Connect with us

ক্যাম্পাস

কোকোর নাম বিকৃত করে অবমাননা, ইবি ছাত্রদলের নিন্দা

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে ২০২৩ সালের এক ভিডিয়ো বক্তব্যে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননার অভিযোগ ওঠেছে কুষ্টিয়া সদর এমপি প্রার্থী (জামায়াত সমর্থিত) মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইবি শাখা ছাত্রদল। এনিয়ে প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়া, সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া ও নির্বাচন কমিশনারকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সংগঠনটি।

আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ ও সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুনের স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে ক্ষোভ প্রকাশ প্রকাশ করেন।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, কুষ্টিয়া সদর আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা কর্তৃক মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মরহুম আরাফাত রহমান কোকো-এর নাম বিকৃত করে কুরুচিপূর্ণ ও অমানবিক ভাষা ব্যবহার করায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল গভীর ক্ষোভ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।একজন সংসদীয় আসনের প্রার্থী হয়ে এ ধরনের নোংরা, অসভ্য ও ঘৃণাত্মক বক্তব্য কেবল একটি রাজনৈতিক পরিবারকে অপমান নয় বরং এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র ও সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর সরাসরি আঘাত। এই বক্তব্য প্রমাণ করে অভিযুক্ত প্রার্থীর রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও অসহিষ্ণু মানসিকতা।মরহুম আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন ভদ্র, শালীন ও দেশপ্রেমিক ক্রীড়া সংগঠক, যিনি রাজনীতির বাইরে থেকে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। একজন প্রয়াত ব্যক্তিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার শুধু অমানবিকই নয়, এটি সভ্য সমাজে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।প্রতিবাদলিপিতে ইবি ছাত্রদল দাবি জানান, অভিযুক্ত প্রার্থীর প্রকাশ্য ও নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা দাবি করছে; জামায়াতে ইসলামীকে এই বক্তব্যের দায় স্বীকার করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে; নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের অবমাননাকর ও উসকানিমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আইনগত ও গণতান্ত্রিক সকল কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে বলে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি। শহীদ জিয়ার আদর্শ, গণতন্ত্র ও সম্মানজনক রাজনীতির প্রশ্নে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আপসহীন থাকবে-এই প্রত্যয় আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি।

উল্লেখ্য, গত ২০২৩ সালে শহিদ জিয়া পরিবারের ছোট ছেলে কোকো-কে নিয়ে উদাহরণ দিতে গিয়ে কুকুর বানানোর চেষ্টা করেছিলেন আমার হামজা। তখন ক্ষমা চেয়েছিলেন তিনি। ভিডিয়োটি ফের ভাইরাল হলে শুরু হয় আবারও সমালোচনা। ফের আবারও ক্ষমা চেয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) তিনি জানান, আলোচিত ওই বক্তব্যটি সাম্প্রতিক নয়; এটি ২০২৩ সালের এবং সে সময়েই তিনি বিষয়টি নিয়ে অনুতাপ প্রকাশ করেছিলেন।সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমির হামজা বলেন, ‘মরহুম আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে তার বক্তব্যটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত। একটি বিষয় বোঝাতে গিয়ে উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি ভুল করেছিলেন এবং সে কারণেই তখনই দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। এখন আবারও তিনি ওই বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়েকেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও আন্তঃ অনুষদ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

Published

on

By

রাশেদ হোসেন,জাককানইবি প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও জুলাই-আগস্ট শহিদ স্মরণে আন্তঃ অনুষদ ছাত্র ফুটবল প্রতিযোগিতা- ২০২৬ উদ্বোধন করা হয়েছে। মাঠ ও প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

রবিবার(২ আগস্ট) বিকালে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই প্রতিযোগিতা ও মাঠের উদ্বোধনীপর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘কথায় আছে- সুস্থ্য দেহ সুস্থ্য মন, তাই দেহ ও মনের সুস্থ্যতার জন্য খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে অন্য অনেক খারাপ কাজ থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। বিশ্বে কোন কোন দেশ শুধু খেলার উপরই গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আমাদের ৫৭ একরের ক্যাম্পাসকে বাড়িয়ে আরও ৭৫ একর অধিগ্রহণের পথে অনেক দূর এগিয়েছি। অধিগ্রহণ করা হলে আমরা সেখানে স্পোর্টস কমপ্লেক্স বানাবো। সেখানে আরও খেলার মাঠসহ, সুইমিংপুলের ব্যবস্থা রাখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা খেলাধুলা করবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তর। তবে আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় দলে খেলার মতো খেলোয়াড় তৈরি করতে। খেলা একই সাথে একে অপরের ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি করে। খেলা একটি টিমওয়ার্ক, দলের একজন খেলোয়াড় একা গোল করতে পারে না, তাকে সকলের সহযোগিতা নিতে হয়।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মোফাছিরুল ইসলাম। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম উদ্বোধনী পর্বের সঞ্চালনা করেন। এসময় বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরর্চচা শিক্ষা দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি অনুষদের ৬টি দল (ছাত্র) অংশগ্রহণ করছে।

