Connect with us

top1

গুচ্ছভুক্ত ভর্তির ‘সাবজেক্ট চয়েস’ শুরু, চূড়ান্ত ভর্তি আগামী ৭ জুন হতে ১১ জুন

Published

on

গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘সাবজেক্ট চয়েস’ ও ‘বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দক্রম’ আবেদনের অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

৬ মে দুপুর ১২ টা হতে ১৩ তারিখ পর্যন্ত জিএসটি’র ওয়েবসাইটের (https://gstadmission.ac.bd) মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত শর্তানুযায়ী আবেদনকারী তার ভর্তিযোগ্য বিভাগের জন্য বিবেচিত হবে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ফি ৫০০ টাকা।

এর আগে গত রোববার ইবিতে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আয়োজিত এক সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হয়ে ১১ জুন পর্যন্ত চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে বলে ঘোষণা করা হয়। এসময় ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক ও ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়— ভর্তি কার্যক্রম চলাকালীন শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা, অনিয়ম বা ভোগান্তির সম্মুখীন না হন, তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেহেতু ভর্তি পরীক্ষা ইতোমধ্যে একটি অনুকূল ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, তাই ভর্তি প্রক্রিয়াটিও একই মান বজায় রেখে নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা জরুরি।”

বিশেষায়িত বিষয়সমূহ (চারুকলা, সংগীত, নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা, ফিল্ম এন্ড মিডিয়া এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান) পছন্দক্রমে অন্তর্ভুক্ত করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে (আলাদাভাবে আবেদনের প্রয়োজন নাই)। সেক্ষেত্রে প্রতিটি বিশেষায়িত বিষয়ের আবেদন ফি হিসাবে ৩০০ টাকা যুক্ত হবে। বিশেষায়িত বিষয়গুলোর পরীক্ষার তারিখ সহ বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।

যেভাবে ‘সাবজেক্ট চয়েস’ আবেদন করবেন:

• GST Admission ওয়েবসাইট (https://gstadmission.ac.bd)-এ Student Login সম্পন্ন করতে হবে।

• ‘View Eligible Subjects’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী GST বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে আবেদনের যোগ্য বিভাগের তালিকা দেখতে পাবে।

• ‘Add/Update Quota’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী কোটা তথ্য প্রদান/আপডেট করতে পারবে।

• ‘Apply with Subject Choice’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী বিভাগ/সাবজেক্ট পছন্দক্রম প্রদান ও পরিবর্তন করতে পারবে।

• ‘View Choice List’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী বিল পরিশোধের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সর্বশেষ বিভাগ/সাবজেক্ট পছন্দক্রম দেখতে পারবে।

• ‘Print Choice List’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী বিল পরিশোধের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সর্বশেষ বিভাগ/সাবজেক্ট পছন্দক্রমের PDF কপি ডাউনলোড করতে পারবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে অনিয়ম বরদাস্ত করা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ফ্যামেলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি; প্রকৃত হকদারদের ন্যায্যতার ভিত্তিতে কার্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এইচএসবিসি ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এবং ব্র্যাকের বাস্তবায়নে ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন সহায়তা প্রকল্প’-এর উদ্বোধন ও প্রকল্প পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে। অতীতে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলেও বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এতে দুর্নীতি কমার পাশাপাশি কাজ দ্রুত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষে সব ক্ষেত্রে সরাসরি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ নয়। সেবা প্রদানের ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলো যুক্ত থাকলে কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগও কমে।

সভায় জানানো হয়, জুলাই মাসের আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিবারগুলোর নিরাপদ আবাসন, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যবিধি, জীবিকা, কৃষি ও শিক্ষা খাত পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া, কক্সবাজারের চকরিয়া এবং চট্টগ্রাম নগরের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করবে ব্র্যাক। সাত মাস মেয়াদি প্রকল্পে ৪০০ পরিবারকে ল্যাট্রিন নির্মাণে সহায়তা, ৩০টি টিউবওয়েল মেরামত ও পুনর্নির্মাণ, ৩০০ পরিবারকে জীবিকা পুনরুদ্ধারে সহায়তা এবং ২৫০ পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর মেরামত ও পুনর্নির্মাণে সহায়তা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ৬০০ পরিবারকে কৃষি উপকরণ, ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় মেরামত ও পুনর্নির্মাণ এবং ১০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে ৩০০টি সচেতনতামূলক সেশন আয়োজন করা হবে।

প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১০ কোটি টাকা, যার পুরো অর্থায়ন করবে এইচএসবিসি ব্যাংক।

Continue Reading

top1

নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় নিহত প্রায় ৭০০, নিখোঁজ ৩ হাজার

