Connect with us

সর্বশেষ

কুষ্টিয়ায় হাসপাতাল পরিষ্কার কাজে মুফতি আমির হামজা

Published

on

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করলেন আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কাজে যোগ দেন।

আমির হামজা বলেন, ‘কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি এখানে যেসব সংকট রয়েছে সেগুলো খুব তাড়াতাড়ি সমাধান করা হবে। কেবল বাহ্যিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না এই হাসপাতালের যারা ডাক্তার-কর্মকর্তা রয়েছেন তাদেরও মনের দিক দিয়ে পরিষ্কার হতে হবে জনগণকে সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর সময় আমির হামজার সঙ্গে ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দিন জোয়ারদার, শহর জামাতের আমির এনামুল হকসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুফতি আমির হামজা জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু, আপত্তি ভারতের

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

চীন ও পাকিস্তান তাদের অভিন্ন সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু করেছে। বুধবার ইসলামাবাদে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে ভারত।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ, বাণিজ্যিক চলাচল এবং দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কমিশনটি গঠন করা হয়েছে। উদ্বোধনী বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত ও সমুদ্রবিষয়ক বিভাগের উপমহাপরিচালক লি ইয়া এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের চীনবিষয়ক মহাপরিচালক বিলাল মাহমুদ চৌধুরী যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর কমিশন চালুকে দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের ভাষ্য, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও যৌথ জরিপের পাশাপাশি বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত চুক্তির ভিত্তিতে কমিশনটি গঠন করা হয়েছে। ওই চুক্তির ৪৫ নম্বর অনুচ্ছেদে সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন তদারকিতে একটি যৌথ কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছিল।

নতুন কমিশনের আওতায় সীমান্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিদর্শন, যৌথ জরিপ, সীমান্তচিহ্ন-সংক্রান্ত সমস্যা এবং সীমান্ত পারাপারের অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে। সীমান্তে বিভিন্ন ঘটনা মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগের ক্ষেত্রেও কমিশনটি কাজ করবে।

চীন-পাকিস্তান বাণিজ্য ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ খুনজেরাব সীমান্ত এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও এই সহযোগিতার আওতায় রয়েছে। তবে এটি ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির আওতায় গঠিত তৎকালীন যৌথ সীমান্ত নির্ধারণ কমিশন থেকে পৃথক।

কমিশন চালুর পর ভারত এর বিরোধিতা করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, নয়াদিল্লির অবস্থান এ বিষয়ে ‘স্পষ্ট ও ধারাবাহিক’। তার দাবি, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে এমন কোনো সীমান্ত নেই এবং তথাকথিত যৌথ কমিশনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তাই ভারত কমিশনটি প্রত্যাখ্যান করছে।

ভারত ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির বৈধতাও স্বীকার করে না। নয়াদিল্লির দাবি, ওই চুক্তির আওতাভুক্ত কিছু অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখের অংশ। একই সঙ্গে সিপিইসির একটি অংশ বিতর্কিত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে গেছে বলেও ভারত আপত্তি জানিয়ে আসছে।

জয়সওয়াল বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য অংশ। ভারতের ভূখণ্ড নিয়ে পাকিস্তান বা অন্য কোনো দেশের পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতের অবস্থান অনুযায়ী, ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তি তারা কখনো স্বীকৃতি দেয়নি এবং এটিকে অবৈধ ও অকার্যকর বলে মনে করে। দখলকৃত অঞ্চলের অবস্থান পরিবর্তন কিংবা ওই নিয়ন্ত্রণকে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টারও বিরোধিতা করবে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

Continue Reading

top1

জিপিএ-৫ পেয়েও একাদশে প্রথম ধাপে নির্বাচিত হননি ২২০৫ শিক্ষার্থী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে জিপিএ-৫ পেয়েও ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী কোনো প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হননি।

প্রথম ধাপে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জনকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আবেদন করেও কোনো আসন পাননি আরও ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১১টি কলেজে কোনো আবেদন জমা পড়েনি। এ ছাড়া ৪১৬টি কলেজে আবেদন থাকলেও কোনো শিক্ষার্থীকে সেখানে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। চলতি বছর একাদশে ভর্তির জন্য যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮ হাজার ১৮০টি।

শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।

সারাদেশে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। এবার কোনো ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদনের ফি ছিল ২২০ টাকা।

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পেরেছেন। পাশাপাশি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ ছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ভর্তি বা ছাড়পত্র (টিসি) দিতে পারবে না। অনুমোদন ছাড়া কোনো শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিলের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবি শহিদ ফেলানী হলের আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর শহিদ ফেলানী হলের শিক্ষার্থীদের উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের আধুনিকীকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে শহিদ ফেলানী হলের নিচ তলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ আধুনিকায়ন করা রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।

উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আমরা বদ্ধপরিকর। শহিদ ফেলানী হলের বিভিন্ন সমস্যা আমরা ধাপে ধাপে সমাধান করছি। গরমের দিনে বা পরীক্ষার সামনে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন, সেজন্য এসি রুম ও পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান এবং শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোছাঃ সিফাত রুমানা। এছাড়াও হলের সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending