Connect with us

Spinbetter স্পোর্টস বেটিং এবং ক্যাসিনো গেম

Spinbetter ২০১৯ সালে কার্যক্রম শুরু করে এবং এটি Sprut Group B.V. দ্বারা পরিচালিত। এটি বাংলাদেশে অন্যতম পরিচিত স্পোর্টস বেটিং সাইট। বিশ্বের ৩৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারীর একটি ক্রমবর্ধমান গ্রাহক ভিত্তি নিয়ে, Spinbetter https://spinbetterbet. com/bn/ অসাধারণ বেটিং সুযোগ, প্রতিযোগিতামূলক অডস এবং বাংলাদেশি বেটরদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রদান করে।

Spinbetter-এর নতুন গ্রাহকরা একটি বিশেষ ওয়েলকাম বোনাস উপভোগ করতে পারেন:

  • ১০০% স্পোর্টস বোনাস সর্বোচ্চ ১০০,০০০০ BDT পর্যন্ত।
  • ১০০% ক্যাসিনো ওয়েলকাম বোনাস সর্বোচ্চ ১৫০,০০০০ BDT ১৫০ ফ্রি স্পিন।

এই Spinbetter রিভিউতে, আমরা দেখব কী কী বৈশিষ্ট্য Spinbetter-কে বাংলাদেশে বেটরদের জন্য পছন্দের পছন্দ করে তুলেছে।

Spinbetter স্পোর্টস বেটিং সেকশন

Spinbetter প্রায় ৩০টি খেলায় বেটিং অফার করে। ক্রিকেট থেকে শুরু করে টেনিস, বাস্কেটবল, রাগবি, ডার্টস এবং গ্রেহাউন্ডস পর্যন্ত, বেটরদের জন্য একটি বিস্তৃত বেটিং মার্কেট উপলব্ধ। এর পাশাপাশি, সাইবার স্পোর্টস, মোটরস্পোর্টস এবং রাজনৈতিক ইভেন্টেও বেট করা যায়।

Spinbetter-এ উপলব্ধ খেলাগুলোর তালিকা এখানে দেওয়া হলো:

  • আমেরিকান ফুটবল
  • ব্যাডমিন্টন
  • বেসবল
  • বাস্কেটবল
  • বক্সিং
  • ক্রিকেট
  • সাইক্লিং
  • ডার্টস
  • সাইবারস্পোর্টস
  • গলফ
  • গ্রেহাউন্ডস
  • হ্যান্ডবল
  • হর্স রেসিং
  • হকি
  • স্পেশাল লটারি
  • মোটর স্পোর্টস
  • পলিটিক্স

Spinbetter প্ল্যাটফর্মটি বেটরদের জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত করেছে, ক্রিকেট বেটিং মার্কেটের একটি বিস্তৃত পরিসর প্রদান করে। গ্রাহকরা গ্রাহকরা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ এবং আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচের মতো প্রধান প্রধান টুর্নামেন্টে বেট করতে পারেন। নির্দিষ্ট মার্কেটগুলোর মধ্যে খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স, ম্যাচের ফলাফল, বা প্রতি প্রতি ম্যাচে বাউন্ডারি বা উইকেটের সংখ্যা প্রেডিক্ট করার মতো বিস্তারিত পরিসংখ্যান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

Spinbetter ক্রিকেট এবং অন্যান্য খেলাগুলোর জন্য অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক অডস অফার করে। বাংলাদেশি বেটররা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের তুলনায় উচ্চ রিটার্ন আশা করতে পারেন। Spinbetter প্রায়ই অডস তুলনা সাইটগুলোর শীর্ষে স্থান পায়।

Spinbetter ইন-প্লে

Spinbetter বেশিরভাগ খেলায় ইন-প্লে বেটিং বেটিং মার্কেটের একটি বিস্তৃত পরিসর প্রদান করে। যেমন প্রি-ম্যাচ মার্কেট, তেমনই এখানে ক্রিকেট এবং ফুটবলের ওপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে অনেক ইন-প্লে মার্কেট মার্কেট দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তরা এমন ফলাফলের উপর বেট করতে পারেন যেমন পরবর্তী পরবর্তী রান স্কোর করবে কোন খেলোয়াড়, ম্যাচে মোট কত গোল হবে, বা ছয় মারা হবে কিনা। একইভাবে, ফুটবল ভক্তরা পরবর্তী গোলদাতা, ম্যাচের ফলাফল বা কত ফাউল হবে, এর ওপর বেট করতে পারেন।

ইন-প্লে বেটিং সেকশনটি সহজ নেভিগেশনের জন্য সুচিন্তিতভাবে সাজানো হয়েছে, তাই বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা দ্রুত তাদের পছন্দের মার্কেট খুঁজে পেতে পারেন। Spinbetter এছাড়াও কাস্টম বেটিং অফার করে, যা ব্যবহারকারীদের একাধিক ফলাফল ফলাফল একত্রিত করে একটি বেট তৈরির সুযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ, ব্যবহারকারীরা এমন বেট তৈরি করতে পারেন যেখানে বলা হয় “প্লেয়ার A একটি হাফ-সেঞ্চুরি করবে, টিম B ম্যাচ জিতবে, এবং প্রথম ইনিংসে ২০০ বলের বেশি স্কোর হবে।”

