Connect with us

top3

আর্জেন্টিনার বিদায় নিয়ে দুঃসংবাদ দিলেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

Published

on

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘানার ম্যাচে ‘কালো জাদু’র দাবি করে আলোচনায় আসা ঘানার স্বঘোষিত তান্ত্রিক নানা কিয়াঙ্কু বোন্সাম আবারও নতুন এক ভবিষ্যদ্বাণী দিয়েছেন। এবার তার দাবি, রাউন্ড অব ৩২-এ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বড় অঘটন ঘটাবে কেপ ভার্দে।

ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচের আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বোন্সাম দাবি করেছিলেন, তিনি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ওপর ‘কালো জাদু’ প্রয়োগ করেছেন, যার ফলে তিনি ওই ম্যাচে গোল করতে পারবেন না। কাকতালীয়ভাবে সেদিন কেন গোল করতে পারেননি এবং প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড লক্ষ্যে কোনো শটও নিতে পারেনি। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র হয়।

এবার নতুন এক সাক্ষাৎকারে বোন্সাম বলেন, ‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে।’ তবে এই ম্যাচে তিনি কোনো ধরনের ‘কালো জাদু’ ব্যবহার করবেন কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি।

আগামী ৪ জুলাই বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে।

টুর্নামেন্টে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দে ইতোমধ্যেই চমক দেখিয়েছে তাদের দৃঢ় রক্ষণভাগ ও গোলকিপিংয়ে। দলটি স্পেন ও সৌদি আরবের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে। এছাড়া উরুগুয়ের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে তিন ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয়। এখন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আরেকটি অঘটনের স্বপ্ন দেখছে আফ্রিকার দলটি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সাঁওতাল কমিউনিটির বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে বেরোবি শিক্ষার্থীদের ‘লুমিনোভা’

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি,

সমাজের একটি বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করে স্থানীয় সম্পদ ও নবায়নযোগ্য শক্তিকে কাজে লাগিয়ে টেকসই সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন বেরোবির কয়েকজন শিক্ষার্থী। রংপুরের সাঁওতাল কমিউনিটির বিদ্যুৎহীন পরিবারের জন্য বাঁশ ও সৌরশক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে সোলার ল্যাম্প।

শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘লুমিনোভা’।
‘আমরা নতুন নেটওয়ার্ক’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তরুণদের একটি দল সমাজ ও কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে তারা রংপুরের সাঁওতাল কমিউনিটিতে সার্ভে পরিচালনা করেন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা ও প্রয়োজনগুলো জানার চেষ্টা করেন শিক্ষার্থীরা।

সার্ভে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথোপকথনে উঠে আসে, কমিউনিটির অনেক পরিবারের এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে এসব পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে পারছে না। ফলে সন্ধ্যার পর শিশুদের পড়াশোনা, ঘরের কাজসহ বিভিন্ন দৈনন্দিন কার্যক্রমে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

এই সমস্যার সহজ, সাশ্রয়ী ও টেকসই সমাধান খুঁজতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় পরিবেশ ও সম্পদ পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানে প্রচুর বাঁশের উপস্থিতি এবং সৌরশক্তির সহজলভ্যতা তাঁদের নতুন ধারণার দিকে নিয়ে যায়। স্থানীয়ভাবে পাওয়া বাঁশ ও সৌরশক্তিকে একত্র করে ল্যাম্প তৈরির পরিকল্পনা থেকেই শুরু হয় ‘লুমিনোভা’ প্রকল্প।

উদ্যোক্তাদের মতে, লুমিনোভার লক্ষ্য শুধু বিদ্যুৎবিহীন পরিবারে একটি ল্যাম্প পৌঁছে দেওয়া নয়। বরং কমিউনিটির মানুষকে সৌর প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা এবং তাদের নিজেরাই ল্যাম্প তৈরির দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।
প্রাথমিক পর্যায়ে ছোট সোলার প্যানেল ব্যবহার করে ল্যাম্প তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে বড় সোলার প্যানেল ও আরও কার্যকর সৌরব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আলোর পাশাপাশি কমিউনিটির মানুষের প্রযুক্তিগত দক্ষতা তৈরি হবে। ভবিষ্যতে এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তাঁরা আয় ও স্বাবলম্বিতার সুযোগও তৈরি করতে পারবেন বলে মনে করছেন উদ্যোগটির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, “লুমিনোভা আমাদের কাছে শুধু একটি সোলার ল্যাম্প নয়। এটি একটি সমস্যা থেকে সমাধানে, অন্ধকার থেকে আলোর পথে এবং নির্ভরশীলতা থেকে স্বাবলম্বিতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি প্রচেষ্টা।”
তাঁদের ভাষ্য, স্থানীয় সম্পদ বাঁশ এবং পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে এমন একটি সমাধান তৈরি করাই তাঁদের লক্ষ্য, যা সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে।
তারা আরও জানান, একটি ল্যাম্প দিয়ে শুধু একটি ঘর আলোকিত করা নয়, বরং আলো, জ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি কমিউনিটির সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়াই ‘লুমিনোভা’র মূল উদ্দেশ্য।

‘লুমিনোভা’ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা হলেন— মাসুম রেজা ও বিশাখা সাহা (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা), সাইয়্যেদা তাসমিম (পরিসংখ্যান), আহানা রয় (সমাজবিজ্ঞান), সাদিয়া সুলতানা (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), মিতানুর মুক্তা (জিডিএস), আনসারী জিহাদ (অর্থনীতি) এবং মাহির ফয়সাল (প্রাণিবিদ্যা, কারমাইকেল কলেজ)।

