Connect with us

top1

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে আহ্বান জানালেন ড. ইউনূস

Published

on

অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জনগণকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন; যা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে।

তিনি জানান, এই অর্জনকে স্থায়ী করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হয়েছে জুলাই সনদ। সনদ কার্যকর করার জন্য জনগণের সম্মতি অপরিহার্য, তাই আয়োজন করা হয়েছে গণভোট।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট অর্থ বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন থেকে মুক্ত বাংলাদেশ গঠনের পথে এগিয়ে যাওয়া। এতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধীদলের যৌথ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতার ভারসাম্য আসবে।

তিনি আরো বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে সংবিধান পরিবর্তনের জন্য জনগণের সম্মতি বাধ্যতামূলক হবে, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়বে এবং একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দশ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন না।

শেষে প্রধান উপদেষ্টা সবাইকে নিজে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে এবং অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করতে আহ্বান জানান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশনবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশনবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ

Published

on

By


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এই গেজেট প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আইনি জটিলতা ও প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে কিছু আসনে ফলাফল স্থগিত রাখা হয়। প্রাপ্ত ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে ইসি।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কারের ওপর জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ২৯৭ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে। এবার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৯৭ আসনের গেজেট ঘোষণা করলো ইসি।

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের ফলাফলে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন। দলটির মিত্র গণঅধিকার পরিষদ, বিজেপি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি করে আসন পেয়েছে।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে পেয়েছে ৬৮টি আসন। দলটির নির্বাচনী জোটের সঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন। আরেক জোটসঙ্গী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২টি আসন, খেলাফত মজলিশ পেয়েছে ১টি আসন।

এছাড়াও, ইসলামী আন্দোলন ১টি এবং ৬টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছে।

Continue Reading

top1

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলঘোষণা

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বাচনে ২০৯টি আসন বিএনপি, ৬৮টি জামায়াত, এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামি আন্দোলন ১টি, খেলাফত মজলিস ১টি, গণসংহতি ১টি, বিজেপি ১টি, গণঅধিকার ১টি, স্বতন্ত্র ৭টি আসনে জয় লাভ করেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। এই দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। একটি আসনের ফলাফল আগেই স্থগিত করা হয়।

আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনে মোট ভোট দিয়েছে ৫৯. ৪৪ শতাংশ। আর গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ প্রদান করেছে সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে ‘হ্যা’ ভোট দিয়েছে চার কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ এবং ‘না’ ভোট দিয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি।

তিনি আরও বলেন, গণভোটে ২৯৯টি আসনের গণভোট গণনা করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ২টি আসনে ফলাফল আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় সেখানকার প্রার্থীদের ভোট হিসেব করা হয়নি। আর আদালতের বাধা না থাকায় সেখানকার গণভোটের হিসেব করা হয়েছে। আর একটি আসনে নির্বাচন হয়নি।

Continue Reading

top1

সারাদেশে গড়ে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে: ইসি

Published

on

By

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে গড়ে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

তিনি জানান যে, ২৯৯টি সংসদীয় আসনে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার একটি ইতিবাচক মাইলফলক হিসেবে দেখছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর আকস্মিক মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট স্থগিত রাখা হলেও বাকি আসনগুলোর মধ্যে ইতিমধ্যে ২৯৭টির বেসরকারি ফলাফল হাতে এসেছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে রয়েছে এবং তারা ২০০টিরও বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দ্বিতীয় এবং জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মপ্রকাশ করা ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি) তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এবারই প্রথমবারের মতো ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’ বা রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৭২ শতাংশ ভোটার এই সংস্কার চার্টারের পক্ষে তাদের রায় দিয়েছেন। নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছিল।

বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও এই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পর্যবেক্ষণ শেষে সামগ্রিকভাবে ‘সন্তোষজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গতকাল সকালে ভোট প্রদানের পর দিনটিকে ‘নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন, যা জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সার্থকতা পেয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দীর্ঘ ১৮ মাস রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দীর্ঘ দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা এবং প্রযুক্তিগত কঠোর নজরদারির কারণে বড় কোনো কারচুপির অভিযোগ ছাড়াই এবারের ভোট সম্পন্ন হয়েছে।

ইসি সচিব আশা প্রকাশ করেছেন যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি আসনগুলোর ফলাফল ও প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নতুন সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভোটারদের এই সরব উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে মানুষ একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য কতটা উন্মুখ ছিল।

Continue Reading

Trending