ক্যাশআউট

Spinbetter ব্যবহারকারীদের তাদের বেট সেটলমেন্টের আগে ক্যাশ আউট করার সুযোগ দেয়। এই ফিচারটি ডেক্সটপ সাইট সাইট এবং মোবাইল অ্যাপে উভয় ক্ষেত্রেই উপলব্ধ, যা ব্যবহারকারীদের লাভ লক করতে বা ক্ষতি ক্ষতি হ্রাস করতে সাহায্য করে। যোগ্য বেট দেখতে, ব্যবহারকারীরা “ওপেন বেটস” সেকশনে যেতে পারেন, যেখানে ক্যাশআউটের ক্যাশআউটের পরিমাণ প্রদর্শিত হয়। একবার নিশ্চিত হলে, পরিমাণটি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারীর ব্যালেন্সে যোগ করা হয়।

ক্যাশআউট অপশন প্রি-ম্যাচ এবং ইন-প্লে বেটিং উভয়ের জন্যই উপলব্ধ। তবে, কিছু মার্কেট বা ইভেন্ট ক্যাশআউটের জন্য যোগ্য নাও হতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে, যেমন ক্রিকেট ম্যাচে ছয় বা ফুটবল ম্যাচে গোল হওয়ার সময়, এই ফিচারটি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় করা হতে পারে।

লাইভ স্ট্রিমিং

Spinbetter ব্যবহারকারীদের সরাসরি বিভিন্ন খেলার লাইভ স্ট্রিম দেখার সুযোগ দেয়, যা ওয়েবসাইট, মোবাইল সাইট বা অ্যাপে উপলব্ধ। লাইভ স্ট্রিমিংয়ের জন্য উপলব্ধ খেলার মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট, বাস্কেটবল, টেনিস, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল এবং হর্স ও গ্রেহাউন্ড রেসিং। অধিকাংশ খেলায়, অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স পজিটিভ থাকলেই লাইভ স্ট্রিমিং বিনামূল্যে উপভোগ করা যায়। হর্স রেসিং এবং গ্রেহাউন্ড রেসিংয়ের স্ট্রিম দেখতে হলে সেই ইভেন্টে একটি বেট প্লেস করতে হবে।

কাস্টমার সার্ভিস

Spinbetter গ্রাহক সেবা এমনভাবে এমনভাবে ডিজাইন করেছে যাতে এটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণ করতে পারে। এই প্ল্যাটফর্ম ২৪/৭ সাপোর্ট প্রদান করে, যা নিশ্চিত করে যে ব্যবহারকারীরা যেকোনো সময় সহায়তা পেতে পারেন। গ্রাহক সেবার জন্য নিম্নলিখিত বিকল্পগুলো উপলব্ধ:

  • লাইভচ্যাট: এই ফিচারটি ২৪/৭ উপলব্ধ এবং এটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জ্ঞানী জ্ঞানী ও বন্ধুভাবাপন্ন সাপোর্ট এজেন্টদের সঙ্গে রিয়েল-টাইমে সংযোগ স্থাপন করে। এটি জরুরি সমস্যাগুলোর জন্য আদর্শ।
  • ফোনসাপোর্ট: Spinbetter একটি ২৪/৭ ফোন লাইনও অফার করে, যা ব্যবহারকারীদের সরাসরি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা কথা বলার সুযোগ দেয়।
  • ইমেলসাপোর্ট: কম জরুরি সমস্যাগুলোর জন্য ব্যবহারকারীরা ইমেল পাঠাতে পারেন এবং সাধারণত এক বা দুই ঘণ্টার মধ্যে উত্তর পান।

এই প্রত্যক্ষ যোগাযোগ চ্যানেলের পাশাপাশি, Spinbetter একটি বিস্তৃত সহায়তা বিভাগও প্রদান করে, যেখানে প্রচুর সাধারণ প্রশ্ন এবং উত্তর রয়েছে। প্রোমোশন, অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত প্রশ্ন, বেটিং মার্কেট এবং আরও অনেক বিষয়ে তথ্য এখানে পাওয়া যায়। বাংলাদেশি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা বিস্তারিত নির্দেশনা পাওয়ার জন্য এই রিসোর্সের উপর নির্ভর করতে পারেন।

Spinbetter মোবাইল অ্যাপ

Spinbetter একটি ডেডিকেটেড মোবাইল অ্যাপ অফার করে, যা iOS এবং Android ডিভাইসে ডাউনলোডের জন্য উপলব্ধ। অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের প্ল্যাটফর্মের সব ফিচারে দ্রুত এবং সহজে অ্যাক্সেস দেয়, যার মধ্যে রয়েছে স্পোর্টস বেটিং, ক্যাসিনো গেম, লাইভ স্ট্রিমিং এবং অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট। অ্যাপটির ইন্টারফেস মোবাইল সাইটের ডিজাইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা সহজ নেভিগেশন নিশ্চিত করে।

অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য খেলায় বেট করতে পারেন, লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাক্সেস করতে পারেন এবং প্ল্যাটফর্মের বিস্তৃত অনলাইন ক্যাসিনো লাইব্রেরি এক্সপ্লোর এক্সপ্লোর করতে পারেন। অ্যাপটি নোটিফিকেশন সাপোর্ট করে, যা ব্যবহারকারীদের সর্বশেষ প্রোমোশন, বোনাস এবং ম্যাচ ফলাফল সম্পর্কে আপডেট থাকতে থাকতে সাহায্য করে। যারা যারা একটি সুবিধাজনক এবং সহজ বেটিং অভিজ্ঞতা চান, তাদের জন্য Spinbetter অ্যাপ ডাউনলোড করার সুপারিশ করা হয়।

Spinbetter অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

Spinbetter ওয়েবসাইটটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি একটি স্বজ্ঞাত এবং উপভোগ্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এর ব্যবহারকারী- বান্ধব ইন্টারফেস নিশ্চিত করে যে নতুন ব্যবহারকারীরাও সহজেই প্ল্যাটফর্মটি নেভিগেট করতে পারবেন।

হোমপেজে একটি রোটেটিং ক্যারোসেল রয়েছে যেখানে সর্বশেষ প্রোমোশন এবং অফারগুলি প্রদর্শিত হয়, যখন পৃষ্ঠার কেন্দ্রীয় অংশে চলমান ইন-প্লে ইভেন্টগুলোর জন্য অডস থাকে।

একটি সাইডবার ব্যবহারকারীদের ব্যবহারকারীদের দ্রুত বিভিন্ন খেলায় অ্যাক্সেস দেয়, যেমন ক্রিকেট এবং ফুটবল, যাতে ব্যবহারকারীরা লীগ, প্রতিযোগিতা বা অন্যান্য বিভাগ অনুসারে ইভেন্ট ফিল্টার করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, ক্রিকেট নির্বাচন করার পরে, ব্যবহারকারীরা আরও ফলাফল সংকুচিত করতে পারেন এবং ম্যাচ, স্পেশাল টিম বেট বা লাইভ বেট দেখতে পারেন।

Spinbetter-এর ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ প্রোমোশন বিভাগও রয়েছে, যেখানে স্পোর্টস বেটিং এবং ক্যাসিনো গেমের জন্য বর্তমান সমস্ত অফার প্রদর্শিত হয়। দ্রুত লোডিং পৃষ্ঠা এবং পরিষ্কার লেআউট সহ, Spinbetter ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি চমৎকার বেটিং অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

Spinbetter ক্যাসিনো

Spinbetter অনলাইন ক্যাসিনো বাংলাদেশি প্লেয়ারদের প্লেয়ারদের জন্য শীর্ষস্থানীয় প্রদানকারীদের কাছ থেকে একটি বিস্তৃত গেম লাইব্রেরি অফার করে। কয়েকশত স্লট, টেবিল গেম এবং লাইভ ক্যাসিনো গেম নিয়ে, প্রত্যেকের জন্য কিছু না কিছু আছে। জনপ্রিয় গেমের মধ্যে রয়েছে রুলেট, ব্ল্যাকজ্যাক, ব্যাকারাট এবং পোকার, পাশাপাশি অনন্য থিম এবং বোনাস ফিচার সহ বিভিন্ন স্লট।

ক্যাসিনো সেকশনে থাকা ফান্ড স্পোর্টস বেটিং সেকশন থেকে আলাদা ভাবে পরিচালিত হয়, তবে এই দুই সেকশনের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর করা খুব সহজ। Spinbetter ক্যাসিনো খেলোয়াড়দের প্রতিটি বেটের জন্য লয়ালটি পয়েন্ট দিয়ে দিয়ে পুরস্কৃত করে। এই পয়েন্ট জমা করা যায় এবং ক্যাশে রূপান্তরিত করা যায়, যা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য জন্য ক্যাসিনো অভিজ্ঞতাকে আরও বেশি লাভজনক করে তোলে।

Spinbetter লাইভ ক্যাসিনো

Spinbetter লাইভ ক্যাসিনো ব্যবহারকারীদের ঘরে বসেই বাস্তব গেমিং গেমিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করার সুযোগ দেয়। ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট এবং ব্যাকারাটের মতো গেমগুলো পেশাদার ডিলারদের দ্বারা সরাসরি পরিচালিত হয়। এছাড়াও, Spin a Win এবং Buffalo Blitz-এর মতো অনন্য লাইভ গেম প্লেয়ারদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ বিকল্প সরবরাহ করে।

বাংলাদেশের নতুন ব্যবহারকারীরা BDT ১৫০,০০০ পর্যন্ত ১০০০% ক্যাসিনো ওয়েলকাম বোনাস ১৫০ ফ্রি স্পিন এর সুবিধা নিতে পারেন, যা লাইভ ক্যাসিনো এবং এবং প্ল্যাটফর্মের অন্যান্য অংশ এক্সপ্লোর করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি একটি একটি স্বতন্ত্র এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমিং অভিজ্ঞতার সন্ধানকারী প্লেয়ারদের জন্য Spinbetter- কে একটি দুর্দান্ত পছন্দ করে তোলে।

