Connect with us

21 weeks of pregnancy (part 2)

When carrying twins, you need to closely monitor the condition of your skin, as the intense growth of the abdomen contributes to the earlier appearance of stretch marks, compared with a normal pregnancy.

You have to visit a gynecologist every two weeks if there are no indications for more frequent visits.

Routine tests and diagnostics

There is no need to do any new tests or examinations this week. During a scheduled visit to a women’s clinic, you may only need to take a urine test or complete what you did not have time to do. The serene time of pregnancy begins, when the most dangerous period is already over.

If you still didn’t know who you were expecting — a boy or a girl, then it will be easy to determine at this time during a routine ultrasound diagnosis. Some babies turn away, hiding their gender until they give birth. If the 21st week of pregnancy has begun, then this ultrasound examination is probably the last during which you can see a child who fits on the monitor at full height. Further, with rapid growth, the doctor will be able to examine only certain important organs. The height and weight figures given in this article do not mean that only such figures are correct. They can vary, since the body of both the fetus and the expectant mother carrying it are completely different.

Unpleasant feelings and problems

At this time, a woman expecting a child may experience back pain, swelling, pain in the lower abdomen, and clumsiness due to a growing tummy. From this moment on, many people begin to gain weight rapidly, and a ravenous appetite wakes up, which is difficult to control. That is why it is so important to pay special attention to proper nutrition during this period. There should be healthy foods on your table that will energize you, and your baby will be given the necessary vitamins for normal development.

Due to the fact that the posture is changing, the back is now experiencing increased stress. Special exercises for pregnant women and aqua aerobics will help relieve back muscle tension and ease possible pain. In the second trimester, swelling of the extremities and the appearance of veins and small vessels are not uncommon. The growing uterus puts pressure on the blood vessels, which makes it difficult for blood to flow from the lower body. To prevent varicose veins, it is recommended to do contrasting foot douches, wear comfortable shoes, and lift your legs more often to help the outflow of lymph. Some pregnant women notice colostrum discharge. Sometimes they can be very plentiful, but it’s easy to solve because pharmacies sell breast pads specifically designed for the breast. Naviguer dans la multitude d’offres promotionnelles peut sembler complexe, mais l’offre la plus avantageuse est réservée aux nouveaux inscrits. Pour sécuriser votre boost, il vous suffit d’utiliser le code promo 1xbet gratuit comme dernière étape de la création de votre compte sur 1xBet, avant d’effectuer votre premier dépôt. Une fois le code accepté, votre versement initial sera bonifié à 100% jusqu’à un maximum généreux de 130€ en crédits bonus. Ces fonds peuvent être employés sur le bookmaker, que ce soit pour des paris combinés ou des mises simples sur les grands milliers d’options de paris quotidiens.

অর্থায়ন সংকটে গাজার ২০টির বেশি হাসপাতালে ডিজেল সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ডিজিটাল ডেস্ক

অর্থায়নের ঘাটতির কারণে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে গাজার ২০টিরও বেশি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডিজেল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। মঙ্গলবার গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডক্টর মুনির আল-বুরশ এ তথ্য জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় মুনির আল-বুরশ বলেন, এতদিন সীমিত পরিমাণ ডিজেল দিয়ে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম কোনোভাবে চালু রাখা হয়েছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তের কারণে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও গভীর সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

তিনি জানান, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হলে হাসপাতালের জেনারেটর চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। এর প্রভাব পড়তে পারে অস্ত্রোপচার, নিবিড় পরিচর্যা, অক্সিজেন ও ভেন্টিলেটর ব্যবস্থায়। পাশাপাশি নবজাতক, ডায়ালিসিস রোগী, আহত ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মুনির আল-বুরশ আরও বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং ওষুধ ও টিকার সংরক্ষণব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি ডাব্লিউএইচও, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তবে গাজার হাসপাতালগুলোতে ডিজেল সরবরাহ বন্ধের বিষয়ে ডাব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

Click to comment

এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেরোবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বেরোবি প্রতিনিধি,

