Click to comment

ইবিস্থ চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে মহিম-আদিল

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চট্টগ্রাম থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র ২০২৬-২৭ সেশনের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মহিম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আদিল মুহাম্মদ তাছিফ মনোনীত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপদেষ্টার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এছাড়াও আংশিক কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে হান্নান আকিব, অর্থ সম্পাদক সম্রাট জিসান, অফিস সম্পাদক মিনহাজুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক আবু বকর ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ইকরাম রিশাদ মনোনীত হয়েছেন।

সাধারণ সম্পাদক আদিল মুহাম্মদ তাছিফ বলেন, “এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি একটি বড় আমানত । চট্টগ্রাম থেকে আগত শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ঐক্য, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে চাই।”

সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মহিম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “এই দায়িত্বকে আমি সম্মানের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত হিসেবে দেখছি। চট্টগ্রাম থেকে আগত সকল শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও কল্যাণে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। সকলের মতামত ও সহযোগিতা নিয়ে সমিতিকে আরও সুসংগঠিত, কার্যকর ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ দায়িত্ব পালনে সবার দোয়া, সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছি।”

Click to comment

শাকসু বন্ধ করে ‘উপাচার্য’ হয়েছেন, এবার শাকসু নির্বাচন দিন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের
সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি অ্যাকাডেমিক ভবন ‘ই’ প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব রিয়াজ রিমন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিনিধি থাকলেও শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিনিধি নাই। শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে কথা বলার মানুষ নেই। তাই প্রশাসনকে উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ঠিক করতে হবে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিগত সময়ে আপনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন যদি শাকসু নির্বাচন হয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা কোন সহযোগীতা করবে না। তার বিনিময়ে তারেক রহমান সরকার আপনাকে শাবিপ্রবির উপাচার্য বানিয়েছেন। আপনি আপনার পুরস্কার পেয়েছেন। এখন আপনি শিক্ষার্থীদের শাকসু নির্বাচন দিয়ে দিন।

ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি ও ছাত্রদলের ষড়যন্ত্রের কারণেই শাকসু নির্বাচনের একদিন আগে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এটা আমাদের সকলের কাছে পানির মতো পরিষ্কার।’

উপাচার্যেকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনার রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে। কিন্তু আপনি যখন উপাচার্যের দায়িত্বে আছেন, তখন আপনি ৯ হাজার শিক্ষার্থীর উপাচার্য। রাজনৈতিক পরিচয় এক পাশে রেখে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা করাই আপনার প্রধান দায়িত্ব।’

এ সময় প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘রবিবারের মধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা না করলে আপনাকে অতীত স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির কারণে অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় মাসের পর মাস বন্ধ ছিল। আপনারা যদি শিক্ষার্থীদের দাবিকে উপেক্ষা করেন এবং আমাদের সঙ্গে বসে রোডম্যাপ ঘোষণা না করেন, তাহলে আবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’
জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আবরার রাশিদ বলেন, একটি রাজনৈতিক দল এবং একই সঙ্গে প্রশাসনের যোগসাজশে যেভাবে শাকসু বন্ধ হয়েছে এবং বর্তমান পর্যায়ে যেখানে নতুন প্রশাসন এসে সেটাকে পুনরুদ্ধার ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার কথা, কিন্তু একই প্রশাসন বর্তমান প্রশাসনও সেই আগের প্রশাসনের সঙ্গে যেভাবে হাঁটছে, এর ফল আমরা খুব একটা সুখকর মনে করছি না।

তিনি আরো বলেন, আমরা কিন্তু জুলাই থেকে উঠে আসা মানুষ। আমরা চাই, এই প্রশাসন, এই সরকার আমাদের শিক্ষার্থীদের স্পিডটা বুঝুক। যদি শিক্ষার্থীদের স্পিড বুঝতে ব্যর্থ হয়, যদি শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়া বুঝতে এই সরকার ও প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তবে এর পরিণাম খুব একটা সুখকর হবে বলে আমরা মনে করি না।

Click to comment

জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন হাসিনাকন্যা পুতুল

জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর প্রেক্ষাপটে সংস্থাটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ধাক্কা তার রাজনৈতিক মিত্রদের গণ্ডি পেরিয়ে এখন পরিবারের সদস্যদের ওপরও দৃশ্যমান হচ্ছে। হাসিনার ঘনিষ্ঠ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বর্তমানে বাংলাদেশে দুর্নীতিসহ নানা ফৌজদারি মামলার মুখে পড়েছেন কিংবা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মতো প্রবাসে অবস্থান করছেন।

