Connect with us

top1

এনসিপি নেতাকে গুলির বিষয়ে যা জানা যাচ্ছে, তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

Published

on

খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক এবং খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক মো. মোতালেব শিকদারকে (৪২) সোনাডাঙ্গার একটি ভাড়া বাসার ভেতরে গুলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ‘অভ্যন্তরীণ বিরোধে’ সোমবার বেলা ১১টার দিকে ‘মুক্তা হাউজ’ নামের একটি বাসার নিচতলায় ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক কোনও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। গুলিবিদ্ধ মোতালেব এখন শঙ্কামুক্ত। তবে যে বাসায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেটির ভাড়াটিয়া এক এনজিওকর্মী তরুণী। তাকে খুঁজছে পুলিশ। তাকে আটকের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কী ঘটেছিল

ঘটনাস্থলের পাশের একটি ফার্মেসি থেকে পাওয়া ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওই বাসার মালিক ও আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানায়, মোতালেব শিকদারের মাথায় গুলি করা হয় মুক্তা হাউজের নিচতলায়। ওই বাসার ফ্ল্যাটটি গত ১ নভেম্বর ভাড়া নেন এক এনজিওকর্মী তরুণী। তিনি এক তরুণকে স্বামী পরিচয়ে ভাড়া নিয়েছিলেন। তবে সেখানে নানা পুরুষের যাতায়াত ছিল। গতকাল রাতভর বাসায় মদপানসহ আড্ডা চলেছে। সোমবার সকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মোতালেব হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ওই বাসায় যায় পুলিশ। তখন বাসায় মাদক ও নারীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র পাওয়া যায়। গত দেড় মাসে মাঝেমধ্যে সেখানে যাতায়াত করতেন মোতালেব। ঘটনার পরপরই ওই ভাড়াটিয়া তরুণী আত্মগোপন করেন।

যে কক্ষে গুলির ঘটনা ঘটেছে সেখানে তল্লাশি করে পাওয়া যায় মদের ছয়টি খালি বোতল, বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবনের সামগ্রী, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং অনৈতিক কার্যক্রমের আলামত। এ ছাড়া উদ্ধার হয়েছে একটি গুলির খোসা। পুলিশের ধারণা, ওই বাসায় মাদক সেবন কিংবা অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে গুলির ঘটনাটি ঘটেছে।

পরে আহত অবস্থায় মোতালেবকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে তার মাথায় গুলি ঢোকেনি। তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত। বর্তমানে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন। তার সিটি স্ক্যান রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে।

‘অভ্যন্তরীণ বিরোধ’ বলছে পুলিশ 

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুরে পুলিশের কাছে খবর আসে এনসিপির একজন গুলিবিদ্ধ হন। তিনি খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আছেন। গাজী মেডিক্যাল কলেজের পাশের রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে আমাদের জানানো হয়। ভুক্তভোগীর কাছে পুলিশের দল পাঠানো হয়। গাজী মেডিক্যাল কলেজের পাশের একটি ফার্মেসি থেকে ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়। ওই ভিডিও ফুটেছে দেখা যায়, রবিবার রাতে ভুক্তভোগী এবং তার সঙ্গে আরও দুজন পুরুষ একটি গাড়িতে করে আসেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে নেমে গাজী মেডিক্যালের পেছন দিকের আল আকসা মসজিদের দিকে আসেন। ওই সূত্র ধরেই ঘটনাস্থল শনাক্ত করা হয়।’

বাসায় মিললো মাদক ও গুলির খোসা

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মুক্তা হাউজ নামের বাড়িতে এসে দেখতে পাই, ঘটনাস্থল এখানেই। এখানে বিভিন্ন স্থানে আমরা রক্তের দাগ পেয়েছি। ঘরটিতে ঢোকার পর আমরা দেখতে পাই, সেখানে মাদকের ছড়াছড়ি। বিদেশি মদের বোতল, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং সেখানে আমরা একটি গুলির খোসাও পেয়েছি। এসব আলামত দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে এখানে যারা ছিলেন, তাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধে গুলির ঘটনাটি ঘটেছে।’

একই কথা বলেছেন সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘প্রথমে ভুক্তভোগী আমাদের জানিয়েছিলেন, রাস্তায় মোটরসাইকেলে এসে তাকে গুলি করে চলে যায়। পরে দেখলাম যে ঘটনা ঘরের ভেতরের। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, একজন–দুজন তাকে ধরে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে কারা হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেটাও আমরা খুঁজে দেখছি।’

যা বলছেন মুক্তা হাউজের মালিক

এ বিষয়ে মুক্তা হাউজের মালিক আশরাফুন নাহার বলেন, ‘যে ফ্ল্যাটে গুলির ঘটনা ঘটেছে, সেটি নভেম্বর মাসে একজন তরুণী ভাড়া নেন। স্বামীসহ থাকবেন বলেছিলেন। কিন্তু বাসাটিতে নিয়মিত অন্যদের যাতায়াত ছিল। রাত-বিরাতে ওই নারী অন্য পুরুষদের নিয়ে আসায় নানা ধরনের অভিযোগ পাচ্ছিলাম। এ কারণে তাকে বাসা ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়। এই মাস শেষে চলে যাওয়ার কথা ছিল। তার মধ্যে ঘটলো এমন ঘটনা। তবে গতকাল রাতে কারা বাসায় এসেছিল, তা আমার জানা নেই।’  

