শাবিপ্রবিতে নিয়মতান্ত্রিক সিট বণ্টনসহ ৫ দফা দাবি ছাত্রশিবিরের
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলগুলোতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সিট বণ্টন, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন আয়োজন এবং উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।
গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জুনতলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
ছাত্রশিবিরের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, হলের ফাঁকা আসনে দলীয় সুপারিশের পরিবর্তে স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ, দ্রুত শাকসু নির্বাচন আয়োজন, উন্নয়ন প্রকল্পে নির্মাণকাজের মান ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত, ক্যাম্পাস ও হলে নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই ও ইন্টারনেট সেবা এবং মানসম্মত খাবার, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও পরিবহন সমস্যার সমাধান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম।
হলের সিট বণ্টন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ আসন রাখা হতো। নতুন প্রশাসন আসার পর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ফাইনাল পরীক্ষা চলে আসলে তারা হলে সিট পায় নি। এছাড়া ফাঁকা সিটে দলীয় রেফারেন্সে শিক্ষার্থী তোলা হচ্ছে এরকম অভিযোগ ও পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের দাবি ফাঁকা সিটগুলোতে অবিলম্বে হল প্রশাসনের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিভাগ অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।’
শাহপরাণ হলে ছাত্রদল নেতাদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘ছাত্রদল কর্তৃক নিয়মবহির্ভূতভাবে সিট নিয়ে নিজেদের দায় ছাত্রশিবিরের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’ ছাত্রশিবির কখনো প্রশাসনের কারও কাছে সিটের জন্য তদবির করেনি। নিউজে দেখতে পেলাম সাবেক ছাত্রকল্যাণ উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড মো এছাক মিয়া স্যার বলেছেন অন্যান্যরা সিটের জন্য তদবির করলেও ছাত্রশিবির কখনো হলের সিটের জন্য তদবির করেনি।
শাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শাকসু নির্বাচনের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরও বিএনপি ও ছাত্রদলের বাধার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।’
জাতীয় নির্বাচনের পরও শিক্ষার্থীরা শাকসু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে এলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্য সাক্ষাতের সময় দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেও ছাত্রদলকে সাক্ষাতের সময় দেওয়া এবং তাদের দলীয় কর্মসূচিতে প্রশাসনিক নিয়ম ভঙ্গ করে উপস্থিত থাকতে পারেন। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজকে ছাত্রদলের কর্মসূচি প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।
কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে শাকসুর দাবিতে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অনতিবিলম্বে শাকসু বাস্তবায়নের স্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নকাজে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সব প্রকল্প যথাযথ তদারকি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে সম্পন্ন করার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই এবং দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলের ইন্টারনেট সেবা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ওয়াই-ফাই সেবার মান ও নিরবচ্ছিন্নতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট না থাকায় শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।’
খাবারের মান নিয়ে মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাস ও হলের খাবারে অনেক সময় পোকামাকড় ও ময়লা পাওয়া যাচ্ছে বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে দুপুরের খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই। মানসম্মত খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত খাবারের স্থান নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে প্রায়ই চুরি ও বিভিন্ন অপরাধের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন। পাশাপাশি পরিবহনে শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন, অফিস সম্পাদক শাকিল মাহমুদ ও প্রচার সম্পাদক রেজা-ই-রাব্বি সাফওয়ান উপস্থিত ছিলেন।
