Connect with us

top3

ইবি আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের নেতৃত্বে সাজ্জাদ-সাকিফ

Published

on

ইবি প্রতিনিধি,

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইইইই (ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স) স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের ২০২৬-২৭ মেয়াদের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করা হয়েছে। এতে চেয়ারপারসন হিসেবে এস এম সাজ্জাদ হোসাইন সৈকত এবং সাধারণ সম্পাদক সাকিফ মাহমুদ ফয়সালকে নির্বাচিত করা হয়।

গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) ব্রাঞ্চের কাউন্সেলর অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সংগঠনের আওতায় আইইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ, আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টার এবং আইইইই ইঞ্জিনিয়ারিং ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজি সোসাইটি (ইএমবিএস) ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টার রয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে মো. শাহজাদা সাজিদ ভাইস-চেয়ার, মো. তৌহিদ হাসান নিরব ভাইস-চেয়ার (টেকনিক্যাল), মো. নাঈমুল ইসলাম মজুমদার ভাইস-চেয়ার (অ্যাক্টিভিটি), মো. আসিফ সিদ্দিক জিম জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং মো. নাসির উদ্দিন এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া মো. ফজলে রাব্বি রওনক ট্রেজারার, মুবাশশির আমিন পাবলিকেশন কো-অরডিনেটর, আবু উবায়দা ওয়েব মাস্টার, জাকিয়া তাবাসসুম ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোঅরডিনেটর, সামিয়া সুলতানা উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোঅরডিনেটর, মো. আব্দুল মুহাইমিন মেম্বারশিপ ডেভেলপমেন্ট কো-অরডিনেটর, মো. রাফিউল রেজা পাবলিসিটি কো-অরডিনেটর এবং হুমায়ুন রশিদ হিমু লজিস্টিকস কোঅরডিনেটর হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। একই সাথে সুনভির নিশান ও ঐশী রায় কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অন্যদিকে আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টারের চেয়ারপারসন হিসেবে মো. জুলফিকার আলী দায়িত্ব পালন করবেন। একই সাথে সরকার তুহাসসিনুল আরনব ভাইস-চেয়ার, রাফি আয়ান সেক্রেটারি এবং সামিউল কুরেশি সৌরভ ট্রেজারার,শরিফুল ইসলাম শিহাব স্টুডেন্ট এক্টিভিটি কো-অরডিনেটর, আদিল মোহাম্মদ তাসিফ পাবলিসিটি কো-অরডিনেটর, নুর ফারহান শাহরিয়ার প্রান্ত মেম্বারশিপ ডেভেলপমেন্ট কো-অরডিনেটর এবং নুসরাত জাহান নিতু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কো-অরডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়াও আইইইই (ইএমবিএস) ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টারের চেয়ারপারসন হয়েছেন মো. ইয়াকুব আলী। মোস্তাফিজুর রহমান মহিম সম্পাদক এবং মো. মবিনুল হক কোষাধ্যক্ষ, সাকিব আল হাসান স্টুডেন্ট এক্টিভিটি কোঅরডিনেটর, মোছা. আফরিন মুস্তারি পাবলিসিটি কোঅরডিনেটর এবং নিশাদ আল হাসান ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোঅরডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নবগঠিত আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের কাউন্সেলর হিসেবে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম এবং উপদেষ্টা হিসেবে ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মমতাজুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি চ্যাপ্টারের এবং অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান আইইইই ইএমবিএস চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

নবনির্বাচিত চেয়ারপার্সন সাজ্জাদ হোসেন সৈকত বলেন, “আমাদের শাখার হাত ধরে ইতো:পূর্বে ইবিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্স হয়েছে। আমরা গতবছর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সফলভাবে আয়োজন করেছিলাম। আমরা সামনে আরও ভালো কিছু দেশীয়-আন্তর্জাতিক কোলাবরেশনের মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে চাই। এজন্য আমি আমাদের নবগঠিত কমিটির জন্য সকলের সর্বাত্বক সহযোগিতা কামনা করছি।”

উল্লেখ্য, কমিটিগুলো ইবি’র ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ-সমাবেশ

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুর নগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেসক্লাব ও গ্র্যান্ড হোটেল মোড় প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান। সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল। এতে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হকসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ টি এম আজম খান বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্যে এমন ধারণা পাওয়া যায় যে রংপুরের মানুষ বিএনপির পরিবর্তে জাতীয় পার্টি বা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ায় এ অঞ্চল কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য রংপুরবাসীর রাজনৈতিক সচেতনতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সাংবিধানিক অধিকারকে খাটো করে।

