Connect with us

Management styles of the manager

Management styles of the manager
Managers are special people in an organization, on whom the life of an enterprise depends. However, it cannot be said unequivocally that the manager is only engaged in personnel and process management.
Managers have to fulfill many roles in an organization. These roles depend on the specific situation. And how a manager behaves in a given situation will depend on his management style. Management style is a common method of leadership used by a manager. There are management styles, two of which are sharply opposed to each other. Each style has its own characteristic features:
Autocratic: the leader makes all decisions unilaterally. There is strict control and a system of punishments for disobedience. An authoritarian manager uses such levers of influence as fear and strict regulation.
Democratic: The leader allows for participation in the decision-making process, and also gives employees a significant degree of autonomy in completing routine jobs.Such a manager trusts his employees, and the levers of influence in this case are motivation (both tangible and intangible) and encouragement.
Liberal: the leader does not participate in the work process. A conniving manager delegates his authority to subordinates. There is no control. In this case, the management style is suitable for leaders whose tasks are to carry out creative projects in a team.
Novice managers often ask the question: "Which management style is better?". However, they will not find an answer to it, because the wording of the question itself is incorrect. It is believed that a manager should master all three styles at the same time and apply each of them as needed in a given situation. A good manager knows perfectly well that there is an individual approach for each employee, as well as for each specific situation. For example, if an employee is interested in personal freedom and self-development, then an autocratic management style will not be appropriate here. Or if an employee is negligent and is looking for opportunities to shirk work, then an autocratic management style would be the best choice.
Thus, the management style is an important mechanism of all the manager’s work. To achieve maximum results, a manager needs to know all the styles and be able to apply them in practice. To successfully wager your sports bonus, divide the amount into several accumulator bets rather than trying one large wager. A player who claimed the 1xbet registration promo code should spread bets over different days to reduce risk and control bankroll. Choose events with moderate odds between 1.4 and 1.6 — odds that are too high increase risk, while odds that are too low do not meet the bonus conditions. Build accumulators from predictable events, favoring favorites and statistical markets in popular tournaments.

হরমুজে ভারতীয় নাবিক নিহতের ঘটনায় ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূতকে তলব ভারতের

ডিজিটাল ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় এক ভারতীয় নাবিক নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় নয়া দিল্লিতে নিযুক্ত ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাভাদ হোসেইনিকে তলব করেছে ভারত সরকার। হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজে হামলার বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইতে ইরানি কূটনীতিককে ডেকে পাঠায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘মোম্বাসা’ ও ‘আল বাহিয়া’ নামের দুটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাংশ দিয়ে চলাচলের সময় হামলার শিকার হয়।

এ ঘটনায় ‘মোম্বাসা’ জাহাজে থাকা এক ভারতীয় নাবিক নিহত হন। এছাড়া আরও আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, আহতদের মধ্যে ছয়জন ভারতীয় এবং দুজন ইউক্রেনের নাগরিক।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার পর দুটি ট্যাংকারেই আগুন ধরে যায় এবং জাহাজ দুটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

আমিরাত সরকার এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে নিজেদের ভূখণ্ড ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নৌ অবরোধ এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিতে অর্থ আদায়ের পরিকল্পনার কথা জানানোর পর মঙ্গলবার ভোরে ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান বাহরাইন, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি ট্যাংকার লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত শুরুর পর এ পর্যন্ত ১১ জন ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। গত মাসেও একটি জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারান।

সূত্র: এনডিটিভি

Click to comment

শিক্ষামন্ত্রীর কথোপকথন ভাইরাল, ‘এরা তো ফার্মের মুরগি, বৃষ্টিতে ভিজলেই জ্বর আসবে’

টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডগুলো। শিক্ষার্থী-অভিভাবক থেকে শুরু করে নেটিজেনদেরও তোপের মুখে পড়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের ডাকও দিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

শিক্ষামন্ত্রীর পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে একজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছেন শিক্ষামন্ত্রী।

