Connect with us

Super Baji বাংলাদেশে ক্যাসিনো এবং স্পোর্টস বেটিং

Super Baji ক্যাসিনো VB Digital N.V. এর অধীনে পরিচালিত হয়, যার কুরাসাও লাইসেন্স GLH-OCCHKTW0712302019, এবং এটি একক অ্যাকাউন্টে স্লট, লাইভ টেবিল, মেগাওয়েজ, বাই-বোনাস শিরোনাম এবং স্পোর্টস বেটিং মিশ্রিত করে। এই সেটআপটি তাদের জন্য তৈরি যারা বিস্তৃত পেমেন্ট বিকল্প, বহুভাষিক অ্যাক্সেস এবং নিয়মিত উত্তোলনে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সময় চান। পরবর্তী মূল পর্যালোচনায় দেখা হবে ওয়েলকাম প্যাকেজটি কতটা কার্যকর, ক্যাশআউটের আগে KYC প্রক্রিয়াটি কতটা মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়, মাসিক পেমেন্ট সীমা কি শক্তিশালী বাজি ধরার সুযোগকে সীমাবদ্ধ করে, এবং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য স্পোর্টসবুক, ই-স্পোর্টস ট্যাব এবং ভার্চুয়াল বেটিং মেনুর পেছনে কতটা গভীরতা রয়েছে।

Super Baji-তে স্বাগত: নতুন খেলোয়াড়দের জন্য তিনটি বোনাস

বাংলাদেশের নতুন খেলোয়াড়রা Super Baji https://superbaji.app/তে যোগ দিলে তিনটি আলাদা স্বাগত অফারের মধ্যে থেকে পছন্দমতো একটি বেছে নিতে পারেন। প্রতিটি বোনাস প্ল্যাটফর্মের ভিন্ন একটি বিভাগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, তাই আপনি স্লট পছন্দ করুন, ক্রিকেট বেটিং করুন বা পুরো গেম লাইব্রেরি অন্বেষণ করতে চান — সবার জন্যই একটি উপযুক্ত অফার রয়েছে।

  • ১৫০% প্রথম ডিপোজিট বোনাস (JILI) — JILI গেমে প্রথমবার ডিপোজিট করলে ৳১,০০০ পর্যন্ত ১৫০% বোনাস পাওয়া যায়। অ্যাক্টিভ করতে সর্বনিম্ন ৳২০০ ডিপোজিট প্রয়োজন। বোনাসটি মাত্র ১ দিনে ১৮x ওয়েজারিং সম্পন্ন করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৳৫,০০০ উইথড্রয়াল করা যাবে।
  • ১০০% HEYVIP IPL স্বাগত বোনাস — ক্রিকেট ও স্পোর্টস বেটারদের জন্য প্রথম ডিপোজিটে ৳১,৫০০ পর্যন্ত ১০০% বোনাস। সর্বনিম্ন ৳২০০ ডিপোজিট করলেই অফারটি সক্রিয় হয়। ৩ দিনের মধ্যে ১৫x ওয়েজারিং পূরণ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৳৫০,০০০ উইথড্রয়াল করা সম্ভব। এছাড়াও প্রতিটি যোগ্য ডিপোজিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে HEYVIP Cricket Crown Challenge-এ প্রবেশাধিকার দেয়।
  • সকল গেমে ৳৫০০ স্বাগত বোনাস — যারা কোনো নির্দিষ্ট বিভাগে সীমাবদ্ধ থাকতে চান না তাদের জন্য এই অফারটি আদর্শ। ৳৫০০ ডিপোজিট করলে একটি ফ্ল্যাট ৳৫০০ বোনাস পাওয়া যায় যা Super Baji-এর যেকোনো গেমে ব্যবহার করা যাবে। ৩ দিনের মধ্যে ১২x ওয়েজারিং সম্পন্ন করতে হবে এবং উইথড্রয়ালের কোনো ঊর্ধ্বসীমা নেই।

Super Baji অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন

অ্যাকাউন্ট তৈরি করা সহজ, যা ব্যবহারকারীদের সাইন-আপ থেকে যাচাইকৃত খেলা পর্যন্ত গাইড করে। নাম, ইমেইল, এবং পাসওয়ার্ডের মতো মৌলিক বিবরণগুলি লিখুন। নিরাপত্তা এবং সম্মতি নিশ্চিত করার জন্য যাচাইকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা উত্তোলনগুলি মসৃণভাবে প্রক্রিয়া করা হয় তা নিশ্চিত করে। বিবরণগুলি নিশ্চিত করুন, মুদ্রা এবং অঞ্চল পছন্দগুলি নির্বাচন করুন। প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারী-বান্ধব হতে ডিজাইন করা হয়েছে।

  1. নিবন্ধন পৃষ্ঠায় যান এবং রেজিস্টার ক্লিক করুন।
  2. আপনার পছন্দের মুদ্রা এবং অঞ্চল নির্বাচন করুন।
  3. নিশ্চিতকরণ লিঙ্কে ক্লিক করে আপনার ইমেল যাচাই করুন।
  4. সেটআপ সম্পূর্ণ করতে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
  5. খেলা শুরু করতে আপনার প্রথম আমানত করুন।

Super Baji লগইন ধাপ

Super Baji-এ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা সহজ। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য নিবন্ধনের জন্য “Sign Up” এ ক্লিক করুন। ফিরে আসা খেলোয়াড়রা তাদের শংসাপত্র ব্যবহার করে লগইন করতে পারেন। প্রবেশে সমস্যা এড়াতে আপনার বিবরণ সঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করুন। এই প্রক্রিয়াটি সকল ব্যবহারকারীর জন্য নির্বিঘ্ন হতে ডিজাইন করা হয়েছে।

  1. Super Baji হোমপেজ খুলুন।
  2. লগইন বোতামে ক্লিক করুন।
  3. আপনার নিবন্ধিত ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড লিখুন।
  4. আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে সাবমিট বোতামে ক্লিক করুন।
  5. গেমিং অপশনের জন্য আপনার ড্যাশবোর্ডে নেভিগেট করুন।

কেওয়াইসি ডকুমেন্টের প্রয়োজনীয়তা

যাচাইয়ের জন্য, খেলোয়াড়দের পরিচয়, ঠিকানা এবং পেমেন্টের জন্য ডকুমেন্ট প্রদান করতে হবে। উত্তোলনের সময় সাধারণত এগুলো চাওয়া হয়। ডকুমেন্ট অনুপস্থিত বা অস্পষ্ট হলে বিলম্ব হয়। এগুলো আগে থেকে প্রস্তুত রাখলে লেনদেন আরও মসৃণ হয়।

Super Baji ক্যাসিনো গেমস রিভিউ

Super Baji একটি বৈচিত্র্যময় গেমিং পোর্টফোলিও অফার করে, যা ব্যবহারকারী-বান্ধব নেভিগেশন দিয়ে সাজানো। ক্যাসিনো লবিটি বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত, যা সাধারণ এবং অভিজ্ঞ উভয় খেলোয়াড়ের জন্য উপযোগী। এটি স্লট গেমগুলোকে গুরুত্ব দেয়, পাশাপাশি লাইভ টেবিল এবং হাইব্রিড কন্টেন্টের একটি সুষম নির্বাচন প্রদান করে। সাইটটির বিন্যাস ইঙ্গিত করে যে এটি স্লট উত্সাহী এবং লাইভ গেম ভক্তদের উভয়কেই আকৃষ্ট করতে ফোকাস করে, সবার জন্য কিছু না কিছু অফার করে।

