Connect with us

বিনোদন

ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে শাকিবের ‘রকস্টার’

Published

on

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রকস্টার’ আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মধ্যে ছবিটি ঘিরে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস।

পরিচালক আজমান রুশোর পরিচালনায় নির্মিতব্য এ সিনেমার প্রথম ধাপের শুটিং সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে পাঁচ দিন শুটিংয়ে অংশ নেন শাকিব খান। শুটিং শেষে তিনি দেশে ফিরেছেন এবং খুব শিগগির ঢাকায় শুরু হবে ছবির পরবর্তী অংশের কাজ।

সিনেমা সংশ্লিষ্ট ঘনিষ্ঠ সূত্র এশিয়া পোস্টকে জানায়, ‘রকস্টার’ সিনেমার পুরো টিম এরই মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে সফল শুটিং শেষে ঢাকায় ফিরেছে। এ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে টানা ২৩ দিন শুটিং চলবে। এর মধ্যে একদিন শ্রীমঙ্গলে শুটিং হবে। তার পরই ঈদুল আজহায় মুক্তির প্রস্তুতি শুরু হবে সিনেমাটির।

এর আগে ২৮ মার্চ নিজের জন্মদিনে ‘রকস্টার’ সিনেমার ফার্স্ট লুক প্রকাশ করে ভিন্ন এক স্টাইলে হাজির হয়ে ভক্তদের চমকে দেন শাকিব খান। কালো স্লিভলেস গেঞ্জি, ডেনিম শর্টস, লাল কনভার্স স্নিকার্স ও সাদা মোজার সঙ্গে শরীরজুড়ে ট্যাটু, ড্রেডলক চুল, গলায় নেকলেস এবং চোখে সানগ্লাস—সব মিলিয়ে এক সাহসী ও আধুনিক লুকে ধরা দেন তিনি, যা ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করে।

সিনেমাটিতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর ও তানজিয়া জামান মিথিলা। পরিচালক আজমান রুশোর গল্পে চিত্রনাট্য লিখেছেন নুসরাত মাটি। সংলাপ রচনা করেছেন আয়মান আসিব স্বাধীন ও সামিউল ভূঁইয়া। সব মিলিয়ে ‘রকস্টার’ ঘিরে এখন থেকেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান কমিউনিকেশন প্রযোজনা করেছে ‘রকস্টার’।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নিজের গোপন ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন প্রভা

Published

on

By

প্রায় ১৬ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে আসছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা।

দীর্ঘদিন এ বিষয়ে নীরব থাকলেও এবার তিনি মুখ খুলেছেন নিজের অভিজ্ঞতা ও মানসিক যন্ত্রণার বিষয়ে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রভা সাইবার বুলিংকারীদের মানসিকতা, অনলাইন হয়রানির ভয়াবহতা এবং সমাজে প্রচলিত ভিকটিম ব্লেমিং বা ভুক্তভোগীকেই দায়ী করার প্রবণতার কঠোর সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সহ্য করা অপমান ও মানসিক চাপের কথাও তুলে ধরেন।

প্রভা বলেন, আমি এখন কিছু জ্বালাময়ী সত্যি কথা বলব। হাই- আমি অনেকদিন সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ব্যাপার নিয়ে কথা বলি না। কিন্তু ভেবেছিলাম- কথা বলেও তো আসলে কোনো লাভ নাই। কিন্তু আসলে নিজের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে মনে হয়- কিছু জিনিস চোখ বন্ধ করে আসলে থাকা যায় না।

চলেন আপনাদের একটা কথা বলি। আপনারা আপনাদের নিজের যোগ্যতা, নিজের স্থান, নিজের সৌন্দর্য, নিজের কোয়ালিফিকেশন এ সবকিছুর প্রতি আসলে আপনাদের ইনসিকিউরিটি থাকার জন্যই তো আসলে আপনারা মানুষকে মুখ করেন। এটা আমার কথা না। এটা হিউম্যান সাইকোলজি। এগুলো সাইকিয়াট্রিস্টরা এগুলো পড়াশোনা করে বের করেছেন। এগুলা একদম আমার কথা না।