২০২৪ সালের শুরুর দিকে পাঁচ বছর মেয়াদে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সায়মা ওয়াজেদ। তবে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২৫ সালের মার্চে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা দায়ের করলে একই বছরের জুলাই মাসে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে গত বছরের শেষের দিকে ডব্লিউএইচও তাকে অবৈতনিক প্রশাসনিক ছুটিতে রাখে।

রয়টার্সের দেখা গত ৩ জুলাই ডব্লিউএইচও বরাবর পাঠানো সায়মা ওয়াজেদের আইনজীবীদের একটি চিঠি অনুযায়ী, সংস্থাটি তার বিরুদ্ধে ‘চীন সফরের বিষয়ে আর্থিক জালিয়াতি’ এবং ‘শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুল তথ্য উপস্থাপনের’ অভিযোগ তোলে। তবে সায়মা ওয়াজেদ শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

এ ছাড়া মহাপরিচালক বরাবর পদত্যাগপত্রে সায়মা উল্লেখ করেন, ডব্লিউএইচও তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বেআইনিভাবে একটি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগও এনেছিল। এর জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় যোগদানের আগেই তিনি ওই জমি পেয়েছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত আইনের অধীনে তিনি তা পাওয়ার বৈধ অধিকারী ছিলেন।

ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুসকে দেওয়া চিঠিতে সায়মা ওয়াজেদ নেতৃত্বের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার অঞ্চলের দেশগুলোর সেবা করার লক্ষ্যেই আমি আঞ্চলিক পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছিলাম এবং নিষ্ঠার সঙ্গেই সেই দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু আপনি ক্রমাগত আমাকে দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে আসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আপনার নেতৃত্বের ওপর আমি সম্পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা হারিয়েছি।’

চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমাকে বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর প্রায় এক বছর কোনো পারিশ্রমিক না পাওয়ায় আমার আর্থিক পরিস্থিতি চরম সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’ তবে এ বিষয়ে তিনি নতুন করে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাৎক্ষণিকভাবে ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি এর আগে গোপনীয়তার স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য জানানো থেকে বিরত থেকে শুধু তার ছুটিতে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।

সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সায়মা ওয়াজেদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অপসারণের পরিকল্পনা করছিল জাতিসংঘ সংস্থাটি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, ডব্লিউএইচও আগামী ১২ অক্টোবর এই পদের জন্য নতুন মনোনয়ন আহ্বান করবে, ডিসেম্বরে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২০২৭ সালের ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্বের জনস্বাস্থ্য নীতিনির্ধারণে আঞ্চলিক পরিচালকের পদটি অত্যন্ত প্রভাবশালী। যে কোনো মহামারি বা জরুরি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নেতৃত্ব দেওয়া এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নীতিমালা বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকে এই পদের ওপর। বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্য দেশগুলোর ভোটে প্রতি পাঁচ বছর পরপর এ পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আইনজীবীদের মাধ্যমে পাঠানো জুলাইয়ের চিঠিতে চীন সফরের আর্থিক জালিয়াতির ব্যাখ্যায় সায়মা ওয়াজেদ জানান, এটি মূলত তার এক সহকারী কর্তৃক রুটিন বিল দাখিলের সময় ঘটে যাওয়া একটি প্রশাসনিক অসাবধানতা ছিল, যার পরিমাণ ছিল ৯০১ ডলার। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একটি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছিলেন এবং নিজের এই যোগ্যতার বিষয়টি ডব্লিউএইচও মহাপরিচালকের কাছে আগে থেকেই সম্পূর্ণ পরিষ্কার ছিল।

Click to comment

সরকারি ছয় চাকরিতে বাড়ছে না ভাইভার নম্বর

সরকারি চাকরির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির (১১-২০ গ্রেড) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন যেকোনো দিন জারি হতে পারে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের খসড়া সরকার ইতোমধ্যে প্রস্তুত করেছে। খসড়াটি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, ভাইভার নম্বর বাড়ানোর এ উদ্যোগ নিয়ে যখন বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা ও আন্দোলন চলছে, তখনই প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হওয়ার পর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, এই পরিবর্তনের পেছনে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা বৈষম্য তৈরির চিন্তা নেই; বরং দক্ষ ও যোগ্য প্রশাসনিক জনবল নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

এর আগে, গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়ার পর প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

খসড়া বিধিমালায় বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৭ নং আইন) এর ধারা ৫৯ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪০(২) অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই বিধিমালা প্রণয়ন করা হলো।

এতে উল্লেখ করা হয়, এই বিধিমালা মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও ইহাদের আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং সংস্থাসমূহের ১১তম ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মান বণ্টন (বিশেষ বিধান) বিধিমালা, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

এতে বলা হয়, এই বিধিমালার কোনো কিছুই শৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, আনসার ব্যাটালিয়ন, কোস্ট গার্ড, র‌্যাব বা অন্য কোনো বাহিনী এবং সরকারি কর্ম কমিশনের আওতাভুক্ত কোনো পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

এদিকে খসড়া বিধিমালায় ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

বর্তমানে এসব পদে ভাইভায় ১০ নম্বর থাকলেও নতুন প্রস্তাবে গ্রেডভেদে তা ২৫, ৪০ ও ৫০ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, ১১-১২তম গ্রেডে মোট ১৫০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০ নম্বর থাকবে মৌখিকের জন্য; যা বিদ্যমান নম্বরের চেয়ে ৪০০ শতাংশ বেশি। একই গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় ৯০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে। এই গ্রেডে বিদ্যমান লিখিত পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাস করতে হয়, প্রস্তাবিত খসড়ায় তা ৩৫ শতাংশ করা করা হয়েছে।

১৩ থেকে ১৬ গ্রেডের পদে বর্তমানে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যথাক্রমে ৯০ ও ১০ নম্বর রয়েছে।

নতুন প্রস্তাবে লিখিত পরীক্ষায় ৬০ এবং ভাইভায় ৪০ নম্বর রাখার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অপরদিকে ১৭ থেকে ২০ গ্রেডের পদে বর্তমানে লিখিত পরীক্ষায় ৪০ এবং ভাইভায় ১০ নম্বর রয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় লিখিত ও মৌখিক এ দুই পরীক্ষায় ২৫ নম্বর করে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা যায়, ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে চাকরির ক্ষেত্রে নম্বর বাড়ানোর বিষয়টি সচিব কমিটির সভায় চূড়ান্ত হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর হবে না। এ জন্য প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে একটি মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, খসড়া প্রজ্ঞাপন প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সবুজ সংকেত পেলে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

এসময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলেও উল্লেখ করেন সেই কর্মকর্তা।

খসড়া বিধিমালায় চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। বিধিমালা কার্যকর হওয়ার সময় ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী চলমান থাকলে তা আগের বিধিমালা অনুসারেই নিষ্পত্তি করতে হবে। অর্থাৎ নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার আগে শুরু হওয়া নিয়োগ কার্যক্রমে নতুন নম্বর কাঠামো প্রযোজ্য হবে না।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়, নতুন বিধিমালা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারবে।

Click to comment

‘সুদূরপ্রসারী ভাবনা’ থেকে জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় বাদ, সিট পেল প্রাধ্যক্ষের বিভাগের নবীনরা

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিজয়-২৪ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের খেলোয়াড় কোটায় সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে দুজনই হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলামের নিজ বিভাগ সমাজকর্মের শিক্ষার্থী। এ নিয়ে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। তবে প্রাধ্যক্ষের দাবি, হলের খেলাধুলার মান বাড়াতে ‘সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা’ থেকেই নবীনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

হল সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে খেলোয়াড় কোটায় চারজন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তাদের একজন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এবং অন্য তিনজন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন। নবীন তিনজনের মধ্যে দুজন সমাজকর্ম ও একজন দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী।

প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক হওয়ায় তার বিভাগের দুই নবীনকে খেলোয়াড় কোটায় সিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিলের নীতিমালা অনুযায়ী, স্নাতকের দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ বর্ষ এবং স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা আবাসিকতার জন্য আবেদন করতে পারেন। আসনের তুলনায় আবেদনকারী বেশি হলে একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের সাফল্যও বিবেচনায় নেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় হয়েও সিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ভাইভায় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলার কথা জানালে প্রাধ্যক্ষ শারীরিক শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রত্যয়নপত্র আনতে বলেন। পরে আমি প্রত্যয়নপত্র নিয়ে গেলে জানানো হয়, সিট নেই। পরে সার্কুলার দিলে আবেদন করতে হবে।’

