Connect with us

top1

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা: অনলাইনে উত্তেজনা, হাসিমুখে রানারআপ গ্রহণ

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

উচ্ছ্বাস, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রীতির এক আবহে তিন দিনব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পর্দা নেমেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বনাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) বাস্কেটবল খেলা নিয়ে দিনভর অনলাইনে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শেষ দিনের খেলায় বাস্কেটবল (পুরুষ) ইভেন্টে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে স্বাগতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও খেলায় এগিয়ে থাকা স্বাগতিক দল প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে এবং নির্ধারিত সময়জুড়ে দারুণ সমন্বয়, দ্রুত পাসিং ও নিখুঁত শটের মাধ্যমে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও পাল্টা লড়াইয়ে দৃঢ়তা দেখালেও শেষ পর্যন্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌশলী খেলায় তারা পিছিয়ে পড়ে।

সরেজমিন ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রেজানা গেছে, যখন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পয়েন্টের দিক থেকে এগিয়ে এবং জয়ের সম্ভবনা বেশি দেখা দেয়, ঠিক ইবি (৫৩) রাবি (২৮) অনেক ব্যবধানে পয়েন্টের অবস্থান ছিল। মাঝখানে দর্শক সারিতে টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কিছু জায়গা থেকে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান শোনা যাচ্ছিল। ওই মুহূর্তে রাবি শিক্ষার্থীরা আয়োজকদের না জানিয়ে ‘স্বজনপ্রীতি ও অসংগতির অভিযোগ’ তুলে মাঠ ছেড়ে (ওয়াকআউট) চলে যেতে চাইলে দর্শক সারির শিক্ষার্থীরা দরজা আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ঠেলাঠেলির মতো ঘটনাও ঘটে যায়।

পুলিশ, প্রক্টরিয়াল বডি ও আয়োজকদের হস্তক্ষেপে পুনরায় খেলা শুরু হয়। পরে দর্শক সারির ইবিয়ানরা সবাই ‘রাবি রাবি’ স্লোগান দিয়ে উৎসাহিত করার চেষ্টা করে। শেষে ইবি (৮৪) রাবি-কে (৩৮) হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষ হওয়ার পরে ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে বক্তব্য দিতে অপারগতা দেখায় রাবি শিক্ষার্থীরা। নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগের বিষয় জানাতে পারেনি তারা। বরং হাসিমুখে রানারআপ বুঝিয়ে নিয়ে বিদায় নিলেন রাবি।

রাশেদুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আজকের খেলার সেরা মূহুর্ত ছিল— যখন ইবিয়ানরা একসাথে হাততালি দিয়ে ‘রাবি রাবি’ করে স্লোগান দিচ্ছিল।”

প্রত্যক্ষদর্শী ইবি শিক্ষার্থী গোলাম রাব্বানী মিজান জানান, ম্যাচ শুরু, প্রথম ৩ পয়েন্ট রাবি এগিয়ে সেখান থেকে একটানা ৯ পয়েন্ট নিয়ে ইবি লিড নেয়। এই লিড ধরে রাখে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত প্রথম রাউন্ডে হাড্ডাহাড্ডি লড়ায়ে শেষে স্কোর বোর্ডে ইবি-২৩ ও রাবি-১৭ পয়েন্ট । দ্বিতীয় রাউন্ডেও হাড্ডাহাড্ডি লড়ায় এবার ব্যাবধান বেড়ে ইবি-৫৩ ও রাবি ২৮। এর পর শুরু নাটকীয়তা, ম্যাচে তৃতীয় রাউন্ডে গড়ালে রাবি ম্যাচ খেলায় অনীহা ভাব করে দ্বায়সারাভাবে দাড়িয়ে থাকে, পরবর্তী তে ওয়াকআউট করে মাঠের বাইরে গেলে ইবি ইনডোর স্টেডিয়ামে বৈরীতা সৃষ্টি হয় তার পূর্ব পর্যন্ত দুই দল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে, গ্যালারির কোনো সাইড থেকে কেউ কোনো খারাপ আচরণ করেনি। তবে স্লেজিং খেলার অংশ, হোমঅফ গ্রাউন্ড স্লেজিং নর্মাল বিষয়। পরবর্তীতে রাবি আবার মাঠে আসলে একটা প্লেয়ারকে জিগায়লাম “ভাই কী হয়ছে? কাহিনি কী?” সে কয় একটু সাফোকেশন—এর সমস্যা হচ্ছিল আমরা বাইরে গেছিলাম। অথচ যাওয়ার আগে মাঠে অনীহায় ৮ পয়েন্ট আদায় করে ইবি। দর্শকের জোরের মুখে পরে মাঠে ফেরে রাবি। ইভেন রাবি রাবি বলে ইবির গ্যাল্যারি ভর্তি দর্শক তাদের বাহবা দেয়। একটা জাতীয় খেলাকে ইচ্ছে করে রাবি টিম প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ইবি যথেষ্ট ভদ্র, এবং শোভনীয় আচরণ করেছে রাবির সাথে। আর তারা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের, বা বিভিন্ন পাব্লিকিয়ান পেজে পোস্ট কমেন্ট করে ম্যাচকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে যা অত্যন্ত শোচনীয় কাজ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা, আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

