Connect with us

ক্যাম্পাস

অনুমতি ছাড়া শিক্ষকের কক্ষে ভিডিও ধারণ, মোবাইল হারাল সাংবাদিক

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ব্যক্তিগত কক্ষে অনুমতি ছাড়া দুই শিক্ষকের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ‘দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার ক্যাম্পাস সাংবাদিক ওয়াসিফ আল আবরার।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টররিয়াল টিম বলছে, শিক্ষার্থীদের রোষানলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে মোবাইলটি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে লিখিত স্টেটমেন্টে নিয়ে সুরক্ষিত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগে অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণকালে এমন ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী কয়েকজন শিক্ষক-কর্মকর্তা ফেসবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দেন। এছাড়া শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে হেনস্তা এবং তাদের কক্ষ ও অফিস ভাঙচুর করেছেন। পরে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও চিহ্নিত আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ড. মাহবুবুর রহমানের কক্ষে গিয়ে তাকে হুমকি, হেনস্তা ও টেবিল ভাঙচুর এবং শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এদিন দুপুর ১টা ২০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান উপস্থিত হলে নিরাপত্তার ইস্যুতে ড. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। তারা দুইজনই একই বিভাগের অধ্যাপক। অনুমতি না নিয়ে হুট করে রুমে প্রবেশ করে দুই শিক্ষকের পার্সোনাল বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণ করতে থাকেন সাংবাদিক আবরার। পরে অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়ে ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ জানান। এবং মোবাইল নিয়ে টানাটানি শুরু হয়৷ বিশৃঙ্খলা এড়াতে নিরাপত্তাকর্মী মিজানুর রহমান সাংবাদিকের মোবাইলটি হেফাজতে নেয়।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা তাকে চিনি না, জিজ্ঞেস করলাম আপনি কে? তখন সে সাংবাদিক পরিচয় দেয়। যেহেতু অনুমতি ছাড়া পার্সোনাল কক্ষের ভিডিও ধারণ করছে, তাকে ডিলিট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি, সে কোনো মতেই ডিলিট দেওয়ার পক্ষে না। উত্তেজিত অবস্থায় একজন কর্মকর্তা মোবাইলটা নিয়ে নেয়।

তবে সাংবাদিক আবরারে দাবি- হিট অব দ্যা মোমেন্টের ডকুমেন্টস সংগ্রহ করতে গিয়ে ভিডিও ধারণ করেছি। ধস্তাধস্তি করে মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অধিকার তো রাখে না।

নিরাপত্তা কর্মী মিজানুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার সম্ভবনা দেখে উত্তেজিত মোমেন্টে মোবাইলটা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক আবরার আমাকেও ধাক্কা দেয়, এর আগেও সে আমাকে কল দিয়ে হুমকিও দিয়েছে।

ইইই বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেন, যখন উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তখন গিয়ে দেখি দুই শিক্ষকের মাঝে বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। তখন কোনো ধরনের পারমিশন না নিয়ে সাংবাদিক ভিডিও করা শুরু করে দেয়, এর আগে এক শিক্ষককে হুমকি বা রুমে ভাংচুর করে একদল গেল, তাতে বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ। শিক্ষার্থীরা ভিডিও ডিলিট করার অনুরোধ জানালে অস্বীকার করে সাংবাদিক আবরার। তখন এক নিরাপত্তা কর্মী মোবাইলটি নিয়ে নেয়।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হই। ড. মাহবুবুর রহমানকে সালাম দিই। এনি আমার সিনিয়র কিন্তু সালামটা ওনি নেগেটিভলি নিয়ে বলে ওঠল— ‘বাহ শাহীন, ভালো কাজ করছো, আজকের ঘটনা তুমি করিয়েছো।’ তখন আমি বলল, আমি করাবো কেন, প্রমাণ করতে পারবেন? এভাবে বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। তখন হুট করে রুমে সাংবাদিক আবরার অনুমতি না নিয়ে ভিডিও করতে থাকে৷ পাশে বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম- সাংবাদিক কি কারো অনুমতি নিয়েছে কিনা। পারসোনাল রুমে কিভাবে প্রবেশ করলো। এক পর্যায়ে বিভাগের শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে যায়। মোবাইলটি নেওয়ার চেষ্টা করে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা কর্মী সাংবাদিকের মোবাইল হেফাজতে নেয়। এরপর উপাচার্য স্যারকে অবগত করেছি। প্রক্টরিয়াল মিটিং শেষে লিখিত স্টেটমেন্ট নিয়ে সুরক্ষিত অবস্থায় মোবাইল ফেরত দেওয়া হয়েছে। এখানে কেড়ে নেওয়া বা আটকানোর কোনো ঘটনায় ঘটেনি। বিভাগের সভাপতিকে জানানো হলে তাকে সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা সভাপতির কক্ষে বসে।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, আমি অবগত হয়েছি। প্রক্টরকে মোবাইলটি দিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। ঘটনাটি লিখিত দিতে উভয়কে বলেছি। তদন্ত কমিটি যেহেতু আছে সার্বিক বিষয় দেখবে।

