Connect with us

top3

অ্যাপলের বিলাসবহুল iSock ও ফ্রি এমএলএস স্ট্রিমিং ঘোষণা

Published

on

অ্যাপলের বিলাসবহুল iSock ও ফ্রি এমএলএস স্ট্রিমিং ঘোষণা

প্রযুক্তি ডেস্ক- অ্যাপলের নতুন উদ্ভাবন প্রযুক্তি জগতে আবারও চমক দেখাল অ্যাপল। কোম্পানিটি ঘোষণা করেছে একটি নতুন বিলাসবহুল অ্যাক্সেসরি “iSock”, যা মূলত একটি ডিজাইনার iPhone Pocket। এর দাম রাখা হয়েছে প্রায় ২৩০ মার্কিন ডলার। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি অ্যাপলের প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল পণ্যের নতুন সংযোজন, যা ফ্যাশন ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাবে।

ফ্রি এমএলএস স্ট্রিমিং সুবিধা
শুধু iSock নয়, অ্যাপল টিভি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি এমএলএস (মেজর লিগ সকার) স্ট্রিমিং সুবিধাও ঘোষণা করেছে। এর ফলে ফুটবলপ্রেমীরা অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই লাইভ ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন।
এই পদক্ষেপ অ্যাপলের কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজিতে বড় পরিবর্তন আনছে, যা স্পোর্টস স্ট্রিমিং বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াবে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
✔ লাইফস্টাইল ও প্রযুক্তির মিশ্রণ: iSock অ্যাপলের ব্র্যান্ডকে আরও প্রিমিয়াম করে তুলবে।
✔ কনটেন্টে বিনিয়োগ: ফ্রি এমএলএস স্ট্রিমিং অ্যাপল টিভি সাবস্ক্রিপশনের আকর্ষণ বাড়াবে।
✔ বাজারে প্রতিযোগিতা: স্পোর্টস স্ট্রিমিংয়ে অ্যাপলের প্রবেশ নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করবে।

ভবিষ্যতের সম্ভাবনা
অ্যাপলের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে কোম্পানি শুধু হার্ডওয়্যার নয়, বরং কনটেন্ট ও লাইফস্টাইল সেগমেন্টে বড় বিনিয়োগ করছে। প্রযুক্তি ও বিনোদনের এই সমন্বয় আগামী দিনে অ্যাপলের জন্য নতুন রাজস্ব উৎস তৈরি করতে পারে।

top3

ইবিস্থ দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায়

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত দিনাজপুর জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মুগ্ধ সরোবরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নবীনদের ফুল, ক্রেস্ট ও চাবির রিং দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইনসানুল ইমামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আব্দুল মুন্তাকিম আল-মারুফ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ফিরোজ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল মালেক, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক সিলভিয়া খানম ও ফাইন আর্টস বিভাগের অধ্যাপক অনিন্দিতা হাবিব।

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মুন্তাকিম আল-মারুফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দিনাজপুর জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য সুদৃঢ় করাই আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য। নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে স্বাগত জানানো এবং তাদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। এই পরিবেশে নিজেদের মানিয়ে নিতে নবীনদের একে অপরের সহযোগিতা করতে হবে। শুধু একাডেমিক পড়াশোনা নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও নিজেদের সম্পৃক্ত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন নিজেকে দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ সময়। একই সঙ্গে আমাদের জেলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সুনাম ধরে রাখার দায়িত্বও সবার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী অধ্যাপক মো. ফিরোজ আল মামুন বলেন, “বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থীর মূল লক্ষ্য যেন শুধু সার্টিফিকেট অর্জন করা অথচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করাই হওয়া উচিত প্রধান উদ্দেশ্য। বর্তমান সময়ে সাধারণ জ্ঞানের পাশাপাশি বিশেষ জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জন জরুরি। নিজের যে বিষয়ে পারদর্শিতা রয়েছে, সে বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। পাশাপাশি লিংকইন্ড, বিডিজবসসহ পেশাগত যোগাযোগের প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকা এবং কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো প্রয়োজন। কারণ অনেক সময় যোগ্যতার পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতাও ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

তিনি আরও বলেন, “ভালো ফলাফলও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি চাকরি ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও সিজিপিএ ও যোগাযোগ দক্ষতা বিবেচিত হয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে। ইসলামের প্রথম বার্তাগুলোর একটি হলো ‘ইকরা’ অর্থাৎ পড়ো। জ্ঞান অর্জনের জন্য নিয়মিত পড়াশোনার বিকল্প নেই। একই সঙ্গে বাবা-মা, শিক্ষক ও অন্যদের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।”