তিনি বলেন, যারা মানুষের ব্যাপারে এত অ্যাগ্রেসিভলি জাজ করে এবং বুলি করে এবং মক করে; সোশ্যাল মিডিয়াতে- ভারবালি অ্যাবিউস করে। এরা আসলে নিজেদের নিয়ে যেহেতু অনেক বেশি স্যাটিসফাইড না এবং তারা দুঃখী। আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের জায়গাতে কোন না কোন জায়গায় দুঃখী। কিন্তু যারা ইনসিকিউর যারা ব্যাপারটাকে মানতে পারে না, যারা নিজের যোগ্যতাটা নিয়ে অনেক বেশি ইনসিকিউরড আমি বলব- এরাই আসলে ম্যাক্সিমাম টাইমে বিভিন্ন সোশ্যাল প্লটফর্মগুলো সেলিব্রেটিদের বা ইনফ্লুয়েন্সার বা আর্টিস্ট সবাইকে বুলিং করে। তো আমার বুলিং তো আসলে ইটস বিন অলমোস্ট ১৬ বছর- আমাকে বুলিং করা হয়। আমার কথা হচ্ছে- আপনারা আপনাদের জায়গা থেকে আমাকে বুলিং করে মজা পান; এতে আপনাদের পৈশাচিক আনন্দ হয়- আই টোটালি আন্ডারস্ট্যান্ড; কিন্তু ঠিক যতটুকু আমাকে বুলিং করছেন তার যদি ৫০% মানে আমি ওরফে ব্র্যাকেটে ভিকটিম আমাকে ৫০% করে বাকি ৫০% ক্রিমিনালটাকে খুঁজে বের করে ওকে যদি এরকম বুলিং করতেন; ওকে নিয়ে যদি লেখালেখি করতেন; ওর চেহারাটা যদি বারবার মানুষের সামনে মানে প্রকাশ্যে আনতেন যে ও ক্রিমিনাল।

এই অভিনেত্রী বলেন, যারা আরেকটা মানুষের ক্ষতি করে তাদের কনসেন্ট ছাড়া তাদের প্রাইভেসি ডিসক্লোজ করে এবং সেটা একটা গুরুতর ক্রাইম। সেই মানুষগুলোকে আপনারা বুলিং না করে আপনারা যে ভিকটিমকে বুলিং করছেন ডে বাই ডে; আই আন্ডারস্ট্যান্ড। আমাকে বুলিং না করে যদি ক্রিমিনালকে করতেন তাহলে পৃথিবীতে তন্ময়ের জন্ম হত না

Continue Reading

বিনোদন

হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় শাস্তি পেলেন গায়িকা

Published

on

By

ইরানে হিজাব ছাড়া প্রকাশ্যে গান পরিবেশন করাকে কেন্দ্র করে আলোচিত গায়িকা পারাস্তু আহমাদি এবং তার প্রযোজনা দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি ঘোষণা করেছে দেশটির একটি আদালত। আদালতের রায়ে শিল্পী ও সংশ্লিষ্ট আটজনকে ৭৪টি করে দোররা মারার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি আগামী দুই বছর বিদেশ সফর ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, কোয়ম প্রদেশের একটি ফৌজদারি আদালত এই রায় প্রদান করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, তারা অনলাইনে এমন কিছু কনটেন্ট প্রচার করেছেন যা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে সামাজিক মূল্যবোধ ও জনশৃঙ্খলার পরিপন্থী।

ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বরে। সে সময় ২৯ বছর বয়সী পারাস্তু আহমাদি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি লাইভ কনসার্ট সম্প্রচার করেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি প্রচলিত হিজাববিধি অনুসরণ না করে উপস্থিত হন এবং দেশাত্মবোধক একটি গান পরিবেশন করেন। সম্প্রচারের পর ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিও প্রকাশের পরপরই শিল্পী ও তার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন সংগীতশিল্পীকে অল্প সময়ের জন্য আটক করা হয়েছিল। পরে তারা মুক্তি পেলেও তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হয়। এদিকে ভিডিওটি অনলাইনে বিপুলসংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়।

রায়ের পর মানবাধিকার সংগঠন ও অধিকারকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, এই শাস্তি শুধু একটি আইনি সিদ্ধান্ত নয়; বরং সাংস্কৃতিক প্রকাশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর চাপ প্রয়োগের একটি উদাহরণ। অনেকের দাবি, সরকারবিরোধী বা স্বাধীন চিন্তার শিল্পীদের বিরুদ্ধে ইরানে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠন সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান’-এর অ্যাডভোকেসি পরিচালক বাহার ঘান্দেহারি বলেন, কেবল গান গাওয়া ও হিজাব ছাড়া উপস্থিত হওয়ার কারণে একজন শিল্পীকে ৭৪ দোররা মারার সাজা দেওয়া অত্যন্ত কঠোর এবং উদ্বেগজনক। তার মতে, এ ধরনের শাস্তি মানবাধিকারের প্রশ্নকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসে।

অন্যদিকে অধিকারভিত্তিক আইনি সহায়তা সংস্থা দাদবান-এর আইনজীবী মইন খাজায়েলি রায়ের আইনি ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ইরানের বিদ্যমান আইনে নারীদের গান গাওয়া বা সংগীত পরিবেশনকে সরাসরি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। ফলে এসব কর্মকাণ্ডকে ‘অশ্লীল কনটেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করা আইন প্রয়োগের বিতর্কিত উদাহরণ হতে পারে।

মানবাধিকারকর্মীদের মতে, দোররা মারার মতো শাস্তি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা এ ধরনের শাস্তিকে অমানবিক ও অবমাননাকর আচরণ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।

ইরানি-ব্রিটিশ অভিনেত্রী নাজানিন বোনিয়াদি এই রায়কে একটি ‘কঠোর বার্তা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, ইরানে পরিবর্তনের আলোচনা থাকলেও বাস্তবে নিয়ন্ত্রণমূলক নীতির উপস্থিতি এখনও স্পষ্ট।

এদিকে নির্বাসিত ইরানি অভিনেত্রী সেতারেহ মালেকি বলেছেন, পারাস্তু আহমাদির কনসার্ট তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের অবস্থান প্রকাশের যে সাহস তিনি দেখিয়েছেন, তা অনেক নারীর সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় ইরানে শিল্পী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে নারীর অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সীমারেখা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আলোচনার মাত্রা আরও বাড়তে পারে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Continue Reading

বিনোদন

শাকিবের বাড়িতে গিয়ে ‘অস্বস্তিতে’ পড়েছিলেন মিষ্টি জান্নাত!

Published

on

By


ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানকে ঘিরে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর সঙ্গে সম্পর্কের নানা অধ্যায়ের পর এবার আলোচনায় উঠে এসেছে অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাতের একাধিক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট। দেশে শুরু হওয়া এই বিতর্ক এখন সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যমেও জায়গা করে নিয়েছে, যা নতুন করে শাকিব-মিষ্টি প্রসঙ্গকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি কলকাতার পত্রিকা আনন্দবাজারের অনলাইন ভার্সনে শাকিব-মিষ্টি জান্নাতকে নিয়ে নতুন করে খবর প্রকাশ করেছে। খবরটির শিরোনামে লেখা হয়- ‘শাকিবের বাড়িতে গিয়ে খুব অস্বস্তিতে পড়েছিলাম’। কোন অভিজ্ঞতার কথা বললেন মিষ্টি জান্নাত?

