Connect with us

আন্তর্জাতিক

ওআইসি রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপস নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

Published

on

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাউন্সিলের বিশেষ অধিবেশনে তিনি এ বক্তব্য দেন।তিনি সোমালিয়ার একটি অঞ্চলকে ইসরায়েলের স্বীকৃতির বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী উল্লেখ করে এর নিন্দা জানান এবং সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও ঐক্যের প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তৌহিদ হোসেন বলেন, একতরফা সিদ্ধান্ত বা অবৈধ উদ্যোগ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়; ন্যায়বিচার, আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপাক্ষিকতার ভিত্তিতেই বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আন্তর্জাতিক

বিশাল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে ভারত-ইইউ

Published

on

By

ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে ইউরোপীয় গাড়ি এবং মদের ওপর আমদানি শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং বিনিময়ে ভারতের তৈরি পোশাক, গয়না, ইলেকট্রনিক্স ও রাসায়নিক পণ্যের জন্য ইউরোপের বিশাল বাজার উন্মুক্ত হবে।

আগামী ২৫ থেকে ২৮ জানুয়ারি ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েনের ভারত সফরকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা আসতে পারে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভারত ও ইউরোপের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই চুক্তির সমান্তরালে ভারত ও ইইউ একটি নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা চুক্তিতেও স্বাক্ষর করতে পারে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের পর ভারতই হবে তৃতীয় দেশ যাদের সঙ্গে ইউরোপ এই ধরনের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বে জড়াচ্ছে। এছাড়া উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী এবং শিক্ষার্থীদের চলাচলের সুবিধার্থে একটি ‘মবিলিটি এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৩৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, যা ২৭টি দেশের এই জোটকে ভারতের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারে পরিণত করেছে। তবে চুক্তির চূড়ান্ত ঘোষণার পর ইউরোপীয় পার্লামেন্টে এর অনুমোদনের জন্য আরও অন্তত এক বছর সময় লাগতে পারে।

বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিটি ভারতের জন্য অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্ব বহন করছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় আমদানির ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত করার পর ভারত এখন বিকল্প বাজারের সন্ধানে মরিয়া।

দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে উরসুলা ফন ডার লিয়েন জানিয়েছিলেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ে এখনো কাজ বাকি রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে গাড়ি আমদানিতে ভারতের উচ্চ শুল্ক হ্রাসের বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দরকষাকষি চলছে। এই শুল্ক কমলে ফক্সওয়াগন বা রেনল্টের মতো ইউরোপীয় গাড়ি নির্মাতারা ভারতের বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।

বাণিজ্যিক সুবিধার পাশাপাশি কিছু অমীমাংসিত চ্যালেঞ্জ বা ‘নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার’ নিয়েও নয়াদিল্লি উদ্বিগ্ন। এর মধ্যে ইইউ-এর নতুন কার্বন ট্যাক্স এবং ভারতের জন্য কিছু বিশেষ শুল্ক সুবিধা (জিএসপি) প্রত্যাহার অন্যতম। ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, এই সুবিধা স্থগিত হওয়ায় ভারতের প্রায় ১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা কাটিয়ে উঠতে এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি অত্যন্ত জরুরি।

দিল্লির থিঙ্ক ট্যাঙ্ক গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব মনে করেন, এই চুক্তির ফলে ভারতের তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি বেড়ে যাবে এবং বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর সাথে ভারত সমান তালে পাল্লা দিতে পারবে।

