Connect with us

top3

আমি ফ্রান্সকে ভয় পাই না, আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন: ইয়ামাল

Published

on

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে স্পেনের তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ম্যাচটিকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন। ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনের এই তারকা বলেছেন, প্রতিপক্ষ যতই শক্তিশালী হোক, তাদের ভয় পান না তিনি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজের উচ্ছ্বাসের কথা জানান বার্সেলোনার ১৯ বছর বয়সী তারকা লামিনে ইয়ামাল।

সোমবার ১৯ বছরে পা রাখা ইয়ামাল বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এটাই আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। আমরা সবাই দারুণ রোমাঞ্চিত, বিশেষ করে আমি। আমি নিশ্চিত, এটি একটি বিশেষ দিন হতে যাচ্ছে।’

জন্মদিনের উপহার হিসেবে কী চান—এমন প্রশ্নের জবাবেতিনি আরও বলেন, ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠতে পারলে তা হবে নিজের ১৯তম জন্মদিনের সেরা উপহার।

বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ফ্রান্স। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের ছয়টি ম্যাচই জিতেছে। এই সময়ে তারা ১৬ গোল করেছে, বিপরীতে হজম করেছে মাত্র দুটি।

তবে ফ্রান্সকে নিয়ে ভীত নন ইয়ামাল। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি ফ্রান্সকে ভয় পাই না। আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন, তাই কোনো দলকেই ভয় করি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দলেও প্রচুর প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। তাদের আক্রমণভাগ শক্তিশালী হওয়াটা আমাদের জন্য খারাপ হবে বলে মনে করি না। বরং এটি আমাদের জন্য ইতিবাচকও হতে পারে। আমি মনে করি, ম্যাচটি খুবই সমানে সমান হবে।’

চোট কাটিয়ে ফিটনেস ফিরে পাওয়ার পর পর্তুগাল ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন ইয়ামাল। চলতি বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচে তার গোল একটি।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে এই স্প্যানিশ উইঙ্গার বলেন, ‘আপনারাই বলেন আমি আমার সেরা ছন্দে নেই, তাই আমার কাছ থেকে বেশি কিছু আশা করবেন না। তবে আমি আত্মবিশ্বাসী, সবকিছু ভালোই হবে। গোল করা নিয়ে আমি চিন্তিত নই, যদিও এমন ম্যাচে গোল করা সব সময়ই বিশেষ কিছু। আমি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি, আর সে কারণেই এখানে আছি।’

চাপ অনুভব করেন কি না—এমন প্রশ্নে ইয়ামালের জবাব, ‘আমি কোনো চাপ অনুভব করি না। আমি যেভাবে খেলতে জানি, সেভাবেই খেলি এবং দলের জন্য সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি। যখন নিজের সবটুকু উজাড় করে দাও, তখন আর চাপ অনুভব হয় না।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

জুলাই যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছে নজরুল: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

Published

on

By

বিদ্রোহী কবিতা, রণসংগীত অথবা উপন্যাস প্রত্যেক জুলাই যোদ্ধাদের মনে সাহস যুগিয়ে অনুপ্রাণিত করেছে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলে উল্লেখ করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

গত (৩ আগস্ট)সোমবার বিকাল ০৪:০০ ঘটিকায় ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিকেন্দ্র বিচুতিয়া বেপারিবাড়িতে অনুষ্ঠিত ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আমাদের নজরুল’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন,আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। তিনি সময়, কাল ও স্থানকে অতিক্রম করেছেন। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর, দিকনির্দেশক। সকল অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে কবি নজরুল আমাদের প্রেরণার উৎস। ২৪-এর আন্দোলনে একেক জনের অন্তরে একেক জন কবি নজরুলের আবির্ভাব হয়। তবে কবি নজরুল তাঁর জীবদ্দশায় নিষ্পেষিত, নিগৃহীত ও অবহেলিত ছিলেন। তাঁকে আমরা যথাযথ মর্যাদা দিতে পারি নি। নজরুলের সৃষ্টিকর্মগুলো আরও ছড়িয়ে দিয়ে তাঁর চেতনা ধারণ করতে পারলেই আমরা সংস্কৃতিমনা সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারবো। নজরুলের স্মৃতিকেন্দ্রগুলো আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের প্রতি দৃষ্টিআকর্ষণ করে কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

মুখ্য আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নজরুল গবেষক প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে কোন নেতা ছিল না, ছিল কবি নজরুলের চেতনা ও প্রেরণা। তাঁর কবিতা, গান ও সৃষ্টিকর্মগুলোই ছিল জুলাই যোদ্ধাদের শক্তি ও সাহস।’

অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী। এসময় কবি, শিল্পী ও নজরুলভক্ত দর্শক শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য নজরুল বর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের যৌথ আয়োজনে এই আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে গান, কবিতা ও কবি নজরুলের সাহিত্যপাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