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশার বিস্তার রোধ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও অভ্যন্তরীণ সড়কে এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় এডিস মশার বংশবিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি মশকনিধন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত কার্যক্রম গ্রহণের দাবি জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান সোহেল বলেন, “বেরোবি ছাত্রদলকে ধন্যবাদ। এমন একটি উদ্যোগ আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে লাইব্রেরি ও আশপাশের এলাকায় মশার উপদ্রবের কারণে সন্ধ্যার পর স্বাভাবিকভাবে বসে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন কার্যক্রম থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশ আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তুহিন রানা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজকের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য মশা নিধন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।”
তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ ও ভয়াবহতার চিত্র আমরা লক্ষ্য করেছি। এ কর্মসূচির পাশাপাশি বেরোবি প্রশাসনের প্রতি আমাদের আবেদন, এডিস মশা নিধনে যেন আরও কার্যকর ও নিয়মিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হল প্রশাসনকেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান বলেন,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বেরোবি ছাত্রদল।প্রযুক্তির সাহায্যে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেও বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হয়বেরোবি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ছাত্রদলের এমন ইতিবাচক কার্যক্রম সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বলেন, শুধু একদিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

Click to comment

ইবির সাদ্দাম হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ চার দফা দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাদ্দাম হোসেন হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ ও মেধার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দসহ চার দফা দাবিতে হল প্রভোস্টের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে হল শাখা ছাত্রশিবির।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদের কাছে স্মারকলিপিটি জমা দেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

স্মারকলিপিতে তাদের দাবিগুলো হলো— অবৈধভাবে হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুত অপসারণ করে বৈধ ও সিটপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের জন্য স্বচ্ছ ওয়েটিং লিস্ট প্রকাশ, নিয়মতান্ত্রিক ও স্থায়ী সিট বণ্টন নীতিমালা প্রণয়ন এবং প্রতি ছয় মাস অন্তর সিট বণ্টনের ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি হলের ডাইনিংয়ে মানসম্মত, স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিতের জন্য নিয়মিত তদারকি এবং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও মতামত মূল্যায়নের কার্যকর ব্যবস্থা চালুর করা। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুবিধার্থে রিডিং রুমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ ও পাশে একটি ওয়াশরুম স্থাপনের দাবি জানান তারা।

এবিষয়ে সাদ্দাম হোসেন হল সভাপতি ইয়াকুব ইসলাম বলেন, ‘হলের অবৈধ শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে অনেক বৈধ শিক্ষার্থী হলে সিট না পেয়ে মেসে অবস্থান করছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে হল প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা স্মারকলিপি দিয়েছি। আমাদের মূল দাবি হলো, অবৈধ শিক্ষার্থীদের অপসারণ করে মেসে অবস্থানরত বৈধ শিক্ষার্থীদের হলে সিটের ব্যবস্থা করা।’

তিনি আরও বলেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রিডিং রুমের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটিও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের গণদাবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রিডিং রুম থাকায় শিক্ষার্থীরা সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা করতে পারছেন। কিন্তু সাদ্দাম হোসেন হলের রিডিং রুমের পরিবেশ তেমন সুবিধাজনক নয়। তাই অনেক আগে থেকেই আমরা প্রভোস্টের কাছে রিডিং রুমটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার দাবি জানিয়ে আসছি। এ বিষয়ে প্রভোস্ট স্যার আমাদের জানিয়েছেন, আপাতত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না। তবে ওয়াশরুমসহ অন্যান্য দাবির বিষয়ে তিনি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে হল প্রশাসন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।’

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলোর বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অতিসত্বর অপসারণের বিষয়ে ইতোমধ্যে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই এ সমস্যার সমাধান করতে পারব। স্থায়ী লিখিত সিট বণ্টন নীতিমালা ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলের প্রভোস্ট, উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে নিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ডাইনিংয়ের খাবারের মান উন্নয়নে ডাইনিং কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বলা হয়েছে। তারাও খাবারের মান উন্নয়নে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে এবং বিষয়টি সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’

রিডিং রুম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার দাবির বিষয়ে প্রভোস্ট বলেন, ‘রিডিং রুমে এসি দেওয়ার বিষয়টি আমি ইচ্ছা করেই করিনি। কারণ আমাদের হলের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত পরিবারের। এখানে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ৪০০ জনের বেশি। এসি স্থাপন করলে সর্বোচ্চ ৪০ জন শিক্ষার্থী সেখানে পড়ার সুযোগ পাবে। তাহলে বাকি শিক্ষার্থীর কোথায় পড়বে? সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিত না করে শুধু ৪০ জন শিক্ষার্থীর জন্য এসির ব্যবস্থা করাকে আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়নি।’