  • স্লট
  • লাইভ ক্যাসিনো
  • টেবিল গেমস
  • ভিডিও পোকার
  • বিশেষ গেমস
  • হাইব্রিড গেমস

স্লট গেমস

Super Baji-এর স্লট সংগ্রহ বিশাল, এতে রয়েছে বিভিন্ন থিম, ভোল্যাটিলিটি স্তর এবং জ্যাকপট। খেলোয়াড়রা একাধিক প্রদানকারীর গেম উপভোগ করতে পারেন, যা বিস্তৃত স্টেক অপশন এবং ফিচার সেট নিশ্চিত করে। লবি সহজ অনুসন্ধান এবং ফিল্টারিং সমর্থন করে, যা বোনাস হান্টার এবং বিনোদনপ্রার্থী উভয়ের জন্যই উপযোগী। জনপ্রিয় শিরোনামগুলো আকর্ষণীয় স্পিন এবং জয়ের সম্ভাবনা প্রদান করে, যা বিভিন্ন খেলোয়াড়ের পছন্দ অনুযায়ী এটিকে একটি আকর্ষণীয় পছন্দ করে তোলে।

  • Starburst
  • Gonzo’s Quest
  • Book of Dead
  • Wolf Gold
  • Immortal Romance

টেবিল গেমস

Super Baji ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট এবং ব্যাকার্যাটসহ বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল টেবিল গেম হোস্ট করে। এই গেমগুলো বিভিন্ন স্টেক স্তর এবং খেলার গতি প্রদান করে, যা সাধারণ এবং কৌশল-নির্ভর উভয় ধরনের খেলোয়াড়দের আকর্ষণ করে। মেনুতে কিছু বৈচিত্রসহ ক্লাসিক স্ট্যাপলস রয়েছে, যা গেমিং অভিজ্ঞতা বাড়ানোর জন্য সাইড বেট এবং বিভিন্ন ফরম্যাট অফার করে।

  • রুলেট: বিভিন্ন স্টাইল, নমনীয় সীমা
  • ব্ল্যাকজ্যাক: ক্লাসিক, সাইড বেট উপলব্ধ
  • ব্যাকার্যাট: একাধিক ভেরিয়েশন, উচ্চ সীমা
  • সীমা: কম থেকে উচ্চ, বৈচিত্র্যময় বিকল্প
  • সাইড বেট: ব্ল্যাকজ্যাক এবং ব্যাকার্যাটে উপলব্ধ
  • উপস্থাপনা ফরম্যাট: ইন্টারেক্টিভ, আকর্ষণীয়

লাইভ ক্যাসিনো গেমস

Super Baji-এর লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে রয়েছে উচ্চ-মানের স্টুডিও এবং বিভিন্ন ধরনের টেবিল। খেলোয়াড়রা কম-স্টেক এবং প্রিমিয়াম লিমিট অপশনের সাথে উপস্থাপক-নেতৃত্বাধীন গেম উপভোগ করতে পারেন। গেম-শো স্টাইলের অফারগুলো উত্তেজনা যোগ করে, আর স্ট্রিমের স্থিতিশীলতা মসৃণ খেলা নিশ্চিত করে। লাইভ ইন্টারঅ্যাকশন RNG টেবিলের তুলনায় একটি স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা প্রদান করে, যা ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা এবং মূল্য বৃদ্ধি করে।

  • স্টুডিও: উচ্চ-মানের, নিমগ্ন
  • টেবিল: বিস্তৃত বৈচিত্র্য, একাধিক সীমা
  • উপস্থাপক: পেশাদার, আকর্ষণীয়
  • সীমা: নিম্ন থেকে প্রিমিয়াম, নমনীয়
  • স্ট্রিমের গুণমান: স্থিতিশীল, হাই-ডেফিনিশন
  • ইন্টারঅ্যাকশন বৈশিষ্ট্য: রিয়েল-টাইম চ্যাট, সামাজিক

প্রধান গেম প্রদানকারী

Super Baji-এর লাইব্রেরি শীর্ষস্থানীয় সফটওয়্যার স্টুডিওগুলির দ্বারা গঠিত, যা গুণমান এবং বৈচিত্র্যময় গেম বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে। প্রদানকারীর বৈচিত্র্য গেমের পরিচিতি এবং ন্যায্যতা বৃদ্ধি করে। খ্যাতনামা নামগুলি স্বতন্ত্র উপাদান যোগ করে, যা অনন্য থিম, মেকানিক্স এবং খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা দিয়ে ক্যাটালগকে সমৃদ্ধ করে।

Super Baji-এ স্পোর্টস বেটিং

Super Baji একটি ব্যাপক স্পোর্টসবুক অফার করে যা এর ক্যাসিনো অফারকে আরও উন্নত করে। এই দ্বৈত ফোকাস বিভিন্ন আগ্রহকে পূরণ করে, ক্যাসিনো উত্সাহী এবং ক্রীড়া ভক্ত উভয়কেই আকর্ষণ করে। স্পোর্টসবুক এলাকা সামগ্রিক সাইটের সাথে নির্বিঘ্নে একীভূত হয়, ক্যাসিনো-প্রথম ছাপের পরিবর্তে একটি সুষম অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এই প্ল্যাটফর্মটি অভিজ্ঞ বাজি ধরোয়াড় এবং নতুনদের উভয়ের জন্যই আকর্ষণীয়, কারণ এটি একটি স্বজ্ঞাত ইন্টারফেস এবং বিস্তৃত পরিসরের বিকল্প প্রদান করে। ইন্টিগ্রেশন সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।

  • ক্রিকেট: বিস্তৃত মার্কেট এবং লাইভ বেটিং অপশন।
  • বাস্কেটবল: প্রি-ম্যাচ এবং ইন-প্লে বেটিং ফিচার।
  • টেনিস: ভার্চুয়াল স্পোর্টস এবং বিস্তৃত বেটিং মার্কেট।
  • কব্জি: লাইভ স্ট্রিম এবং একাধিক বেট ধরন।
  • ই-স্পোর্টস: উদ্ভাবনী বেটিং ফিচার এবং গতিশীল মার্কেট।

স্পোর্টসবুক কভারেজ

Super Baji-এর স্পোর্টসবুকে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। BPL এবং IPL-এর মতো প্রধান লীগ। ডার্টস এবং স্নুকারের মতো বিশেষ খেলাধুলাও এখানে গুরুত্বের সাথে স্থান পায়। প্রি-ম্যাচ অফারগুলো ব্যাপক, যেখানে অসংখ্য বিকল্প উপলব্ধ। লাইভ বেটিং শক্তিশালী, যা বাস্তব-সময় সম্পৃক্ততা প্রদান করে। ভার্চুয়াল স্পোর্টস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা অবিরাম অ্যাকশন প্রদান করে। কভারেজের বিস্তৃতি প্রতিটি বেটিং পছন্দের জন্য বিকল্প নিশ্চিত করে।

