Connect with us

ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধে বেরোবি উপাচার্যের জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা 

Published

on

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিকসহ সব ধরনের সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা দিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত ‘পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক প্রকল্পের কিক-অফ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউএন উইমেনের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে  নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার আদর্শ স্মরণ করে উপাচার্য  বলেন, “বেগম রোকেয়া বিশ্বাস করতেন যে, ভীতি, বৈষম্য বা সহিংসতায় সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী পিছিয়ে থাকলে অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাঁর দেখানো আদর্শকে পাথেয় করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়, এটি সমাজেরই একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি। তাই সহিংসতা প্রতিরোধে শুধু ব্যক্তি উদ্যোগ নয়, প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত পরিবর্তন। আমরা অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, গোপনীয় এবং ভুক্তভোগীবান্ধব করতে কাজ করছি।”

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে জোর দিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই—ক্যাম্পাসে যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কোনো ধরনের ভয়, বৈষম্য বা হয়রানি ছাড়াই পড়াশোনা, কাজ এবং নিজেদের বিকাশের সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থান হবে জিরো টলারেন্স।”

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক মোসা. জেসমিন পারভীনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউএন উইমেন, সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

রাকসুর উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী স্বাস্থ্য ক্যাম্পের সমাপনী

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) উদ্যোগে এবং ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম ও ড্রিমারস কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চের সহযোগিতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী স্বাস্থ্য ক্যাম্পের সমাপ্তি হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ স্বাস্থ্য ক্যাম্পের কার্যক্রম শেষ হয়। এর আগে গতকাল রোববার (১১ অক্টোবর) ক্যাম্পটির কার্যক্রম শুরু হয়।

রাজশাহী মহানগরে এনডিএফ এর সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘৩ মাস পরপর যদি এরকম ক্যাম্পের আয়োজন করা হয় তাহলে রোগীরা ফলোআপ পায়। এটা করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে মেডিকেল ইউনিটটা আছে সেটা আরও শক্তিশালী করা দরকার। রাকসুকে আহ্বান জানাবো মেডিকেল ইউনিটটা আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে সমস্যাগুলো আছে তা সমাধান করা সম্ভব। যদি এরকম ক্যাম্পের আরও আয়োজন করা হয় তাহলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ সব সময় পাশে থাকবে।’

সমাপনি বক্তব্য রাকসু সহ-সভাপতি মোস্তাফিকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘গত দুই দিনে সম্ভাব্য ৮ থেকে ১০ হাজার শিক্ষার্থী সেবা নিয়েছে।এই সেবার মূল্যমান হিসাব করলে অনেক টাকা আসে।আমরা তবুও শিক্ষার্থীদের ফ্রি সেবা দিয়ে শুধু ইশতেহার বাস্তবায়ন করতেছি এরকম না। শিক্ষার্থীরা উপকৃত হলে আমরাও উপকৃত হবো।

তিনি আরও বলেন,‘আমাদের ৭৩ শতাংশ ইশতেহার বাস্তবায়ন হয়েছে। সামনে আমরা আরও কিছু ইশতেহার বাস্তবায়িত হলে আমাদের প্রায় শতভাগ ইশতেহার বাস্তবায়িত হবে।

অনুষ্ঠান শেষে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম ও ড্রিমারস কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চের নেতৃবৃন্দদের ক্রেস প্রদান করা হয়।

Continue Reading

top3

অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন

Published

on

By

‎
‎কুবি প্রতিনিধি:
‎
‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের নৃশংস হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলা বিভাগ।

‎মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় বাংলা ভাষা-সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি সাইফুল মালেক আকাশের সঞ্চালনায়
বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং সিন্ডিকেট সদস্য বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী, বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. গোলাম মাওলাসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা। ‎এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘বিচারের নামে প্রহসন, মানি না মানবো না’, ‘বিচার বিচার বিচার চাই, অপ্রতীম হত্যার বিচার চাই’, ‘জানোয়ারের ক্ষমা নাই, অপ্রতিম হত্যার বিচার চাই’, ‘অপ্রতিমের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’, ‘খুনির কোনো ছাড় নাই, ফাঁসি ছাড়া নিস্তার নাই’, ‘দাবি মোদের একটাই, অপ্রতিম হত্যার বিচার চাই’, ‘ন্যায়ের জন্য লড়াই হবে, হত্যাকারীর ফাঁসি হবে’ এসব স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, অভিযুক্তদের প্রকৃত বয়স নির্ধারণ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান। বিচার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তারা।