সেখানে পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘ওরা তো ফার্মের মুরগি, একটু বৃষ্টিতে ভিজলেই জ্বর চলে আসবে।’ বিষয়টি সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিটি কলেজের একজন ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর মোবাইল ফোনে কথা হয়। ওই ছাত্রীর অভিভাবক মন্ত্রীকে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেন। রোববার (১২ জুলাই) রাতে এ কথোপকথন হয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মূলত মেয়েকে অভয় দিতে ওই ছাত্রীর অভিভাবক অনুরোধ করে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলানোর ব্যবস্থা করেন। কথা বলার সময় অন্য আরেকটি মোবাইল ফোন দিয়ে তা ভিডিও করা হয়। সেই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে।

কথোপকথনে শিক্ষামন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘মিটিংয়ে একজন বলছিলেন, একটু ভিজলেই আমার মেয়ের জ্বর চলে আসে। বলছিলাম যে, এগুলো তো ফার্মের মুরগি। একটু ভিজলেই জ্বর চলে আসে। তখন আমি মিটিংয়েই বলছিলাম যে, একদিন বৃষ্টিতে ভিজবে জ্বর আসবে, তখন পরের তিনদিন তো আর পরীক্ষা দিতে পারবে না এরা।’

এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমি পরীক্ষা স্থগিতের পক্ষে ছিলাম। কিন্তু ডিসিদের ফোন করা হলো, আবহাওয়াবিদদের সঙ্গে কথা হলো; তারা জানালেন যে, আগামীকাল (সোমবার) বৃষ্টি হবে না। আজ (রোববার) রাতেই শেষ। তখন পরীক্ষা চালিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলো।’

Click to comment

সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদের প্রাণ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ইএসই) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৩ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইলে মামাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলিম মিয়া। তিনি জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে জাহিদ সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ক্যাম্পাসের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জানা গেছে, জাহিদের বাড়ি টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর উপজেলায়। তার বাবা একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইএসই বিভাগসহ পুরো ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহপাঠী ইরান মিয়া বলেন, “জাহিদ হাসান আমাদের সবার থেকে আলাদা ছিল। চার বছরের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তার সঙ্গে কারও কোনো মনোমালিন্য হয়নি। সে ছিল অত্যন্ত ভদ্র, শান্ত-স্বভাবের এবং সবার প্রিয় একজন।”

শেষ দেখার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “বুধবারই ছিল জাহিদের সঙ্গে আমাদের শেষ দেখা। এরপর সে মামাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যায়। কে জানত, সেটিই হবে আমাদের শেষ দেখা।”

সহপাঠীদের ভাষ্য, জাহিদের বিনয়ী ও আন্তরিক আচরণের কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবার কাছেই তিনি ছিলেন প্রিয়। তার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

Click to comment

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। পরে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তারা সড়কে নেমে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধ করেন।

ঢাকা কলেজ ও আশপাশের কলেজের শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সায়েন্স ল্যাব ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক যাত্রীকে গাড়ি ছেড়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক, দাবি এক, মিলনের পদত্যাগ’, ‘ভোগান্তির দায় নিতে হবে’, ‘বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

তাদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়েই সোমবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তারা বলেন, কোথাও জলাবদ্ধতা, কোথাও দীর্ঘ যানজট এবং কোথাও যোগাযোগ সমস্যার কারণে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বাসা থেকে বের হলেও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি।

Click to comment

এদের খুঁটির জোর কোথায়, চট্টগ্রামের ঘটনায় বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্ন

চট্টগ্রামে এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

হামলাকারীদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ এবং দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণকেই নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাণ্ডব চালানো দুর্বৃত্তদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে তা প্রকাশ করুন। তাদের পাকড়াও করে আইনের আওতায় আনুন। জানি না, কঠিন শাস্তির বিধান হবে কি না। লক্ষণ খুব ভালো নয়।

এ সময় তিনি সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণকেই এখন নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ সরকার কোনো কার্যকর নিরাপত্তা দিতে পারছে না। একের পর এক অভিনব ঘটনা ঘটেই চলছে। এদের খুঁটির জোর কোথায়?