ডা. জাহেদ উর রহমান ঘটনাটিকে ‘আওয়ামী সন্ত্রাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই বিনা চ্যালেঞ্জে যেতে দেওয়া হবে না।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই শেখ হাসিনাকে ফেরত চায় ঢাকা। পুনর্মিলনের পথ তৈরি করতে হলে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দলটির মধ্যে এখন পর্যন্ত অনুতাপের লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং তারা নানা ধরনের সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন—এ কারণে তাঁকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও একই ধরনের আচরণের চেষ্টা হয়েছে। এ ছাড়া অভিনেত্রী বাঁধনকেও হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে পুনর্মিলনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রকাশ্যে সহিংসতা ও সন্ত্রাসে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে—এমন একটি দলের সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্মিলনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রশ্ন আসে না। পুনর্মিলনের ন্যূনতম সম্ভাবনা থাকলে আওয়ামী লীগেরই নিজেদের অবস্থান থেকে তা জানানোর কথা ছিল।

তিনি বলেন, দুই বছর পর দলটির আচরণ দেখে পুনর্মিলনের কোনো সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। ক্ষমা চাওয়া বা অনুতাপ প্রকাশের পরিবর্তে তারা হুমকি দিচ্ছে এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

Continue Reading

top1

হুতির হামলা: নিরাপত্তা শঙ্কায় প্রাসাদ থেকে প্রাসাদে ছুটছেন সৌদি যুবরাজ সালমান

Published

on

By

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা জোরদার হওয়ার মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কায় একের পর এক প্রাসাদ বদলাতে হচ্ছে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে। কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত এই প্রাসাদগুলোয় রয়েছে বাংকার-সুবিধা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

৪১ বছর বয়সী যুবরাজকে সর্বশেষ গত ৬ অক্টোবর জনসমক্ষে দেখা যায়। সেদিন তিনি দেশটির একটি জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে রক্ত দেন। এরপর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে যুবরাজের নিরাপত্তায় তার পছন্দের একটি বিশেষ দল নিয়োজিত রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

বিন সালমানের এই ‘প্রাসাদ থেকে প্রাসাদে পালানো’র এই খবর এমন এক সময়ে আসছে যখন হুথিরা ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাজধানী রিয়াদে বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে বারবার হামলার মুখে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর গত এক দশকের মধ্যে সৌদি আরবের ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। হুতিদের অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জন আহত হন। আহতদের অনেকের অবস্থা গুরুতর।

হামলার বিষয়ে অবহিত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংঘাতগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের মিত্রদের ওপর এটিই ছিল এককভাবে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। এতে ২৮ বছর বয়সী এক মিসরীয় বিমানবালা রক্তক্ষরণে মারা যান। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তার একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। হতাহতদের মধ্যে আরও কয়েকজনের অঙ্গহানির ঘটনা ঘটেছে।

সপ্তাহান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর থেকে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। গত পাঁচ দিনে বিমানবন্দরটিতে চারবার হামলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

১ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।

এই হামলাগুলো সৌদি আরবের রাজধানী রক্ষার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, যখন খবর বেরিয়েছে যে দেশটির ধেয়ে আসা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে আসছে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর উৎক্ষেপিত ইরানি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করতে সৌদি আরবও এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মতো বিপুল পরিমাণে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যয় করেছে। ফলে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যাপক চাপের মধ্যে আছে।

এদিকে সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমান সতর্ক করে বলেছেন, হামলার ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে এর জবাবও সমান গুরুতর হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের হামলায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন। মক্কা চুক্তির আওতাভুক্ত সৌদি আরবের মিত্ররাও রিয়াদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে ২০১৫ সাল থেকে সংঘাত চলছে। ওই বছর ইয়েমেনের সরকারের পক্ষে দেশটির গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। ২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হয়। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা শেষে হুতি নেতাদের নিয়ে তেহরান থেকে আসা একটি উড়োজাহাজ সানার বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করার সময় সৌদি বাহিনী সেখানে হামলা চালায়। বদলা নিতে হুতিরা আবার হামলা শুরু করে।

ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিরা মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের অন্যতম শক্তিশালী সশস্ত্র মিত্র। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, আরব উপদ্বীপের পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে তেহরান গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তার মতে, এই সংঘাত শুধু ইসরায়েলি শাসনকেই লাভবান করবে।

রোববার রাতে সৌদি ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সংঘাতের বিস্তার নিয়ে কথা বলেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, তিনি সামরিক পন্থার ওপর জোর দেওয়া এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি উপেক্ষা করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে সংলাপ শুরু করতে তেহরান সহায়তা করতেও প্রস্তুত বলে জানান তিনি।

সূত্র : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, দ্য নিউ এরাব

Continue Reading

top1

নিউইয়র্কে তোপের মুখে ড. ইউনূস

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তোপের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১২ অক্টোবর) কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দোহা থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছান ড. ইউনূস।

আট নম্বর টার্মিনালে পৌঁছালে কয়েকজন প্রবাসী তাকে লক্ষ করে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেন।

স্যোশাল মিডিয়ায ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হুইলচেয়ারে করে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তাকে লক্ষ্য করে ‘ইউ আর টেররিস্ট’, ‘ইউ কিল্ড বাংলাদেশিজ’, ‘গো ব্যাক’, ‘ইউ ডেস্ট্রয় ডেমোক্রেসি’, ‘ইউ কিল্ড থাউজেন্ডস অব পুলিশ’সহ বিভিন্ন মন্তব্য করেন উপস্থিত প্রবাসীরা। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা সেখান থেকে তাকে দ্রুত নিয়ে যান।

এ সময় ড. ইউনূস ও তার সঙ্গে থাকা লামিয়া মোর্শেদ দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে চলে যান বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি।

তবে এ ঘটনায় প্রবাসীদের পরিচয় এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি

Continue Reading

Trending