ববিতে কোকো স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক, ম্যাচ বয়কট সাংবাদিকতা বিভাগের
ববি প্রতিনিধি
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শুরু হয়েছে ‘মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’ স্মৃতি ডে-নাইট শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মধ্যকার খেলায় আম্পায়ারের নেয়া একটি ভুল সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করায় ম্যাচ বয়কট করে মাঠ ছাড়ে সাংবাদিকতা বিভাগের খেলোয়াড়রা। ফলে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান। ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. রনি শেখ। আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাফি ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী নাইম।
ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ৮ ওভারে ৬১ রানের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। জবাবে হিসাববিজ্ঞান বিভাগ রান তাড়া করতে নামে। ম্যাচের শেষদিকে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের জয়ের জন্য শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৭ রান।
এ সময় সাংবাদিকতা বিভাগের করা শেষ বলটি লেগ আম্পায়ার রাফি ‘নো বল’ ঘোষণা করেন। সাংবাদিকতা বিভাগের খেলোয়াড়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে লেগ আম্পায়ারের এই সিদ্ধান্তটি একপাক্ষিক ছিল এবং এতে ম্যাচের ফলাফল সরাসরি প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। সিদ্ধান্তটি ঘিরে মাঠে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেও হতাশা ও অসন্তোষ দেখা দেয়।
সাংবাদিকতা বিভাগের পক্ষ থেকে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানানো হলেও টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, আম্পায়ারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বল করার সময় বোলারের হাত বাঁকা হওয়ায় সেটিকে ‘নো বল’ ঘোষণা করা হয়েছে।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধিনায়ক এনায়েন হাসান বলেন, ম্যাচের একেবারে শেষ বলে এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আম্পায়ারদের আরও সতর্ক ও নিরপেক্ষ থাকা প্রয়োজন ছিল। শেষ বলে ৭ রান প্রয়োজন ছিল সেখানে আউট হয়ে যায় কিন্তু আম্পায়ার পক্ষপাতমূলকভাবে নো বল দেয় যা সরাসরি অনিয়ম। আমরা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানালেও তা আমলে নেয়া হয়নি।
এ ঘটনায় একটি বড় টুর্নামেন্টে আম্পায়ার নির্বাচন, ম্যাচ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তিতে আয়োজক কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লেগ আম্পায়ার রাফির বিতর্কিত ‘নো বল’ সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী সময়ে বিষয়টি যথাযথভাবে সমাধান না হওয়ায় টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
শাবিপ্রবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক আব্দুল হামিদ
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হামিদ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী আগামী দুই বছরের জন্য তাঁকে এ পদে নিয়োগ দিয়েছে।
অধ্যাপক আব্দুল হামিদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং (বিপণন) বিভাগের বিবিএ প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে এমএসসি ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে শাবিপ্রবিতে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি এবং ২০২০ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
এছাড়া ডেনমার্ক, স্লোভেনিয়া, স্পেন ও ক্রোয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন অধ্যাপক আব্দুল হামিদ।
গত প্রায় দুই বছর ধরে তিনি শাবিপ্রবির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকাতেও লেখালেখি করেন। এ পর্যন্ত তাঁর ১২টি বই প্রকাশিত হয়েছে।
ছাত্রজীবনেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন অধ্যাপক আব্দুল হামিদ। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় বাণিজ্য বিভাগে সম্মিলিত মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি। স্নাতক পর্যায়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ সেশনে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেন। ছাত্রজীবনে তিনি ইরাসমাস মুন্ডাস বৃত্তি ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ফেলোশিপ লাভ করেন।