তিনি বলেন, কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া হবে, সেটি জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে রাজনৈতিক পছন্দের সম্পর্ক তৈরি করা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের দায়িত্ব দল-মতনির্বিশেষে দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

রংপুরের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।

সমাবেশ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক আনুগত্যের সঙ্গে উন্নয়নকে যুক্ত না করে রংপুরের মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত রোববার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দ নিয়ে মন্তব্য করেন। তার ওই বক্তব্যের পর রংপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে রংপুরে জামায়াতের ১১ জন সংসদ সদস্য সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তারা বলেন, রংপুরের মানুষ কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন, সেটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে কোনো অঞ্চলের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দকে শর্তযুক্ত করা যাবে না।

Continue Reading

top3

কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ভাঙন, ক্ষতিগ্রস্ত শত শত পানচাষি

Published

on

By

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় নদীতীরবর্তী প্রায় ৫ কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন চলছে। এতে ফসলি জমি, পানবরজ, কলাবাগান ও স্থানীয়দের একমাত্র শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

গত বছর থেকে এ পর্যন্ত নদীভাঙনে প্রায় ৯৫০ বিঘা ফসলি জমি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহৃত একমাত্র শ্মশানঘাট বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে শত শত পানচাষির প্রায় ৫ হাজার পিলি পানবরজ এবং ১০০ বিঘা কলাবাগান নদীতে ভেঙে গেছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় গত চার-পাঁচ দিন ধরে পদ্মার তীরে ব্যাপক ভাঙন চলছে। নদীর পাড়ে সৃষ্টি হয়েছে খাড়া ভাঙন। এতে নতুন করে কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ক্ষুদ্র কৃষক গিরি দাস বলেন, এলাকায় তাদের প্রাচীন শ্মশানঘাট ছিল। সেটি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। ফলে শ্মশানঘাটটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ওই স্থানে প্রায় ৫০ ফুট গভীর পানি রয়েছে।

পানচাষি ও ব্যবসায়ী নেতা আসলাম উদ্দিন বলেন, ভেড়ামারা উপজেলার সবচেয়ে বেশি পান চাষ হয় এ অঞ্চলে। দেশের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী কুচিয়ামোড়া পান বাজারও মূলত এ এলাকার পানের ওপর নির্ভরশীল। নদীভাঙনে কয়েক শত পানচাষি প্রায় ৫০০ বিঘা জমিতে থাকা অন্তত ৫ হাজার পিলি পানবরজ হারিয়েছেন।

কৃষক আমিরুল বলেন, গত বছর তার ভাই ও ভাতিজারা মিলে ৭-৮ বিঘা জমিতে পান চাষ করেছিলেন। নদীভাঙনে তাদের ৮০০ পিলি বরজ বিলীন হয়েছে। একইভাবে রায়টার অনেক কৃষক ৫০ থেকে ১০০ পিলি পর্যন্ত পানবরজ হারিয়েছেন।

পানচাষি সুমন হোসেন বলেন, দুই বছর আগে এ অঞ্চলের হাজার বিঘা পানবরজ আগুনে পুড়ে যায়। এখন আবার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। এলাকার মানুষের জীবিকা মূলত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড ন্যূনতম ব্যবস্থা নিলে ক্ষয়ক্ষতি এতটা হতো না বলে দাবি করেন তিনি।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, ভাঙন দুই মাস আগে শুরু হয়েছে। তবে পানি বাড়ায় গত কয়েক দিনে ভাঙন তীব্র হয়েছে। ভাঙন রোধে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। সেটি অনুমোদন হয়ে বাজেট না আসা পর্যন্ত কাজ করা সম্ভব নয়।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন।

Continue Reading

top3

চুয়েটে পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী শান্ত দেব (২৩) এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অর্ণব দত্ত (২২)। তারা দুজনই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের দুজনের বাড়ি সিলেটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ফুটবল খেলা শেষে দুই শিক্ষার্থী হলের পাশের পুকুরে গোসল করতে যান। একপর্যায়ে পুকুরের মাঝামাঝি অংশে সাঁতার কাটতে গিয়ে তারা পানিতে ডুবে যান।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। প্রায় ২০ মিনিট পর অর্ণবকে এবং প্রায় ৪৫ মিনিট পর শান্তকে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম নগরের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে এবং তাদের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending