Connect with us

ক্যাম্পাস

ইবিতে ইদ বোনাস পাচ্ছেন জুলাই বিপ্লব বিরোধীরা, প্রশাসন বলছে ‘মানবিক’

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে মানবিক বিবেচনায় চলতি মাসের পূর্ণ বেতন ও আসন্ন ঈদ বোনাস পাচ্ছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই বিপ্লব বিরোধীতাকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত ১৭ জন শিক্ষক ও ১১ জন কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি মাসের পূর্ণ বেতন এবং ঈদ বোনাস দেওয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিয়েছেন। এর আগে বরখাস্ত হওয়ার পর থেকে তাঁরা শুধুমাত্র জীবনধারণ ভাতা পেয়ে আসছিলেন। তবে আগামী মাস থেকে পুনরায় পূর্বের ন্যায় শাস্তির আওতায় আসবে বলে জানা যায়।

একাধিক সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক মানবিক বিবেচনায় বিষয়টি আমলে নিতে পারেন। তবে পূর্বে নির্ধারিত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হলে সিন্ডিকেটে পাশ করা লাগবে। যেহেতু তাদের (অভিযুক্তদের) বিষয়ে পূর্বে সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত এককভাবে পরিবর্তনের সুযোগ নাই। সম্ভবত পরবর্তী সিন্ডিকেটে বিষয়টা এজেন্ডাভুক্ত থাকবে।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে মানবিক বিবেচনায় তাদেরকে এক মাসের (ফেব্রুয়ারি) পূর্ণবেতন এবং ঈদ বোনাস প্রদান করা হবে। তবে শাস্তি মাফ করা হয়নি৷ পরের মাস অর্থাৎ মার্চ মাস থেকে পুনরায় পূর্বের ন্যায় শাস্তিমূলক জীবনধারণ ভাতা পাবেন৷

উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭১তম সিন্ডিকেট সভায় ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে মানবিক বিবেচনায় দুই শিক্ষককে শাস্তি থেকে অব্যহতি দেয় প্রশাসন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ট্যুরিজম বিভাগে জিপিএস ভিত্তিক ভূ-স্থানিক প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের
পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে পর্যটন পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় জিপিএস ভিত্তিক ভূ-স্থানিক (জিওস্পেশাল) প্রযুক্তি বিষয়ক সক্ষমতা উন্নয়নের এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১১ টার দিকে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ষষ্ঠ তলায় টিএইচএম বিভাগের ৬২৪ নং কক্ষে কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় টিএইচএম বিভাগের প্রভাষক মোছা. খাদিজাতুল কোবরার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস শহীদ মিয়া ও রিসোর্স পার্সন হিসেবে ছিলেন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইনজামুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা সহ ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

রিসোর্স পার্সন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইনজামুল হক কর্মশালায় জিপিএস (GPS)-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে একটি পর্যটন স্থান নিরাপদ ও কার্যকরভাবে পরিদর্শন করা যায় এই বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন।

তিনি আরও বলেন, জিপিএস ব্যবহার করে পর্যটন স্থানের সঠিক অবস্থান ও রুট সহজে নির্ধারণ করা যায়। অপরিচিত এলাকায় পথ হারানোর ঝুঁকি কমে। পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জিপিএস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জরুরি পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান দ্রুত উদ্ধারকারী দলের কাছে পাঠানো সম্ভব। পর্যটন পরিকল্পনা, রুট ব্যবস্থাপনা এবং দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহে জিপিএস প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর।

এ কর্মশালার কোর্স ফ্যাসিলিটেটর (ট্যুরিজম জিওগ্রাফি ও প্রভাষক মোছা. খাদিজাতুল কোবরা বলেন, আজকের কর্মশালায় একটা ট্যুরিজমের ডেস্টিনেশন কিভাবে ট্র্যাক করবে এবং সেই ট্যুরিজমের এট্রাকশনগুলো হাইলাইট করবে তা দেখানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে– একটা ট্যুরিজম স্পটের সেইফ জোন, রেস্ট্রিকটেড এরিয়া; একটা পাহাড়ে উঠতে গেলে কোন পাশটা নিরাপদ, ট্যুরিস্ট কোথায় কতজন আসছে-যাচ্ছে ইত্যাদি এগুলো ট্র্যাকিং করে প্ল্যান করা। এর মাধ্যমে ট্যুরিজম আরও নিরাপদ করা। এগুলো মানুষ দিয়ে না বলে জিপিএস ট্র্যাকারের মাধ্যমে ট্র্যাক করে আমরা বলতে পারব। মূলত শিক্ষার্থীদের একটা ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন ম্যানেজ করা এবং প্রপার প্ল্যান করা শেখানো হয়েছে ।

Continue Reading

top3

ববিতে পালিত হলো ‘প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত স্বাধীন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’