বেটিং অডস

Super Baji-এর স্পোর্টসবুক আন্তর্জাতিক ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন অডস ফরম্যাট সমর্থন করে। জনপ্রিয় মার্কেটগুলো সহজেই অ্যাক্সেসযোগ্য, একটি ব্যবহারকারী-বান্ধব লাইভ ইন্টারফেস অভিজ্ঞতাকে উন্নত করে।ক্যাশ-আউট ফিচারগুলো নমনীয়তা প্রদান করে, আর বেট-বিল্ডিং টুলগুলো গভীরতা যোগ করে। নির্বাচিত ইভেন্টগুলোর জন্য স্ট্রিমিং অপশনও রয়েছে, যা অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করে। সামগ্রিকভাবে, স্পোর্টসবুকটি ব্যবহারযোগ্যতা এবং ব্যাপক বাজার অফারকে অগ্রাধিকার দেয়, যা স্পোর্টস বেটিং উত্সাহীদের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলে।

Super Baji পেমেন্ট অপশন

Super Baji একটি ব্যাপক ক্যাশিয়ার অভিজ্ঞতা প্রদান করে, যা ফিয়াট এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি উভয় লেনদেনকেই সমর্থন করে। ডিপোজিট দ্রুত হয়, তবে উইথড্রয়ের গতি ভিন্ন হতে পারে। খেলোয়াড়দের এগিয়ে যাওয়ার আগে কোনো ফি আছে কিনা এবং লেনদেনের সীমা নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত। লেনদেনের প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য চার্জগুলি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Bkash
  • Nagad
  • Rocket
  • UPay
  • OK Wallet
  • SureCash
  • iPay
  • Rupee-O
  • ব্যাংক ট্রান্সফার
  • USDT

Super Baji মোবাইল অ্যাপ

Super Baji অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোন উভয় মোবাইল ব্যবহারকারীর জন্য একটি নির্বিঘ্ন অভিজ্ঞতা প্রদান করে। নেভিগেশন স্বজ্ঞাত, যেখানে ক্যাশিয়ার এবং বোনাসে দ্রুত অ্যাক্সেসের সুবিধা রয়েছে। সাইটটি দ্রুত লোড হয়, যা মসৃণ গেমপ্লে নিশ্চিত করে। ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী পোর্ট্রেট এবং ল্যান্ডস্কেপ মোডের মধ্যে সহজেই পরিবর্তন করতে পারেন। যদিও কোনো ডেডিকেটেড অ্যাপ নেই, ব্রাউজার-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মটি iOS এবং Android ডিভাইসে ভালোভাবে কাজ করে। লাইভ লবি এবং স্পোর্টসবুক ব্যবহারকারী-বান্ধব, যা সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করে। প্রগ্রেসিভ ওয়েব অ্যাপ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

Super Baji ক্যাসিনোতে নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা

Super Baji ক্যাসিনো একটি স্বীকৃত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, যা নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড মেনে চলার নিশ্চয়তা দেয়। স্বচ্ছ কোম্পানি তথ্যের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহারকারীর ডেটা সুরক্ষিত রাখে, যা আস্থা বৃদ্ধি করে। স্বাধীন নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাইকৃত এলোমেলো গেম ফলাফলের মাধ্যমে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা হয়। অভিযোগগুলি দক্ষতার সাথে সমাধান করা হয়, যা আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলে।

Super Baji-এ দায়িত্বশীল জুয়ার সরঞ্জাম

খেলোয়াড় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিরাপদ জুয়া প্রচারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিকল্প যা খেলোয়াড়দের তাদের কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে দেয়। এগুলো শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা নয় তা নিশ্চিত করতে তাদের দৃশ্যমানতা এবং ব্যবহারিকতা মূল্যায়ন করা অপরিহার্য। দৃশ্যমান এবং ব্যবহারিক সরঞ্জামগুলি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে, একটি স্বাস্থ্যকর জুয়া পরিবেশ গড়ে তোলে।

  • ডিপোজিট সীমা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সর্বোচ্চ পরিমাণ নির্ধারণ করে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • সেশন সীমা গেম খেলার সময়কাল সীমিত করে।
  • কুলিং-অফ অপশন জুয়া থেকে অস্থায়ী বিরতি প্রদান করে।
  • সেল্ফ-এক্সক্লুশন খেলোয়াড়দের জুয়া সেবা থেকে নিজেকে ব্লক করার সুযোগ দেয়।
  • অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা জুয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থায়ীভাবে বেরিয়ে আসার উপায় প্রদান করে।
  • সমর্থন সংস্থানগুলির লিঙ্ক ব্যবহারকারীদের সহায়তা ও পরামর্শের সাথে সংযুক্ত করে।

Super Baji-এ গ্রাহক সহায়তা

সহায়তা লাইভ চ্যাট, ইমেইল এবং একটি সুগঠিত হেল্প সেন্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এর প্রধান শক্তি হল ব্যাপক সেবা। সহায়তা প্রতিদিন সারাদিন চলে, এবং জ্ঞানভান্ডার পেমেন্ট, যাচাইকরণ, বোনাস, ক্যাসিনো খেলা এবং বাজি সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নগুলির উত্তর দেয়। জরুরি লগইন, আমানত বা উত্তোলন সংক্রান্ত উদ্বেগের জন্য চ্যাট উপযুক্ত।

ইমেইল ডকুমেন্ট যাচাই এবং দীর্ঘমেয়াদী বিলিং বিরোধের জন্য স্ক্রিনশটসহ উপযুক্ত। সাপোর্ট পেজগুলোতে ব্যবহৃত টোন পরিষ্কার এবং ব্যবহারিক। অ্যাকাউন্ট, পেমেন্ট বা অফার সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে, তহবিল বা বোনাস মুক্তি পাওয়ার আগে অভ্যন্তরীণ বা প্রদানকারী পর্যালোচনা চলাকালীন পরিচয় যাচাই, ফলো-আপ প্রশ্ন এবং আপডেটের প্রত্যাশা করুন।

উপসংহার

Super Baji তাদের জন্য একটি আকর্ষণীয় পছন্দ যারা বৈচিত্র্যময় বিকল্পের সাথে একটি প্রাণবন্ত গেমিং অভিজ্ঞতা চান। নিমগ্ন ক্যাসিনো পরিবেশের উত্সাহীরা এর শক্তিগুলিকে প্রশংসা করবেন। তবে, যারা ঐতিহ্যগত সেটিংস পছন্দ করেন তারা বিকল্পগুলি অন্বেষণ করতে পারেন। প্ল্যাটফর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারী-বান্ধব নেভিগেশন এবং আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স।

সামগ্রিকভাবে, Super Baji আধুনিক গেমারদের জন্য একটি আকর্ষণীয় পছন্দ প্রদান করে। যারা এর অফারগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তারা এটিকে বিশেষভাবে সন্তোষজনক মনে করবেন। অন্যদের হয়তো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের পছন্দগুলো মূল্যায়ন করতে হবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য Super Baji-এ খেলা নিরাপদ কি?