সূত্র: রয়টার্স

Continue Reading

top2

ইউক্রেনের পাঁচটি জনপদ দখলের দাবি রাশিয়ার

Published

on

By

মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইউক্রেনের খারকিভ ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চল এবং দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের পাঁচটি জনপদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৭ থেকে ২৩ জানুয়ারির মধ্যে এসব এলাকা দখল করা হয়েছে। রুশ বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, খারকিভ অভিমুখে চালানো সক্রিয় অভিযানে ব্যাটলগ্রুপ নর্থ খারকিভ অঞ্চলের সিমিনোভকা জনপদ দখল করে। একই সময়ে ব্যাটলগ্রুপ সাউথ দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের প্রিভোলিয়ে দখলে নেয়। ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের অভিযানে দোনেৎস্ক অঞ্চলের নভোপাভলোভকা তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ছাড়া ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের প্রিলুকি এবং ব্যাটলগ্রুপ দনিপ্র একই অঞ্চলের পাভলোভকা দখল করেছে বলে জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৭ থেকে ২৩ জানুয়ারি সময়কালে ইউক্রেনীয় বাহিনীর তথাকথিত ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাবে রুশ সশস্ত্র বাহিনী একটি বৃহৎ ও পাঁচটি সমন্বিত নির্ভুল হামলা চালায়। এসব হামলায় ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো, গোলাবারুদ ও জ্বালানি গুদাম, দীর্ঘপাল্লার ড্রোন উৎপাদন ও সংরক্ষণ কেন্দ্র, ড্রোন উৎক্ষেপণস্থল এবং ইউক্রেনীয় সেনা ও বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধাদের অস্থায়ী অবস্থান লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, এক সপ্তাহে ব্যাটলগ্রুপ নর্থের অভিযানে এক হাজার ১১০ জনের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে। খারকিভ ও সুমি অঞ্চলে চালানো হামলায় ইউক্রেনের যান্ত্রিক, আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা, ন্যাশনাল গার্ড ও সীমান্তরক্ষী ইউনিটগুলোর নয়টি সাঁজোয়া যান, ১০৭টি সামরিক যান ও ১৮টি ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০টি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা ও কাউন্টারব্যাটারি রাডার এবং ২৩টি গোলাবারুদ ও রসদ গুদাম ধ্বংসের দাবি করা হয়।

ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট এক সপ্তাহে এক হাজার ৪০০ জনের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত করার দাবি করেছে। তাদের অভিযানে দুটি ট্যাংক, ১৮টি সাঁজোয়া যান, ১৫০টি সামরিক যান ও ১১টি ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে ২৯টি গোলাবারুদ গুদাম ধ্বংসের কথাও উল্লেখ করা হয়।

ব্যাটলগ্রুপ সাউথের অভিযানে এক সপ্তাহে এক হাজার ২৫৫ জনের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে বলে রাশিয়ার দাবি। এ সময় ৩৩টি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত দুটি স্ট্রাইকার ও চারটি এম–১১৩ সাঁজোয়া যান রয়েছে। এ ছাড়া ৮০টি সামরিক যান, ১৮টি আর্টিলারি গান, ১৩টি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও রাডার স্টেশন এবং ১১টি গোলাবারুদ ও জ্বালানি গুদাম ধ্বংসের তথ্য দেওয়া হয়।

সবচেয়ে বেশি হতাহতের দাবি করা হয়েছে ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের অভিযানে। এক সপ্তাহে তাদের অভিযানে দুই হাজার ৯৭০ জনের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে বলে জানানো হয়। এতে চারটি ট্যাংক ধ্বংস হয়, যার মধ্যে একটি জার্মান নির্মিত লিওপার্ড ট্যাংক রয়েছে। পাশাপাশি ৩৩টি সাঁজোয়া যান, ৫০টি সামরিক যান ও ১৫টি আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত দুটি ১৫৫ মিলিমিটার প্যালাডিন স্বচালিত কামান রয়েছে।

ব্যাটলগ্রুপ ইস্টের অভিযানে এক হাজার ৭৪০ জনের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ সময় তিনটি ট্যাংক, ২৩টি সাঁজোয়া যান, ৬৭টি সামরিক যান ও ১১টি আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনটি গোলাবারুদ ও রসদ গুদাম ধ্বংসের কথাও জানানো হয়।

