Connect with us

L444 মোবাইল গাইড: APK, PWA এবং বায়োমেট্রিক লগইন — বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য

বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং মানেই প্রায় সবসময় স্মার্টফোন। ডেস্কটপ লobby কেউ কখনো খোলে না — APK ডাউনলোড, হোম স্ক্রিনে PWA শর্টকাট, অথবা Safari ব্রাউজার ট্যাব। কিন্তু ভুল সোর্স থেকে ইনস্টল করলে একই UI দেখে credentials চুরি হয়; আর বায়োমেট্রিক চালু রেখে পরিবারের Shared ফোনে লগইন থাকলে অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে পড়ে। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এই গাইড L444 (l444-go.org, L444.COM) এর মোবাইল অ্যাক্সেস সঠিকভাবে সেট করার ধাপগুলো ব্যাখ্যা করে।

L444 বাংলাদেশে BD-GAME-2020-L444 রেফারেন্সে পরিচিত, Curaçao লাইসেন্স Gaming Services Provider N.V. 365/JAZ এর অধীনে পরিচালিত। প্ল্যাটফর্মে ১৫,০০০+ গেম, ৭.৫ লাখ+ খেলোয়াড় এবং bKash, Nagad, Rocket, Upay এ BDT ওয়ালেট রয়েছে। ন্যূনতম ডিপোজিট ২০০ BDT। লাইভ নিয়ম সবসময় সাইটে প্রকাশিত সংস্করণই প্রাধান্য পায়।

অ্যান্ড্রয়েড APK — অফিসিয়াল ইনস্টল পথ

APK সরাসরি অফিসিয়াল ডোমেইন থেকে ডাউনলোড করুন — তৃতীয় পক্ষের Telegram লিংক বা Facebook গ্রুপের ফাইল নয়।

 

    • l444-go.org ব্রাউজারে টাইপ করে Download/App সেকশন খুলুন

 

    • “Unknown sources” অন থাকলে শুধু এই APK ইনস্টল করুন — পরে সেটিংস বন্ধ করুন

 

    • ইনস্টলের পর প্রথমবার ফোন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন — তারপর বায়োমেট্রিক চালু

 

    • অ্যাপ আপডেটও একই অফিসিয়াল পথ — পুরনো APK-তে সিকিউরিটি প্যাচ থাকতে পারে না

 

L444 মোবাইল হোম স্ক্রিন গেম ক্যাটাগরি ও নেভিগেশন সহ

APK এর সুবিধা: পushes, Reward Center কাউন্টডাউন নোটিফিকেশন, এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট/Face unlock। অসুবিধা: ভুল APK তে malware — তাই ডোমেইন যাচাই বাধ্যতামূলক।

iOS Lite এবং PWA — iPhone ব্যবহারকারীদের জন্য

Apple স্টোরে সব অফশোর ব্র্যান্ডের নেটিভ অ্যাপ নেই। L444 iOS Lite বা Safari PWA পথ দেয়:

 

    • Safari তে l444-go.org খুলে Share → Add to Home Screen

 

    • হোম স্ক্রিন আইকন থেকে খুললে প্রায় পূর্ণ স্ক্রিন অভিজ্ঞতা

 

    • বায়োমেট্রিক সাপোর্ট সীমিত — প্রতি সেশনে পাসওয়ার্ড লাগতে পারে

 

    • ক্যাশিয়ার ও Trx-ID ডিপোজিট ফ্লো ব্রাউজারের মতোই

 

PWA তে session cache পরিষ্কার করলে লগআউট হয় — Shared device এ ব্যবহারের পর logout অভ্যাস রাখুন।

বায়োমেট্রিক লগইন — কখন চালু, কখন নয়

Android APK তে প্রথম সফল পাসওয়ার্ড লগইনের পর Settings/Security থেকে fingerprint বা face unlock চালু করা যায়।

 

    • বায়োমেট্রিক শুধু ব্যক্তিগত ফোনে — মা/বোনের Shared device এ নয়

 

    • ফোনের lock screen PIN দুর্বল হলে অ্যাপ unlock ও দুর্বল

 

    • উত্তোলন (withdraw) এ transaction password লাগে — fingerprint যথেষ্ট নয়

 

    • APK রি-ইনস্টল করলে একবার পূর্ণ পাসওয়ার্ড লগইন লাগে

 