Super Baji কিউরাও লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত হয়, অ্যাকাউন্ট যাচাই করে, এবং জালিয়াতি, পরিচয়, ও সীমাবদ্ধ এখতিয়ারে নীতিগত নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করে।

নতুন খেলোয়াড়দের জন্য কি Super Baji কোনো ক্যাসিনো ওয়েলকাম ডিল অফার করে?

Super Baji নতুন গ্রাহকদের ম্যাচ বোনাস এবং ফ্রি স্পিনসহ মাল্টি-ডিপোজিট প্যাকেজ প্রদান করে, যা বাজি ধরার শর্ত এবং অ্যাকাউন্ট নিয়মের অধীন।

নিবন্ধন বা রিলোড অফারের জন্য কি কোনো Super Baji প্রোমো কোড আছে?

Super Baji সবসময় কোড চায় না, যদিও কিছু প্রচারণার জন্য ক্যাশিয়ার বা প্রোমো এলাকায় আলাদা সক্রিয়করণ শর্ত থাকতে পারে।

নতুন সাইন-আপের জন্য কি কোনো Super Baji নো-ডিপোজিট বোনাস আছে?

Super Baji ডিপোজিট-ভিত্তিক পুরস্কারের উপর ফোকাস করে, তাই খেলোয়াড়দের স্ট্যান্ডার্ড নো-ডিপোজিট প্যাকেজের পরিবর্তে অর্থায়িত অফার আশা করা উচিত।

Super Baji কি ক্যাসিনো এবং স্পোর্টস ব্যবহারের জন্য মোবাইলে ভালোভাবে কাজ করে?

Super Baji ফোন এবং ট্যাবলেটে ব্রাউজারের মাধ্যমে চলে, যেখানে ক্যাসিনো লবি, বেটিং মার্কেট এবং ক্যাশিয়ার অ্যাক্সেস মোবাইল স্ক্রিনের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

Super Baji-এ উত্তোলন, যাচাইকরণ এবং সহায়তা কীভাবে কাজ করে?

Super Baji কিছু ক্যাশআউটের আগে নথিগুলি পর্যালোচনা করে, সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ ১২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখে, এবং লাইভ চ্যাট, ইমেইল, এবং হেল্প-সেন্টার সাপোর্ট প্রদান করে।

নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রচলিত অর্থে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তবে ভূমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচায় প্রকৃত লেনদেনমূল্য প্রকাশে উৎসাহ দিতে সীমিত একটি কর-সুবিধা রাখা হয়েছে , যা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) দাবি করে যে, প্রস্তাবিত বাজেটে পরোক্ষভাবে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ ধরনের বিধানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন, “ভালো বাজেটের কালো দিক হলো কালো টাকা। এই সুযোগ না রেখে বাজেটকে কালো টাকা-মুক্ত রাখা যেত কি না।”

জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি ঘিরে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয়মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় অনেক বৈধ লেনদেনও কর-জটিলতায় পড়ে।

তিনি আরও জানান, গত অর্থবছর থেকে বিক্রেতাদের জন্য একটি ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যেখানে প্রকৃত লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেল ও প্রয়োজনীয় দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করা গেলে নিয়মিত কর এবং ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধভাবে প্রদর্শনের সুযোগ পাওয়া যায়।

এবারের বাজেটে একই ধরনের একটি ব্যবস্থা ক্রেতাদের জন্যও বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা প্রকৃত মূল্যে সম্পদ কিনলেও নিবন্ধনে কম মূল্য দেখানো হয়, ফলে পরবর্তীতে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত তথ্য পেলে অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়।

এই জটিলতা কমাতে নতুন বিধানের মাধ্যমে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রকৃত লেনদেনমূল্য ঘোষণা করলে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত কর দিয়ে তা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তবে এ বিষয়ে আপত্তি উঠলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

এদিকে একই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জমি নিবন্ধনে ব্যবহৃত মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এই ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি জানান, মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনার উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জরিপের মাধ্যমে দেশের ভূমিমূল্য কাঠামো হালনাগাদ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রীর মতে, মৌজা রেট বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা গেলে লেনদেনমূল্য গোপনের প্রবণতা কমবে এবং বিতর্কিত কর-সুবিধার প্রয়োজনও অনেকাংশে হ্রাস পাবে

Click to comment

রাতের আঁধারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাট

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় রাতের আঁধারে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার পৌরসদর বাজারের ডাক বাংলো সংলগ্ন কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহুদিনের পুরোনো কার্যালয়টির এক পাশে টিনশেড ঘরে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের কার্যালয় ছিল। অন্যপাশে আরেকটি টিনশেড ঘরে থাকতেন মুক্তিযোদ্ধা হযরত আলী। বৃহস্পতিবার রাতে দুটো ঘরই ভাঙচুর ও লুটপাট করে দুর্বৃত্তরা। এসময় আসবাবপত্র ও নথিপত্র যেগুলো নিতে পারেনি, সেগুলোও ভাঙচুর করে গেছে।

মুক্তিযোদ্ধারা অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা যায়। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় নি।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের অনুসন্ধানী কার্যক্রম চলছে। লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিজ বাড়িতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা, ২০ লাখ টাকা লুটনিজ বাড়িতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা, ২০ লাখ টাকা লুট
এদিকে খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া -কটিয়াদি) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাস জানান, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

Click to comment

হরমুজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নিহতের ঘটনায় ইরানের শোক

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালীর ওমান উপকূলে মার্কিন বাহিনীর হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের নিহতের ঘটনায় শোক জানিয়েছে ইরান।

শুক্রবার (১২ জুন) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ শোক জানিয়েছেন।

এক্সবার্তায় বাঘায়েই বলেন, ‘ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজে মার্কিন বাহিনীর নিষ্ঠুর হামলা এবং তার জেরে ভারতের ৩ জন নাগরিকের মৃত্যু আরও একবার প্রমাণ করলো যে যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র ডাকাতি এবং সরকারি জলদস্যুতার নীতি গ্রহণ করেছে। আমরা নিহত ভারতীয় নাগরিক, তাদের পরিবার, বন্ধু-স্বজন, ভারতের জনগণ এবং সরকারের প্রতি গভীর সহানুভূতি এবং স্বান্তনা জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে এ ধরনের আইনবহির্ভূত কাজের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের জবাবদিহিতার দাবি জানাচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্রের বেপরোয়া আচরণের কারণে আজ বৈশ্বিক শান্তি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর সমুদ্র চলাচলের স্বাধীনতা- উভয়েই গুরুতর হুমকির মধ্যে আছে।’

উল্লেখ্য, গত ১০ জুন বুধবার হরমুজ প্রনালীর ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাবাহী জাহাজের ইঞ্জিনকক্ষে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে মার্কিন বাহিনী। জাহাজটিতে মোট ২৮ জন নাবিক বা ক্রু ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৪ জনই ভারতীয়।

মার্কিন হামলার পর তিন জন ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের জাহাজ চলাচলমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিখোঁজ ৩ জনই নিহত হয়েছেন।

সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

Click to comment

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমার কথা: অর্থমন্ত্রী

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বা কমার কথা। কারণ, অভাব থাকলে দুর্নীতির প্রবণতা থাকে। শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এই দাবি করেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অভাব থাকলে দুর্নীতির একটা প্রবণতা থাকে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি হলে দুর্নীতি কমার কথা।

তিনি বলেন, ১১ বছর ধরে পে-স্কেল হয়নি, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সুতরাং এটা সমন্বয় করা দরকার। বেতন বাড়লে, আয় বাড়বে; তখন নিশ্চয় দুর্নীতি কমার কথা।

বাজেটে কর্মসংস্থানের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাজেটে পরিষ্কারভাবে বলা আছে চাকরির কথা। আমরা আশা করি, বাজেটে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব। বিনিয়োগের জন্য জোর দিচ্ছি কর্মসংস্থানের জন্য।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্কিল ডেভলপমেন্টের জন্য আমরা জোর দিচ্ছি। দক্ষ একজন শ্রমিকের চাকরি দেশে বিদেশে হওয়া খুবই সহজ। এজন্য আমরা স্কিল ডেভলপমেন্ট সংক্রান্ত নানান প্রকল্প হাতে নিচ্ছি।

Click to comment

প্রস্তাবিত বাজেট দেশকে ঋণের দাসত্বে বাঁধার পাঁয়তারা : মামুনুল হক

২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট দেশকে ঋণের দাসত্বে বাঁধার পাঁয়তারা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ মেগা-বাজেট হতে পারে, কিন্তু এটি মূলত দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পরনির্ভরশীল করার এক বিশাল উচ্চাভিলাষী মহাপ্রকল্প। এই বাজেট কোনোভাবেই জাতির বাস্তব চাহিদার প্রতিফলন নয়, বরং এটি জনআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি এবং দেশকে ঋণের দাসত্বে বাঁধার পাঁয়তারা।’

শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

মামুনুল হক বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার গালভরা এই বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার যে বিশাল ঘাটতি ধরা হয়েছে, তা পূরণের জন্য সরকার এখন বৈদেশিক দাসত্ব এবং অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর দেদারসে হাত বাড়াবে। ব্যাংক থেকে এই বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণের অর্থ হলো, বেসরকারি খাতের গলা টিপে ধরা, দেশীয় বিনিয়োগকে পুরোপুরি স্থবির করে দেওয়া এবং জনগণের আমানতকে ঝুঁকিতে ফেলা। বিগত সময়ের ভুলনীতি এবং ঋণের ফাঁদে জর্জরিত অর্থনীতিকে সচল রাখার নামে সরকার দেশকে এক দীর্ঘমেয়াদী দাসত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যার চড়া মূল্য দিতে হবে এদেশের খেটে খাওয়া আমজনতাকে।

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ আজ লাগামহীন দ্রব্যমূল্য, ব্যাপক বেকারত্ব, ভয়াবহ বিনিয়োগ সংকট এবং শিল্প ও কৃষিখাতের চরম স্থবিরতায় দিশেহারা। সরকার যখন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার রূপকথা শোনায়, তখন বাজার বাস্তবতায় তা জনগণের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো শোনায়। বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে ব্যর্থ সরকার রাজস্ব আদায়ের নামে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার যে দানবীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তা আদায়ের চাবুক চালানো হবে মূলত মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের জনগণের পিঠে। নতুন কর আরোপ এবং পরোক্ষ করের বোঝা চাপিয়ে ধনীদের আরও ধনী এবং দরিদ্রদের আরও নিঃস্ব করার এক পুঁজিপতিবান্ধব দলিল পেশ করা হয়েছে।’

বাজেটের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের বৈষম্য তুলে ধরে আমিরে মজলিস বলেন, ‘জনগণের করের টাকায় কোন মন্ত্রণালয়ে কত বরাদ্দ দেওয়া হলো, তার খতিয়ান দেখলেই স্পষ্ট হয় যে, এই সরকার গণমানুষের প্রকৃত সংকট মোচনে কতটা উদাসীন ও লোকদেখানো নীতিতে বিশ্বাসী। কৃষি খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ২৭,৮৮১ কোটি টাকা। দেশের সিংহভাগ মানুষ যেখানে কৃষির ওপর নির্ভরশীল, সেখানে এই যৎসামান্য বরাদ্দ দিয়ে উৎপাদন খরচ সামাল দেওয়া কৃষকদের সাথে এক ধরণের তামাশা। অন্যদিকে, জননিরাপত্তা ও জনকল্যাণের নামে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ৩১,০৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা কৃষি খাতের চেয়েও বেশি! এটা কি কৃষিকে বাঁচানোর বাজেট নাকি আমলাতান্ত্রিক শাসনযন্ত্রকে চাঙ্গা রাখার বাজেট?

বাজেটে দ্বীনি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে অবহেলা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একইভাবে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বিভাজন করলেই সরকারের আসল চেহারা বেরিয়ে আসে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে ৫৭,৩০২ কোটি টাকা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৪৬,৭৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৮,৪৫৭ কোটি টাকা। দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর দ্বীনি ও কর্মমুখী শিক্ষার এই খাতকে এভাবে চরম অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, যেখানে মহামারী ও জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় দেশের স্বাস্থ্যখাত ভঙ্গুর, সেখানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে ৪৯,৩৮৭ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে মাত্র ১৩,৪৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই নামমাত্র বরাদ্দ দিয়ে জনগণের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার সুদূরপরাহত।’

মাওলানা মামুনুল হক গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই বাজেট কতটা গণবিচ্ছিন্ন, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঐতিহাসিক আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারসহ বিভিন্ন জাতীয় আন্দোলনে নিহত বহু শহীদের আত্মত্যাগকে এই বাজেটে চরমভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দীর্ঘদিন ধরে শাপলা শহীদ পরিবারসহ সকল শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন, আর্থিক সহায়তা ও চিকিৎসার জন্য বিশেষ রাষ্ট্রীয় তহবিল গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদের ভূত এখনো বাজেট প্রণেতাদের ঘাড় থেকে নামেনি, যার কারণে এই মহান শহীদদের দাবি আবারও উপেক্ষিত হয়েছে।

বিবৃতির শেষাংশে তিনি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই বাজেট চূড়ান্ত অনুমোদনের পূর্বে অবিলম্বে কৃষি, শিক্ষা (বিশেষ করে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা), স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাস্তবসম্মতভাবে বৃদ্ধি করতে হবে, অর্থপাচারকারী, ব্যাংকডাকাত ও ঋণখেলাপিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে, বাজার সিন্ডিকেটের হোতাদের কারাগারে পাঠাতে হবে এবং শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারসহ সকল শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনে পৃথক বিশেষ বরাদ্দ সংযোজন করতে হবে। অন্যথায়, এই তথাকথিত মেগা-বাজেট জনআকাঙ্ক্ষার মরণফাঁদ হিসেবেই ইতিহাসে কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।