Click to comment

হরমুজ প্রণালীতে দুই সুপার ট্যাংকারে হামলার দাবি আইআরজিসির

ডিজিটাল ডেস্ক

হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী দুটি সুপার ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে সেগুলো অচল করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীটির দাবি, ইরানি কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা অমান্য করে নির্ধারিত নৌপথের বাইরে চলাচলের চেষ্টা করায় ট্যাংকার দুটিকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।

সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তারা দুটি ‘বিদ্রোহী সুপার ট্যাংকারে’ আঘাত হেনে সেগুলোকে অচল করে দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ট্যাংকার দুটি হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের নেভিগেশন সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছিল এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে একটি ‘মাইন পাতা পথ’ দিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেছিল।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) জানায়, আল-বাহিয়া ও মোম্বাসা নামের দুটি ট্যাংকার ওমানের জলসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। ওই হামলায় মোম্বাসা ট্যাংকারের একজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করে দেশটি।

ইউএইর এ দাবির পরই হামলার দায় স্বীকার করে আইআরজিসি বিবৃতি দেয়। তবে তাদের বিবৃতিতে আক্রান্ত ট্যাংকারগুলোর নাম, সেগুলো কোন দেশের পতাকাবাহী ছিল কিংবা ঠিক কখন হামলা চালানো হয়েছে—এসব বিষয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: সিএনএন

Click to comment

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের পক্ষেই ট্রাম্প প্রশাসনl

ডিজিটাল ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মহারণ শুরুর আগেই ইংলিশদের প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেও দেশটির বিশ্বকাপ প্রতিনিধি অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানিয়েছেন, এবার ইংল্যান্ডের হাতেই বিশ্বকাপের শিরোপা দেখতে চান তারা।

রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে বিদায় নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন কোন দলের দিকে—এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুলিয়ানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতার ২৫০তম বর্ষপূর্তিতে শিরোপা জিততে না পারলেও, সেই উদযাপনের বছরে ইংল্যান্ডের যুক্তরাষ্ট্রে এসে বিশ্বকাপ জেতা একটি দারুণ গল্প হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ৬০ বছরের শিরোপা-অপেক্ষায় থাকা ইংল্যান্ড বর্তমানে টুর্নামেন্টে টিকে থাকা অন্যতম শক্তিশালী দল এবং তাদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে।

সাক্ষাৎকারে জুলিয়ানি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও নিয়মিত ইংল্যান্ড দলের খোঁজখবর রাখছেন। সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে ‘দুর্দান্ত খেলোয়াড়’ ও ‘চমৎকার মানুষ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

জুলিয়ানির মতে, ট্রাম্পের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছেন তার ছোট ছেলে ব্যারন ট্রাম্প। কয়েক বছর আগে সাবেক ইংলিশ তারকা ওয়েইন রুনির সঙ্গে গলফ খেলার সময়ও ট্রাম্পের ফুটবল-জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গিয়েছিল বলে জানান তিনি।

ইংল্যান্ড দল নিয়ে নিজের মূল্যায়নে জুলিয়ানি বলেন, হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামের মতো খেলোয়াড়দের কারণে দলটি বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। তারা শিরোপা জয়ের সক্ষমতা রাখে। খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই বিশ্বাস তৈরি করতে পারলেই ইংল্যান্ড বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারে।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অন্য সেমিফাইনালে লড়বে স্পেন ও ফ্রান্স।

Click to comment

ইরানি বিমান রুখতে সানা বিমানবন্দরের রানওয়ে উড়িয়ে দিল ইয়েমেন সরকার

ডিজিটাল ডেস্ক

ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান হামলা চালিয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার। সরকারের দাবি, একটি ইরানি উড়োজাহাজকে বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বাধা দিতেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে ইয়েমেন সরকার জানায়, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের নিজস্ব একটি বিমানকে সানা বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বাধা দেয়। একই সময়ে একটি ইরানি উড়োজাহাজকে সেখানে নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ পরিস্থিতিতে রানওয়েকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

বর্তমানে রাজধানী সানাসহ উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেন থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

হামলার আগে ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সাধারণ নাগরিক, বিমানবন্দর কর্মী, কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছিল।

এদিকে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, এ হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে এবং এটি কোনোভাবেই শাস্তিহীন থাকবে না। তবে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই হামলার জন্য সরাসরি সৌদি আরবকে দায়ী করেছে হুথিরা।

সূত্র: আল জাজিরা

Click to comment

১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের ভাবনায় ইইউ: প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) জুড়ে ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কঠোর সীমাবদ্ধতা বা কার্যত নিষেধাজ্ঞা আনার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ফন ডার লেয়েন জানিয়েছেন, শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন আইন আনার বিষয়ে কমিশন কাজ করছে।

এদিকে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরোপের এই আইনি পদক্ষেপের প্রভাব সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের ওপর পড়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের পরিকল্পনা ও সুপারিশ

ইউরোপীয় কমিশনের নিযুক্ত একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল সম্প্রতি সুপারিশ করেছে যে, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার শুধুমাত্র অভিভাবক, শিক্ষক বা দায়িত্বশীল প্রাপ্তবয়স্কদের তত্ত্বাবধানে সীমিত আকারে অনুমোদিত হওয়া উচিত। এছাড়া বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে অধিক স্বাধীনতা দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে TikTok, Instagram, Facebook, Snapchat এবং অনুরূপ প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিশুদের অতিরিক্ত সময় ব্যয়, আসক্তি, সাইবার বুলিং, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং ক্ষতিকর কনটেন্টের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

এই বিষয়ে উরসুলা ফন ডার লেয়েন বলেন, “প্রশ্নটি আর এই নয় যে শিশুদের অনলাইনে ঝুঁকি আছে কি না। বরং প্রশ্ন হলো, আমরা কীভাবে শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারি। এটি শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবেশাধিকার নিয়ে নয়; বরং সোশ্যাল মিডিয়া কখন এবং কীভাবে আমাদের শিশুদের কাছে পৌঁছাবে, সেটিই মূল বিষয়।”

বর্তমানে স্পেন, ফ্রান্স, গ্রিস, জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার মতো কয়েকটি EU সদস্য দেশ অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সীমাবদ্ধ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সুপারিশ অনুযায়ী— ০–৩ বছর বয়সী শিশুদের স্ক্রিন থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখা, ৩–১২ বছর বয়সীদের শুধুমাত্র তত্ত্বাবধানে বয়স-উপযোগী প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার এবং ১৩–১৮ বছর বয়সীদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ধাপে ধাপে স্বাধীন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালের শেষ দিকে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা চালু করে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ইউরোপীয় কমিশনও এখন সেই অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করছে এবং ২০২৬ সালের পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক আইন প্রস্তাব উপস্থাপন করতে পারে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য প্রভাব: ভালো ও মন্দ দিক

প্রযুক্তি ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, প্রযুক্তির দুনিয়ায় ইউরোপ বা আমেরিকার যেকোনো বড় আইনি পরিবর্তন বৈশ্বিক টেক কোম্পানিগুলোকে তাদের বৈশ্বিক পলিসি ও অ্যালগরিদম বদলাতে বাধ্য করে। ফলে এই আইনের ঢেউ বাংলাদেশেও এসে পৌঁছাবে। এর ফলে কিছু ইতিবাচক এবং নেতিবাচক প্রভাব দেখা যেতে পারে:

ইতিবাচক প্রভাব

কঠোর বয়স যাচাইকরণ ব্যবস্থা: বর্তমানে বাংলাদেশেও ১৩ বছরের কম বয়সী অনেক শিশু ভুয়া জন্মসাল দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খোলে। মেটা বা টিকটক যদি আন্তর্জাতিক চাপের কারণে কঠোর বায়োমেট্রিক বা এআই-ভিত্তিক বয়স যাচাইকরণ প্রযুক্তি চালু করে, তবে বাংলাদেশি শিশুরাও সহজে আর ফাঁকি দিতে পারবে না।