Spinbetter ভার্চুয়াল স্পোর্টটস

ভার্চুয়াল স্পোর্টস বেটিং বেটিং দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, বিশেষ করে যখন লাইভ স্পোর্টিং ইভেন্ট সীমিত থাকে। Spinbetter বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বিস্তৃত ভার্চুয়াল স্পোর্টস বিভাগ অফার করে, যা ব্যবহারকারীদের দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সিমুলেটেড ইভেন্টগুলিতে বেট করার অনুমতি দেয়। এই ইভেন্টগুলোতে উন্নত অ্যালগরিদমের উপর ভিত্তি করে বাস্তবসম্মত গ্রাফিক্স এবং ফলাফল থাকে।

ভার্চুয়াল স্পোর্টসের সিলেকশনের মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট, ফুটবল, হর্স রেসিং, ডার্টস, টেনিস, গ্রেহাউন্ড রেসিং, অটো রেসিং এবং সাইক্লিং। বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য, ভার্চুয়াল ক্রিকেট ম্যাচ তাদের প্রিয় খেলায় যেকোনো সময় জড়িত থাকার একটি উত্তেজনাপূর্ণ উপায়। এছাড়াও, Spinbetter একটি অন-ডিমান্ড ভার্চুয়াল ভার্চুয়াল পরিষেবা অফার করে, যা ব্যবহারকারীদের তাদের সুবিধামতো ভার্চুয়াল ইভেন্ট শুরু শুরু করার অনুমতি দেয় এবং তাদের বেটিং সময়সূচীর উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে।

Spinbetter বিঙ্গো

Spinbetter বিভিন্ন অনলাইন বিঙ্গো গেম অফার করে, যা প্লেয়ারদের জন্য অবিরাম বিনোদন নিশ্চিত করে। প্ল্যাটফর্মটিতে ৭৫-বল, ৮০-বল এবং ৯০-বল বিঙ্গো রুম রয়েছে, পাশাপাশি বিশেষ বিঙ্গো গেম রয়েছে যা ঐতিহ্যবাহী গেমপ্লে-তে অনন্য পরিবর্তন নিয়ে আসে।

বিঙ্গো ছাড়াও, ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত গেমের একটি চিত্তাকর্ষক পরিসর উপভোগ করতে পারেন, যার মধ্যে রয়েছে স্লট, ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট, স্ক্র্যাচ কার্ড এবং ইনস্ট্যান্ট উইন গেম।

বিঙ্গো উত্সাহীদের জন্য নিয়মিত প্রোমোশন এবং বোনাস দেওয়া হয়, যা প্ল্যাটফর্মের মান এবং উপভোগ্যতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

Spinbetter পোকার

Spinbetter এককটি ডেডিকেটেড পোকার সেকশন অফার করে, যেখানে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা ব্রাউজার-ভিত্তিক গেমগুলিতে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করতে করতে পারেন। পোকার ইন্টারফেসটি সহজ এবং মূলত সাধারণ প্লেয়ারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, তবে এটি যথেষ্ট বৈচিত্র্যময় স্টেক এবং গেমের ধরন প্রদান করে।

অভিজ্ঞ পোকার উত্সাহীদের জন্য, প্ল্যাটফর্মটি বিশেষ পোকার সাইটগুলিতে পাওয়া গভীরতার অভাব থাকতে পারে, তবে নৈমিত্তিক গেমিংয়ের জন্য এটি একটি সুবিধাজনক বিকল্প।

Spinbetter-এর ব্যাংকিং অপশন

Spinbetter বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন মেটাতে মেটাতে বিভিন্ন জমা এবং উত্তোলনের পদ্ধতি সরবরাহ করে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • ব্যাংক কার্ড: VISA, MasterCard, Maestro.
  • ই-ওয়ালেট: PayPal, Skrill, Perfect Money
  • পেমেন্ট সিস্টেম: bKash, Neteller, ecoPayz, Payeer.
  • ব্যাংক ট্রান্সফার।
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি: Bitcoin, Tether, Dogecoin.

ন্যূনতম ডিপোজিটের পরিমাণ ১,০০০ BDT এবং ন্যূনতম উত্তোলনের পরিমাণ ২,০০০ BDT। লেনদেন দ্রুত প্রক্রিয়াজাত হয়, ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সিমলেস এবং সুবিধাজনক ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত পেমেন্ট সিস্টেম bKash অন্তর্ভুক্ত করা স্থানীয় ব্যবহারকারীদের জন্য উল্লেখযোগ্য সুবিধা যোগ করে।

উপসংহার

Spinbetter ২০১৯ সাল থেকে বেটিং শিল্পে একটি বিশ্বস্ত নাম হয়ে উঠেছে এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি অসাধারণ অনলাইন স্পোর্টস বেটিং এবং ক্যাসিনো অভিজ্ঞতা প্রদান করে আসছে। একটি কুরাকাও লাইসেন্স লাইসেন্স এবং ব্যবহারকারীদের ব্যবহারকারীদের সন্তুষ্টির প্রতি দৃঢ় মনোযোগ সহ, প্ল্যাটফর্মটি প্রতিযোগিতামূলক অডস, বিস্তৃত বেটিং মার্কেট এবং আকর্ষণীয় বোনাস সরবরাহ করে।