পড়াশোনার পাশাপাশি সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। রচনা লেখা ও নির্ধারিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীদের কাছ থেকে স্বর্ণপদক লাভ করেন। এছাড়া নাটোর শিক্ষা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক, অগ্রণী ব্যাংক স্বর্ণপদক, সৈয়দ আমীর আলী স্বর্ণপদক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।
দায়িত্ব গ্রহণের পর অধ্যাপক আব্দুল হামিদ বলেন, “শাবিপ্রবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদকে বিশ্বমানে উন্নীতকরণ, শিল্পখাত ও শিক্ষাঙ্গনের সংযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক দক্ষতা বাড়াতে ডিন অফিস নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।”
এ লক্ষ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষার্থী মনোনীত
ববি প্রতিনিধি
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১৩ জন শিক্ষার্থী। ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ শিক্ষাবর্ষে নিজ নিজ অনুষদে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁদের এ সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর ) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
২০১৯ শিক্ষাবর্ষের মনোনীত শিক্ষার্থী (৫ জন):
মো. আল ইমরান — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, জীববিজ্ঞান অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৯৮)
চন্দ্রিকা সাহা — কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৯৫)
রনি গোপাল দাস — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৮৬)
তহমিনা আক্তার মুন — আইন বিভাগ, আইন অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৮৬)
শ্যামলিমা শহীদ খান — ইংরেজি বিভাগ, কলা ও মানবিক অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৬৭)
২০২০ শিক্ষাবর্ষের মনোনীত শিক্ষার্থী (৪ জন):
ওয়াহিদা ইসলাম — ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৯২)
অরিন্দম কর্মকার — রসায়ন বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৮৭)
দিলরুবা খান মৌ — আইন বিভাগ, আইন অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৭৫)
অন্তরা হালদার — বাংলা বিভাগ, কলা ও মানবিক অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৫৯)
২০২১ শিক্ষাবর্ষের মনোনীত শিক্ষার্থী (৪ জন):
অনামিকা বিশ্বাস — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, জীববিজ্ঞান অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৯২)
মোসাঃ অনন্যা সুলতানা — ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৯২)
তসলিমা আক্তার — কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৯১)
আব্দুল কাদের — লোক প্রশাসন বিভাগ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ (সিজিপিএ ৩.৬৭)
শিক্ষার্থীদের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ কৃতী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন তাঁদের নিজ নিজ একাডেমিক সাফল্যের এক অনন্য স্বীকৃতি। এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল অর্জন, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণামুখী হতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।” তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, শিক্ষার্থীদের এমন কৃতি ও অর্জন ভবিষ্যতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক সাফল্যের ধারাকে আরও বেগবান ও সমৃদ্ধ করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষার্থী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসের সংশ্লিষ্টদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে।
উদ্যোক্তা ইবিয়ান, আইইএলটিএস করার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা
ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং উদ্যোক্তা অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান উদ্যোগে ইবি ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এসেছেন এক অনন্য সুযোগ। অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে ঢাকায় গিয়ে সময় ও বিপুল অর্থের অপচয় রোধ করতে তাঁর পরিচালিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও ভিসা কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান goingFly (গোয়িং ফ্লাই)-এখন বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শেখপাড়াতেই আন্তর্জাতিক মানের আইইএলটিএস (IELTS) ও ফাউন্ডেশন ইংলিশ শেখার পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু হতে যাচ্ছে।