এদিকে সাংবাদিক আবরার প্রক্টরের কাছে দেওয়া লিখিত স্টেটমেন্টে লিখেন, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ওয়াসিফ আবরার, আজ ১৬ আগস্ট দুপুরে ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ইইই বিভাগ থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ইবির নিরাপত্তাকর্মী মিজানুর রহমান আমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়। আজ বিকাল ৫টার সময় ইবির প্রক্টর অফিস থেকে আমি আমার ফোনটি সুরক্ষিত এবং যথাযথভাবে বুঝে পেলাম।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষা নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ববিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির মানববন্ধন

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির প্রগতিবাদে  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নাম্বার গেটের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধননে ছাত্রশক্তির নেতারা মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক মনে করেন এবং দ্রুত এই পদক্ষেপ থেকে সরকারকে সরে আসার জন্য অনুরোধ জানান৷

মানববন্ধনে ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক শহিদুল ইসলাম শাহেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান আল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রশক্তির আরো কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম ওয়াহিদুর রহমান বলেন, “সরকারি তৃতীয়  ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাইবা বোর্ডে পঞ্চাশ শতাংশ মার্ক নির্ধারণ করার মাধ্যমে দলীয় পোষ্য ক্যাডার এবং লেজুর ভিত্তিক যত কর্মী আছে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়ার এক নীল নকশা চলছে। যার ফলে আমাদের চব্বিশ এর কোটা আন্দোলন ব্যর্থ হতে চলছে। এই স্বার্থপরী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি আমরা চাই দেশের সাধারণ মানুষও এই নীল নকশার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাক।”

এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল বলেন, “আমরা দেখতে পেলাম গত নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করার পরে সকল জেলা ও উপজেলায় দলীয় প্রশাসক নিয়োগ করলো। আর এখন সরকারি চাকরিতেও দলীয়করণের চেষ্টা। যেখানে একজন গরীব ছাত্র পড়াশোনা শেষ করে জীবিকা নির্বাহ করবে সেখানে যদি আপনি দলীয়করণ করা শুরু করে দেন তাহলে তা আওয়ামী লীগের কোটা পন্থার চেয়েও ভয়াবহ। এটা কারের সম্পূর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত। সরকারের উচিত এই সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা, যদি বিবেচনা না করে তাহলে চব্বিশে যেমন আমরা মাঠে নেমেছি তেমন মাঠে নামতে বাধ্য হব।”

উল্লেখ্য, গত ৬ই সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

প্রথম বারের মত দেশের সব বিভাগেই অনুষ্ঠিত হবে রাবি ভর্তি পরীক্ষা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে এবার বরিশাল বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের মোট আটটি বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বরিশাল বিভাগ বাদ পড়লেও পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো দেশের সব বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, ​’বাইরে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক শিক্ষককে পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠাতে হয়। বরিশাল বিভাগে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এবং আমাদের যেন শিক্ষক সংকট না হয়, সে কথা বিবেচনা করে প্রথমে বরিশাল বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপির ভিত্তিতে তাদের ভোগান্তি কমাতে বরিশালকেও অন্তর্ভুক্ত করে দেশের সব বিভাগেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।’