Click to comment

কুবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্রদলের মশকনিধন কর্মসূচি

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘ক্লিন ক্যাম্পাস, গ্রিন ক্যাম্পাস; ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাই একসঙ্গে’ স্লোগানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে মশকনিধন ও স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ১০ দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ ও সদস্য সচিব মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের কাছে প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদান শেষে ছাত্রদলের স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ক্যাম্পাসে মশকনিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন, মুক্তমঞ্চসংলগ্ন এলাকা এবং শিক্ষার্থীদের চলাচলের বিভিন্ন স্থানে ফগার মেশিনের মাধ্যমে স্প্রে করা হয়। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা স্থানগুলোতেও মশকনিধন কার্যক্রম চালানো হয়।

স্মারকলিপিতে জরুরি ভিত্তিতে ক্যাম্পাসজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ড্রেন, নালা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিয়মিত পরিষ্কার ও সচল রাখার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে নিয়মিত মশকনিধন ও ফগিং কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়।

এ ছাড়া আবাসিক হলগুলোতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ঝোপঝাড় ও পরিত্যক্ত স্থান পরিষ্কার, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে। এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় ব্যবস্থা চালুর কথাও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আবুল বাশার বলেন, “শুধু কর্মসূচি পালন করাই যথেষ্ট নয়, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সুরক্ষাকে নিয়মিত চর্চায় পরিণত করতে হবে। প্রশাসন, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত উদ্যোগেই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতেও মশকনিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।”

আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ঘোষিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। প্রত্যেক আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা এবং ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”

Click to comment

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের মশক নিধন কর্মসূচি

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে মশক নিধন কর্মসূচি পালন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এ সময় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করা হয়।

এ বিষয়ে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে অঙ্গীকারবদ্ধ। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং মশামুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে শাবিপ্রবি ছাত্রদল তাদের সেবামূলক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’
কর্মসূচিতে সহযোগিতা করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ফগিং ও মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করা হয়েছে।
‘আমাদের লক্ষ্য শুধু ডেঙ্গু প্রতিরোধ নয়, বরং একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব,’ বলেন তিনি।
পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান নাঈম সরকার।

Click to comment

কলকারখানায় চাহিদামতো বিদ্যুৎ-গ্যাস মিলবে মঙ্গলবার রাত থেকে

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে কলকারখানায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সকালে দেশের শীর্ষ ২১টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তারা বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে পাঁচটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে তাদের উদ্বেগ ও বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। শিল্পকারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

ভবিষ্যতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে শুধু এফএসআরইউর ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্থলভিত্তিক টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানায় সরকার।

এ ছাড়া শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বাড়াতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়—বৈঠকে এ বাস্তবতাও উঠে আসে।

Click to comment

শাবিপ্রবিতে রাতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত, বহিরাগতকে থানায় হস্তান্তর

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে বহিরাগত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আনারুল মিয়া (২৭)।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে মেয়েদের আবাসিক হলের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, টিউশন শেষে হেঁটে হলে ফেরার সময় একটি মোটরসাইকেল নিয়ে ওই ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছিলেন। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে তার মোবাইল নম্বর চান এবং বন্ধুত্ব করার প্রস্তাব দেন। এ সময় তাকে বিভিন্ন অশালীন কথাও বলেন তিনি। পরে তিনি তার বন্ধুদের ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা ওই যুবককে আটক করেন।

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এহসান ফেরদৌস মাহিন বলেন, ‘রাত ১১টার দিকে আমার এক বন্ধু আমাকে ফোন দেন। পরে কল ব্যাক করলে তিনি কান্না করে জানান, একজন মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে শিস মারছেন ও উত্ত্যক্ত করছেন। আমরা তখন যারা ছিলাম, দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে যাই। গিয়ে দেখি হলের নিরাপত্তাকর্মীরা ওই বাইকারকে ধরে রেখেছেন। পরে তাকে প্রক্টরের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী শোয়াইবুর রহমান বলেন, ‘আমরা টিচার্স কোয়ার্টারের সামনে তাকে আটকাই। পরে আরও অনেক শিক্ষার্থী সেখানে আসেন। এরপর তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেছুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা অভিযুক্তকে পুলিশের কাছে দিয়েছি। দেশের আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। তার নিরাপত্তার বিষয়টিও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখব।’

এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসের কয়েকটি সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকা এবং রাত ১১টার পর অটোরিকশার চলাচল না থাকায় রাতে যাতায়াতে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

অভিযুক্তকে থানায় হস্তান্তরের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ শামসুল হাবিব (ওসি)। তিনি বলেন গতকাল রাতে এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্যক্ত করার অভিযোগে আমাদের কাছে একজনকে হস্তান্তর করা হয়েছে। যদি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মামলা করা হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Click to comment

ভারত-চীন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে একমত মোদি-শি

ডিজিটাল ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শেষ হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিনভর বহুপক্ষীয় আলোচনা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর সর্বসম্মতিক্রমে ‘দিল্লি ঘোষণা’ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হয়।

ভারতের সভাপতিত্বে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোসহ সদস্য ও সহযোগী দেশগুলোর শীর্ষনেতারা অংশ নেন।

এবারের সম্মেলনে টেকসই ক্ষমতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও স্থায়িত্ব—এই চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সরবরাহব্যবস্থার সংকট ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারসাম্য এবং বহুপক্ষীয় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা করেন নেতারা।

সম্মেলনের ফাঁকে সবচেয়ে আলোচিত বৈঠকগুলোর একটি ছিল মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক। দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতীয় ভূখণ্ডে এসে মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বসেন শি।

বৈঠকে হিমালয় সীমান্ত ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন মোদি। দুই দেশের মতপার্থক্য যেন বিরোধে রূপ না নেয়, সে বিষয়েও জোর দেন তিনি।

বিদ্যমান সীমান্ত চুক্তি ও সমঝোতা মেনে চলার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দুই নেতা একমত হয়েছেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করেন মোদি। সেখানে মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হয়। এসব সংকট সমাধানে সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে আলোচনা ও কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

সম্মেলনের শেষ দিনে সর্বসম্মতিক্রমে ৪৫ পৃষ্ঠার ‘দিল্লি ঘোষণা’ অনুমোদিত হয়। এতে সন্ত্রাসবাদ, সন্ত্রাসী অর্থায়ন এবং একতরফা সামরিক সংঘাতের নিন্দা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্রযুক্তিতে একচ্ছত্র আধিপত্য এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদকে রাজনৈতিক চাপ তৈরির উপকরণ হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধেও সতর্ক করেন মোদি। তাঁর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।

সম্মেলন শেষে ব্রিকস নেতাদের সঙ্গে দিল্লির ‘ভারত ইনোভেটস’ প্রযুক্তি প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন মোদি এবং তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করেন।

২০২৭ সালে ব্রিকসের ১৯তম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক ও পরবর্তী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া চীন ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন নরেন্দ্র মোদি।

Click to comment

রাবি সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে ‘সিজেন রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং’ অনুষ্ঠিত

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে ‘কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক (সিজেন)-এর রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে এই কর্মশালাভিত্তিক সভার আয়োজন করা হয়।ডয়চে ভেলে (DW) একাডেমি এবং সিজেন (CJEN) বাংলাদেশের সহায়তায় এই অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ULAB) উপ-উপাচার্য এবং সিজেন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জুড ডব্লিউ. আর. জেনিলো, ডয়চে ভেলে একাডেমি ঢাকার প্রজেক্ট ম্যানেজার ও কো-অর্ডিনেটর জিমি আমির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, ‘সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব, সংবাদ গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে শর্ট-ফর্ম ভিডিওর ব্যবহার এবং ভুল তথ্যের মতো সমসাময়িক চ্যালেঞ্জগুলো শুধু শ্রেণিকক্ষের প্রশ্ন নয়, বরং আমাদের সমাজ, গণতন্ত্র ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন।’

এছাড়াও গবেষণার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের তিনি নিখুঁত অ্যাবস্ট্রাক্ট লেখার চাপ না নিয়ে তিনটি ধাপে কাজ করার পরামর্শ দেন—সুনির্দিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করা, অর্থপূর্ণ গবেষণার প্রশ্ন তৈরি করা এবং সেই প্রশ্নের উত্তর কেন গুরুত্বপূর্ণ তা অনুধাবন করা। এছাড়া তিনি শিক্ষকদের শুধু নির্দেশক নয়, বরং ‘মেন্টর’ হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ গবেষণা ও সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

