Connect with us

ক্যাম্পাস

ইবি ছাত্রশক্তির ৩ সদস্যের কমিটিতে ২ জনই ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা, সংবাদ সম্মেলন

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশক্তির ৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে নবগঠিত এই কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীদের এভাবে খোলস বদলে নতুন ছাত্র সংগঠনে শীর্ষ পদ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক মহলে নানামুখী আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এনিয়ে গত মঙ্গলবার(৭ জুলাই) বিকেল ৩ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নবগঠিত কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন শাখা বৈছাআ’র সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুবাশ্বির আমিন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিসনো আল আসনাওয়ী, সাবেক সদস্য মো. নিরব আলী মণ্ডলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

গত রোববার (৫ জুলাই) কেন্দ্রীয় জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে বয়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফুয়াদ হাসান, সদস্য সচিব হিসেবে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইফতেহার উদ্দিন এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে যায়েদ বিন ওসমানকে মনোনীত করা হয়েছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান ও সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে শাখা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল, মিটিং এবং দলীয় কর্মসূচিতে তাঁদের নিয়মিত অংশ নিতে দেখা যেত। তবে ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যায়। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ও নিষ্ক্রিয় হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল তাদের প্রকাশ্য সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করে। ওই সময় ছাত্রলীগের সাবেক অনেক কর্মী ছাত্রদলের কার্যক্রমে যুক্ত হতে শুরু করেন। ইফতেহার উদ্দিনও ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টতা নিয়ে এর আগেও গণমাধ্যমে তাঁদের জড়িত থাকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।

বিতর্কিতদের নিয়ে কমিটি গঠনের সমালোচনা করে ফেসবুকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার যুগ্ম সদস্য বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। কমিটি ঘোষণার আগমুহূর্তে তিনি লেখেন, “ফ্যাসিস্টের দোসর ফুয়াদ হাসান ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট শাহ আজিজুর রহমান হল ইন্টারন্যাশনালের এক ব্লক দখল করে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানিয়ে তাকে হল থেকে বের করে দেয়। এই গণহত্যাকারীর দোসররা জুনিয়ররা প্রোগ্রামে না গেলে তাদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাত।”

এদিকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলে সিভি জমা দিলে ছাত্রশক্তিতে আসা যায়। ছাত্রশক্তির কি এতই আকাল পড়েছে? নাকি গুপ্ত ছাত্রলীগের খপ্পরে পড়েছে?

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন তামিম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ করার যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও হাস্যকর। ছাত্রলীগের আমলে আমি প্রায় ১০ মাসের মতো গণরুমে ছিলাম। তখনকার জোর-জবরদস্তির সংস্কৃতির কারণে শুরুর দিকে কেবল দু’একটি মিছিলে আমাকে বাধ্য হয়ে যেতে হয়েছিল। এরপর পুরো গণরুম লাইফে আমি আর কোনো মিছিলে যাইনি। আমি কখনো ছাত্রলীগের সম্মুখসারিতে ছিলাম না, পদের জন্য সিভি দিইনি। তৎকালীন হলে থাকার বাধ্যতামূলক নিয়মের কারণে আমার মতো সাধারণ শিক্ষার্থী, এমনকি বর্তমান ছাত্রদল-শিবির বা ছাত্রশক্তির অনেক নেতাও বাধ্য হয়ে ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে গিয়েছিলেন। প্রোগ্রামে না গেলে আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মতো নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হতো। তাই বাধ্য হয়ে মিছিলে যাওয়া আর ছাত্রলীগ করা এক বিষয় নয়।”

অভিযোগের বিষয়ে কমিটির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান বলেন, “হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে তৎকালীন বৈরী পরিবেশে সিট টিকিয়ে রাখতে অন্য সবার মতো আমাকেও বাধ্য হয়ে ছাত্রলীগের মিছিলে যেতে হয়েছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা সাদিক কায়েম বা এস এম ফরহাদদেরও একসময় হলে থাকার প্রয়োজনে এভাবে যুক্ত হতে হয়েছিল। তবে ছাত্রলীগের প্রতি আমার কোনো সমর্থন বা সম্পৃক্ততা ছিল না; পদ পাওয়ার জন্য সবাই সিভি জমা দিলেও আমি তা এড়াতে বাড়ি চলে গিয়েছিলাম। ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে আমার নাম বা পোস্ট কখনোই ছিল না। বর্তমানে আমি ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ইবি শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।”