খবরটি ছিল এমন- ওপার বাংলার অন্যতম আলোচিত অভিনেতা শাকিব খান। নায়কের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিপুল আলোচনা হয়েছে। সদ্য মেয়ের বাবা হয়েছেন নায়ক। এরইমধ্যে অভিনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উগরে দিলেন অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাত। তার সঙ্গে শাকিবের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ার পরে এমনই প্রেমের গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। এরই মাঝে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন জান্নাত।

অভিনেত্রী বলেন, “বিমানের মধ্যে তোলা শাকিবের সঙ্গে আমার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল। যেদিন এ ছবিটি তোলা হয়েছিল, সেই দিনই আমি শাকিবের বাড়ি গিয়েছিলাম। ও (শাকিব)পরে মায়ের থেকে খাবার এনে আমাকে দিয়েছিল। আমার হাতে খাবার দিয়ে বলেছিল, ‘এই নাও তোমার শাশুড়ি রান্না করে দিয়েছে।’ আমার সহকারীদের জিজ্ঞাসা করলে জানতে পারবেন। খুব অস্বস্তিতে পড়েছিলাম।”

বিমানে শাকিবের সঙ্গে জান্নাত কেন ছবি তুলেছিলেন? অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘ওই ছবি আমি তুলতাম না। ওই দিনের অনেক ভিডিও আছে। কিন্তু আমি সেগুলো দেব না। সবাই ভাববে, শাকিবকে বিক্রি করে খাচ্ছি।’

আর কথা বাড়াতে রাজি হননি জান্নাত। যদিও নায়কের জীবনে যত বিতর্কই আসুক না কেন, অভিনেতা চুপ থেকেছেন। সদ্য মেয়ে হওয়ার পরেও নিশ্চুপ থেকেছেন শাকিব। বরং তার স্ত্রী শবনম বুবলী মেয়ে হওয়ার সুখবর সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন।

এদিকে শবনম বুবলী দ্বিতীয়বারের মতো মা হওয়ার খবরের পরপরই সামাজিকমাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়েছেন মিষ্টি জান্নাত। সেই পোস্ট ঘিরে নেটিজেনদের মাঝে আবারও আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী। শবনম বুবলীকে অভিনন্দন জানিয়ে মিষ্টি জান্নাত লেখেন, কন্যাসন্তানের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। শাকিব খান ও শবনম বুবলীকে অভিনন্দন।

তবে এখানেই থামেননি অভিনেত্রী। একটা ইঙ্গিতপূর্ণ কথা উল্লেখ করে মিষ্টি জান্নাত আরও লেখেন, এ বছরে আরেকজনের জন্যও অগ্রিম শুভেচ্ছা। এবার মিষ্টি জান্নাতের এই নতুন পোস্ট শাকিব-ভক্তদের মাঝে আবারও নতুন করে আলোচনার খোরাক জোগাল। সেই পোস্টে মিষ্টি জান্নাত শাকিব খানকে ট্যাগ করেছেন।

ঢাকাই চলচ্চিত্রে কাজের সূত্রে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে মিষ্টি জান্নাতের। তাদেরই একজন শাকিব খান। এমনকি শাকিব খানের তৃতীয় স্ত্রী হতে যাচ্ছেন মিষ্টি, এমন গুঞ্জনও চাউর হয়েছিল চলচ্চিত্র পাড়ায়। এরপর থেকেই শাকিবকে নিয়ে বেশ আলোচনায় আসেন মিষ্টি এবং প্রায়ই নায়ককে নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে কৌতূহল জাগানিয়া পোস্ট দিতে দেখা যায় এ নায়িকাকে।

গত বছরের জুলাইয়ে একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে শাকিব খানকে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন মিষ্টি জান্নাত। শাকিব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শাকিব খানকে নিয়ে ভাইরাল হওয়া বা তার নাম ভাঙিয়ে চলার কোনো ইচ্ছাই আমার নেই। আমি কারও পা ধরে নায়িকা হইনি

Continue Reading

Trending