স্পোর্টস বেটিং সাইটটি প্রায় ৩০টি খেলার জন্য বেটিং কভার করে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট এবং ফুটবল, প্রি-ম্যাচ এবং ইন-প্লে অপশনগুলির একটি বিস্তৃত বিস্তৃত পরিসর সহ। ব্যবহারকারীরা কাস্টম বেটিং, লাইভ স্ট্রিমিং এবং সুবিধাজনক সুবিধাজনক ক্যাশব্যাক ফিচারগুলির সুবিধা নিতে পারেন। ক্যাসিনো উত্সাহীদের জন্য, Spinbetter শতাধিক গেম অফার করে, যার মধ্যে লাইভ ডিলার অপশন, স্লট এবং টেবিল গেম রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে BDT ১৫০,০০০ পর্যন্ত ১০০% ক্যাসিনো ওয়েলকাম বোনাস ১৫০ ফ্রি স্পিন।

Spinbetter-এর গ্রাহক পরিষেবার প্রতি মনোযোগ ২৪/৭ চ্যাট, ফোন এবং ইমেল সাপোর্টের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। প্ল্যাটফর্মের মোবাইল অ্যাপ, যা iOS এবং Android-এ উপলব্ধ, ব্যবহারকারীদের যেকোনো সময় এবং যেকোনো স্থান থেকে তাদের অ্যাকাউন্টে অ্যাক্সেস করার এবং বেট করার সুযোগ দেয়।

জনপ্রিয় স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি যেমন bKash এবং ক্রিপ্টোকরেন্সি যেমন Bitcoin এবং Tether-এর অন্তর্ভুক্তি ব্যাংকিংকে সহজ এবং কার্যকর করে তোলে। ন্যূনতম ডিপোজিট শুরু হয় ১, ০০০ BDT থেকে এবং উত্তোলন শুরু হয় ২,০০০ BDT থেকে, যা সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্যতা নিশ্চিত করে।

Spinbetter-এর বিশ্বমানের বেটিং প্রদান করার প্রতিশ্রুতি এটিকে একটি শীর্ষ পছন্দ করে তুলেছে, বিশেষ করে বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য এবং উত্তেজনাপূর্ণ অনলাইন জুয়ার বিকল্প খুঁজছেন ব্যবহারকারীদের জন্য।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ম ট্রেজারার হিসেবে অধ্যাপক ইমদাদুল হুদার যোগদান

জাককানইবি প্রতিনিধি:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে যোগদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা।

আজ রোববার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে যোগদানপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ম ট্রেজারার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাওয়া প্রথম ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন নবনিযুক্ত ট্রেজারারকে অভিনন্দন জানান। পরে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাস্কর্য, ‘চির উন্নত মম শির’ এবং পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০০৬ সালের ২৫ মে উদ্বোধন করা ফলকের বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. তানজিল হোসেন, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬-এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তাঁর নিয়োগের মেয়াদ চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত, এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মোড়ভাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ থেকে ‘কালচার সেনসিটিভ মেটেরিয়ালস ডিজাইন ফর ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং ইন বাংলাদেশ’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৯৩ সালের ২৭ নভেম্বর সরকারি কলেজে প্রভাষক হিসেবে তাঁর শিক্ষকতা জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ২০০৭ সালের ২৪ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ২০১০ সালে সহযোগী অধ্যাপক, ২০১২ সালে অধ্যাপক এবং ২০২১ সালে অধ্যাপক গ্রেড-১ হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে কলা অনুষদের ডিন, সিন্ডিকেট সদস্য, অর্থ কমিটির সদস্য, বিভাগীয় প্রধান, পরিবহণ প্রশাসক, একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, সহকারী প্রক্টরসহ বিভিন্ন দায়িত্ব রয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর উপাচার্য ও ট্রেজারার পদ শূন্য থাকাকালে তিনি প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সক্রিয় সদস্য এবং কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শাখার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

গবেষণাক্ষেত্রেও তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে তাঁর ২০টির বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর তত্ত্বাবধানে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে দুইজন পিএইচডি ও দুইজন এমফিল গবেষণা করছেন। এছাড়া তাঁর তত্ত্বাবধানে ২০টির বেশি এমএ থিসিস সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন জার্নালে সম্পাদক, প্রধান সম্পাদক ও সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মশালা ও সেমিনারে অংশগ্রহণের পাশাপাশি তাঁর লেখা বিভিন্ন গণমাধ্যম, ম্যাগাজিন ও পুস্তকে প্রকাশিত হয়েছে।

Click to comment

ইবিতে রংপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত রংপুর জেলার শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি মোবাশ্বের রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রুকনুজ্জামান হুমাঈদী ও মারযিয়া ইসলাম তাসফিয়া। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আরমিন খাতুন, ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু শিবলী মো. ফাতেহ আলী চৌধুরী এবং এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইনজামুল হক। এছাড়া সংগঠনের অ্যালামনাই ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া ও সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল, ক্রেস্ট, চাবির রিং, কলম ও ক্যালেন্ডার দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রবীণ শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট, চাবির রিং, কলম, ক্যালেন্ডার ও সার্টিফিকেট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠান চলাকালে গত ২১ আগস্ট রংপুরের মাছুয়া পাড়ায় নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার গণপতি পরিবারের জন্য বিচার চাওয়া হয় এবং এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে অতিথিরা নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। পরে প্রবীণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন এবং নবীন শিক্ষার্থীরা সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবন নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের সদস্যরা বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেন।এ