Continue Reading

top3

বেরোবিতে শিবিরের আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে, ছাত্রদল শিবিরের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

Published

on

By

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি:

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে শিবিরের নেতাকর্মীদের উপর ছাত্রদলের নেতাদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও শিবিরের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন কয়েকজন।

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বেরোবির স্বাধীনতা স্মারক মাঠে আয়োজিত প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বেরোবি শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গিয়ে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াত নেতাসহ সাকা চৌধুরীর বিচারিক হত্যাকাণ্ডের শিকার নামক একটি ব্যানারটি সরাতে বলে। পরবর্তীতে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নীরবসহ কয়েকজন শিবিরের এক কর্মীকে লাথি মারে এবং পরে গাছের ডাল ভেঙে এবং চেয়ার নিয়ে ছাত্রদল নেতারা হামলা করলে মুখোমুখি অবস্থানে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় শিবির।

এ সময় শাখা শিবিরের নেতা মেহেদী হাসানকে স্টাম দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মারক মাঠে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিলে মূল ফটকের দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আগানো শুরু করেন এবং তারা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডক্টর ফেরদৌস রহমান ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করলেও উত্তেজনা বিন্দুমাত্র কমেনি।

এ সময় বস্তায় করে ভাঙা ইট নিয়ে আসতে দেখা যায় শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মাসুদ রানাকে। এরপর শুরু হয় লাঠি সোটা এবং ইট পাটকেল নিক্ষেপ। এক পর্যায়ে মাসুদ রানাসহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইট নিক্ষেপ করলে শিবির নেতাকর্মীদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এরপর শিবিরের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে পাল্টা ধাওয়া দিলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রভঙ্গ হয়ে চলে যায়।

উভয় দল থেকে বহিরাগত দ্বারা আক্রমণের অভিযোগ করা হয়েছে। ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া শেষে শিবির নেতাদের ক্যাম্পাসে মিছিল এবং মহড়া করতে দেখা গেছে। ৩ আগষ্ট বিকাল থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে এই উত্তেজনা বিরাজ করে। পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে গেলে ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণে নেয় শিবির।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বলেন, যারা এই মারামারির পিছনে জড়িত তাদের আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে সনাক্ত করে অতি শ্রীগই বিচার করব। এজন্য তদন্ত কমিটি গঠন করব।

Continue Reading

top3

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষ উপলক্ষে ইবিতে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩ আগষ্ট) বেলা ১২ টায় টিএসসিসির ১১৬ নম্বর কক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্লে থেকে চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘বুলেটের সামনে আমাদের আবু সাঈদ’, পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির জন্য ‘পানি লাগবে, পানি…’ এবং অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির জন্য ‘জুলাই বিপ্লবে পুলিশের নৃশংসতা’ বিষয় নির্ধারণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কনের জন্য আধা ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। এ প্রতিযোগিতায় সকল শিক্ষার্থীদের একটি স্কেল ও কলম দেওয়া হয়।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। পরিদর্শনে আর উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক। এছাড়াও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিযোগিতাটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন চিত্রাঙ্কন, রচনা ও গ্রাফিতি প্রতিযোগিতা কমিটির সদস্য সচিব এবং আইআইইআর -এর প্রভাষক ড. হুসাইন আহমেদ লিটন, সদস্য চারুকলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. খোদেজা খাতুন ও সহকারী প্রক্টর মো. খাইরুল হাসান সহ ল্যাবরেটরি স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

প্রতিযোগী শিক্ষার্থীরা জানান, “আমাদের জন্য এরকম চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করার জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানাই। চব্বিশের জুলাই মাসকে জানা ও নিজের ভিতর লালন করার জন্য এরকম ভিন্নধর্মী এক আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। আমরা কেউ আবু সাঈদ, কেউ মীর মুগ্ধ ও জুলাই বিপ্লবে পুলিশের নৃশংসতা বিষয়ের উপর চিত্রাঙ্কন করেছি। আসলে প্রধান বিষয় পুরস্কার পাওয়া না আমরা এখানে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।”

কমিটির সদস্য সচিব আইআইইআর -এর প্রভাষক ড. হুসাইন আহমেদ লিটন বলেন, “আমাদের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদেরকে জুলাই মাস সম্পর্কে অবগত করা ও তারা যেন এটা হৃদয়ের মধ্যে ধারণ ও লালন করতে পারে। তাদের যে চিত্রগুলোর বিষয় নির্ধারণ করে দেয়া হয় তারা যেন এটা অনুভব করে যে যারা এই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান যারাই দেশের জন্য শহীদ হয়েছে তাদেরকে স্মরণ রাখা দরকার।”

Continue Reading

Trending