উদ্বোধনী দিনে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং কলা অনুষদ ও চারুকলা অনুষদের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ০৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বুধবার একই মাঠে ফাইনাল খেলা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

মাঠ ও খেলার উদ্বোধন শেষে মাননীয় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

Continue Reading

top3

সিসিআরটিবি’র উদ্যোগে ইবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

‘ওয়ান ম্যান, ওয়ান প্লান্ট – প্লান্ট টুডে, প্রটেক্ট টমোররো (One Man, One Plant – Plant Today, Protect Tomorrow)’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবেশ রক্ষা ও ক্যাম্পাসকে সবুজায়ন করতে শতাধিক জার্মান প্রজাতির রক্তকাঞ্চন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ট্রাস্ট বাংলাদেশ (সিসিআরটিবি)।

রোববার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনে ও ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ সংলগ্ন এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বৃক্ষরোপণের উদ্দেশে শাহ আজিজুর রহমান হল গেট থেকে একটি র‍্যালী বের হয়ে বৃক্ষরোপণের এলাকায় এসে শেষ হয়।

এ সময় সিসিআরটিবি’র সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এ সময় সংগঠনের সদস্যরা জানান, সিসিআরটিবি’র এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি চমৎকার আয়োজন। আমাদের এই বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এই ক্যাম্পাস সুসজ্জিত হবে ও দেশের অন্যতম সৌন্দর্যমন্ডিত ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সিসিআরটিবি’র সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন, “সিসিআরটিবি স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ভবিষ্যতেও আমরা ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করব।”

উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম বলেন, “একটি গাছ শুধু অক্সিজেনের উৎস নয়, এটি একটি সুস্থ, নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যতের প্রতীক। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য এবং এটি অন্যদেরও পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করবে।”

আরেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, “পরিকল্পিতভাবে সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করে তোলা সম্ভব। কয়েক বছরের মধ্যেই এই সড়কগুলো ফুলে-ফলে সুশোভিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করবে। আমি আশা করি, অন্যান্য ছাত্রসংগঠনও এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগে এগিয়ে আসবে।”

Continue Reading

top3

গণরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে কুবি উপাচার্যের কাছে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোতে স্বচ্ছ ও নীতিভিত্তিক আসন বরাদ্দ, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আবাসন ব্যবস্থা এবং গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবিতে উপাচার্যের কাছে পাঁচ দফা দাবি-সংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, আবাসিক হলে মেধা, দূরত্ব, আর্থিক অসচ্ছলতা ও অন্যান্য যৌক্তিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে সুস্পষ্ট, লিখিত ও স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন করে আসন বরাদ্দ নিশ্চিত করা; হলকে সর্বাত্মক রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থী ওঠানোর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব হল প্রশাসনের হাতে রাখা; গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ; নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য র‍্যাগিংমুক্ত, ভয়ভীতিহীন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা; এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংগঠনের সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, ‘বিজয়-২৪ হলের ছাত্রদল কর্তৃক প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থী ওঠানোর প্রতিবাদে আমরা উপাচার্য বরাবর পাঁচ দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। এছাড়া ২০১৭–১৮ ও ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী মাস্টার্স সম্পন্ন করার পরও হলে অবস্থান করছেন, তাদের বিষয়ে প্রশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, চব্বিশ-পরবর্তী ক্যাম্পাসে গেস্টরুম সংস্কৃতি, দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে হলে ওঠার প্রবণতার অবসান হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোকে কোনো দলীয় প্রভাবের আওতায় না রেখে কেবল শিক্ষার্থীদের আবাসন, পড়াশোনা ও সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত করার জন্য আমরা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমি তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। আমাদের নীতিমালায় এ বিষয়ে কী রয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর ছাত্র পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে হল প্রশাসনকে না জানিয়ে ছাত্রদলের দুই নেতার মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা উপাচার্যের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেয়।

Continue Reading

Trending