Click to comment

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চরের স্কুলে বেরোবি রোভার স্কাউটের বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষবিতরণ আয়োজন‎

বেরোবি প্রতিনিধি

‎প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যোগে  “বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎২৮ আগস্ট  শুক্রবার  লালমনিরহাটের চর ফলিমারীর স্মৃতি রায় ক্রিস্টাইল স্কাউট প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষক ও রোভার স্কাউটের সভাপতি ও সিনিয়র রোভারমেট সহ পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর গুরুত্ব ও শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণাদায়ক কথা বলেন।

‎শিক্ষার্থীরা জানায়,গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়। একটি গাছ রোধন হলে গাছ আরও লাগাবো।আমরা চাই ভাইয়াদের মতো বড় হতে। এলাকার দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে চাই।

‎সিনিয়র রোভারমেট বিক্রম কুমার সিং বলেন,আপনারা জানেন আমরা অক্সিজেন গাছ থেকে পাই। গাছে কিন্তু পৃথিবী প্রাণ।আমরা গ্রামে বা শহরে একটি গাছ কাটলে নতুন করে রোপণ করিনা।নিয়ম হচ্ছে তিনটি গাছ রোপণ করা।আপনারা দেখবেন বাংলাদেশে হঠাৎ করে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। আবহাওয়া অনুযায়ী যেটা ঘটার কথা সেটা ঘটছে না।

‎রোভার স্কাউটের বেরোবির সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন,  বিশ্ববিদ্যালয় যারা পড়াশোনা করে তারা নানা প্রতিকূলতা পরিবেশের উপেক্ষা করে ।আমরা তাদেরকে নিয়ে এসেছি আপনাদের সাথে সম্পৃক্ততা অর্জন করার জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদযাপন করার লক্ষ্যে আমরা এখানে এসেছি।আমরা এসেছি আপনাদেরকে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য।

‎তিনি আরো বলেন, একটা সময় যখন বিদ্যুৎ ছিল না তখন কি মানুষ বেঁচে ছিল না। এখন দুই ঘন্টা কারেন্ট না থাকায় মানুষের কি অবস্থা হচ্ছে। আপনারা যে চরাঞ্চলে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে খাপ খেয়ে নিয়েছেন।আপনারা সে সম্পর্কে অবহিত হবেনই পাশাপাশি আমরা আসছি সচেতনতামুলক কার্যক্রম করতে।

‎সাবেক সিনিয়র রোভার মেট সাইফুদ্দিন নূরী বলেন,স্যাররা ও ম্যামরা যে স্বপ্ন নিয়ে তোমাদের কাছে আসেন। তোমরা যেন মানুষ হয়েই গড়তে পারো।


‎শিক্ষার্থীর উদ্দোশ্য বলেন,তোমরা বললা  ডাক্তার হবে ইঞ্জিনিয়ার হবা। এটার জন্য তোমাদের চেষ্টা করতে হবে।

‎স্কুলটির প্রধান শিক্ষক তাসলিমা খাতুন জানান,প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী যে বেগম রোকেয়া  বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কাউট এসেছে। তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। তিনি আরও বলেন,গাছ লাগান,পরিবেশ বাঁচান।
‎উল্লেখ্য বক্তব্যের পরবতীতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে বৃক্ষবিতরণ ওই স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন করা হয় । এছাড়াও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রোববারে স্কাউটরা তাদের সাথে খেলাধুলায় অংশগ্রহণও করেন।।

Click to comment

বেরোবিতে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নতুন কমিটি অনুমোদন

বেরোবি প্রতিনিধি;

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ কর্মকার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রুশাইদ আহমেদ দায়িত্ব পেয়েছেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক সাইশা সুলতানা সাদিয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন শ্রাবণ রায়, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক ভাস্কর রায়, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাশফিকুল হাসান, অর্থ সম্পাদক খাদিজা আক্তার রিমু, দপ্তর সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক রাহেল ইসলাম শাওন এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো. ইউনুচ রাতুল।

এ ছাড়া সাহিত্য, প্রকাশনা ও পাঠচক্র সম্পাদক হয়েছেন মো. ওমর ফারুক, প্রচার সম্পাদক মিনহাজ হোসেন, উপ-প্রচার সম্পাদক মিঠুন সরকার এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. জসীম মিয়া। সম্পাদকীয় পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বখতিয়ার নাসিফ আহমেদ ও সমাপ্ত সরকার। কার্যনির্বাহী সদস্য হয়েছেন ফারহানা মীম ও ফিরোজ কবির।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, তরুণদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করা, লেখনী দক্ষতা বিকাশ এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা ও মতপ্রকাশের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম কাজ করছে। বেরোবি শাখাটিও শিক্ষার্থীদের লেখালেখি ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

নতুন কমিটির সভাপতি শুভ কর্মকার বলেন, “সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পরস্পরের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় সংগঠনকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাব, এই প্রত্যাশা ও বিশ্বাস রাখি।”

সাধারণ সম্পাদক রুশাইদ আহমেদ বলেন, “বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু থেকেই মননশীল শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশকে লেখালেখির মাধ্যমে ত্বরান্বিত করছে তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, বেরোবি শাখা। আমাদের নতুন কমিটি সেই কার্যক্রমকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।”