ব্যাটলগ্রুপ দনিপ্রের অভিযানে আনুমানিক ৩৩৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে বলে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি। এ সময় ৩৭টি সামরিক যান, দুটি আর্টিলারি গান, ১৩টি ইলেকট্রনিক জ্যামিং স্টেশন এবং পাঁচটি রসদ গুদাম ধ্বংস করা হয়েছে।

এ ছাড়া এক সপ্তাহে ইউক্রেনীয় বাহিনীর আটটি মাল্টিপল রকেট লঞ্চার ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানায় রাশিয়া, যার মধ্যে তিনটি ছিল পশ্চিমা নির্মিত। পাশাপাশি একটি ওসা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে।

Continue Reading

top2

অজানা ভাইরাসের আতঙ্কে গাজা, বেড়েছে মৃতের সংখ্যা

Published

on

By

ফিলিস্তিনের গাজায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। সর্দি-জ্বরেই মৃত্যু হচ্ছে বাসিন্দাদের। আর এ সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে।

মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এমন একটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়। তাতে বলা হয়, ফ্লুয়ের উপসর্গ নিয়ে মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলেন মারওয়া কালুব। সাধারণ সর্দি-জ্বরের চিকিৎসা শেষে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরবেন—এটাই ছিল তার বিশ্বাস। কিন্তু হাসপাতাল থেকে বের হতে হয়েছে আট বছরের মরিয়মের নিথর দেহ নিয়ে।

৩৮ বছর বয়সী এই মা ভেবেছিলেন, প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা আর সাধারণ ওষুধেই মেয়ের সেরে ওঠা সম্ভব। বাস্তবে তা হয়নি। দীর্ঘ যুদ্ধ, অনাহার ও চিকিৎসাসেবার সংকটে বিপর্যস্ত গাজায় একটি সাধারণ অসুস্থতাই হয়ে উঠেছে প্রাণঘাতী।

প্রায় দুই বছর ধরে চলা ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। গত বছর অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও হামলা ও অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। ত্রাণ প্রবেশে বাধার কারণে মাসের পর মাস অপুষ্টিতে ভুগছে সাধারণ মানুষ, যার ফলে তাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

মরিয়মের খালা ইমান কালুব মিডলইস্ট আইকে বলেন, মেয়েটির আগে কোনো জটিল রোগ ছিল না। মৃত্যুর আগে তার তীব্র কাশি, বমি ভাব ও উচ্চ জ্বর দেখা দেয়। ধীরে ধীরে সে খাওয়া বন্ধ করে দেয়। পরিবারের ধারণা ছিল, ভাইরাসজনিত অসুস্থতা—সময় লাগলেও সেরে যাবে। কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজাজুড়ে একটি রূপান্তরিত ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এখনো ভাইরাসটি শনাক্ত করতে পারেনি। সীমিত পরীক্ষার সুযোগ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

১১ জানুয়ারি মরিয়মকে গাজার রানতিসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একসময় এটি কিডনি ও ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুদের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। ধারাবাহিক হামলায় হাসপাতালটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন সেখানে মূলত শ্বাসনালি ও অন্ত্রসংক্রান্ত সংক্রমণের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতালটির সেবা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালালেও রোগীর চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইমান কালুব জানান, হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর সংখ্যা এত বেশি ছিল যে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের দেখা পেতে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানান, মরিয়মের ফুসফুসের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। কার্যকর চিকিৎসা দেওয়ার মতো অবস্থা তখন আর ছিল না।

তিনি বলেন, মরিয়মকে শুধু অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। স্যালাইন দেওয়ার মতো সুযোগও ছিল না। পরিবারের ধারণা, তখন চিকিৎসকেরা বুঝে গিয়েছিলেন—এই শিশুটিকে আর বাঁচানো যাবে না।

গাজার বর্তমান বাস্তবতায় মরিয়মের মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অবরোধ, অনাহার ও ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থার মধ্যে সাধারণ রোগই প্রতিদিন কেড়ে নিচ্ছে শিশুদের প্রাণ

Continue Reading

Trending