L444 লগইন ফর্ম ফোন নম্বর পাসওয়ার্ড ও সোশ্যাল লগইন বাটন

Facebook/Google one-tap login দ্রুত, কিন্তু প্রোফাইল নাম NID নামের সাথে মিল না থাকলে KYC বাধা — সোশ্যাল লগইনের পর legal name ঠিক করুন।

মোবাইলে রেজিস্ট্রেশন ও KYC

ফোন নম্বর OTP দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সবচেয়ে পরিষ্কার identity chain দেয়।

 

    • ১৮+ চেকবক্স আইনি গুরুত্ব রাখে

 

    • এক ব্যক্তি এক অ্যাকাউন্ট — duplicate device/IP ঝুঁকি

 

    • NID ছবি দিনের আলোতে, চার কোণা visible — blur reject এর প্রধান কারণ

 

    • Transaction password login password থেকে আলাদা সেট করুন

 

L444 সাইন আপ স্ক্রিন ফোন নম্বর পাসওয়ার্ড ও বয়স নিশ্চিতকরণ

মোবাইল ডিপোজিট: Trx-ID ও ২০০ BDT

Cashier থেকে bKash/Nagad/Rocket/Upay সিলেক্ট → amount (ন্যূনতম ২০০ BDT) → MFS app এ টাকা পাঠান → Trx-ID কপি করে ফর্মে paste।

 

    • Trx-ID একবার submit — duplicate submission fraud flag

 

    • বonus চাইলে deposit checkout এ promotion টিক দিন

 

    • MFS receipt screenshot রাখুন

 

    • Telegram এ “এজেন্ট নম্বর” এ সরাসরি টাকা পাঠাবেন না — শুধু in-app cashier

 

L444 মোবাইল ডিপোজিট bKash Nagad Trx-ID ফিল্ড সহ

মোবাইল গেম ও স্পোর্টস নেভিগেশন

১৫,০০০+ গেম ছোট স্ক্রিনে overwhelming — category ও provider filter (JILI, PG Soft, Pragmatic, Evolution) দিয়ে শুরু করুন। Welcome bonus সাধারণত শুধু slots — sports বা live casino active bonus থাকলে exclude। Cricket live betting peak hour এ connection stable রাখুন; Wi-Fi vs mobile data টেস্ট করুন।

নেটওয়ার্ক, ব্যাটারি ও নোটিফিকেশন

Live odds ও live casino stream data খায়। কম ব্যালেন্সে session শেষ না করে deposit chase করবেন না। Reward Center countdown push alerts session frequency বাড়ায় — budget এর বাইরে হলে notification বন্ধ রাখুন।

অ্যাপ আপডেট ও স্টোরেজ

APK periodic update security patch ও payment gateway change নিয়ে আসে — পুরনো version এ Trx-ID field বা cashier layout ভিন্ন হতে পারে। Update শুধু অফিসিয়াল site থেকে। Android storage low হলে cache clear করলে login session যায় — credentials মনে রাখুন, shared device এ save করবেন না। iOS PWA Safari cache limit — periodic re-login normal।

মোবাইলে withdrawal প্রস্তুতি

App থেকে withdraw request দিলে transaction password লাগে — fingerprint যথেষ্ট নয়। KYC NID approve না হলে mobile screen এ “pending” দেখাবে — win এর পর panic upload avoid করতে registration week এ document তুলুন। Verified user ৫–১৫ মিনিট MFS credit report করে — first withdrawal review বেশি সময় নিতে পারে।

ডোমেইন সেফটি — ফিশিং ক্লোন

জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের clone site বাংলাদেশে common। Footer এ 365/JAZ ও BD-GAME-2020-L444 আছে কিনা দেখুন। URL character-by-character মিলিয়ে bookmark করুন।

মোবাইল সেটআপ চেকলিস্ট

 

    • অফিসিয়াল APK বা PWA — তৃতীয় পক্ষের লিংক নয়

 

    • বায়োমেট্রিক শুধু personal device

 

    • Transaction password সেট

 

    • NID-aligned legal name

 

    • Trx-ID deposit habit

 

    • Support: 24/7 chat, Telegram, WhatsApp — footer থেকে

 