আগামী রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকাল ৪ টায় goingFly-এর শেখাপাড়া ব্রাঞ্চে এই বিশেষ আইইএলটিএস প্রিপারেশন কোর্সের উদ্বোধনী ক্লাসের ঘোষণা দিয়েছেন এই উদ্যোক্তা। এনিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনও করেন তিনি।
আইনজীবী ও উদ্যোক্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান তাঁর ছাত্রজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শেখপাড়া এলাকার শিক্ষার্থীদের প্রধান সমস্যা ছিল তথ্যের ঘাটতি এবং ভালো পরামর্শের অভাব। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে আইইএলটিএস ও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতির জন্য ঢাকায় চলে যায়, যার ফলে তাদের এনার্জি ও বহুমূল্য সময় নষ্ট হয়। নিজ এলাকার শিক্ষার্থী ও অনুজদের এই সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং উদ্যোক্তা মানসিকতা থেকেই goingFly-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ সেবাকে সরাসরি হাতের নাগালে নিয়ে আসা হয়েছে।
ঢাকার শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘদিন সফলভাবে ক্লাস নেওয়া অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ সরাসরি শেখপাড়ায় ক্লাস পরিচালনা করবেন। এর মধ্যে প্রধান মেন্টর হিসেবে থাকবেন মাহাদুর রহমান, যার দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় ক্লাস নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
শেখপাড়াতে পেপার বেসড পরীক্ষা বন্ধ হয়ে অনলাইন ও কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা চালু হওয়ায় রূপান্তরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কম্পিউটার সেটআপ রেডি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এই উদ্যোক্তা জানান, আইইএলটিএস কোর্স (১৫,০০০ টাকা), ফাউন্ডেশন ইংলিশ (৫,০০০ টাকা) এবং মক টেস্ট (৫,০০০ টাকা)—সব মিলিয়ে ২৫,০০০ টাকার অল-ইন-ওয়ান প্যাকেজটি উদ্বোধনী দিন সহ আগামী ৩ দিনের মধ্যে ফ্রি ভর্তি হলে পাওয়া যাবে মাত্র ১০,০০০ টাকায়। ৩ মাসের কোর্স সম্পন্ন করার পর কোনো শিক্ষার্থী যদি তার দক্ষতার কোনো উন্নতি দেখতে না পায়, তবে সম্পূর্ণ কোর্স ফি ফেরত দেওয়া হবে।
তিনি জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ফি-তে বিশেষ সুবিধা এবং goingFly-এর সৌজন্যে ফ্রি প্রসেসিং ও ব্যাংক স্পন্সরশিপের দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। মূলত প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক চিন্তাভাবনা না, এটি সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই যাত্রা শুরু। সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থী
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১৪ শিক্ষার্থী ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষাবর্ষের মোট ৪৬৯ শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
ইউজিসির প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন চার শিক্ষার্থী। তারা হলেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের মনীষা হাজং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সন্দীপ দেবনাথ, ফিনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের উম্মে সালমা তমা এবং অর্থনীতি বিভাগের জারমিনা রহমান।
২০২০ শিক্ষাবর্ষে মনোনীত পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন সংগীত বিভাগের নিশাত নিগার নিশি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. নাজমুল করিম রেজা, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অন্তু দে, লোক প্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের মো. মইনুল আলম এবং আইন ও বিচার বিভাগের তানিয়া আক্তার।
এ ছাড়া ২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের সৈয়দা তাসনিম, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মিতু আক্তার, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের নাবিলা আক্তার মিম, লোক প্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের মো. আতিকুর রহমান এবং চারুকলা বিভাগের অন্তর পাল।
রাকসুর উদ্যোগে ৫ দিনব্যাপী নবীন সাংবাদিক ফেলোশিপ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু
রাবি প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর মিডিয়া ও প্রকাশনা বিভাগের উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী ‘নবীন সাংবাদিক ফেলোশিপ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬’ শুরু হয়েছে। আজ ৬ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাকসুর কনফারেন্স রুমে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। যা আগামী ১০ এপ্রিল সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে।
উদ্বোধনী সেশনে রাকসুর মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মুজাহিদ ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সহ-মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক আসাদুল্লাহ গালিবের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ‘রাজশাহী সংবাদ’-এর প্রধান সম্পাদক ডা. নাজিব ওয়াদুদ, রাকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের জিসান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (রাবিসাস) সহ-সভাপতি সাজিদ হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির (রুরু) সভাপতি নূর আহসান মৃদুল ও সাধারণ সম্পাদক ইবতেসাম হাসান শান্ত।
এই কর্মশালায় কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার রাজশাহী ব্যুরো অফিসের স্টাফ রিপোর্টার এম শামীম। পাশাপাশি দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও রুরু’র সভাপতি নূর আহসান মৃদুল, প্রথম আলোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সাজিদ হোসেন এবং দৈনিক আমার দেশ-এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো. ফাহমিদুর রহমান ফাহিম মেন্টর হিসেবে নবীন সাংবাদিকদের দিকনির্দেশনা দেবেন।
আয়োজকরা জানান, রাকসু কনফারেন্স রুমে আয়োজিত পাঁচ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নবীন সাংবাদিকদের মৌলিক বিষয়, সংবাদ সংগ্রহ, প্রতিবেদন লিখন, তথ্য যাচাই, সাক্ষাৎকার গ্রহণ, প্রিন্ট, অনলাইন, এআই এবং টেলিভিশন সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রথম দিন অর্থাৎ ৬ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ‘প্রিন্ট ও মূলধারার সাংবাদিকতা’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন রাজশাহী সংবাদের প্রধান সম্পাদক ডা. নাজিব ওয়াদুদ, যার বিষয়বস্তু ছিল সংবাদের পরিচয়, উৎস সন্ধান, সংগ্রহ ও লিখন কৌশল। দ্বিতীয় দিন (৭ অক্টোবর) এখন টিভির রিপোর্টার মারুফ হাসানের পরিচালনায় ‘মোজো, সোশ্যাল মিডিয়া ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন’ বিষয়ক সেশনে স্মার্ট রিপোর্টিং ও নতুন যুগের কনটেন্ট নিয়ে আলোচনা করা হবে।
কর্মশালার তৃতীয় দিন (৮ অক্টোবর) বুম বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকার ও পিআইবি প্রশিক্ষক তাওসিফ আকবরের পরিচালনায় ‘এআই সাংবাদিকতা ও ফ্যাক্ট চেকিং’ সেশনে নিউজরুমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং ও এআই এথিকস তুলে ধরা হবে। চতুর্থ দিন (৯ অক্টোবর) প্রথম সেশনে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক মানবজমিনের নিজস্ব প্রতিবেদক ডালিম হোসেন শান্ত ‘সাংবাদিকতায় নৈতিকতা ও সাইবার সুরক্ষা আইন’ এবং দ্বিতীয় সেশনে বিএফইউজে’র যুগ্ম-মহাসচিব ও কালের কণ্ঠের রাজশাহী ব্যুরো ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন ‘সাংবাদিকতার ধরণ ও চ্যালেঞ্জ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। সর্বশেষে ১০ অক্টোবর (শনিবার) ৫ম ও শেষদিনে সময় টিভির সিনিয়র রিপোর্টার তাসলিমুল আলম তৌহিদ ‘টেলিভিশন ও ব্রডকাস্ট সাংবাদিকতা’ বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ‘ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার: ব্রডকাস্ট জার্নালিজম ও স্ক্রিনের গল্প’ তুলে ধরে এই কর্মশালা সমাপ্ত করবেন।
পাঁচ দিনব্যাপী এই ফেলোশিপ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাছাইকৃত ২৭ জন নবীন সাংবাদিক ফেলো হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহালের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হলেও জনগণের অনুমোদন নেওয়ার বিধান ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের যে বিধান ছিল, তা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছিল। আদালতের রায়ে ওই বাতিলের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক ঘোষিত হওয়ায় সংশোধিত সংবিধানে গণভোটের বিধান পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধি ও ‘জুলাই যোদ্ধা’দের সঙ্গে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যে সংশোধনীটা আমরা সামনে গ্রহণ করব—সে জায়গায় এমন কিছু আর্টিকেলের পরিবর্তন, সংশোধন সংযোজন আসবে; যেগুলো পরিবর্তনে সংশোধনের পূর্ববর্তী রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোটের ব্যবস্থা করতে হবে। সেটা হচ্ছে সাংবিধানিক গণভোট। আগে যে গণভোট হয়েছে সেটা আইনি গণভোট। এই সাংবিধানিক গণভোটটা আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।’
