Connect with us

জাতীয়

এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা

Published

on

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, সোমবার থেকে দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকায়।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, খাঁটি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির কারণেই দেশের বাজারেও মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে।

গত ২৩ জানুয়ারি বাজুস ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৬ টাকা নির্ধারণ করে, যা ছিল আগের সর্বোচ্চ রেকর্ড।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদের প্রতি আস্থা কমে যাওয়ায় আজ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আরও এক দফা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

এই প্রেক্ষাপটেই দেশেও বাড়ল স্বর্ণের দাম।

গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) সকাল ৫টা ৩৬ মিনিটে স্পট স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৯৫৭ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের দিনের তুলনায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। এর আগে দিন স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৯৬৬ দশমিক ৫৯ ডলারে উঠেছিল।

ব্যবসায়ীরা মনে করেন, বৈশ্বিক স্বর্ণের দাম ওঠানামা, খাঁটি স্বর্ণের ক্রমবর্ধমান মূল্য ও চলমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশের খুচরা স্বর্ণের বাজার অস্থির অবস্থায় রয়েছে।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম ৫০ হাজার টাকা ছাড়ায়। এর পাঁচ বছর পর ২০২৩ সালের জুলাইয়ে তা ১ লাখ টাকা অতিক্রম করে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ৫০ হাজার টাকায় এবং একই বছরের মধ্যেই তা দুই লাখ টাকার সীমা ছাড়িয়ে যায়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

এবার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের নামে স্কুল নামকরণের প্রস্তাব!

Published

on

By

দুই ছেলে ও ভাতিজির নামে ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নাম।

এবার বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে তাঁর নামে করার প্রস্তাব উঠেছে। বিদ্যালয়টির নতুন নাম ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ করার প্রস্তাব ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখায় বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। প্রস্তাবটি পাওয়ার পর বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় মতামত দেওয়ার জন্য বগুড়ার জেলা প্রশাসক এবং রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সরকারী সচিব শিরিন আক্তার স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বলেন, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নামে নামকরণের প্রস্তাব পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি সরজমিন পরিদর্শন করে সুস্পষ্ট মতামত ও যৌক্তিকতাসহ স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব সুপারিশসহ প্রতিবেদন পাঠাতে বোর্ড ও জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে।

এর আগে বগুড়ার শিবগঞ্জ ও নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার কয়েকটি নতুন ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠে, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুই ছেলে ও এক ভাতিজির নামের সঙ্গে মিল রেখে ইউনিয়নগুলোর নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

তবে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ওই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ইউনিয়নের নাম স্থানীয় জনগণের মতামত এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বগুড়ার শিবগঞ্জ এবং নবঘোষিত মোকামতলা উপজেলায় নতুন চারটি ইউনিয়ন গঠন করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। গত ১১ জুন বগুড়া জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি এবং মোকামতলা উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়। এই গেজেট প্রকাশিত হলে নতুন তিনটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

শিবগঞ্জ উপজেলায় গঠিত নতুন ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়েছে ‘মীরবাড়ী ইউনিয়ন’। অন্যদিকে নবঘোষিত মোকামতলা উপজেলায় গঠিত নতুন তিনটি ইউনিয়নে নামকরণ করা হয়েছে ‘সীমান্ত ইউনিয়ন’, ‘দিগন্ত ইউনিয়ন’ এবং ‘স্বর্ণগ্রাম ইউনিয়ন’।

যুক্তরাজ্যপ্রবাসী প্রতিমন্ত্রীর এক ভাতিজিকে পরিবারের সদস্যরা ‘স্বর্ণ’ নামে ডাকেন। এ কারণে মোকামতলা উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন ভেঙে গঠিত নতুন ইউনিয়নের নাম ‘স্বর্ণগ্রাম ইউনিয়ন’ রাখা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেন, তিনি নিজের সন্তানদের নামে কোনো ইউনিয়ন পরিষদের নামকরণ করেন। এটি মিরাক্কেল বা কাকতালীয় ঘটনা

Continue Reading

top1

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

Published

on

By

শিক্ষাব্যবস্থাকে বিশ্বমানের ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘লিডার্স ট্রেনিং সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাজ করছে এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পাবলিক পরীক্ষা আইন পাস হওয়ায় এখন থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নকলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সবাইকে উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করে বেকারত্ব বাড়ানো যাবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

Continue Reading

top1

ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, সরকারি ও বিরোধী দলের তুমুল বিতর্ক

Published

on

By

ঋণখেলাপি ইস্যুতে জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক হয়েছে। পরে ঋণখেলাপির বিষয়টি এক্সপাঞ্জ চেয়েছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য। আর বক্তব্য এক্সপাঞ্জ না করার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে বিরোধী দল। বক্তব্য যাচাই করে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে একপর্যায়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে—বাংলাদেশে টোটাল মন্দ ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে যদি আপনি অবলোকন পুনঃতফসিল করা এবং মামলার কারণে যে ঋণের টাকাটা আটকে আছে আদালতে অর্থাৎ পেন্ডিং মামলা হিসেবে যেটা এখনো খাতায় তোলা হয় নাই। সেটা যদি আমরা যোগ করি এই পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ১১ লাখ কোটি টাকা। যেটা মোট ঋণের ৫৯.৭৩ শতাংশ। সুতরাং ব্যাংকগুলো চাইলেও সরকারকে বেশি সহায়তা দিতে পারবে না।’