মোবাইল অ্যাক্সেস যাচাই করতে L444 Casino আপনার দৈনন্দিন ডিভাইসে peak evening hour এ lobby ও sports load time টেস্ট করুন। Verified user দের withdrawal প্রায় ৫–১৫ মিনিট — কিন্তু KYC আগে থেকে complete থাকতে হবে।

সাপোর্ট ও দায়িত্বশীল খেলা

অ্যাকাউন্ট মেনু থেকে deposit limit, session reminder, self-exclusion খুঁজে রাখুন। APK convenience speed বাড়ায় — personal limit ছাড়া speed harm বাড়াতে পারে। প্রথম deposit এর আগে live chat এ minimum amount বা bonus eligibility জিজ্ঞেস করে response time note করুন — পরবর্তী withdrawal dispute এ reference কাজে লাগে।

১৮+ শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন। এই নিবন্ধ আইনi, আর্থিক বা জুয়া পরামর্শ নয়। অপারেটর সাইটের Terms সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। আপনার এলাকায় অনলাইন গেমিংয়ের বৈধতা নিজে যাচাই করুন — বাংলাদেশে Public Gambling Act 1867 ও সাইবার নিয়ম প্রযোজ্য প্রসঙ্গ।

সিসিআরটিবি’র উদ্যোগে ইবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ইবি প্রতিনিধি

‘ওয়ান ম্যান, ওয়ান প্লান্ট – প্লান্ট টুডে, প্রটেক্ট টমোররো (One Man, One Plant – Plant Today, Protect Tomorrow)’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবেশ রক্ষা ও ক্যাম্পাসকে সবুজায়ন করতে শতাধিক জার্মান প্রজাতির রক্তকাঞ্চন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ট্রাস্ট বাংলাদেশ (সিসিআরটিবি)।

রোববার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনে ও ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ সংলগ্ন এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বৃক্ষরোপণের উদ্দেশে শাহ আজিজুর রহমান হল গেট থেকে একটি র‍্যালী বের হয়ে বৃক্ষরোপণের এলাকায় এসে শেষ হয়।

এ সময় সিসিআরটিবি’র সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এ সময় সংগঠনের সদস্যরা জানান, সিসিআরটিবি’র এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি চমৎকার আয়োজন। আমাদের এই বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এই ক্যাম্পাস সুসজ্জিত হবে ও দেশের অন্যতম সৌন্দর্যমন্ডিত ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সিসিআরটিবি’র সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন, “সিসিআরটিবি স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ভবিষ্যতেও আমরা ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করব।”

উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম বলেন, “একটি গাছ শুধু অক্সিজেনের উৎস নয়, এটি একটি সুস্থ, নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যতের প্রতীক। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য এবং এটি অন্যদেরও পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করবে।”

আরেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, “পরিকল্পিতভাবে সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করে তোলা সম্ভব। কয়েক বছরের মধ্যেই এই সড়কগুলো ফুলে-ফলে সুশোভিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করবে। আমি আশা করি, অন্যান্য ছাত্রসংগঠনও এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগে এগিয়ে আসবে।”

Click to comment

দুবাই কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত বেনজীর, ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, মুক্তির পর তিনি ইউরোপের একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত তার দুবাই ত্যাগের অনুমতি নেই এবং পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি কারামুক্ত হন। এর আগে ২৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

তবে বেনজীর আহমেদের মুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্টারপোল শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়ার কথা জানায়নি। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথি এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দুবাই পুলিশের সহায়তায় এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় ওই অভিযান পরিচালিত হয়। গত ১২ জুন এ বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে দুবাই পুলিশ।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারসহ একাধিক অভিযোগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে দুদক। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক ছিলেন।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাবের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে সেই তালিকায় বেনজীর আহমেদের নামও অন্তর্ভুক্ত হয়।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে তদন্ত শুরু করে দুদক। অভিযোগ ওঠার পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পরে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।