Click to comment

ঋণনির্ভর ও লুটপাটের বাজেট: জামায়াত

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে ‘ঋণনির্ভর, বাস্তবায়ন অযোগ্য ও লুটপাটের বাজেট’ আখ্যা দিয়েছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী।

দলটির দাবি, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জনকল্যাণমূলক, কর্মসংস্থানমুখী ও বাস্তবায়নযোগ্য বাজেটের পরিবর্তে সরকার এমন একটি বাজেট দিয়েছে, যা ঋণনির্ভর, বাস্তবতা-বিবর্জিত এবং শেষ পর্যন্ত দুর্নীতি ও লুটপাটকে উৎসাহিত করবে।

শুক্রবার (১২ জুন) নতুন অর্থবছরের বাজেট বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে বাজেট প্রতিক্রিয়া তুলে ধরে এসব কথা বলেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটটি ব্যাংক ও বৈদেশিক বিরাট ঋণের ওপর নির্ভরশীল। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের আর্থিক সংস্থান করতে গিয়ে ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকার যে রাজস্ব আয়ের কথা বলা হয়েছে, সেই রাজস্ব কীভাবে আদায় করা হবে তা স্পষ্ট করা হয়নি। বাজেটের ঘাটতি ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫০ কোটি টাকা কোথা থেকে পূরণ করা হবে- সেটি স্পষ্ট নয়। যেসব উৎস দেখানো হচ্ছে সেখানে যে কর কাঠামো, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন প্রয়োজন, সেগুলোর উল্লেখ নেই।

তিনি আরও বলেন, এবারের বড় ঘাটতি বাজেটের যে ব্যয় সংকুলান, তা ব্যাংক লোন থেকে করা হবে। তাতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যাবে। ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করতে পারবে না, স্বাভাবিকভাবে বেসরকারি খাতে প্রভাব পড়বে।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। এর সঙ্গে লাগামহীন মূল্যস্ফীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা যুক্ত হওয়ায় বাজেট বাস্তবায়ন ও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

সরকারের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাকে ‘অবাস্তব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইএমএফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৫ শতাংশের নিচে রেখেছে। সেখানে সরকার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। একইভাবে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এটি একটি ফাঁপানো ও উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য। ভেতরে এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

পরওয়ার বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নের প্রতিফলন এ বাজেটে নেই। বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার কোনো রূপরেখাও এই বাজেটে পরিলক্ষিত হয়নি।

তিনি বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার বাড়িয়ে ৩ লাখ কোটি টাকা করা হয়েছে। কিন্তু পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করে এডিপির আকার বৃদ্ধি করলে দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

গোলাম পরওয়ার বলেন, বর্তমান সরকারের গৃহীত এসব অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত আমাদের পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের নীতির কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। এ ছাড়াও উচ্চাভিলাষী এই বাজেটের অর্থায়ন করতে গিয়ে সরকারকে অতিমাত্রায় ঋণনির্ভর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়েছে। দেশীয় উৎস, বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত থেকে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়বে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

সাবেক এ সংসদ সদস্য বলেন, ন্যূনতম ব্যক্তিগত করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। মূল্যস্ফীতির কারণে যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে, সেখানে অতিরিক্ত করের বোঝা জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলবে।

এই বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই বাজেট প্রণয়নে কোনো ধরনের হঠকারিতা জনগণ মেনে নেবে না। তাই অতিসত্বর অবাস্তবায়নযোগ্য, উচ্চাভিলাষী ও লুটপাটের সহায়ক এই বাজেট সংশোধন করে বিনিয়োগবান্ধব ও জনকল্যাণমূলক বাজেট প্রণয়নের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।

জামায়াত প্রস্তাবিত ছায়া বাজেটের সঙ্গে তুলনা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, তাদের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছিল ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা, যা সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় কম ঘাটতি ও কম ঋণনির্ভর।

তিনি বলেন, আমাদের ছায়া বাজেট জনকল্যাণমুখী ও সংস্কারভিত্তিক। সরকারের বাজেটের তুলনায় এটি বেশি বাস্তবসম্মত এবং দেশের অর্থনীতির জন্য কম ঝুঁকিপূর্ণ।

সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে বাজেটে আনা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, বাজেট ঘাটতির ক্ষেত্রে সরকারের প্রস্তাবিত ঘাটতি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ জামায়াতের বাজেটে ঘাটতি অনেক কম, যা জিডিপির প্রায় ২.৪৩ শতাংশ; সেখানে সরকারের ঘাটতি ৩.৫ শতাংশ। সরকারি বাজেট ও জামায়াতে ইসলামীর ছায়া বাজেটের মধ্যে পার্থক্য শুধু সংখ্যাগত নয়; অর্থনৈতিক দর্শন, নীতিগত অবস্থান এবং বাস্তবায়ন কৌশলেও মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াত আমির অর্থবছর পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছেন। বর্তমানে জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে জানুয়ারি-ডিসেম্বর ক্যালেন্ডার বছরভিত্তিক অর্থবছর চালু।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমরা আশা করি, সরকার গঠনমূলক প্রস্তাবগুলো বিবেচনায় নিয়ে বাজেট সংশোধন করবে এবং বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে যে নৈরাজ্য ও অনিয়মের লক্ষণ ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম ও ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মু. আতাউর রহমান সরকার ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন।

Click to comment

খুলনায় বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা

খুলনার লবণচরা এলাকায় গাজী রফিক (৪৫) ওরফে ঢাকাইয়া রফিক নামে এক বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লবণচরার দশগেট এলাকায় নিজ বাড়ির কাছে তাকে গুলি করা হয়। নিহত রফিক দক্ষিণ লবণচরার মাথাভাঙ্গার রতন গাজীর ছেলে ও বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন।

জানা গেছে, রফিক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির পাশে একটি দোকানে বসেছিলেন। এ সময় হেলমেট পরিহিত অবস্থায় এক যুবক মোটরসাইকেলে এসে তাকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি গুলি ছোড়ে। এরমধ্যে একটি গুলি তার পেটে বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রফিকের স্ত্রী বলেন, আমার বড় ছেলে রাগ করে বের হয়ে গেছে। তাকে ডাকতে গিয়ে না পেয়ে আমার স্বামী বসে ছিলেন। তখন কে বা কারা এসে তাকে গুলি করে। তার স্বামী বিএনপির রাজনীতি করতেন বলে জানান তিনি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী কমিশনার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ করছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। ঘটনাস্থলের আশপাশের সব দোকান বন্ধ। হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে চাইছে না। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Click to comment

বাংলাদেশে এসেই দুই দেশ এক করার কথা বললেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন,ভারতের ১৪০ কোটি জনসংখ্যা আর বাংলাদেশের ২০ কোটি যদি এই সঙ্গে করা হয় ১৬০ কোটি। দুই গণতান্ত্রিক দেশের শক্তি এক হলে বিশ্ব শক্তিতে পরিণত হবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে তা বৃহৎ একটি জনশক্তিতে রূপান্তরিত হবে। এ জন্য দুই দেশের সহযোগিতা থাকা দরকার।

