Connect with us

ক্যাম্পাস

কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা আজ: প্রতি আসনে লড়ছেন ২৪ জন

Published

on

কৃষি গুচ্ছভুক্ত দেশের ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এমসিকিউ পদ্ধতিতে এই পরীক্ষা চলবে।ভর্তি কমিটি সূত্রে জানা যায়, এ বছর কৃষি গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মোট ৩ হাজার ৭০১টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৮৮ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে প্রতিটি আসনের জন্য লড়বেন প্রায় ২৪ জন।

পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবার ৯টি মূল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ সারাদেশে মোট ২০টি উপকেন্দ্রে একযোগে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো— বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ছাত্রদল কর্মী পরিচয়ে হলের সিটের প্রলোভন দেখালেন রাবির সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি
নিজ জেলার নবীন শিক্ষার্থীদের ছাত্রদল কর্মী পরিচয়ে হলের সিট সুবিধার প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। গত ৯ জুন তিনি ‘আরইউ-৭৩ (ঝিনাইদহ)’ নামের একটি গ্রুপে এই প্রলোভন দেখিয়েছেন।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীর নাম মাহির শাহরিয়ার তানিম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৫-২৬ বর্ষের নবীন শিক্ষার্থী।

তবে শাখা ছাত্রদল বলছে, তানিমকে তারা চিনেন না বা তাকে কখনো দেখেছেন কিনা সেটিও নিশ্চিত না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ক্যাম্পাসে আসার পর থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় এবং শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুলের অনুসারী। গত ৯ জুন ‘ঝিনাইদহ রাবি-৭৩’ নামে একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে তানিম রহমান ফেসবুক আইডি থেকে একটি বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে লেখা ছিল, “যদি কেউ ছাত্রদলের রাজনীতিতে আগ্রহী থাকো বা জাতীয়তাবাদী পরিবারের হও, কিছুদিনের মধ্যে ফর্ম ছাড়বে, পূরণ করতে পারো। হল সুবিধাসহ বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারো।” তার এই বার্তার বিরুদ্ধে সাথে সাথে প্রতিবাদ করেন গ্রুপে থাকা শিক্ষার্থীদের। যার প্রমাণও মেলে ওই স্ক্রিনশটে।

এ বিষয়ে ওই গ্রুপে থাকা দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয় প্রতিবেদকের। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন, হ্যাঁ, মেসেজটি সে-ই (ছাত্রদল কর্মী তানিম) দিয়েছিল। মেসেজটি দেওয়ার সাথে সাথে এক শিক্ষার্থী প্রতিবাদও করেছিল। গ্রুপে রাজনৈতিক কোনো নোটিশ দিতে মানা করলে তানিম (অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী) দুঃখপ্রকাশও করে।

ওই গ্রুপে থাকা আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমি নিজেও মেসেজটি দেখেছি। সেখানে ছাত্রদল করলে হল সুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে বলে উল্লেখ ছিল। তবে কয়েকদিন পর তানিম মেসেজটি ডিলিট করে দেয় এবং পরে গ্রুপ থেকেও বের হয়ে যায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে তানিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কোনো কিছু জানার থাকলে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে আছি। সরাসরি এসে আমার সাথে কথা বলেন। তবে প্রতিবেদক পরিবহন মার্কেটে এসে অভিযুক্তকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেয়নি।

তানিমের বিষয়ে জানতে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুলকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, আমি তানিমকে চিনিনা, তাকে কখনো দেখেছি কিনা সেটিও মনে পড়ছেনা। সংগঠন থেকে এমন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। আর আমাদের ছাত্রদলের ফর্ম ছাড়ার কোনো তথ্য বা নির্দেশনা নেই আপাতত, ফর্ম পূরণ করবে কীভাবে।

তানিমের অভিযোগের বিষয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমি এ বিষয়টি দেখেছি। সে এ বিষয়টা অস্বীকার করেছে। তার আইডি হ্যাক হয়েছে বলে জেনেছি। আমি তার সাথে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলব।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গোবিপ্রবি শিক্ষকের চাকরি বাতিল

Published

on

By

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় তাঁর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। রিজেন্ট বোর্ডের সর্বসম্মত মতামত অনুযায়ী, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনসংক্রান্ত অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার  মো: এনামুজ্জামান  স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়, অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ২৩/০৬/২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/৬ নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ফাতেমা খাতুন এর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির রিপোর্ট এবং শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ডে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং রিজেন্ট বোর্ডের সকল সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে এই ঐকমত্যে পৌঁছান যে, তিনি সরকারি চাকুরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত (Moral Turpitude) অভিযোগে সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্ত।

এমতাবস্থায় উক্ত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩/০৬/২০২৬ তারিখ (৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড অনুষ্ঠানের তারিখ) থেকে জনার ফাতেমা খাতুন (সহকারী অধ্যাপক, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, গোবিপ্রবি) কে বিশ্ববিদ্যাদয়ের শিক্ষক পদ হতে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করা হলো। অধিকন্তু বিশ্ববিদ্যালয় হতে তাঁর দ্বারা গৃহিত অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরাত দেওয়ার সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।

Continue Reading

top1

বিশ্বকাপ খেলা দেখার সময় হল সংসদ নেতাকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাকসু জিএস আম্মারের

Published

on

By

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ প্রদর্শনী চলাকালে হল সংসদের এক নেতাকে লাঞ্ছিত ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ জুন) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ফেসবুক গ্রুপ ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’-এ দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন লতিফ হল সংসদের জিএস নূরুল ইসলাম।

পোস্টে নূরুল ইসলাম দাবি করেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখতে তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শহীদ হবিবুর রহমান হল মাঠে যান। খেলার প্রথমার্ধে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ও হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাকে পাশে ডাকেন। পরে তিনি এলইডি স্ক্রিনের সামনে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে বসেন।

তার অভিযোগ, সেখানে বসার কিছুক্ষণ পর রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ এসে তাকে স্থান ত্যাগ করতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আম্মার তার গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং সেখান থেকে সরে যেতে বলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমি তার গায়ে স্পর্শও করিনি, টি-শার্টেও হাত দেইনি। উল্টো তিনি আমার সঙ্গে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, আমি তার জবাবও দেইনি। অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থেই তাঁকে কেবল স্থান পরিবর্তনের অনুরোধ করা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, মাঠে ছাত্রীদের খেলা দেখার সুবিধা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই ওই অনুরোধ করা হয়। নূরুল ইসলাম যেখানে বসেছিলেন, সেখানে থাকলে পেছনের দর্শকদের খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছিল।

রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, দড়ির ভেতরে বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনাটি ঘটেছে। খেলা চলার সময় তাঁদের তর্ক-বিতর্কের কারণে মাঠের শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি থামিয়ে দেন

Continue Reading

Trending