মন্ত্রী বলেন, ‘যে সংশোধনটা আমরা সামনে আনব—সেখানে প্রস্তাবনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসহ মৌলিক বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আসবে। আর্টিকেল ৪৮ ও ৫৬-এ আসবে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আমরা কেন ধারণ করব, সেই বিষয়গুলো আসবে।’
তিনি বলেন, ‘আর্টিকেল ১৪২-এ যেখানে গণভোট ছিল না, শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার সেটা উড়িয়ে দিয়েছিল। সেখানে আবার সেটা আমাদের ধারণ করতে হবে।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে ভবিষ্যতে যাতে সহজে কেউ তা পরিবর্তন করতে না পারে, সে বিষয়েও সাংবিধানিক সুরক্ষা রাখার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরায় আমরা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করলে সেটা যাতে ভবিষ্যতে কেউ সহজে পরিবর্তন করতে না পারে, সেজন্য আমরা ওইটা পরিবর্তন করলেও ভবিষ্যতে জনগণের কাছে যাতে যেতে হয়, সেটায় গণভোটের বিধান রাখতে হবে। সেজন্য এই পরিবর্তনগুলো এবং এই সাংবিধানিক সংশোধনীগুলো আমরা সংবিধানে নিয়ে আসলে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসারে আমাদের গণভোট দিতে হবে।’
সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের বিধান নেই—এমন বক্তব্যের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি দুই-এক জায়গায় শুনছি, কেউ কেউ বলছেন—সংবিধানে তো গণভোট নাই। আমরা কেন গণভোটের কথা বলছি? সংবিধান সংশোধনের পরে। তারা সঠিক কথা বলছেন না।’
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনের মাধ্যমে আর্টিকেল ১৪২ থেকে যে গণভোটের বিধানটা তুলে দেওয়া হয়েছিল, সেটার বৈধতা ছিল না। এবং সেটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে ইতোমধ্যে হাইকোর্ট থেকে রায় দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আগে যা ছিল, তাই সঠিক।’
এ প্রসঙ্গে ‘ডকট্রিন অব ইক্লিপস’-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন, সেটা তো অটোমেটিক বহাল হয় না। এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে, সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় একটা ডকট্রিন আছে। এটা হচ্ছে ডকট্রিন অব ইক্লিপস।’
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা যারা আইনে প্রফেসরি করেন, আইনের ছাত্র তারা জানেন। চন্দ্রগ্রহণ যখন হয়, গ্রহণটা সরে গেলে চাঁদটা আবার আলো দেখা যায়। এটাকে বলা হয় ডকট্রিন অব ইক্লিপস। ওই সংবিধানের যে বিধানটা পরিবর্তন করে গণভোট বাতিল করে দিয়েছিল, সেটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। সুতরাং আগেরটা বহাল হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে একটা আইনের জটিল প্রশ্ন আছে। সেটা যতদিন পার্লামেন্টে আবার সংবিধানে ধারণ না করবে, ততদিন পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিস্থাপিত হয়েছে বলা যাবে না। তবে বিচার বিভাগ তাদের যে রায় দিয়েছে, সেই রায় অনুসারে সংবিধানে আমরা এই সংশোধনীতে সেটা ধারণ করব।’
গণভোটের বিধান সংবিধানে পুনরায় যুক্ত করার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সুতরাং ইট ইজ দেয়ার। এটা অসাংবিধানিক যদি কেউ বলে, যদি বলে—এখন তো সংবিধানে গণভোটের বিধান নাই, গণভোটের বিধান বহাল হয়েছে—আমরা এটা যখন সংবিধানে নিয়ে আসব, তখন সেটা আমাদের মানতে হবে। সেই হিসাবে সাংবিধানিক ভোটটা।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাছাড়া প্রস্তাবনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসহ অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলো যেগুলোতে পরিবর্তন হলে সাংবিধানিক গণভোট দেওয়ার কথা, সেই ১৪২ অনুসারে সেটা তো আছেই এবং আমরা যুক্ত করব। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা যে আমরা সংবিধানে আনছি, সেটা যাতে ভবিষ্যতে পরিবর্তন যদি কেউ করতে চায়, তখনও যাতে গণভোটের বিধান বহাল থাকে, জনগণের কাছে যেতে হয়—এইভাবে আমরা একটা সমৃদ্ধ সাংবিধানিক সংশোধনী আনব।’
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আনা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এ বিধান সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়। একই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাও সংবিধান থেকে বাতিল করা হয়েছিল।