শুক্রবার (দুপুর সাড়ে ১১টার পর) বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশে পৌঁছে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, একটা শক্তি হলে হবে না। দুই দেশ মিলে যে শক্তি হবে ওইটা আসল শক্তি। ওই শক্তিটা যেন পুরো পৃথিবী দেখে। ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশে যে ট্যালেন্ট আছে তাদের নিয়ে আগামী প্রজন্ম খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, টেকনোলজি —সবকিছু নিয়ে কাজ করব।

আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার পর বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। ছবি: আজকের পত্রিকা

দুই দেশের প্রতিভা ও সম্পদ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খেলাধুলা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

সীমান্তে ‘পুশইন’ ইস্যু, ভ্রমণ ও বাণিজ্যে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ অভিন্ন আকাশ-বাতাস ভাগাভাগি করে। দুই দেশের জন্য যা কল্যাণকর, ভবিষ্যতে সে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার পর বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। ছবি: আজকের পত্রিকা

বাংলাদেশে আসার সময় নোম্যান্সল্যান্ডে তাকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় হাইকমিশন ও বেনাপোল স্থলবন্দরের প্রতিনিধিরা। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মৃণাল ত্রিবেদী।

দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘একটা শক্তি হলে হবে না। দুই দেশ মিলে যে শক্তি হবে, সেটাই আসল শক্তি।’

গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার সাবেক কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। দুই দেশের ৫৫ বছরের কূটনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার করা হলো। তিনি প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। প্রণয় ভার্মা বর্তমানে ব্রাসেলসে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন

Click to comment

করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে নয় লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামী অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় বাড়িয়ে এবং পরিচালন ব্যয় তুলনামূলক কমিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এবারের বাজেটে প্রায় সাত লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ মোট প্রস্তাবিত বাজেটের দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি আসবে রাজস্ব আদায় থেকে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ঢেলে সাজিয়ে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এর অংশ হিসেবে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, কর ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনার মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা হবে এবং কর ব্যবস্থায় জনগণের হয়রানি নিরসন করে আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে।

রাজস্ব ফাঁকি রোধে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হলেও, করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়েছে সরকার। এর বাইরেও কর, রাজস্ব আদায় ও শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে কী কী প্রস্তাব আনা নেওয়া হয়েছে, সেটি তুলে ধরা হচ্ছে এই প্রতিবেদনে।

করমুক্ত আয়সীমা
বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, বাজেটের আকার ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়, যার সিংহভাগ অর্থাৎ প্রায় ৮৬ শতাংশ আহরণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

বৃহস্পতিবার ঘোষিত বাজেট ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে পৌনে চার লাখ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে এই সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা।

প্রসঙ্গত, করমুক্ত আয়সীমা পৌনে চার লাখ টাকা চলমান ২০২৬-২৭ অর্থ বছরেও কার্যকর আছে। এটি অব্যাহত রাখা হবে আসন্ন করবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৭-২৮ সাল পর্যন্ত।

সাধারণত, আয় বর্ষের পরবর্তী বর্ষকে করবর্ষ বলা হয়। যেমন, পহেলা জুলাই ২০২৫ থেকে ৩০ শে জুন ২০২৬ সময়কাল পর্যন্ত উপার্জিত আয়ের আয়বর্ষ হবে ২০২৫-২০২৬ এবং করবর্ষ হইবে পরবর্তী বর্ষ অর্থাৎ ২০২৬-২০২৭।

আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত করমুক্ত আয়সীমার হার কেমন হবে, সেটির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এই বাজেটে।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ব্যক্তি শ্রেণি পর্যায়ে করমুক্ত আয়সীমা হবে চার লাখ টাকা। পরের অর্থ বছর অর্থাৎ ২০৩০-৩১ অর্থ বছরে করমুক্ত আয়সীমা হবে চার লাখ ৫০ হাজার টাকা।

তবে আগামী অর্থ বছর ও তার পরের অর্থ বছরে নারী করদাতা এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য বাৎসরিক করমুক্ত আয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে চার লাখ ২৫ হাজার টাকা।

তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের ক্ষেত্রে আগামী দুই অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের পরিমাণ হবে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত।

অন্যদিকে, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও গেজেটভুক্ত জুলাই আন্দোলনকারীদের করমুক্ত আয়ের পরিমাণ হচ্ছে পাঁচ লাখ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

করে ছাড় প্রদান
মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কৃষিপণ্যে কর ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেট ঘোষণাকালে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার দেশের প্রতিটি ব্যক্তি ও পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নতির লক্ষ্যে, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের ওপর উৎসে কর হ্রাসের একটি বড় জনমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, মৌলিক কৃষি ও ভোগ্যপণ্য, যেমন-ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর উৎসে করের হার হ্রাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া স্বাস্থ্য খাতে কর ছাড়ের অংশ হিসেবে কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ অগ্রিম কর সম্পূর্ণ মওকুফেরও ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সোনা ও স্বর্ণালংকারের ওপর উৎসে কর ও ভ্যাট কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, সোনা ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে উৎসে কর পাঁচ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করা হচ্ছে। জুয়েলারি সেবার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে প্রতি ভরি হিসাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোবাইল ফোন, কম্পিউটারসহ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা বর্ধিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একইভাবে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, টোনারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যের স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রেও শর্তসাপেক্ষে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা ৩০শে জুন ২০৩০ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

একইভাবে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, টোনারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যের স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রেও শর্তসাপেক্ষে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বর্ধিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অপরিবর্তিত থাকছে কর্পোরেট কর
২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের অর্থনীতিকে দীর্ঘ মেয়াদে আরও শক্তিশালী, প্রতিযোগিতাসক্ষম এবং প্রযুক্তিনির্ভর করতে কর ও শুল্ক কাঠামোয় বড় ধরনের রূপান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজ করতে এবং করদাতাদের হয়রানি কমাতে নীতিগত কাঠামোয় কিছু পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছ।

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যমেয়াদী নিশ্চয়তা দিতে এবং পলিসি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিদ্যমান কর্পোরেট করের হার আগামী অর্থবছরে অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে করের আওতা বাড়িয়ে করের হার ধাপে ধাপে কমিয়ে আনার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

এত দিন করযোগ্য আয় না থাকলেও উৎসে কর্তিত করকে বাধ্যতামূলক ‘ন্যূনতম কর’ ধরা হতো, যা ব্যবসার সচল মূলধন আটকে দিত।

নতুন প্রস্তাবে এই সনাতন পদ্ধতি বাতিল করে উৎসে করকে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ‘অগ্রিম কর’ হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অতিরিক্ত পরিশোধিত কর সরাসরি রিফান্ড (ফেরত) করা হবে।

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারের লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করা। এই লক্ষ্য অর্জনে করের হার বাড়ানোর পরিবর্তে করের পরিধি সম্প্রসারণ এবং রাজস্ব ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অটোমেশনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটের পর দাম বাড়তে পারে কিছু পণ্যের