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যা ও আকস্মিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৭০০ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নেপালে ৬৭৫ জন এবং চীনে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুই দেশে এখনও প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের শত শত বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে ধ্বংসস্তূপ ও পানির নিচে থাকা মরদেহ উদ্ধারে হিমশিম খাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপালকে মানবিক সহায়তা হিসেবে ৩৬ লাখ ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে দেশটি ৫ লাখ ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিল।

এদিকে চীনে গত বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার সকালে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চীনে নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৫৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক। এদের মধ্যে ১৮ জন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

গত বুধবার চীন সীমান্তের কাছে হিমবাহ ধসে বরফ ও পাথরের বিশাল স্তূপ নেমে আসার পর আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে নেপালের রাসুয়া ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বন্যার পানিতে ওই অঞ্চলের সড়ক, সেতু, বসতবাড়ি ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

দুর্যোগের পর নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ কারণে ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী এলাকার বাসিন্দা এবং উদ্ধারকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্যও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, পর্যটক ও বিদেশি কর্মীসহ ৫৮৯ জন বিদেশি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালি ও বিদেশি নাগরিক মিলিয়ে মোট ৭৫৩ জন পর্যটকেরও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে ১৮৩ জন ভারতীয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮৮ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও ২৮৭ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন। শনিবার একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত চার ভারতীয় নাগরিককেও উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে নিখোঁজদের পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণে সহায়তার জন্য ভারতের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল কাঠমান্ডুতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও চলছে। ফলে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা পরবর্তীতে পরিবর্তিত হতে পারে।

Continue Reading

top1

সবজিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অস্বস্তি মাছ-মুরগি-ডিমে

Published

on

By

রাজধানীর বাজারে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাছ ও মুরগির বাজার এখনো চড়া। বেশির ভাগ সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে ভোজ্যতেল, চিনি, আটা, ময়দা, ডিমসহ বেশকিছু পণ্যের দাম বাড়ছে। ফলে বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা।

দাম বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বোতলজাত ভোজ্যতেল ও চিনির সরবরাহ কমিয়েছে কোম্পানিগুলো। অনেক দোকানে তেল ও চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বর্তমানে প্যাকেটজাত ময়দা প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও এই ময়দা বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকায়। অর্থাৎ কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। বাজারে দুই কেজি ময়দার প্যাকেটের গায়ে লেখা দাম এখন ১৬০ টাকা, যা ১৪০ টাকা ছিল।

এদিকে, তেল ও চিনির বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। খুচরা বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা। প্যাকেটজাত চিনিরও গায়ে লেখা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২০ টাকা করা হয়েছে।

মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা চিশতি বলেন, কয়েক দিনের ব্যবধানে ৫০ কেজির এক বস্তা চিনির দাম ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছেন ডিলাররা। প্যাকেটজাত চিনির দামও কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়েছে।

তারপরও বাজারে অনেক দোকানে চিনি মিলছে না, সরবরাহ বেশ কমে গেছে। ক্রেতারা কয়েক দোকান ঘুরে তারপর প্যাকেটজাত চিনি কিনতে পারছেন।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মূলত কোম্পানি (মিলগেট) ও পাইকারি পর্যায়ে চিনির মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে পণ্যটির দাম বেড়েছে। মিলগেট থেকে আগের চেয়ে চিনির সরবরাহও কমেছে।

এদিকে, বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহও কমেছে। যদিও খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়লেও এখনো বোতলজাত তেলের দাম বাড়েনি। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, কোম্পানিগুলো দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি হিসেবে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে অনেক দোকানেই চাহিদা অনুযায়ী বোতলজাত তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

বাজারে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা পাম তেলের দাম প্রতি লিটার ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। আর সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা।

সম্প্রতি সবজির দাম কিছুটা কমেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে সরবরাহের ঘাটতির কারণে অনেক সবজির দাম কেজিতে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। পরে সরবরাহ বাড়ায় কিছু সবজির দাম কমেছে। বর্তমানে বেশির ভাগ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম।

কাঁচা মরিচের দাম স্বাভাবিক হয়েছে। রাজধানীর খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি।

এক ব্যবসায়ী বলেন, মূলত ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির সুযোগ দেওয়ার পর সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে দামও অনেকটা কমেছে।

অন্যদিকে, কয়েক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দামে অবশ্য বড় কোনো পরিবর্তন নেই। মানভেদে প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর দামও দীর্ঘদিন ধরে প্রায় একই রয়েছে। প্রতি কেজি আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তায় ভ্যানে পাঁচ কেজি আলু একসঙ্গে ১০০ টাকায় বিক্রি করতেও দেখা যাচ্ছে।

ডিমের দামও এখনো আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং চারটি ডিম ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছু পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে এক ডজন ডিম ১৬০ টাকাও বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এছাড়া বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Continue Reading

Trending