পরে ‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদ’ শব্দ এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘সকলেই বলেছেন এই সংসদটা একটা ব্যতিক্রমধর্মী সংসদ। অনেক আন্দোলন সংগ্রামের পরে ত্যাগের বিনিময়ে সর্বজন গ্রহণযোগ্য একটা অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। দেশে-বিদেশে সম্মানিত হয়েছি। আমরা সম্মানিত হয়েছি। বিগত অনেকগুলো বছর ভোটারহীন নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ কলুষিত করা হয়েছে। সেইখানে সংসদের মর্যাদা অন্য যেকোনো সংসদের চেয়ে আমরা মনে করি অনেক উঁচুতে। কিন্তু আমরা যখন বক্তব্য রাখি, দুঃখজনক হলেও সত্য হয়তো খেয়াল করি না। কিন্তু আমরা অনেকেই অবচেতন মনে হোক, সচেতন মনে হোক—এমন কিছু কথা সংসদে উচ্চারণ করি, যা আমাদের মর্যাদাকে খাটু করে। আজকের বক্তব্য চলাকালীন মাননীয় সংসদ সদস্য আবু তালেব (মূলত বক্তব্য দিয়েছেন ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা) উনি এক জায়গায় বলেছেন, ঋণখেলাপিদের এই সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলতে, এই যে ঋণখেলাপিদের এই সংসদ—এই শব্দ কোথা থেকে পেলেন।’

তখন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘মাননীয় সদস্য এটা ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বলেননি। আমি যতটুকু শুনতে পেরেছি এটা রুমিন ফারহানা বলেছিলেন।’

তখন মিলন বলেন, ‘যেই বলুক এই কথাটার প্রেক্ষিতে বলছি। একটা কথা আছে বাংলা ভাষায় মাননীয় স্পিকার যে, ভেড়ায় যদি ক্ষেত খায় সেই ক্ষেত টিকানো যায় না। এইখানে নির্বাচিত হয়ে নিজের মর্যাদা নিজের হানি করার জন্য আমরা যদি আত্মঘাতী সমালোচনা, আত্মঘাতী কথা বলি, ঋণখেলাপি হয়ে সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে না। সেখানে ঋণখেলাপিদের সংসদ কী করে হয়? আমি অনুরোধ করবো, আপনি এই শব্দটি এখান থেকে এক্সপাঞ্জ করবেন এবং ভবিষ্যতে আমরা যাতে বক্তব্য রাখি নিজেদের মানসম্মান হানি হয়, এমন কথা যেন অতি উৎসাহিত হয়ে না বলি এইজন্য সকলের প্রতি বিনয়ের অনুরোধ করছি।’

এরপর অধিবেশনে ফ্লোর নিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সংসদ সদস্যদের ঋণখেলাপি হওয়ার বিষয়টি সামনে আনেন। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম অধিবেশনেও অনেক সম্মানিত সংসদ সদস্যের কত ঋণখেলাপি রয়েছে, তার সংখ্যা উল্লেখ করেছিলাম, তবে সম্মানের কারণে নাম প্রকাশ করিনি। এখন যে দল ঋণখেলাপিদের নমিনেশন দিয়ে সংসদে নিয়ে আসে, এটা তাদের দায়। সংসদে এতগুলো ঋণখেলাপি থাকলে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এই সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলবে।’

তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘সংসদকে আমরা সার্বভৌম বলি। এখন এই সংসদে যদি আমরা ঋণখেলাপিদের ‘ঋণখেলাপি’ বলতে না পারি, তাহলে কোথায় বলব? আমার অনুরোধ থাকবে, এ ধরনের শব্দ এক্সপাঞ্জ (বাদ দেওয়া) করার মতো কোনো বক্তব্য নয়।’

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের বক্তব্যের জবাব দিতে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মহান জাতীয় সংসদের সব সদস্যকে সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের উচিত। এখানে যারা আছেন, কেউ ঋণখেলাপি নন। নির্বাচনী আইন (আরপিও) এবং অন্যান্য বিধিমালা অনুসারে, আদালত কর্তৃক কেউ ঋণখেলাপি সাব্যস্ত হলে তিনি নির্বাচনের অযোগ্য হন। তার নমিনেশন অবৈধ হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘যাদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে, তাদের কারও কারও বিরুদ্ধে ব্যাংকের বা প্রাইভেট মামলা ছিল, কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট থেকে সেগুলো নিষ্পত্তি হওয়ার পরই তারা বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। কেউ ব্যবসা-বাণিজ্য করতে গিয়ে ‘ঋণগ্রস্ত’ হতে পারেন, কিন্তু ‘ঋণখেলাপি’ হিসেবে তাদের ডিফেম (মানহানি) করা হচ্ছে। এটি মানহানিকর বক্তব্য, এটি এক্সপাঞ্জ হওয়া উচিত।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর ফ্লোর নিয়ে টিআইবির (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) তথ্য উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘টিআইবি সম্প্রতি বলেছে, এই সংসদের সদস্যদের কাছে দেশের ব্যাংকগুলোর পাওনা ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা।’

আইনজীবী হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যেহেতু একজন আইনজীবী, নির্বাচনের আগে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে কীভাবে রিশিডিউলিং করা হয়, সেটা আমি খুব ভালো করেই জানি। সিআইবির (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) নাম আসার পর কীভাবে রিট পিটিশন দাখিল করে তা স্টে (স্থগিত) করে ইলেকশন করা হয় এবং এরপর আবারও সুদ দেওয়া বন্ধ করা হয়, সেটাও আমরা ভালো বুঝি।’

Continue Reading

Trending