মানববন্ধনে বাংলা বিভাগের ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মোসাব আহমেদ সোহাগ বলেন, “আজ থেকে প্রায় এক মাস আগে অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়, তারপরও বিচারের দাবিতে আমাদের এখানে মানবন্ধন করাটা আসলে লজ্জাজনক। এক মাস পেরিয়ে গেলেও বিচার বিভাগের দ্বিচারিতা করছে। তারা আমাদের সামনে কিছুই প্রকাশ করতে চাচ্ছে না। তাদেরকে কিশোর বলে প্রমাণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা চাই বায়োলজিক্যাল টেস্টের মাধ্যমে প্রকৃত বয়স নির্ধারণ করে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা হোক।”

১৬তম আবর্তনের আরেক শিক্ষার্থী শানীন অশ্রু বলেন, “অভিযুক্তরা ১৮ বছরের নিচে হলেও প্রচলিত আইন পরিবর্তন করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই, এই হত্যাকাণ্ডের কোনো অপরাধী যেনো আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে না যায়। এরা যদি শাস্তির সম্মুখীন না হয় তাহলে পরবর্তীতে আরো বড় ধরনের অপরাধ করবে। কারণ তারা বিশ্বাস করে ফেলবে দেশের বিদ্যমান আইন তাদেরকে কিছুই করতে পারবে না। এই বিশ্বাস থেকেই তারা পরবর্তীতে দেশে জঙ্গিবাদ, অপহরণ, হত্যা সহ দেশে বিভিন্ন অরাজকতার সৃষ্টি করবে।”

মানববন্ধনে কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং সিন্ডিকেট সদস্য বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী বলেন, “যেখানে আমরা আজকে মানববন্ধন করছি, সেখানে অপ্রতিমের বাবাকে কোর্টে ঘুরতে হচ্ছে। যতদিন এই বিচার নিষ্পত্তি না হবে; যতদিন আমরা অপ্রতিম হত্যার বিচার না পাব, ততদিন আমরা রাস্তায় দাঁড়াবো। রাষ্ট্রের কর্ণধার যারা আছেন, তাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখবো। অপ্রতিম হত্যার ব্যাপারে কোনো প্রহসনমূলক বিচার আমরা মানবো না। অপ্রতিমের হত্যাকারীদের সংশোধনাগারে পাঠিয়ে এই বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা মানবো না।”

তিনি আরো বলেন, “আমরা বাংলা বিভাগ পরিবার প্রথম থেকে সোচ্চার আছি। যতদিন পর্যন্ত অপ্রতিম হত্যার বিচার না হবে, যতদিন পর্যন্ত খুনিদের ফাঁসি না হবে, ততদিন আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে যাব।”

বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. গোলাম মাওলা বলেন, “বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। আমাদের সন্তানেরা মারা যাচ্ছে কিন্তু আমরা এর যথার্থ বিচার পাচ্ছি না। আমরা যদি একটা সুষ্ঠু সমাজ নির্মাণ করতে চাই, তাহলে আমাদেরকে বিচার প্রক্রিয়া সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলার এমন অবনতি আমরা চাই না। আমরা প্রশাসনের কাছে জননিরাপত্তা এবং অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিচারব্যবস্থার সাথে যারা সংশ্লিষ্ট; তারা যেন অপরাধীদের আইনের কোনো ফাঁক-ফোকর বা বয়সের অজুহাতে বিচার থেকে রেহাই না দেয় সেই দাবি জানাচ্ছি।”

‎

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপ খুঁজতে শাবিপ্রবি ছাত্রদল নেতার এআই প্ল্যাটফর্ম