নতুন কমিটির দায়িত্বশীলরা জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখালেখির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ছাড়া পাঠচক্র, সাহিত্য ভিত্তিক আয়োজন ও প্রশিক্ষণ মূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে ক্যাম্পাসে তরুণদের লেখালেখি ও পাঠচর্চার পরিসর আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তি নির্ভর চিন্তা ও মত প্রকাশের সুযোগ তৈরি হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম তরুণ লেখকদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করা এবং তাদের লেখনী দক্ষতা বিকাশে কাজ করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখাও ক্যাম্পাসে লেখালেখি ও মননশীল চর্চার পরিবেশ তৈরিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

Click to comment

ইবি দুই শিক্ষার্থীকে গুম করার প্রতিবাদে শাখা শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

ইবি প্রতিনিধি

১৪ বছর ধরে নিখোঁজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মুকাদ্দাসের সন্ধান এবং গুমের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও কুষ্টিয়া জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময়, ‘আমার ভাই গুম হয়, প্রশাসন কি করে’; ‘ইসলামী ছাত্রশিবির, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’; ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’; ‘আওয়ামীলীগের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’; ‘অলি ভাই গুম হয়, প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

ছাত্রশিবিরের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সময়ে গঠিত ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি’র স্থবিরতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।

এসময় বর্তমান সরকারের প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে কুষ্টিয়া জেলা শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান বলেন, অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে গুম হওয়া সকলের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে এবং এই অপরাধের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে ছাত্রশিবির কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে শিবিরের দুই মেধাবী শিক্ষার্থীকে গুম করা হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বারবার যোগাযোগ করা হলেও বিগত স্বৈরাচারী সরকার বা প্রশাসন থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত কমিটির তৎপরতা দেখতে না পায় তাহলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কেউ যদি হাসিনার মত ফ্যাসিস্ট হতে চায় তাহলে তার পরিণতি হাসিনার থেকেও ভয়াবহ হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উপর আস্থা রাখতে চাই। সমাবেশ শেষে উপাচার্যের সাথে সাক্ষাৎ করবো এবং আমাদের কনসার্ন জানাবো।

Click to comment

ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে অনিয়ম বরদাস্ত করা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ফ্যামেলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি; প্রকৃত হকদারদের ন্যায্যতার ভিত্তিতে কার্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এইচএসবিসি ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এবং ব্র্যাকের বাস্তবায়নে ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন সহায়তা প্রকল্প’-এর উদ্বোধন ও প্রকল্প পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে। অতীতে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলেও বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এতে দুর্নীতি কমার পাশাপাশি কাজ দ্রুত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষে সব ক্ষেত্রে সরাসরি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ নয়। সেবা প্রদানের ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলো যুক্ত থাকলে কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগও কমে।

সভায় জানানো হয়, জুলাই মাসের আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিবারগুলোর নিরাপদ আবাসন, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যবিধি, জীবিকা, কৃষি ও শিক্ষা খাত পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া, কক্সবাজারের চকরিয়া এবং চট্টগ্রাম নগরের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করবে ব্র্যাক। সাত মাস মেয়াদি প্রকল্পে ৪০০ পরিবারকে ল্যাট্রিন নির্মাণে সহায়তা, ৩০টি টিউবওয়েল মেরামত ও পুনর্নির্মাণ, ৩০০ পরিবারকে জীবিকা পুনরুদ্ধারে সহায়তা এবং ২৫০ পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর মেরামত ও পুনর্নির্মাণে সহায়তা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ৬০০ পরিবারকে কৃষি উপকরণ, ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় মেরামত ও পুনর্নির্মাণ এবং ১০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে ৩০০টি সচেতনতামূলক সেশন আয়োজন করা হবে।

প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১০ কোটি টাকা, যার পুরো অর্থায়ন করবে এইচএসবিসি ব্যাংক।

Click to comment

মেসির চার গোলের ঝড়ে মন্ট্রিয়েলকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিল মায়ামি

অনলাইন ডেস্ক

বয়স ৩৯ ছুঁয়েছে। ফুটবলের প্রায় সব বড় অর্জনই এখন তার ঝুলিতে। বিশ্বকাপ, মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অসংখ্য পুরস্কার—সবই জিতেছেন Lionel Messi। তবুও মাঠে নামলেই যেন নিজেকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার নতুন চ্যালেঞ্জ নেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

বাংলাদেশ সময় রোববার ভোরে তার আরও একটি অসাধারণ পারফরম্যান্সের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। মেসির দুর্দান্ত চার গোল ও এক অ্যাসিস্টে সিএফ মন্ট্রিয়েলকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে Inter Miami CF।

ম্যাচের শুরুতেই গোল উৎসবের সূচনা করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা কাসেমিরো। কর্নার থেকে আসা বলে দুর্দান্ত হেডে মায়ামির হয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন তিনি।

৩৭ মিনিটে অবশ্য ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় মন্ট্রিয়েল। এক গোল শোধ করে সমতায় ফেরে দলটি। তবে বিরতির ঠিক আগে মেসির নেওয়া ফ্রি-কিক প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মায়ামি।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় মেসির একক আধিপত্য। ৫২ মিনিটে নিজের স্বভাবসুলভ ড্রিবলিংয়ে একের পর এক প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি।