যা বলছেন এনসিপির নেতারা

এনসিপির খুলনা মহানগরের সংগঠক সাইফ নেওয়াজ বলেন, ‘মোতালেব শিকদার এনসিপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক এবং খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক। সামনে দলের একটি বিভাগীয় শ্রমিক সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল, সেটির প্রস্তুতিতে তিনি যুক্ত ছিলেন। এজন্য খুলনায় এসেছিলেন। কারা তাকে গুলি করেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে জানানো হোক।’

এনসিপির খুলনার সংগঠক হামীম আহম্মেদ রাহাত জানান, তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন যে ব্যক্তিগত কাজে বের হওয়ার সময় তার ওপর হামলা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করে বের করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এনসিপি নেতার গাড়ি উদ্ধার

তিনি বলেন, ‘খুলনা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। বিগত দিনে খুলনায় অহরহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এসব সন্ত্রাসী গ্রুপ আওয়ামী নেতাদের সহযোগী। আওয়ামী লীগের নেতাদের মদতে সন্ত্রাসীরা খুলনাকে অশান্ত করার মিশনে নেমেছে। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।’

রবিবার সন্ধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে সবশেষ কথা হয় মোতালেবের 

ছেলেকে গুলি করার ঘটনা জানতে পেরে হাসপাতালে ছুটে আসেন মোতালেবের মা রাবেয়া বেগম, স্ত্রী ফাহিমা আক্তার ও তিন বছরের কন্যাসন্তান। তারা জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যায় তার সঙ্গে সর্বশেষ মোবাইলে কথা হয় স্ত্রীর। মোতালেব তাকে জানান খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাদের একজন কর্মী আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। তার সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আছেন। এই কথা বলে মোতালেব ফোন রেখে দেন। রাতে আর কোনও কথা হয়নি। সোমবার বেলা ১১টার দিকে একজন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে ফোন করে জানান গুলি করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে দেখতে আসেন তারা।

মোতালেবের মা বলেন, ‘আমার ছেলে আগে কোনও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। এনসিপি দিয়ে তার রাজনীতি শুরু। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা হয়েছে।’

তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

র‌্যাব, পুলিশ ও সিআইডি সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতভর ওই ফ্ল্যাটে মোতালেব শিকদারের সহযোগীরা ইয়াবা সেবন, মদপান করাসহ আড্ডা দিয়েছেন। নিজেদের মধ্যে কোনও বিরোধ নিয়ে মোতালেবকে গুলি করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কান চেপে ধরে মোতালেব ওই বাসা থেকে বের হয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। এ সময় এক সহযোগী তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। গলির মাথায় মজিদ সরণিতে এসে তারা রিকশাযোগে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। এ ঘটনার পরপরই ওই ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে বেরিয়ে যান ভাড়াটিয়া ওই নারী। এরপর থেকে তাকে খুঁজছে পুলিশ।

র‌্যাব, পুলিশের একটি সূত্র জানায়, এনসিপি নেতা মোতালেব খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর অনুসারী সৌরভ এবং তার সহযোগীদের সঙ্গে চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিলেন অভিযোগ আছে। এ নিয়ে আগে থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। চাঁদার অর্থের ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে অন্তর্কোন্দলের সূত্রপাত থেকে তাকে গুলি করা হয়েছে বলে ধারণা তাদের।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘মোতালেব শুরুতেই ভুল তথ্য দিয়েছেন আমাদের। পরে ঘটনাস্থল খুঁজে বের করি আমরা। কিন্তু আশপাশে কোনও সাক্ষী খুঁজে পাচ্ছিলাম না। ওই বাসার নিচে এনসিপির দলীয় স্টিকার সংবলিত প্রাইভেটকার দেখে সন্দেহ হলে ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোতালেবসহ আরও দুজন এখানে আসেন এবং রাতে ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন। সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে বলে জানতে পেরেছি আমরা। সহযোগীদের সঙ্গে কোনও কোন্দলের কারণে গুলির ঘটনাটি ঘটে। এর সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত আছে। মোতালেবকে জিজ্ঞাসা করলে আমরা বাকিদের নাম-পরিচয় জানতে পারবো। ওই তরুণী ঘটনার পর থেকে পলাতক। তাকে খুঁজছি আমরা। ঘটনায় জড়িত সবাইকে শিগগিরই আইনের আওতায় আনতে পারবো। তখন এর আসল রহস্য জানা যাবে।’

শঙ্কামুক্ত মোতালেব

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গুলিটি মোতালেব শিকদারের কানের নিচ দিয়ে চামড়া স্পর্শ করে বেরিয়ে যায়। এতে রক্তক্ষরণ হলেও প্রাণে বেঁচে যান। বর্তমানে খুলনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং শঙ্কামুক্ত। খুলনা সিটি ইমেজিং সেন্টারে তার মাথার স্ক্যান করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদনে মাথায় গুলির কোনও অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