কনটেন্ট তৈরি ও ফ্রিল্যান্সারদের ভ্যাট
কনটেন্ট তৈরিতে কর মওকুফের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সম্পূর্ণ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের লাখ লাখ তরুণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি করে আয় করছেন, তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তরুণ প্রজন্মের উদ্যম ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহ প্রদান এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সম্পূর্ণ ভ্যাট অব্যাহতি প্রদানের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, মানুষের কাছে মোবাইল সেবা আরো সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রতিটি মোবাইল সিমের ওপর আরোপিত ৩০০ টাকা হারে কর সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি। ফলশ্রুতিতে আগামী অর্থবছরে মোট ১২০০ কোটি টাকা রাজস্ব হ্রাস হবে।

রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে সারা বছর
আয়কর ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হিসেবে সারা বছর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ চালু করা হচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা বিশেষ প্রণোদনা পাবেন।

বাজেট প্রস্তাব অনুসারে, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের পাঁচ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা, যা কম তাই ছাড় পাবেন।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন যা কর তা দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।

আর জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের দুই শতাংশ বা তিন হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

এছাড়া এপ্রিল-জুন মাসে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের পাঁচ শতাংশ বা পাঁচ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

কমবে কিছু কিছু পণ্যের দাম

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে শুল্ক হ্রাস
বিএনপি সরকারের অধীনে প্রথম বাজেটে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ককর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এসব পণ্যের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

এবারের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০ টি পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ ৬০টি নিত্যপণ্যের ওপর উৎসে করের হার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, বিগত বছরগুলোয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবনে যে নাভিশ্বাস উঠেছিল, তার বিপরীতে গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ জনজীবনে স্বস্তি আনবে।

এছাড়া জিরা, দারুচিনি, এলাচি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, ধনিয়া ইত্যাদি মসলায় পাঁচ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

খেজুর আমদানিতে পাঁচ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে দাম কমতে পারে খেজুরের।

এছাড়া আমদানি করা শিশুখাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে বাজারে শিশুখাদ্যের দাম কমবে।

ঔষুধ শিল্প ও জনস্বাস্থ্য খাত
দেশের ওষুধ শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ওষুধের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিশাল কর ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে ক্যানসার প্রতিরোধী ওষুধের নতুন উপকরণ এবং ওষুধ তৈরির মূল উপাদান এপিআইসহ মোট ৭৭টি নতুন মৌলিক কাঁচামাল আমদানিতে আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট তুলে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পকে স্থানীয়ভাবে আন্তর্জাতিক মানের ও সাশ্রয়ী মূল্যের ক্যানসার প্রতিরোধী ওষুধ উৎপাদনে সক্ষম ও স্বাবলম্বী করে তুলতে বিদ্যমান রেয়াতি শুল্ক সুবিধার প্রজ্ঞাপনে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে নতুন করে আরও নয়টি উপকরণ যুক্ত করে আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করছি”।

ওষুধ শিল্পের অধিকতর প্রসারকল্পে স্থানীয়ভাবে অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট বা এপিআই উৎপাদনের লক্ষ্যে নতুন ৫১টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

এছাড়াও বিশ্ববাজারে দেশি ওষুধের রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে আরও ১৭টি মৌলিক কাঁচামালকে শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।

ইলেকট্রিক গাড়ি ও বাইক শুল্ক ছাড়
দেশে বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ইলেকট্রিক গাড়ি বা ইভি, বাস, ট্রাক ও ই-বাইক খাতে শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরিবহনে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে বিদ্যমান সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতি এবং অন্যান্য ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাকের ক্ষেত্রে ভ্যাট ছাড়া বাকি সব শুল্ক-কর ছাড়ের সুবিধা ৩০ই জুন ২০৩০ পর্যন্ত বহাল রাখা হবে।

এ ছাড়া ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানিতে করভার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশে ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদনে উৎসাহিত করতে স্থানীয়ভাবে উচ্চ মূল্য সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যন্ত্রাংশ ও উপকরণ আমদানিতে তিন শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া বাকি সব শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে তুলনামূলক কম মূল্য সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক রেখে অন্যান্য শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশীয় ই-বাইক উৎপাদন ও সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানগুলোকেও উপকরণ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই সাথে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে বিআরটিএতে নিবন্ধন ও নবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান দুই লাখ টাকার অগ্রিম আয়কর উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোরও প্রস্তাব করা হয়েছে।

Click to comment

বিশ্ববাজারে ফের কমল স্বর্ণের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মূল্যস্ফীতির চাপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য সুদহার বৃদ্ধির আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। ফলে চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটি বড় ধরনের সাপ্তাহিক লোকসানের দিকে এগোচ্ছে।

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম শূণ্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮২ দশমিক ৪৭ ডলারে নেমে আসে। এতে সপ্তাহজুড়ে স্বর্ণের দাম প্রায় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমার পথে রয়েছে। তবে আগস্ট ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারের দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২০৩ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম ছয় মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেলেও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪ হাজার ২১৯ দশমিক ৬৯ ডলারে লেনদেন শেষ করে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিল এবং শিগগিরই শান্তি চুক্তি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়ার বিষয়টি ভূমিকা রাখে।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান মেরেক্সের বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেইর বলেন, বর্তমানে স্বর্ণের বাজার পুরোপুরি ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির খবরে পরিচালিত হচ্ছে।

তার ভাষায়, ‘বাজার এখন ফেডের যেকোনো বার্তার দিকে নজর রাখবে। যদি তারা সুদহার বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়, তাহলে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলারের নিচেও নেমে যেতে পারে।’

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে স্বর্ণের দাম প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, জ্বালানি পণ্যের দাম বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদহার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে বাধ্য হতে পারে। এতে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ধরে রাখার আকর্ষণ কমে যায়।

এদিকে মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদক পর্যায়ের মূল্যসূচক প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি পণ্যের ব্যয় বৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে বার্ষিক মূল্যবৃদ্ধি সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে ডিসেম্বর মাসে ফেডের সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান চলতি সপ্তাহান্তেই একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে, যার ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক হবে। তবে ইরান জানিয়েছে, কোনো চুক্তির বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

স্বর্ণভিত্তিক বিশ্বের বৃহত্তম এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড নিউইয়র্কভিত্তিক এসপিডিআর গোল্ড ট্রাস্টের স্বর্ণ মজুতও কমেছে। বুধবার তহবিলটির ধারণকৃত স্বর্ণের পরিমাণ প্রায় শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৯২৩ দশমিক ৮৯ মেট্রিক টনে নেমে আসে।

বাজারের অস্থিরতার কথা বিবেচনায় নিয়ে এএনজেড ব্যাংক চলতি বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের মূল্য লক্ষ্যমাত্রা ৪০০ ডলার কমিয়ে ৫ হাজার ২০০ ডলার নির্ধারণ করেছে।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৬ দশমিক ৭৮ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭২৫ দশমিক ৯৯ ডলারে উঠলেও সপ্তাহজুড়ে লোকসানের দিকেই রয়েছে। অন্যদিকে প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২৯০ দশমিক ১৫ ডলারে পৌঁছেছে এবং সপ্তাহজুড়ে ধাতুটির দাম প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

Click to comment