Click to comment

গণরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে কুবি উপাচার্যের কাছে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোতে স্বচ্ছ ও নীতিভিত্তিক আসন বরাদ্দ, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আবাসন ব্যবস্থা এবং গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে উপাচার্যের কাছে পাঁচ দফা দাবি-সংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, আবাসিক হলে মেধা, দূরত্ব, আর্থিক অসচ্ছলতা ও অন্যান্য যৌক্তিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে সুস্পষ্ট, লিখিত ও স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন করে আসন বরাদ্দ নিশ্চিত করা; হলকে সর্বাত্মক রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থী ওঠানোর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব হল প্রশাসনের হাতে রাখা; গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ; নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য র‍্যাগিংমুক্ত, ভয়ভীতিহীন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা; এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংগঠনের সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, ‘বিজয়-২৪ হলের ছাত্রদল কর্তৃক প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থী ওঠানোর প্রতিবাদে আমরা উপাচার্য বরাবর পাঁচ দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। এছাড়া ২০১৭–১৮ ও ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী মাস্টার্স সম্পন্ন করার পরও হলে অবস্থান করছেন, তাদের বিষয়ে প্রশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, চব্বিশ-পরবর্তী ক্যাম্পাসে গেস্টরুম সংস্কৃতি, দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে হলে ওঠার প্রবণতার অবসান হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোকে কোনো দলীয় প্রভাবের আওতায় না রেখে কেবল শিক্ষার্থীদের আবাসন, পড়াশোনা ও সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত করার জন্য আমরা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমি তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। আমাদের নীতিমালায় এ বিষয়ে কী রয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর ছাত্র পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে হল প্রশাসনকে না জানিয়ে ছাত্রদলের দুই নেতার মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা উপাচার্যের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেয়।

Click to comment

শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাই, আটক ১

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারীরা শিক্ষার্থীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় এক ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সিলেটে গোয়াবাড়ি চা-বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. হাবিবুল্লাহ মেসবাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোয়াবাড়ির কুচারপাড়ায় টিউশনি করাতে যায়। রাত ৯টার দিকে টিউশন শেষে ফেরার পথে রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের বিদেশি (নেপালি) হোস্টেলের সামনে পৌঁছালে ৩ জন দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তারা পাশের চা-বাগানের ভেতরে নিয়ে গিয়ে সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় একজন ছিনতাইকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ মেসবাহ বলেন, ‘রাত ৯টার দিকে টিউশন থেকে ফেরার পথে ৩ ছিনতাইকারী আমাকে আটক করে গোয়াবাড়ি চা বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে অস্ত্রের মুখে আমাকে ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মোবাইল, মানিব্যাগ নিয়ে যায়।’

তিনি আরও জানান, ‘টাকা ও মোবাইল নেওয়ার পরও তারা আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় আমি কিছুটা সামনে এগিয়ে এসে স্থানীয় লোকজনের কাছে সাহায্য চাই। এলাকাবাসীর তাৎক্ষণিক সহায়তায় আমরা ৩ জন দুর্বৃত্তের মধ্যে ১ জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের উপস্থিতিতে আটককৃত ছিনতাইকারীকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জালালাবাদ থানায় যেয়ে মামলা করতে আগ্রহ প্রকাশ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজে বাদী না হয়ে আমাকে বাদী হতে বলছে।’ তবে এ ঘটনায় এখনো মামলা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। এবং আটককৃত একজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাতেই মামলার উদ্যােগ নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ বিষয়ে সিলেট জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব বলেন, গতকাল আমরা একজনকে আটক করে হেফাজতে নিয়ে এসেছি। আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মামলা দায়ের করার কথা। আজ এসে তারা মামলা দায়ের করবে।

Click to comment

একযোগে আওয়ামী লীগের ১৬ নেতার পদত্যাগ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৬ নেতার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পশারগাতি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান মীরের কৃষ্ণাদিয়া গ্রামের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ ঘোষণা দেন।

আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণাকারী নেতারা হলেন- মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, পশারগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী সামসুদ্দোহা, আব্দুর রহমান মীর, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আফজাল মাসুদ, ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি নাসিরুদ্দিন মিয়া, ৮নং ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক জামালুদ্দিন মিলু, ৬নং ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ঘোষ, ৮নং ওয়ার্ড কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্যা, ১নং ওয়ার্ড কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ মোল্যা, ২নং ওয়ার্ড কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ শরীফ, ২নং ওয়ার্ড কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বজল চক্রবর্তী, ১নং ওয়ার্ড কমিটির সহ-সভাপতি মো. আলী জিন্নাহ, ইউনিয়ন কমিটির সদস্য জামাল শেখ, ১নং ওয়ার্ড কমিটির সম্পাদক জাকির মীর এবং ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি আলীম খান।