Continue Reading

top3

মাদকের বিরুদ্ধে বেরোবির ‘জিরো টলারেন্স’, কারবারিদের ধরিয়ে দিলেই ১০ হাজার টাকা পুরস্কার

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।ক্যাম্পাসের ভেতরে বহিরাগতের মাদক সেবন ও বিক্রি এবং তাদের সাথে গুটিকয়েক শিক্ষার্থী জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর এই কঠোর অবস্থান নিয়ে মাদক কারবারিদের শনাক্ত করতে সহযোগিতা করলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে প্রক্টর প্রফেসর ফেরদৌস রহমান সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

সরজমিনে দেখা যায়, রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকের পিছনে , কেন্দ্রীয় ফুটবল খেলার মাঠ এবং নবনির্মিত EEE Annex Building এর সামনে বহিরাগত মাদকসেবনকারীদের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। এসব স্পটে মাদক সেবনের পর ফেলে যাওয়া বিভিন্ন সরঞ্জাম ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে, যা ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাবিব বলেন, “মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় কয়েকদিন আগে রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই নিরাপত্তা হুমকি আমাদের ক্যাম্পাসে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাত দশটার পর প্রতিদিন বহিরাগতদের কয়েকটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে বসে মাদক সেবন করে।যা আমাদের শিক্ষার পরিবেশ এবং নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। “

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নিবো। গত দুই বছরে আমরা মাদকের সাথে জড়িত প্রায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি এবং তাদের মধ্য থেকে ৭ জনকে চালান দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনোপ্রকার ছাড় দিবে না।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী যদি মাদকের সাথে জড়িত বা মাদক কেনা-বেচার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে সহযোগিতা করে তাকে ১০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।”

ক্যাম্পাসে মাদকের এই বিস্তার এবং প্রশাসনের উদ্যোগ নিয়ে বেরোবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিফাত হোসেন রাফি বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বর্তমানে মাদকসেবনের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা এবং ক্যাম্পাসে নিয়মিত তদারকি ও নজরদারি বাড়ানো। একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত পরিবেশই পারে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর করতে।

উল্লেখ্য, ইদানীং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে মাদক সেবনের পাশাপাশি বহিরাগতদের অনধিকার প্রবেশ এবং বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

Continue Reading

top3

ইবির হলে অশ্লীল নামে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক, ডিভাইস ব্লক ও হুমকির অভিযোগ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হলের ৪০২ নম্বর কক্ষে ব্যবহৃত Wi-Fi রাউটারে অননুমোদিত প্রবেশ, নেটওয়ার্কের নাম পরিবর্তন করে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ডিভাইস ব্লক করে ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধা এবং অভিযোগ করার পর হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) লালন শাহ হল প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাকের কাছে লিখিত অভিযোগে দিয়েছেন ৪০২ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগপত্রে শিক্ষার্থীরা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে একই Wi-Fi রাউটারে অননুমোদিত প্রবেশ ও সেটিংস পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি অনুসন্ধান ও যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মীমাংসা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তারা। তবে বর্তমানে একই ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

তাদের দাবি, গত এক মাস ধরে কক্ষটির Wi-Fi নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস ধারাবাহিকভাবে ব্লক করা হচ্ছে। পাশাপাশি Wi-Fi-এর নাম পরিবর্তন করে বিভিন্ন অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অপমানজনক শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তারা ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধার পাশাপাশি মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, Wi-Fi ব্যবহার করতে না পারায় তাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ডাটা বা ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনে প্রয়োজনীয় অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এতে প্রতি মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বা তারও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। একই সঙ্গে অনলাইন ক্লাস, শিক্ষক-সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ, একাডেমিক উপকরণ সংগ্রহ, গবেষণা ও অন্যান্য শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ঘটনাটি যাচাই করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে কিছু স্ক্রিনশট ও কারিগরি তথ্য এসেছে। এর মধ্যে Device Name ও MAC Address-সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। একটি ডিভাইসকে ৪০৩ নম্বর কক্ষে অবস্থানরত শিক্ষার্থী ‘জিতু’র ব্যবহৃত বলে শনাক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

তবে শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করেছেন, শুধুমাত্র Device Name বা MAC Address-এর ভিত্তিতে তারা কাউকে দায়ী করছেন না। বরং সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের মালিকানা, রাউটারের সঙ্গে তার সংযোগ, Access History এবং Wi-Fi-এর সেটিংস পরিবর্তনের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—তা নিরপেক্ষ প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন এবং হলের Wi-Fi ও নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত কারিগরি দায়িত্বে থাকা টেকনিশিয়ান ‘জয়’-এর কাছে থাকা কারিগরি তথ্য, রাউটার-সংক্রান্ত রেকর্ড এবং পূর্ববর্তী ও বর্তমান ঘটনার বিষয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ও নিউজ প্রকাশের পর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। শারীরিক শিক্ষা ও
ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ‘সাব্বির’ কর্তৃক হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগও তুলেছেন এবং পৃথকভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাব্বির হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কাউকে কোন হুমকি দে‌ই নি। তাদের রাউটার কে নিয়ন্ত্রন করছে আমি জানিনা।’

অপরদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী জিতুকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

এবিষয়ে লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি আবাসিক শিক্ষকদের সাথে এ বিষয়ে বসবো এবং অপরাধীদের বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। পরবর্তীতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত সকলের সাথে বসা হবে।’

Continue Reading

Trending