মূলত আমাকে সরাসরি চেনে না—এমন কিছু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে কোনো রাজনৈতিক মহলের উসকানিতে আমার বিরুদ্ধে এই ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”

তিনি আরো বলেন, “সংবাদ সম্মেলনে আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বাস্তবতার সঙ্গে অসংগত। ছাত্রলীগের আমলে হলে অবস্থান করা অধিকাংশ শিক্ষার্থীকেই বিভিন্ন সময় অনিচ্ছা সত্ত্বেও মিছিল-সমাবেশে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। শুধুমাত্র সে সময় কোনো কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার ভিত্তিতে কাউকে ছাত্রলীগের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করা সঠিক নয়। যারা জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন, প্রোফাইল লাল করেছেন এবং পরবর্তীতে ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা রাখেননি, তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়।”

রাজনৈতিক দলের খোলস পাল্টানোর বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, “৫ আগস্টের আগে অনেকেই ছাত্রলীগ করেছেন এবং অভ্যুত্থানে বড় বড় নেতা হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সারজিস ভাই বা ডাকসু ভিপিসহ অনেকেই একসময় ছাত্রলীগের মিছিলে ছিলেন বলে ফুটেজ দেখা গেছে। কিন্তু অভ্যুত্থানে তাঁরা সবাই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং তাঁদের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই আমাদের অভ্যুত্থান সফল হয়েছে। আমাদের কমিটির আহ্বায়ক (ফুয়াদ হাসান) পাঁচ তারিখের আগে ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিংয়ে গিয়েছে—তা আমি জানি। কিন্তু পাঁচ তারিখের পর তাদের ছাত্রলীগের অভিযোগ আসেনি।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার

Published

on

By

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নতুন উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের দেওয়া এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। এছাড়াও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬-এর ১১(ক)(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকাকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, উপ-উপাচার্য হিসেবে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। উপ-উপাচার্য হিসেবে তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন এবং সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।

Continue Reading

top3

ইবিতে ভুয়া শিক্ষার্থী ভর্তি, তদন্তে কমিটি গঠন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগে প্রতারণামূলকভাবে ভর্তিকৃত ছাত্রী শামীমা আকতারের ভর্তি সংক্রান্ত সার্বিক তথ্য পর্যালোচনা এবং এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান এ কমিটি গঠন করেন।

অফিস আদেশে বলা হয়, প্রতারণামূলকভাবে ভর্তিকৃত ছাত্রী শামীমা আকতারের ভর্তি-সংক্রান্ত সকল তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক এবং মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) মো. বদিউজ্জামান।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ” আমি শুনেছি। আনুষ্ঠানিক চিঠি পাইনি। আনুষ্ঠানিক চিঠি পেলে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কাজ শুরু করে দিব।”

উল্লেখ্য, গত দুই সপ্তাহ আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রতারণার মাধ্যমে এক সেমিস্টার ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শামীমা আক্তার নামে এক ভুয়া শিক্ষার্থী শনাক্ত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর ঘটনার তদন্ত এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে এ কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

Continue Reading

top3

পাবিপ্রবি’র নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের অংশগ্রহণ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান।

রোববার (২৬ জুলাই) তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপপরিচালক মো. রাজিবুল ইসলামের বরাতে জানানো হয় দুপুর আড়াইটায় পাবিপ্রবি’র মিলনায়তনে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন উপাচার্য।

পাবিপ্রবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম-এর সভাপতিত্বে প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান, সাংসদ মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এ. কে. এম সেলিম রেজা হাবিব, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহমিনা আখতার এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাছানাত আলী।

অতিথির বক্তব্যে ইবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীদের সুস্বাগত। তোমরা সৌভাগ্যবান, একটা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে তোমরা এখানে জায়গা করে নিতে পেরেছো। আমাদের সমাজ, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট সবকিছু বিবেচনায় আমরা অনেক পশ্চাৎপদ অবস্থানে ছিলাম। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষাবিস্তারের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি নারীদেরকে এইচএসসি পর্যন্ত বিনাবেতনে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, যার ফল এখন দৃশ্যমান হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়া তাঁর পুরোটা জীবন এই দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন।”

শিক্ষার্থীদের নৈতিক এবং দায়িত্বশীল মানুষ হওয়ার জন্য উপদেশ দিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, “কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষ, যাদের ট্যাক্স-এর টাকায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়, তাদের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে তোমরা নৈতিক এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান করছি।”

Continue Reading

Trending