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায় নেওয়ার সময় এমন একটি পরিচয় রেখে যেতে হবে, যাতে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ভদ্রতা, বিনয়, ভালো ফলাফল ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য স্মরণ করেন। ক্যাম্পাসের অস্থিতিশীলতা বা কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে নয়, বরং ভালো উদ্যোগ, মানবিক কাজ ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে নিজেদের পরিচিত করতে হবে।”

Continue Reading

top3

মামলা ছাড়া হবে না ফরেনসিক, কমিটির এই দাবিতে অডিওর সত্যতা যাচাই ছাড়াই মিলল অব্যাহতি

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানি ও নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অডিও রেকর্ডের ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন না হলেও তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অধ্যাপক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।কমিটির দাবি মামলা ছাড়া ফরেনসিক পরিক্ষা করার কোনো নিয়ম নেই।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক সাবেক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর ই-মেইলে অভিযোগ দেন। অভিযোগে ওই শিক্ষককের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন, যৌন হয়রানি এবং নম্বর টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল খারাপ করে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষক ও এক ছাত্রীর কথোপকথনের কণ্ঠসদৃশ তিনটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এবং গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলামকে রাখা হয়।তদন্ত কমিটি অডিওগুলো পর্যালোচনা করে।

পর্যালোচনায় অডিওতে অন্য একজন শিক্ষার্থীর সম্পৃক্ততার আভাস পাওয়া গেছে উল্লেখ করে অডিওগুলোর সত্যতা যাচাই ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পৃথকভাবে তদন্তের সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অডিওগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্দেশ্যে আরেকটি কমিটি গঠন করে। তবে শেষ পর্যন্ত অডিওগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি।

এ বিষয়ে ২০২৫ সালের বিভিন্ন প্রতিবেদনে ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছিল।

ফরেনসিক পরীক্ষা না হওয়ার বিষয়ে কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ফরেনসিক রিপোর্ট করতে হলে আগে মামলা থাকা লাগে। জীবন স্যারের নামে কোনো মামলা নেই। বিষয়টি সিন্ডিকেটকে জানানো হয়েছে—এখন কী করা দরকার, সেটি সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে মামলা ছাড়া ফরেনসিক পরীক্ষা করানোর সুযোগ নেই। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো আইনি অভিযোগ নেই।শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের লেখা রয়েছে।

পরবর্তীতে সিন্ডিকেট সভায় অডিওগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন না হলেও ড. তানজিউল ইসলাম জীবনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তাহলে মামলা ছাড়া কোনো ফরেনসিক করতে বলা হলো এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীকে একাধিকবার ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ড. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে তিনি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছিলেন।

Continue Reading

top3

ইবির চার হলের নতুন প্রভোস্টের দায়িত্বে যারা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চারটি আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—শহীদ আনাস হলের প্রভোস্ট দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম, জুলাই ৩৬ হলের প্রভোস্ট আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের অধ্যাপক ড. হামিদা খাতুন, উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের প্রভোস্ট বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান এবং খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম আয়নুল হক আকন্দ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

পৃথক অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২৯ সেপ্টেম্বর পূর্ববর্তী প্রভোস্টদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে নবনিযুক্ত প্রভোস্টরা দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনের জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, দায়িত্ব পালন করায় পূর্ববর্তী প্রভোস্টদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।

দায়িত্ব পেয়ে শহীদ আনাস হলে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় উপাচার্য আমার প্রতি আস্থা রেখে শহীদ আনাস হলের প্রাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। এজন্য মাননীয় উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। হলটিতে বর্তমানে হলটির এক্সটেনশন ভবনের নির্মাণকাজ প্রায় সমাপ্তির পর্যায়ে রয়েছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে হলটিকে একটি আধুনিক আবাসিক হল হিসেবে গড়ে তোলার এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার সাধ্যমতো আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ কাজে সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এএসএম আয়নুল হক আকন্দ বলেন, ” আমি চিঠি হাতে পেয়েছি। হলে গিয়ে শিক্ষার্থী সমস্যাগুলো শুনবো এবং গুরুত্বের ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করবো। এজন্য আমি সকলের সহযোগিতা কামান করি।

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের প্রভোস্ট ড. মো. রশিদুজ্জামান বলেন, “আমি ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসেছি এবং হল ডিবেটিং সোসাইটি, কালচারাল সোসাইটি, স্পোর্টসসহ বিভিন্ন উইংয়ের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি। এসব কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি নিজে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাই হলে একটি পারিবারিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যেসব যৌক্তিক ও নৈতিক বিষয় আমার নজরে আনবে, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করব।”

এর আগে শহীদ আনাস হলে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদের , খালেদা জিয়া হলে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলে আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. রাশেদুজ্জামান ও জুলাই ৩৬ হলে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম শামছুল হক ছিদ্দিকী দায়িত্ব পালন করেন।

Continue Reading

Trending