Connect with us

top1

আলিফ হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ আসামিরা আদালতে

Published

on

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানিতে প্রধান আসামি সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

সোমবার চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাহিদুল হকের আদালতে আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে তাদের চট্টগ্রাম আদালতে আনা হয়।

সকাল ৮টা থেকে আদালত ভবন ও আশেপাশের এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

এছাড়া নগরীর টেরি বাজার, লালদীঘির পাড়, জেল রোড, কোতোয়ালী মোড়, জহুর হকার মার্কেট, হাজারী গলি, কে সি দে রোডসহ আশেপাশের এলাকায় পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় দেখা যায়।

সকাল সাড়ে ৮টায় আদালত ভবনের মূল প্রবেশ পথে পুলিশ সদস্যদের ব্যারিকেড দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় আইনজীবী, আদালতের কর্মকর্তা কর্মচারী, সংবাদমাধ্যমকর্মীসহ সবাইকে পরিচয়পত্র দেখিয়ে আদালত এলাকায় প্রবেশ করতে হচ্ছে। এর পনের মিনিট পর সেনাবাহিনীর টহল দলের সদস্যরা আদালত ভবন এলাকায় এসে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়।

এর আগে রোববার রাতে পুলিশ জানিয়েছে, আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন আদালত ভবন ঘিরে ‘বিশেষ নিরাপত্তা’ প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। আদালত এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা থাকবে বলে জানিয়েছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ। আরেক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন পুলিশ লাইনস থেকেও বাড়তি সদস্য আনা হবে।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম রোববার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সোমবার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য আছে। নিরাপত্তার বিষয়টি পুলিশের দায়িত্ব। তারা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তা রাখা হবে।”

এর আগে বুধবার বিকালে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হওয়া প্রথমদিনের শুনানিতে কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ এবং আইনজীবীর নিরাপত্তা চান আদালতের কাছে।

আলোচিত হত্যা মামলাটি গত ৭ জানুয়ারি বিচারের জন্য চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠায় মহানগর দায়রা জজ।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে চট্টগ্রামের আদালতে জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো নিয়ে, বিক্ষোভের ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে খুন হন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ।

এ মামলার অভিযোগপত্রে নাম থাকা ৩৯ জন আসামির মধ্যে ১৬ জন এখনও পলাতক।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশনবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশনবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ

Published

on

By


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এই গেজেট প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আইনি জটিলতা ও প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে কিছু আসনে ফলাফল স্থগিত রাখা হয়। প্রাপ্ত ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে ইসি।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কারের ওপর জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ২৯৭ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে। এবার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৯৭ আসনের গেজেট ঘোষণা করলো ইসি।

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের ফলাফলে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন। দলটির মিত্র গণঅধিকার পরিষদ, বিজেপি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি করে আসন পেয়েছে।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে পেয়েছে ৬৮টি আসন। দলটির নির্বাচনী জোটের সঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন। আরেক জোটসঙ্গী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২টি আসন, খেলাফত মজলিশ পেয়েছে ১টি আসন।

এছাড়াও, ইসলামী আন্দোলন ১টি এবং ৬টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছে।

Continue Reading

top1

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলঘোষণা

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বাচনে ২০৯টি আসন বিএনপি, ৬৮টি জামায়াত, এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামি আন্দোলন ১টি, খেলাফত মজলিস ১টি, গণসংহতি ১টি, বিজেপি ১টি, গণঅধিকার ১টি, স্বতন্ত্র ৭টি আসনে জয় লাভ করেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। এই দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। একটি আসনের ফলাফল আগেই স্থগিত করা হয়।

আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনে মোট ভোট দিয়েছে ৫৯. ৪৪ শতাংশ। আর গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ প্রদান করেছে সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে ‘হ্যা’ ভোট দিয়েছে চার কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ এবং ‘না’ ভোট দিয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি।

তিনি আরও বলেন, গণভোটে ২৯৯টি আসনের গণভোট গণনা করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ২টি আসনে ফলাফল আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় সেখানকার প্রার্থীদের ভোট হিসেব করা হয়নি। আর আদালতের বাধা না থাকায় সেখানকার গণভোটের হিসেব করা হয়েছে। আর একটি আসনে নির্বাচন হয়নি।

Continue Reading

top1

সারাদেশে গড়ে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে: ইসি

Published

on

By

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে গড়ে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

তিনি জানান যে, ২৯৯টি সংসদীয় আসনে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার একটি ইতিবাচক মাইলফলক হিসেবে দেখছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর আকস্মিক মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট স্থগিত রাখা হলেও বাকি আসনগুলোর মধ্যে ইতিমধ্যে ২৯৭টির বেসরকারি ফলাফল হাতে এসেছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে রয়েছে এবং তারা ২০০টিরও বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দ্বিতীয় এবং জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মপ্রকাশ করা ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি) তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এবারই প্রথমবারের মতো ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’ বা রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৭২ শতাংশ ভোটার এই সংস্কার চার্টারের পক্ষে তাদের রায় দিয়েছেন। নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছিল।

বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও এই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পর্যবেক্ষণ শেষে সামগ্রিকভাবে ‘সন্তোষজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গতকাল সকালে ভোট প্রদানের পর দিনটিকে ‘নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন, যা জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সার্থকতা পেয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দীর্ঘ ১৮ মাস রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দীর্ঘ দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা এবং প্রযুক্তিগত কঠোর নজরদারির কারণে বড় কোনো কারচুপির অভিযোগ ছাড়াই এবারের ভোট সম্পন্ন হয়েছে।

ইসি সচিব আশা প্রকাশ করেছেন যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি আসনগুলোর ফলাফল ও প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নতুন সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভোটারদের এই সরব উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে মানুষ একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য কতটা উন্মুখ ছিল।

Continue Reading

Trending