Connect with us

top1

কর ফাঁকির মামলায় খালাস পেলেন বিএনপি’র  দুলু

Published

on

কর ফাঁকির অভিযোগে দেড় যুগ আগে করা এক মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুলু আদালতে হাজির ছিলেন।

পরে তার আইনজীবী বোরহান উদ্দিন বলেন, এটি ছিল একটি হয়রানিমূলক মামলা। এ মামলায় এনবিআরের চারজন সাক্ষী দিয়েছেন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ বিএনপি নেতা দুলুকে মামলার অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন।

সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী বিএনপি নেতা দুলুর বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ আগস্ট এই মামলা দায়ের করেছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সহকারী কর কমিশনার হাফিজ আল আসাদ।

মামলায় বলা হয়, ১৯৮৩ সাল থেকে ২ কোটি ৩৪ লাখ ৩৭ হাজার ৫০১ টাকা আয়ের বিপরীতে ১০ লাখ টাকা আয়কর ফাঁকি দিয়েছেন ওই বিএনপি নেতা। এ ছাড়া প্রকৃত আয় ও ব্যয় সম্পর্কে আয়কর বিভাগকে ভুল তথ্য দিয়েছেন।

ওই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দুলু উচ্চ আদালতেও গিয়েছিলেন। তবে আদালতের সিদ্ধান্ত তার বিপক্ষে যায়।

পরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৩ সালের ৯ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করে দুলুর বিচার শুরু করে আদালত। সাক্ষীদের সাক্ষ্য, আত্মপক্ষ শুনানি ও যুক্তিতর্ক শেষে মামলা থেকে খালাস পেলেন এ বিএনপি নেতা। দুলু নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ সংসদে লড়ছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ, ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

Published

on

By

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গভীর ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে সরকার।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে এ-সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে একটি জনসমাবেশে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া হয়। যেখানে তিনি বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ভন্ডুল করতে তার দলীয় সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে সহিংসতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিপাক্ষিক বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং নিজ ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছে ঢাকা।

বাংলাদেশ সরকারের মতে, ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ এবং একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে ‘বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে’র অনুমতি দেওয়া রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতিমালা—সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ না করা। এ ছাড়া সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি। এতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে এবং এসব ‘চক্রান্ত’ নস্যাৎ করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় সরকার।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ৫ আগস্টের পর এই প্রথম ২৩ জানুয়ারি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে আসেন শেখ হাসিনা।

Continue Reading

top1

নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো সহিংসতায় দায়ী হবে আ.লীগ : অন্তবর্তী সরকারের বিবৃতি

Published

on

By

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে ‘নির্বাচন বানচালে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি’ রয়েছে উল্লেখ করে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি’ বলে দাবি করা হয়েছে।

সরকার বলছে, দিল্লিতে দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দিয়েছেন।

এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, নয়াদিল্লিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি।

‘এটি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’—উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সরকার আওয়ামী লীগকে দায়ী করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে সরকার বলছে, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে দায়িত্ব পালন করেনি। উল্টো নিজ ভূখণ্ডে তাকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

Continue Reading

top1

দেশে আগের মতো আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে

Published

on

By

দেশে আগের মতো আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে উল্লেখ করে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৫ বছর যেমন আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল সেই রকম একটি ষড়যন্ত্র আবারও শুরু হয়েছে। আপনাদের প্রতি আমার আহ্বান, এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সকলে সজাগ থাকবেন, সতর্ক থাকবেন।

কেউ যাতে জনগণের বেঁচে থাকার অধিকার ছিনিয়ে নিতে না পারে সে বিষয়ে আহ্বান জানান তিনি।

একইসাথে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে চট্টগ্রামে ইপিজেডের সংখ্যা আরো বাড়াবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

এছাড়া ক্ষমতায় আসলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

Continue Reading

Trending