​পরবর্তী বছরে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য,  ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে রাবির স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা  আগামী ৮, ৯ ও ১৬ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। ৮ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


Continue Reading

top3

রাবি আইবিএস-এর সিনিয়র ফেলো হলেন প্রফেসর ড সুলতানা মোসতাফা খানম

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশে উচ্চতর গবেষণার একমাত্র কেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (আইবিএস)-এর সিনিয়র ফেলো হিসাবে যোগদান করেছেন প্রফেসর ড সুলতানা মোসতাফা খানম। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর হতে ২০২৩ সালে অবসরপ্রাপ্ত হন এবং ২০২৫ এর এপ্রিল হতে ২০২৬ এর জুলাই পর্যন্ত বিভাগে সুপার নিউ মারারি প্রফেসর হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে সত্তরের দশকে আই বি এস প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাত্র দুইজন এই পদটি প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করেন। তারা হলেন ইতিহাসবিদ প্রফেরস আব্দুল করিম এবং অর্থনীতিবিদ প্রফেসর সনৎ কুমার সাহা।

গত ১৩ আগস্ট রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৮তম সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক ড. সুলতানা মোস্তফা খানমকে আইবিএসের সিনিয়র ফেলো হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

প্রফেসর ড সুলতানা ১৯৮২ সালে রাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগ হতে স্নাতক এবং ১৯৮৩ সালে এম এ সম্পন্ন করেন। এরপর একই বিভাগে ১৯৮৭ সালে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথ স্কলারশীপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের কীল বিশ্ববিদ্যালয় হতে মেডিকেল সোসিওলজিতে পি এইচ ডি ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ২০০৪ সালে তিনি কমনওয়েলথ ফেলোশীপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট ডক সম্পন্ন করেন।

তিনি ২০০১ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ইউনিটে এবং ২০০৩ সালে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভিজিটিং স্টাফ হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মধ্যে হায়ার এডুকেশন লিঙ্ক প্রোগ্রাম স্থাপন করেন এবং ফেলোশীপ নিয়ে পোস্ট ডক প্রোগ্রামে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত লিঙ্ক প্রোগামের কো অর্ডিনেটর এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বাংলাদেশ সরকারের কয়েকটা মন্ত্রণালয়ে পরামর্শক (কন্সাল্ট্যান্ট) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া ডিএফআইডি, ইউএনডিপি, নোরাড, ডব্লিউএফপি, কেয়ার, বিশ্ব ব্যাংক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ মঞ্জুরী কমিশনের অর্থায়নে পরিচালিত তার গবেষণা প্রকল্পের সংখ্যা ১৮ টি।

তিনি এরিয়া রিভিউ প্যানেল, এইচইকিউইপি, বিশ্বব্যাংক/ ইউজিসি, বাংলাদেশ শাখার সদস্য এবং ইউজিসির গবেষণা ও প্রকাশনা মূল্যায়ন কমিটি, বাংলাদেশর সদস্য রূপে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানেও তিনি ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশ স্টাডিজ-এর জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ড’র সদস্য।

তিনি কয়েক দফায় ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ এ সহযোগী শিক্ষক হিসাবেও কর্মরত ছিলেন। তিনি দুই দফায় বিভাগের বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার তত্ত্বাবধানে ১২ জন পিএইচডি ফেলো এবং ৭ জন এম ফিল ফেলো তাদের গবেষণা কাজ পরিচালনা করেছেন। তার আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৩৫ টির অধিক। তিনি রাজশাহী সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং কয়েকটা ভলেন্টিয়ার অরগানাইজেশনের সদস্য।

এ বিষয়ে আইবিএসের পরিচালক প্রফেসর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, সিনিয়র ফেলো হিসেবে মূলত, যারা রিটায়ার্ড শিক্ষক আছেন, যারা গবেষণায় ভালো করেছেন, গবেষণা বেশি এমন মানুষকে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। এর আগে আশির দশকে একজন আমিরিকান স্কোলারও এই পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

Continue Reading

Trending