Connect with us

জাতীয়

কুমিল্লায় ‘ধর্ষণকাণ্ড’র নেপথ্যে বিএনপির ওয়ার্ড কমিটির পদ, অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য!

Published

on

কুমিল্লার মুরাদনগরে কথিত ‘সংখ্যালঘু নারী ধর্ষণ’ ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনার তুঙ্গে। কিন্তু ধর্ষণের দাবি করা হলেও নেপথ্যে উঠে এলো ভিন্ন ঘটনা। ভিডিও ভাইরাল, রাজনৈতিক উত্তাপ, ধর্মীয় সংবেদনশীলতা- সব মিলিয়ে ঘটনার নেপথ্যে ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আর ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘৃণ্য চেষ্টা। অনুসন্ধানে উঠে আসছে এসব তথ্য। ধর্মীয় বিবাদ প্রকট ধারণ করলে মামলা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত ভুক্তভোগীর।

অনুসন্ধানে জানা যায়, শুধু ফজর আলীর সঙ্গেই নয়, বরং ফজর আলীর ছোট ভাই শাহ পরানের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল ভুক্তভোগী নারীর। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে ছিল অন্তর্দ্বদ্ধ। স্থানীয় রাজনৈতিক দ্বন্দ্বও যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। অতীতে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে রাজনীতি করলেও ৫ আগস্টের পর বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ফজর আলী। সেই সুবাদে গত ১০ মাস ধরে নিজ এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়ান ফজর আলী। বিএনপি সমর্থিত দলবল নিয়ে প্রায়ই এলাকায় মোরাল পুলিশিং অপারেশন চালাতেন তিনি। বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপির একটি ওয়ার্ড থেকে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন ফজর আলী। ওয়ার্ড পর্যায়ের এই পদকে কেন্দ্র করেই সব কিছু ঘটে। তবে, রাজনীতির এসব মারপ্যাচ বুঝতে পারেননি ভুক্তভোগী ওই নারী। তিনি গোপনে বড় ভাই ফজর আলী ও ছোট ভাই শাহপরান উভয়ের সঙ্গেই সখ্যতা রক্ষা করে গেছেন।

এছাড়া এলাকার সবাই উভয়ের (প্রবাসীর স্ত্রী ও ফজর আলী) পরকীয়ার বিষয়টি অবগত বলে জানিয়েছেন রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া খোকন। তিনি বলেন, ওই এলাকার সবাই উভয়ের পরকীয়ার বিষয়টি অবগত। ফাঁদ পেতে দু’জনকে হাতেনাতে ধরেছে একটি গ্রুপ। হয়তো তাদেরকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার জন্যই করেছে। তবে নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দিয়ে জঘন্য অপরাধ করেছে তারা।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাশের বাড়িতে পূজার অনুষ্ঠান শুরু হয়। ভুক্তভোগী ওই নারীর বাবা-মা পূজার অনুষ্ঠানে চলে গেলে ফজর আলীকে ডাকেন তিনি। ফজর আলী ওই বাড়ির দিকে রওনা করলে সেই সুযোগেই পরিকল্পিতভাবে ছোট ভাই শাহপরান ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন-সহ বেশ কয়েকজনকে নিয়ে ওই নারীর ঘরে যান। ফজর আলীকে বেধড়ক মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেয় তারা। আর প্রমাণ রাখতে ওই নারীর বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ করা হয়। এসব ভিডিও শাহপরানের সংরক্ষণে থাকলেও স্থানীয় ছাত্রলীগ সভাপতি সুমনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে পৌঁছায়। পরে আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ থেকে সংখ্যালঘু ইস্যুতে দেশে অস্থিরতা তৈরির উদ্দেশ্যে তা ভাইরাল করে দেওয়া হয়। ফজর আলীকে বিএনপি নেতা উল্লেখ করা হলেও জানা গেছে ৫ আগস্টে আগে তিনি আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।

সূত্রটি আরও জানায়, ছোট ভাই শাহপরানের উদ্দেশ্য ছিল তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে ওই নারীর পরকীয়া সম্পর্ক থেকে আলাদা করা ও ওয়ার্ড কমিটিতে পদ ভাগিয়ে নেওয়া। কিন্তু ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভিডিও ভাইরাল করে সংখ্যালঘু নারী ধর্ষণের প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে সরকারবিরোধী অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশে হাঁচিল করেন।

অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, ওই নারীর স্বামী দীর্ঘ ৫ বছর ধরে প্রবাসে রয়েছেন। এ সময়ই ফজর আলীর সঙ্গে গোপন সম্পর্ক গড়ে উঠে। একই সময়ে ফজর আলীর ছোট ভাই শাহপরানের সঙ্গেও সম্পর্ক গড়ে তুলেন ওই নারী। তবে ২৬ জুন রাতে ঘটনার পরদিন ২৭ জুন ওই নারী মুরাদনগর থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। যদিও তিনি ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে রাজি হননি, যা ধর্ষণের অভিযোগকে দুর্বল করে দেয়। সর্বশেষ শনিবার (২৯ জুন) ওই নারীর বক্তব্য গণমাধ্যমে এসেছে। যেখানে তিনি মামলা তুলে নিতে চাইছেন। এই মামলা তিনি চালাতে চান না।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, এটি পারস্পরিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। যা পরে রাজনৈতিক হাতিয়ারে রূপ নেয়। নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, ফজর আলী এখন বিএনপির ঘনিষ্ঠ, ওই রাতের ঘটনার সময়ও স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী তার সঙ্গে ছিল। অন্যদিকে ভিডিও ধারণ, মারধর এবং তা ভাইরাল করার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও এখন স্পষ্ট। সংখ্যালঘু নারীকে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক ইস্যু বানিয়ে সরকারবিরোধী প্রপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টাও ছিল বলে সন্দেহ করছেন তারা।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ফজর আলীকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান বলেন, পুরো বিষয়টি এখন তদন্তানাধীন। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, শেষ হলে বিস্তারিত জানাব। ফজর আলীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকের ছাড়পত্র পেলে তাকে আদালতে তোলা হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বাঁধনের ওপর হামলা আসলে গণতন্ত্রের ওপরই হামলা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Published

on

By

জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সংসদ সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। একইসাথে ইতালির ভেনিস শহরে প্রখ্যাত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর বিগত সরকারের সমর্থকদের হামলা এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদ পাওয়ার বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে বক্তব্যের শুরুতেই স্বৈরাচারী ও সন্ত্রাসী হাসিনা সরকারকে হটিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে জুলাই যোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন তিনি। একইসাথে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসা সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ইতালিতে হামলা: ‘বাঁধনকে দমানো এত সহজ নয়’

তিনি বলেন, আজমেরী হক বাঁধনের ওপর যে কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত সন্ত্রাসীরা, তা আসলে দেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ওপরই হামলা। এ বিষয়ে সকালে পররাষ্ট্র সচিবের সাথে কথা বলা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে। ইতালীয় পুলিশ ও ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী বাঁধনকে সব ধরনের কনস্যুলার সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাঁধনের সাথে ফোনে কথা বলে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় কোনও ছাড় নয়, আ.লীগ একটি মাফিয়া গ্যাং: তথ্য উপদেষ্টা

তিনি আরও বলেন, জনগণের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত এই সরকার ন্যায়বিচারের নীতিতে বিশ্বাসী। এ ধরনের হামলাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।

একইদিনে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও গর্বের মুহূর্তের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদ লাভ করতে যাচ্ছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন আর কোনো দেশের গোলামি বা দাসত্ব করবে না। বাংলাদেশ তার নিজস্ব স্বকীয়তা ও গতিতে চলবে। সংসদ ও জনগণের সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি শক্তিশালী মধ্যবর্তী প্রভাব বিস্তারকারী রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

Continue Reading

top1

গঙ্গা-তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে ভারতের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

Published

on

By

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ন্যায়সঙ্গত ও গ্রহণযোগ্যভাবে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, অভিন্ন নদ-নদীর পানি ব্যবস্থাপনা দুই দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই গঙ্গা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জবাবে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, এ বিষয়ে তার সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ। সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ, মর্যাদা ও জনগণের কল্যাণকে ভিত্তি করে দুই দেশের মধ্যে সম্মানজনক ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ আগ্রহী।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ভারত অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহী।

রাষ্ট্রপতি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্কসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, দুই দেশের সামর্থ্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারত আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে। এ সময় হাইকমিশনারও দুই দেশ ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

Continue Reading

top1

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে রিট কার্যতালিকায়

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় রিটটি ৬০ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলটির নেতা-কর্মীদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে প্রকাশনা, গণমাধ্যম ও অনলাইন প্রচারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার, মিছিল, সভা-সমাবেশ ও সম্মেলনসহ দলটির সব ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মো. আল আমিন নামে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের এক ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটে ২০২৫ সালের ১২ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে।

Continue Reading

Trending