পদত্যাগী নেতাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন পশারগতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মীর। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দল। তাই আমরা স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যসহ দলীয় সব পদ থেকে একযোগে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শনিবার (১ আগস্ট) থেকে ওই দলের সঙ্গে আমাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই। ভবিষ্যতেও থাকবে না। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যতে আমরা জনকল্যাণে কাজ করে যাব বলে অঙ্গীকার করছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কারো চাপে বা অত্যাচারে নয়, আমরা স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে কারণে সংবাদ সম্মেলন করে আমরা পদত্যাগের ঘোষণা দিলাম।

Click to comment

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইবিতে ঔষধি গাছ রোপণ

ইবি প্রতিনিধি

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ৭৫টির বেশি ঔষধি গাছ রোপণ করেছে রিনিউ আর্থ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট (Renew Earth Islamic University Unit) এবং মিশন গ্রিন বাংলাদেশ (Mission Green Bangladesh)।

শনিবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা ভবন ও ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ-সংলগ্ন এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয় ।

আয়োজকরা জানান, কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অর্ঘ্য প্রসূন সরকার সার্বিক দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করেন। এছাড়াও জাকারিয়া আলম বাপ্পী (ASM Young Ambassador ও বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী) এবং বর্ষণ কর্মসূচির নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আয়োজকরা আরও জানান, Renew Earth Islamic University Unit এবং Mission Green Bangladesh ভবিষ্যতেও পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের আরও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

Click to comment

নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ৯টি অনুষদের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে দুই পর্বে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত (ভার্চুয়ালি) ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং বক্তা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, ইবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়শনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম শাহ। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনা, জুলাই শহিদদের স্মরণে নিরবতা পালন, নবীনদের ফুলদিয়ে বরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মহান একটি ব্রত নিয়ে স্থাপিত হয়েছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যলয়ের চেয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্বতন্ত্র। আমি বিশ্বাস করি আমাদের যারা গ্রাজুয়েট তারা দেশে এবং দেশের বাইরে কৃতিত্বের সাথে, যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।”

তিনি আরও বলেন, “নীতি নৈতিকতা মূল্যবোধের দিক থেকে আমি বিশ্বাস করি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যলয়ের তুলনায় আমাদের বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে। আমি বিশ্বাস করি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের যে পরিকল্পনা সেখানে তিনি বহু ভাষিক অর্থাৎ থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ কে গুরুত্ব দিয়েছে এবং আমরা খুব দ্রুত জাপানিজ এবং চাইনিজ ভাষার কার্যক্রম খুব দ্রুত শুরু করব।”

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “আগামী দিনে শিক্ষা খাতে ব্যাপক বিপ্লব আনার জন্য আমাদের কাজ করে যেতে হবে। তারেক রহমানের সরকার শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তিনি এই বছর জিডিপির ২ শতাংশ বাজেট উন্নত করেছেন। গত বছরে ছিল মাত্র ৮৭ হাজার কোটি টাকা; এই বছর আমরা পেয়েছি ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা দিয়ে আমরা আগামী দিনে আরও বাজেট বাড়াব—সেই বিশ্বাস আমাদের রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি আমাদের শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করার পরিকল্পনা হয়েছে সরকারের।”

Click to comment

নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য: ছাত্রশক্তি নেতার শাস্তির দাবিতে শাবিপ্রবিতে মানববন্ধন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে জাতীয় ছাত্রশক্তির এক নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) একদল শিক্ষার্থী। এ সময় বক্তারা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাজিদ আহমেদ মোল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। একই সঙ্গে তিনি শাখা ছাত্রশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং সাম্প্রতিক সময়ে নারীকে অবমাননা, ভিকটিম ব্লেমিং ও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের মতো একাধিক ঘটনার ধারাবাহিকতার অংশ। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় নারীবিদ্বেষী মনোভাব আরও উৎসাহিত হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন শাবিপ্রবি শাখার সংগঠক নাজনীন লিজা বলেন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে অভিযুক্ত ছাত্রশক্তি নেতার মন্তব্য অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও নারীর প্রতি অবমাননাকর। এছাড়া একটি শিশুকে নিয়ে তার এরকম মন্তব্য যে কি না অপ্রাপ্ত-বয়স্ক মেয়ে । যেটাকে বলা হয় পেডোফিল, অর্থাৎ শিশুকামিতার মতো জঘন্য একটা কাজের সাথে এই লোকটা জড়িত এবং আপনারা খেয়াল করে দেখবেন পরবর্তীতে তার কোনো অনুতাপ নেই।

এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, এর আগেও ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনায়ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের ভিকটিম ব্লেমিং, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ এবং নারীদের হেয় করার অভিযোগ উঠেছে।

এসময় তিনি বলেন, “শুধু পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া কোনো শাস্তি হতে পারে না। আমি একটা সংগঠন করি। আমি জানি অব্যাহতি দেওয়া মানে আমি তিন মাস পরে আপনাকে কো-অপ্ট করতে পারি। ছয় মাস পরে আপনাকে আবারও সংগঠনে নিয়ে আবারও পদধারী করতে পারি। আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই, এর দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”

নাজনীন লিজা আরও বলেন, “নারীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, স্লাট শেমিং এবং অভিযোগকারীর পরিচয় প্রকাশের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ আরও সংকুচিত হবে।”

মানববন্ধনে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান বলেন, এই ২৬ সালে এসেও কিছু নরপিশাচ বিকৃত মন মানসিকতার মানুষের জন্য আজকে আমাদের মা বোনরা নিরাপদ নয়। “নারীদের ভোগের বস্তু হিসেবে দেখার মানসিকতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযুক্তের বক্তব্য প্রমাণ করে তার বিকৃত মানসিকতা রয়েছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।”

তিনি আরও বলেন, “আজ যে ঘটনা অন্য কারও সঙ্গে ঘটেছে, আগামীকাল তা আমাদের পরিবারের কারও সঙ্গেও ঘটতে পারে। তাই এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।”

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এর আগে বৃহস্পতিবার ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ-পুসাব’ নামে একটি ফেসবুক পেজের পোস্টে শাবিপ্রবি শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সাজিদ আহমেদ মোল্লার মেসেঞ্জারের কথোপকথনের কিছু অংশ ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের নির্দেশক্রমে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

Click to comment

শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় চ্যারিটি রান, হস্তান্তর ৬০ হাজার টাকা

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল আলমের চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে সাস্ট ফিটনেস ক্লাব আয়োজিত ‘সাস্ট চ্যারিটি রান’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১লা আগস্ট ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে রানটি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে ৫ কিলোমিটার দৌড় শেষে একই স্থানে এর সমাপ্তি ঘটে।

রান শেষে চ্যারিটি কার্যক্রম থেকে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ৬০ হাজার টাকার একটি চেক সাস্ট ফিটনেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. মোজাম্মেল হক-এর মাধ্যমে লোক প্রশাসন বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকের জন্য প্রিমিয়াম টি-শার্ট ও খাবারের ব্যবস্থা ছিল। একজন অসুস্থ শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় সহায়তা করাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তাই প্রতিযোগিতামূলক কোনো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান রাখা হয়নি।

অনুষ্ঠানের কনভেনর তারেকুল ইসলাম বলেন, সাস্ট ফিটনেস ক্লাব সব সময় মানবতায় বিশ্বাসী। এই আয়োজন সফল করতে অংশ নেওয়া সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, রানার এবং সাস্ট ফিটনেস ক্লাবের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সবার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

Click to comment

দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অলটাইম ডেস্ক

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম গতিশীল করা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী করতে দেশের সব সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর ও ঢাকা বিমানবন্দরে আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মাহদী আমিন জানান, সরকারের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে, যাতে দেশের প্রতিটি বন্দর ২৪ ঘণ্টা সেবা দিতে সক্ষম হয়। এর ফলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, বৈঠকে দেশের বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সমস্যা, বিনিয়োগের পরিবেশ, শিল্পায়নের প্রতিবন্ধকতা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) পরিচালিত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কীভাবে আরও বেশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যায় এবং বিদ্যমান জটিলতা দূর করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সরকারের নীতিগত সহায়তার বিষয়ে মাহদী আমিন বলেন, সরকার একটি ব্যবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে গৃহীত নীতিমালার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশেষ করে তরুণ ও নারীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, ব্যবসা সহজীকরণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেই সরকারের এই উদ্যোগ। বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ীরাও বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

Click to comment