চতুর্থ বর্ষে এসেও আবাসিক সিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহ জামাল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা চতুর্থ বর্ষে এসেও সিট পাইনি। অথচ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা কতদিন নিজেদের খেলা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে যে তাঁদের খেলোয়াড় কোটায় সিট দেওয়া হলো? এখানে স্বজনপ্রীতির বিষয়টি স্পষ্ট।’

অভিযোগের বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘ওরা হলে ভালো পারফরম্যান্স করছে। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের হল খেলাধুলায় পিছিয়ে আছে। চতুর্থ বর্ষ বা মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা পাঁচ-ছয় মাস পরই হল ছেড়ে চলে যায়। তাই সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা করেই নবীনদের সিট দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা দীর্ঘদিন হলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে নবীনদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বৈষম্যের অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো আবেদন তার কাছে আসেনি।

Click to comment

নিয়োগ পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ইবি ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

ইবি প্রতিনিধি

নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশের নম্বর কমিয়ে মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের মাধ্যমে দলীয়করণ ও ঘুষ-দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘দিকে দিকে খবর দে, ভাইভা প্রথার কবর দে’, ‘কোটা গেছে দিল্লিতে, ভাইভা যাবে লন্ডনে’, ‘নব্য কোটার নাম কি, ভাইভা ছাড়া আবার কি’, ‘ভাইভা না মেধা, মেধা মেধা’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, “২০২৪ এ ছাত্রজনতা কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। সেটা অন্য নামে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে ছাত্রজনতা সহ্য করবে না, তা রুখে দিবে।”

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “বর্তমানে সরকার সকল জায়গায় দলীয়করণ করার জন্য ষড়যন্ত্র করে ভাইভাকে মার্কস বৃদ্ধি করেছে। এই পদ্ধতিতে তারা বাংলাদেশের ভূখন্ডে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। এর উদাহরণ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও দেখতে পেয়েছি। দেখতে পেয়েছি চাকরির লোভ দেখিয়ে এলাকার মানুষদের সন্ত্রাসী করাতে। তাদের এই ষড়যন্ত্র আমরা সফল হতে দিব না। যে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে ক্যাম্পাসে এসেছে তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। তা নাহলে প্রশাসনকে দ্বায় নিয়ে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হলগুলোতেও অবৈধভাবে দলীয় লোক উঠিয়ে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। শহীদ জিয়াউর রহমান হলে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে হলে উঠিয়েছে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করার জন্য। এতে প্রশাসনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই জড়িত আছে। তারা আমাদের হল সেক্রেটারির গায়ে হাত তুলেছে। আর কোনোদিন কোনো কর্মীর গায়ে হাত তোলার দুঃসাহস করবেন না, তা নাহলে তাদের হাত আমরা ভেঙে দিব।”

তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, “হলগুলো থেকে অবৈধভাবে তিন দিনের মধ্যে অবৈধদের বের করতে হবে, তা নাহলে চতুর্থদিনের জন্য প্রস্তুত থাকবেন। ছাত্রশিবির এতদিন মার খেয়েছে, এবার সময় প্রতিহত করার। আল্লাহর ফরজ বিধানকে মানার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন নিয়োগ দেওয়া হবে বলে শুনতে পেয়েছি। আমাদের রক্তের বিনিময়ে স্বচ্ছ নিয়োগ বাস্তবায়ন করবো। আমরা কোনো অনিয়ম সহ্য করবো না। ধৈর্য্যের বাধ ভেঙে গেলে কি হবে তা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিবেন। চাকরি পরীক্ষাসহ ইবির সকল অনিয়ম বন্ধ করতে হবে, নয়তো কিভাবে বন্ধ করতে হয় তা আমাদের জানা আছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেবেন না। শিক্ষার্থীবান্ধব কাজে মনোযোগী হন, আধিপত্য নিয়ে মনোযোগী হবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রসঙ্গত, ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগের জন্য বিদ্যমান বিধিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি প্রস্তাবিত বিধিমালায় ১১ ও ১২ গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০, ১৩ থেকে ১৬ গ্রেডে ১০ থেকে ৪০ এবং ১৭ থেকে ২০ গ্রেডে ১০ থেকে ২৫ করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বরও কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গেজেট আকারে এখনও প্রকাশিত হয়নি।

Click to comment