২০২৬ সালের ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পঞ্চদশ সংশোধনীর মূল অংশগুলো অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন। ফলে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান বাতিলের বিষয়টি নতুন করে সাংবিধানিক আলোচনায় আসে।
আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয় সংবিধানের সংশোধিত রূপ বা একটি টেক্সট প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে। সেখানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাদ পড়া ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত বিধানগুলো পুনঃস্থাপনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা উধাও, তদন্ত কমিটি গঠন
ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পরীক্ষার খাতার উত্তরপত্র খুঁজে না পাওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের পরীক্ষা-২০২৫-এর ২১০৭ নম্বর কোর্সের ২য় পরীক্ষকের উত্তরপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। উত্তরপত্রগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের কাছে দেয়া হয়েছিল বলে দাবি বিভাগের সংশ্লিষ্টদের। তবে প্রো-ভিসি তা অস্বীকার করেছেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আয়নুল হক আকন্দকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরুজ্জামান।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গঠিত তদন্ত কমিটি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ বলেন, ‘চিঠি পেয়েছি। কাজ শুরু করে দিচ্ছি।’
প্রসঙ্গত, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ২১০৭ নম্বর কোর্সের ৬০টির বেশি উত্তরপত্র হারিয়ে যায়। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কোর্সের ইন্টারনাল পরীক্ষক ড. শাহাবুল আলম গত ১১ মে উত্তরপত্র নেন এবং ২০ মে বিভাগে জমা দেন। এরপর বিভাগীয় কর্মচারী জাবেদ আলীর দাবি, তিনি উত্তরপত্রগুলো কোর্সের দ্বিতীয় পরীক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের কাছে জমা দিয়েছিলেন। তবে উপ-উপাচার্য দাবি, উত্তরপত্র তাঁর কাছে আসেনি। এই নিয়ে সৃষ্টি হয় দায় চাপানোর পরিস্থিতি। বিভাগে একটা আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয়।
রাবিসহ সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে ববিসাসের মানববন্ধন
ববি প্রতিনিধি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ (রাবি) সারাদেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংবাদ সংগ্রহের সময় ছাত্রদল কতৃক সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদ ও অপরাধীদের সর্বোচ্চ বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি(ববিসাস)।
মঙ্গলবার ( ৬ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নং গেইটে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তরা সাংবাদিকদের উপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সর্বোচ্চ বিচারের দাবি করেন।
মানববন্ধনে ববিসাস সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন যেভাবে সাংবাদিকদের উপর হামলা করে সাংবাদিকদের কন্ঠ রোধ করছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।একই সাথে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের উপর হামলা হলেও তার কোনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয় নি,যা ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনকে সাংবাদিকদের উপর হামলার সাহস জোগাচ্ছে। আমরা আজকের এই মানববন্ধন থেকে প্রশাসনকে আহ্বান করছি আপনারা অতি দ্রুত জড়িতদের বিচারের আওতায় আনুন নয়তো সামনে এর চেয়ে ভয়াবহ কিছু হলে এর দায় আপনারা(প্রশাসন) কখনোই এড়াতে পারবেন না।
তিনি ছাত্রসংগঠন গুলোকে সংযত হবারও আহ্বান জানান এবং পরবর্তীতে আবারও এরকম কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে সারাদেশে কর্মরত সাংবাদিকরা কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবে বলে হুশিয়ারি দেন।
ববিসাস সহ সভাপতি মেহরাব হোসেন বলেন, গত ১৭ বছরে আপনারা যখন ক্যাম্পাস গুলোতে কোনো কার্যক্রম করতে পারেন নাই তখন ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা আপনাদের সাহায্য করেছিলো। সুতরাং আপনারা সংযত হন। এছাড়াও সারাদেশে বিভিন্ন ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের উপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সঠিক বিচার দাবি করেন তিনি।