৮০ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েও নিজে শট না নিয়ে সতীর্থ ও বন্ধু লুইস সুয়ারেজকে দিয়ে গোল করান মেসি। এর মাত্র তিন মিনিট পর গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে চমৎকারভাবে বল ভাসিয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

এরপর ১৮ বছর বয়সী আলেকজান্ডার শো দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে আরও একটি গোল করেন। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে আবারও ফ্রি-কিকের দায়িত্ব নেন মেসি। নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে পূর্ণ করেন নিজের চতুর্থ গোল।

শেষ পর্যন্ত ৭-১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মায়ামি। বয়স, রেকর্ড কিংবা অর্জন—কোনো কিছুই মেসির গোলের ক্ষুধা থামাতে পারছে না। বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে তার জাদু যেন আরও ধারালো হয়ে উঠছে।

সূত্র: ইএসপিএন

Click to comment

নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় নিহত প্রায় ৭০০, নিখোঁজ ৩ হাজার

ডিজিটাল ডেস্ক

নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যা ও আকস্মিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৭০০ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নেপালে ৬৭৫ জন এবং চীনে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুই দেশে এখনও প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের শত শত বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে ধ্বংসস্তূপ ও পানির নিচে থাকা মরদেহ উদ্ধারে হিমশিম খাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপালকে মানবিক সহায়তা হিসেবে ৩৬ লাখ ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে দেশটি ৫ লাখ ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিল।

এদিকে চীনে গত বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার সকালে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চীনে নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৫৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক। এদের মধ্যে ১৮ জন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

গত বুধবার চীন সীমান্তের কাছে হিমবাহ ধসে বরফ ও পাথরের বিশাল স্তূপ নেমে আসার পর আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে নেপালের রাসুয়া ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বন্যার পানিতে ওই অঞ্চলের সড়ক, সেতু, বসতবাড়ি ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

দুর্যোগের পর নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ কারণে ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী এলাকার বাসিন্দা এবং উদ্ধারকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্যও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, পর্যটক ও বিদেশি কর্মীসহ ৫৮৯ জন বিদেশি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালি ও বিদেশি নাগরিক মিলিয়ে মোট ৭৫৩ জন পর্যটকেরও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে ১৮৩ জন ভারতীয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮৮ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও ২৮৭ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন। শনিবার একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত চার ভারতীয় নাগরিককেও উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে নিখোঁজদের পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণে সহায়তার জন্য ভারতের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল কাঠমান্ডুতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও চলছে। ফলে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা পরবর্তীতে পরিবর্তিত হতে পারে।

Click to comment

ইবি’র দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে মুন্তাকিম-ইনসান

ইবি প্রতিনিধি 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনাজপুর জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির ২০২৬-২৭ বর্ষের কার্যনির্বাহী আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল মুন্তাকিম আল মারুফ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে একই বিভাগ ও একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইনসানুল ইমাম নুর মনোনীত হয়েছেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) উপদেষ্টা মন্ডলীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও ঘোষণা করার জন্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও আংশিক কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে স্থান পেয়েছেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আহমাদ আল আমিন ও দপ্তর সম্পাদক আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সোলায়মান আলী।

সাধারণ সম্পাদক ইনসানুল ইমাম নূর তাঁর বলেন,

“আলহামদুলিল্লাহ, দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আমি সম্মানিত ও দায়িত্বশীল বোধ করছি। সভাপতির সাথে একযোগে কাজ করে সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, গতিশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। সবার সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করছি।”

নবমনোনীত সভাপতি আব্দুল মুন্তাকিম আল মারুফ বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি হিসেবে আমাকে যোগ্য মনোনীত করায় আমি কৃতজ্ঞ। আমি মনে করি এটি দিনাজপুরের প্রতিটি শিক্ষার্থীর আস্থার প্রতিফলন। উপদেষ্টা মণ্ডলী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সার্বিক সহযোগিতায় দিনাজপুরকে শিক্ষার্থীদের মাঝে যথাযথ রিপ্রেজেন্ট এবং সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। সকলের কল্যাণকর পরামর্শ, দু’আ এবং সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।”

Click to comment

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট মেম্বার হলেন ড. সাখাওয়াত 

ববি প্রতিনিধি 

প্রভাষক ক্যাটাগরিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নতুন  সিন্ডিকেট মেম্বার মনোনীত হয়েছেন ড. গাজী মো: সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আবদুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে আরও জানানো হয়েছে,  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ (সংশোধিত-২০১৩) এর ১৭(১) (ঞ) ধারা অনুযায়ী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ৫৪তম (০১.০৭.২০২৬খ্রি:) সভার আলোচ্যবিষয়- ৯৫ এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রভাষক ক্যাটাগরিতে ড. গাজী মো. সাখাওয়াত হোসেনকে  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের একজন সদস্য হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করা হলো।

আদেশটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও প্রচলিত বিধি অনুযায়ী আগামী  দুই বছরের জন্য তাকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে এই মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

Click to comment