চীনের গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ব্যবহার করে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইরান

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরানের হামলার বিষয়ে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরান গোপনে একটি চীনা গোয়েন্দা স্যাটেলাইট সংগ্রহ করেছে। এর মাধ্যমে চলমান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু বানানোর এক নতুন সক্ষমতা অর্জন করেছে দেশটি।

প্রতিবেদনটিতে ফাঁস হওয়া ইরানি সামরিক নথির বরাতে বলা হয়েছে, টিইই-০১বি নামের এই স্যাটেলাইট চীনা কোম্পানি আর্থ আই তৈরি ও উৎক্ষেপণ করেছিল।

চীন স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানোর পর ২০২৪ সালের শেষের দিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স এর নিয়ন্ত্রণ নেয়।

পত্রিকাটি আরও বলেছে, ইরানি সামরিক কমান্ডাররা এই স্যাটেলাইটকে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত মার্চে ওইসব স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে এবং পরে এ স্যাটেলাইট থেকেই ছবি তোলা হয়েছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বেইজিংভিত্তিক কোম্পানি এমপোস্যাটের গ্রাউন্ড স্টেশনগুলো ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে। এর মাধ্যমে তারা এশিয়া ও লাতিন আমেরিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্যাটেলাইটের তথ্য সংগ্রহ করতে পারছে।

তবে রয়টার্স এ খবরের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। হোয়াইট হাউস, সিআইএ, পেন্টাগন কিংবা চীনের কোনো দপ্তরই এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি। এমনকি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোও কোনো মন্তব্য করেনি।

এমপোস্যাটের সঙ্গে আইআরজিসির সম্পর্ক নিয়ে হোয়াইট হাউস সরাসরি কিছু বলেনি। তবে এ খবর ট্রাম্পের সেই হুঁশিয়ারির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যেখানে তিনি বলেছিলেন, ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিলে চীনের বড় সমস্যা হবে। এদিকে, চীনা দূতাবাস একে বানোয়াট অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

তথ্য বলছে, ১৩-১৫ মার্চ ওই স্যাটেলাইট সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটির ছবি তুলেছিল এবং ১৪ মার্চ ট্রাম্প সেখানে মার্কিন বিমান আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেন। এছাড়াও জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপরও ঠিক হামলার সময়েই নজরদারি চালিয়েছিল এই স্যাটেলাইট।

Continue Reading

top1

বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান

Published

on

By

বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ‘টাইম’ প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বুধবার ২০২৬ সালের এ তালিকা প্রকাশ করে ম্যাগাজিনটি।

প্রকাশিত এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় ‘লিডারস’ বা নেতা ক্যাটাগরিতে তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক এ স্বীকৃতিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সমৃদ্ধ আগামীর পথে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

টাইম ম্যাগাজিন তাদের বিশেষ প্রতিবেদনে তারেক রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরে রাষ্ট্র সংস্কারে তার দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছে। বিশেষ করে, গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের পর মাত্র দুই মাসেরও কম সময়ে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং ‘ফামার্স কার্ড’র মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

টাইমের এ স্বীকৃতি প্রমাণ করে, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন তার ফেসবুক পেইজে এ সংবাদটি নিশ্চিত করে জানান, তারেক রহমানের এই অন্তর্ভুক্তি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করেছে। টাইম ম্যাগাজিনের এই তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য এক ইতিবাচক বার্তা বহন করে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারেক রহমানের এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি এক অনন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই অর্জনে দেশজুড়ে আনন্দ ও গর্বের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও সাধারণ নাগরিকরা মনে করছেন, এটি কেবল একজন ব্যক্তির সম্মান নয়, বরং এটি বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘ লড়াই এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর একটি বৈষম্যহীন

Continue Reading

top1

কারাগার থেকে বার কাউন্সিল নির্বাচন করার সুযোগ চেয়ে সুমনের রিট

Published

on

By

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। কেরানীগঞ্জ কেন্ত্রীয় কারাগারে বন্দি যুবলীগের সাবেক এ আইন সম্পদকের পক্ষে বুধবার (১৫ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এ রিট দায়ের করেন।

রিটে বিবাদী করা হয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, আইন সচিব, বার কাউন্সিলের সচিব ও ঢাকার ডেপুটি কমিশনারকে। রিটের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী নিজে।

এর আগে ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর ১৯ মে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন ফরমে স্বাক্ষর প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়। ব্যারিস্টার সুমনের আইনজীবী লিটন আহমেদ এ আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, ব্যারিস্টার সুমন আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিতব্য ‘বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন-২০২৬’-এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক। এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্ধারিত ফরমে প্রার্থী ব্যারিস্টার সুমনের স্বাক্ষর প্রয়োজন।

ব্যারিস্টার সুমন যেন আসন্ন বার কাউন্সিল নির্বাচনের ফরমে স্বাক্ষর দিতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। ওই আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

Continue Reading

Trending