Published

on

By

মাফিদুল হাসান, ববি

​বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে (ববি) ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত করার ঐতিহাসিক দিনটি স্মরণে ক্যাম্পাসে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে ‘প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত স্বাধীন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলন ও প্রতিরোধের মুখে ফ্যাসিস্ট শক্তি ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। সেই গৌরবময় দিনটিকে স্মরণ করে আজ রবিবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

​র‍্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জুলাই স্মৃতিফলক ও জুলাই-২৪ স্মরণিকা প্রস্তুতকরণ কমিটির আহবায়ক এবং ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ।

ববির রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ফ্যাসিস্ট মুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিতি পেলেও মূলত এখন পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।”

ববি ছাত্র দলের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন তার বক্তব্যে, “আওয়ামী লীগ ও ছাত্র লীগের দোসরদের বিচারের দাবি জানান।”

ববি প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগ তাঁর বক্তব্যে জানান, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিকামী শিক্ষার্থীরা ফ্যাসিবাদী প্রশাসনের রাষ্ট্রয়ন্ত প্রতিহত করে এই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করেন। তাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা থাকবে । “

জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে জানান ,​”বাংলাদেশ তার নিজস্ব গতিতে চলবে, অন্য কারো ইচ্ছায় এদেশ পরিচালিত হবে না। জুলাই আমাদেরকে এ শিক্ষাই দেয়।দীর্ঘ ১৭ বছরে দেশের প্রতিটি খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা ও আর্থিক খাত। শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে জাতিকে মেধা শূন্য করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর ড. গাজী মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে আরও বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন মোঃ হারুন-অর-রশিদ, শেরে বাংলা হলের প্রভোস্ট ড. আবদুল আলিম বছির এবং কর্মকর্তাদের পক্ষে প্রকৌশল শাখার উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুরশীদ আবেদীন এবং কর্মচারীদের পক্ষে হাসানুজ্জামান ও ইব্রাহিম বক্তব্য প্রদান করেন।

Continue Reading

top3

বিচারহীনতার একবছর: প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার দীর্ঘসূত্রিতার প্রতিবাদে মানববন্ধন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী শহিদ সাজিদ আবদুল্লাহ’র হত্যার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন ও দোষীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এবং প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার দীর্ঘসূত্রতার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে নিহতের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিও জানান বক্তারা।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এই প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে নিহতের পিতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হাতে ‘সাজিদ আবদুল্লাহর হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’, ‘সাজিদ আবদুল্লাহর রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘খুনির ফাঁসি চাই’, ‘তার পরিবারকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে’, ‘বিচার পেতে আর কত দিন জবাব দাও’ এবং ‘বিচারের নামে টালবাহানা চলবে না’ লেখা সম্বলিত বিভিন্ন প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করতে দেখা যায়।

মানববন্ধনে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে নিহত সাজিদের পিতা বলেন, “ছেলেকে হারিয়ে আমি বাকরুদ্ধ। এক বছর পার হয়ে গেল, কিন্তু এখানে যে বিচারহীনতা চলছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। যাকে হারিয়েছি তাকে তো আর পাব না, কিন্তু আসামিরা কেন গ্রেপ্তার হয় না, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা সচল থাকলেও ঘটনাস্থলের ক্যামেরাটি কেন অকেজো ছিল? এটা বিস্ময়কর! ক্যাম্পাসে সব ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ রাখতে প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল ও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। অবিলম্বে মানববন্ধনে উত্থাপিত দাবিগুলো পূরণ করা প্রয়োজন।”

বৈছাআ-এর ইবি শাখার সাবেক আহ্বায়ক ও এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা এস এম সুইট বলেন, “শহিদ সাজিদ আবদুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের এক বছর পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই হত্যার রহস্য উন্মোচন বা অপরাধীদের চিহ্নিত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। প্রশাসন নিহতের পরিবারকে কোনো আর্থিক সহায়তা বা পুনর্বাসন করতে পারেনি, যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।অধিকার নিয়ে কথা বললে প্রশাসন যে বহিষ্কারের হুমকি দেয়, তার তীব্র সমালোচনা করছি। প্রশাসনকে এই হুমকি বন্ধ করে সমালোচনা গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় তাদের পদত্যাগ করতে হবে।”

এসময় শাখা ছাত্রশিবিরের ইবি শাখার সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, “দীর্ঘ এক বছর হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার এবং কোনো ধরনের রহস্য উন্মোচন করা হয় নাই। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের যথেষ্ট হেয়ালিপনা এখানে দেখতে পেয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটিকে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের বিষয় বলে দায় এড়াতে চায়। কিন্তু সাজিদ আবদুল্লাহর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি প্রশাসন করেছিল, সেই দায়িত্বটাও কি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের? আমরা দাবি জানাই নতুন নির্মিত হলটি যেন শহীদ সাজিদ আবদুল্লাহর নামে নামকরণ করা হয় এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পরিবারকে অতি দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। একই সাথে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে সিসি ক্যামেরার আওতাধীন করা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা এবং চতুর্দিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

Continue Reading

Trending