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ খোঁজা, আবেদনের যোগ্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথি তৈরির প্রক্রিয়া সহজ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ‘স্কলারভাই ডটকম’ তৈরি করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান। প্ল্যাটফর্মটিতে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে বিভিন্ন সেবা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

রাহাত জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। প্ল্যাটফর্মটি তৈরিতে তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তানভীর রহমান ও সংগঠনটির কর্মী ফরিদুল রেজা সাগর।

উদ্যোক্তারা জানান, প্রচলিত স্কলারশিপের তথ্যভান্ডারের বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) আপলোড করলে এআই প্রযুক্তি প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি প্রোফাইল তৈরি করবে। পরে ওই প্রোফাইলের সঙ্গে বিভিন্ন স্কলারশিপের শর্ত মিলিয়ে শিক্ষার্থীর উপযোগিতা যাচাই করা যাবে।

প্ল্যাটফর্মটিতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা বিবেচনায় জিপিএ, সিজিপিএ, আইইএলটিএস স্কোর, পড়াশোনায় বিরতি এবং ব্যাংক ব্যালেন্সের মতো বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। কোনো স্কলারশিপের জন্য শিক্ষার্থীর প্রোফাইলে ঘাটতি থাকলে তা পূরণে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেবে এআই ব্যবস্থা।

একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী নথি প্রস্তুতের সুবিধাও রাখা হয়েছে প্ল্যাটফর্মটিতে। এর ‘ডকুমেন্ট ওয়ার্কস্পেস’ সুবিধায় প্রতিটি আবেদনের জন্য আলাদা নথি ব্যবস্থাপনা করা যাবে। এ ছাড়া এআইয়ের সাহায্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রাম অনুযায়ী সিভি পরিমার্জনের সুযোগ রয়েছে। স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি) ও কাভার লেটারের খসড়া পর্যালোচনা করে সেগুলোর মানোন্নয়নে পরামর্শ দেবে ‘ডকুমেন্ট রেডিনেস স্কোর’ সুবিধা।

উদ্যোক্তাদের ভাষ্য, প্ল্যাটফর্মটির ‘এআই প্রফেসর আউটরিচ’ সুবিধার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অধ্যাপকের নাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য দিলে তাঁর সাম্প্রতিক গবেষণার বিষয় খুঁজে বের করে তথ্যসূত্রসহ পেশাদার ই-মেইলের খসড়া তৈরি করা যাবে। পাশাপাশি স্কলারশিপভিত্তিক আবেদন নির্দেশিকা ও কমিউনিটি ফোরামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশেষজ্ঞ ও সাবেক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

উদ্যোগের বিষয়ে রাহাত জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের অধিকার আর ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই আমাদের রাজনীতি। চীন সফর শেষে দেশে ফিরেই বিদেশে পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম করার ইচ্ছা ছিল। গত তিন মাস ধরে ওয়েবসাইটটি তৈরির কাজ করেছি।”

তিনি বলেন, শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস থেকে এমন একটি বৈশ্বিক শিক্ষাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

রাহাত জামান আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সেবাগুলো নিতে পারবেন। তবে একটি জিমেইল আইডি দিয়ে একবারই লগইন করা যাবে। এ ছাড়া বিদেশে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত শাবিপ্রবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সপ্তাহে একটি বিনামূল্যের সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ নিয়ে তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

প্ল্যাটফর্মটির কারিগরি দিক তুলে ধরে উদ্যোক্তা দলের সদস্য ফরিদুল রেজা সাগর বলেন, একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁরা বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপ খোঁজা, আবেদনের সঠিক নির্দেশনা পাওয়া এবং প্রয়োজনীয় নথি ব্যবস্থাপনার জটিলতা উপলব্ধি করেছেন। বিশেষ করে একাধিক স্কলারশিপে আবেদনের সময়সীমা মনে রাখা এবং এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে বারবার ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার বিষয়টি সময়সাপেক্ষ।

তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই দ্রুত সম্প্রসারণযোগ্য ও সহজে ব্যবহারযোগ্য ব্যবস্থাটি তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা পেয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনপ্রক্রিয়া আরও সহজে সম্পন্ন করতে পারবেন বলে তাঁরা আশা করছেন।

Continue Reading

Trending