নিরাপদ ‘কিডস সংস্করণ’ তৈরি: বড় কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে ৩-১২ বছর বয়সীদের জন্য আলাদা, নিরাপদ এবং বিজ্ঞাপনহীন সীমিত সংস্করণের প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে মনোযোগ দেবে (যেমনটা ইউটিউব কিডস)। এর ফলে বাংলাদেশি অভিভাবকেরাও সন্তানদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ পাবেন।

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি: বিশ্বের একটি বড় অংশে এমন আইন হলে বাংলাদেশের অভিভাবক, শিক্ষক এবং সরকারের মধ্যেও সচেতনতা বাড়বে। বাংলাদেশেও শিশুদের স্ক্রিন টাইম কমানো এবং সাইবার বুলিং থেকে তাদের রক্ষা করার জন্য আইনি উদ্যোগ জোরদার হতে পারে।

নেতিবাচক প্রভাব 

অনিরাপদ বিকল্পের ঝুঁকি: মূলধারার সোশ্যাল মিডিয়া (Facebook, TikTok) কঠোর করা হলে, শিশুরা এমন সব থার্ড-পার্টি বা ডার্ক ওয়েব অ্যাপের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে যেখানে কোনো ফিল্টারিং বা নিরাপত্তা নেই। এটি শিশুদের আরও বেশি ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

ভিপিএন ও প্রযুক্তির অপব্যবহার: বাংলাদেশে প্রযুক্তিগত নজরদারি ও পারিবারিক সচেতনতা ইউরোপের মতো কঠোর নয়। ফলে শিশুরা ভিপিএন ব্যবহার করে বা অভিভাবকদের অজান্তেই লুকিয়ে এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারে, যা তাদের মধ্যে এক ধরণের নিয়ম ভাঙার প্রবণতা তৈরি করবে।

ডিজিটাল শিক্ষায় সাময়িক বাধা: বর্তমানে অনেক শিশু ইউটিউব বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সৃজনশীল কাজ, কোডিং বা ভাষা শেখে। বয়স নির্ধারণের কঠোর নিয়মের কারণে প্রকৃত শিক্ষণীয় কনটেন্ট বা প্ল্যাটফর্মেও শিশুদের প্রবেশাধিকার সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশন এখনো এই আইন চূড়ান্ত করেনি, তবে এর প্রস্তুতি ও আলোচনা এখন তুঙ্গে। যদি এই আইন পাস হয়, তবে টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে ইউরোপের পাশাপাশি বিশ্বজুড়েই তাদের নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক এই পরিবর্তনের সুফল বাংলাদেশ কতটুকু পাবে, তা নির্ভর করবে দেশের নিজস্ব সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি এবং সর্বোপরি অভিভাবকদের সঠিক তত্ত্বাবধান ও সচেতনতার ওপর।

সম্ভাব্য প্রভাব

Click to comment

বিদেশে বসে বক্তব্য দিয়ে নেতাকর্মীদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করছেন শেখ হাসিনা: শামা ওবায়েদ

ডিজিটাল রিপোর্ট

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উত্তেজিত করার প্রচেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

শামা ওবায়েদ বলেন, শেখ হাসিনা একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে তাকে কারাগারে যেতে হবে এবং পরবর্তী সব কার্যক্রম আইনি প্রক্রিয়া অনুসারেই সম্পন্ন হবে।

তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থান করে কোনো আসামির দেওয়া বক্তব্যকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না। তার ধারণা, এসব বক্তব্যের উদ্দেশ্য আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় বা উৎসাহিত করা।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা বা তার আত্মসমর্পণ-সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিদ্যমান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই এ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।

শেখ হাসিনা কোথায় আত্মসমর্পণ করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি বাংলাদেশে এসে কিংবা বিদেশে বাংলাদেশের কোনো মিশনে আত্মসমর্পণ করলেও আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পার্থক্য হবে না। আত্মসমর্পণের পর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাকে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একজন আসামির বক্তব্যকে সরকার আমলে নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া আগেই শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে নতুন করে কোনো প্রক্রিয়া শুরু করার প্রয়োজন নেই।

ভারতে অবস্থানকালে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী এসব আলোচনায় বিষয়টি উঠে আসে। তবে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিচার ও আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন হবে না।

Click to comment