সিজেন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জুড ডব্লিউ. আর. জেনিলো সিজেন-এর ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, ২০১৮ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রাজশাহী ডিক্লারেশন’ এর মধ্য দিয়েই মূলত সিজেন-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ, জ্ঞান বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা বৃদ্ধি করাই এই নেটওয়ার্কের মূল লক্ষ্য।

আসন্ন ১১তম সিজেন কনফারেন্স সম্পর্কে তিনি জানান, এবারের কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘মিডিয়া এডুকেশন ইন ট্রানজিশন’। সাংবাদিকতা শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং ভুল তথ্য মোকাবিলার মতো সমসাময়িক বিষয়গুলো এবারের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, কনফারেন্সে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহীদের ২৫০ শব্দের মধ্যে অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা দিতে হবে। নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে তিনি শিক্ষার্থীদের একাধিক বিষয়ের ওপর অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন।

এরপর সমাপনী বক্তব্যে ডয়চে ভেলে একাডেমি ঢাকার প্রজেক্ট ম্যানেজার ও কো-অর্ডিনেটর জিমি আমির বলেন, ‘ডিডব্লিউ একাডেমি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম উন্নয়ন ও সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করে। ২০১৪ সাল থেকে কারিকুলাম উন্নয়ন ও ক্যাম্পাস মিডিয়ার পাশাপাশি আমরা সিজেন প্রতিষ্ঠা করেছি। এছাড়া সিএমডি-র সাথে যৌথভাবে ‘ফিউচার সাসটেইনেবল কোয়ালিটি মিডিয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সিজেন একটি মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও পেশাগত উন্নয়ন সম্ভব। এই ইভেন্ট থেকে অর্জিত জ্ঞান সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং সিজেন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী সদস্য আমেনা খাতুন। মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে বিকেল ৩টায় এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

Click to comment

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলো বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ শিক্ষক  

ববি প্রতিনিধি 

নানা জটিলতা পেরিয়ে অবশেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রত্যাশি ২৪ শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ২৩ শিক্ষক উপাচার্যের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যাপক পদে যোগদান করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মোট ২৪ জনের অধ্যাপক পদোন্নতির বোর্ড সম্পন্ন হলেও সার্বিক প্রক্রিয়া শেষে ২৩ জনকে এই পদে উন্নীত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে অধ্যাপক পদোন্নতির বোর্ড বসা শুরু হয়ে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বাঁধায় অধ্যাপক পদোন্নতি আটকে যায়। অবশেষে ২৪ জনের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ২৩ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ২৯ আগস্ট ৯৫ তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। ঐ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে তিনজন সিন্ডিকেট মেম্বার জানিয়েছে, ফ্যাসিস্টের দোসর ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের  আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায় ড. আবদুল কাইউমকে পদোন্নতি দেয়া হয়নি তার বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। 

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া একাধিক শিক্ষক নিশ্চিত করেছেন যোগদানের সময় ২৩ শিক্ষক ছিলেন সেখানে ড. আবদুল কাউমকে দেখা যায়নি। 

২৪ শিক্ষকের মধ্যে আরও কমপক্ষে সাত থেকে আটজন ফ্যাসিস্টের দোসর রয়েছেন। কিন্তু ফ্যাসিস্টের দোসর আমলে নিয়ে একজনকে বাদ দিয়ে বাকিদের পদোন্নতি দেয়ার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিছু শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্য এটা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। চব্বিশ পরবর্তী শিক্ষার্থীদের দাবি ছিলো ফ্যাসিস্টের দোসরদের আগে বিচার করতে হবে তারপর পদোন্নতি দিতে হবে কিন্তু বিচার করতে পারেনি প্রশাসন৷ 

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া ২৩ শিক্ষক হলেন, ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম,  ড. মোঃ নাজমুল কায়েস,  ড. মোঃ মাসুদ পারভেজ,  ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল,  ড. ধীমান কুমার রায়, ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ড. সুব্রত কুমার দাস, ড. হাফিজ আশরাফুল হক, ড.  ইশরাত জাহান, ড. মোঃ শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা,  ড. হেনা রানী বিশ্বাস, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুদ,  ড. মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ড. তাজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী, ড. মোঃ আলমগীর মোল্লা, ড. মোঃ সাদেকুর রহমান, ড. তারেক মাহমুদ আবীর, ড. মোঃ জামাল উদ্দীন  ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক।

এবিষয়ে জানার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আবদুল আলিম বছিরকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সাথে যোগাযোগের জন্য বলেন।

Click to comment