Connect with us

খেলাধুলা

চ্যালেঞ্জ লিগ থেকে খালি হাতে ফিরছে কিংস

Published

on

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে হার দিয়েই এবারের অধ্যায় শেষ করল বসুন্ধরা কিংস। গতকাল কুয়েত এসসির কাছে ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ২-০ গোলে হেরেছে তারা। গতবারের মতো কোনো পয়েন্ট ছাড়া ফিরতে হচ্ছে তাদের।

কুয়েতের জাবের আল-মুবারক আল-হামাদ স্টেডিয়ামে খেলতে যাওয়ার পথে শুরুতে বিড়ম্বনায় পড়ে কিংস। রাস্তায় আকস্মিক বিস্ফোরণে টিম বাসের একটি চাকা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে দলটি স্টেডিয়ামে দেরিতে পৌঁছায়।ম্যাচ কমিশনারকে খেলা ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করে কিংস। কিন্তু নির্ধারিত সময়েই শুরু হয় ম্যাচ।

তিনবারের এএফসি কাপ জয়ী কুয়েত এসসি খেলার শুরুটা করে দুর্দান্ত। প্রথম মিনিটেই সামি আল সানেয়ারের নিখুঁত ক্রসে ইউসেফ আল সুলাইমান হেডে বল জালে পাঠান। ১৭ মিনিটে ফয়সাল আল হারবির দূরপাল্লার শক্তিশালী শটে বল ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এ সময় তাহা খেনিসি ও মোহাম্মদ দাহামও সুযোগ পান, কিন্তু তাদের ফিনিশিংয়ে ঘাটতি ছিল।

প্রথমার্ধ জুড়ে কিংস পাত্তাই পায়নি। যোগ করার সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে কুয়েত এসসি। দাহামে ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ফ্লিকে কিংস গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে পরাস্ত করেন খেনিসি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলবেন রোনালদো: পর্তুগাল কোচ

Published

on

By

৪১ বছর বয়সে আরেকটি বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফিট থাকলে আসন্ন ২০৩০ বিশ্বকাপেও তাকে খেলাতে সমস্যা নেই পর্তুগালের, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটা জানিয়েছেন পর্তুগিজ কোচ রবার্তো মার্টিনেজ।

আসন্ন বিশ্বকাপের মধ্য দিয়ে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন রোনালদো। বয়সটা ৪০ পেরিয়ে গেলেও মাঠের ঝাঁজটা এখনও আছে পর্তুগিজ মহাতারকার। সৌদি ক্লাব আল নাসরের হয়ে নিয়মিত পারফর্ম করছেন। ফুটবল থেকে কবে অবসর নেবেন এমন কোনো ইঙ্গিতও নেই। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলবেন রোনালদো। এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন পর্তুগালের কোচ।

২০৩০ সালের বিশ্বকাপে রোনালদো খেলতে পারেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে স্প্যানিশ রেডিও ‘কাদেনা সের’কে মার্টিনেজ বলেন, ‘কারো এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। সে এই জায়গা নিজের যোগ্যতায় অর্জন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আদর্শ পর্তুগালের সমস্ত তরুণ ফুটবলারদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই, কারণ সে তরুণদের জন্য এক চমৎকার রোল মডেল।’

২০০৩ সালে পর্তুগাল জাতীয় দলে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ২২৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন রোনালদো। দেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন তার। শুধু তাই নয়, সর্বোচ্চ (১৪৩) গোলের রেকর্ডও এখন রোনালদোর দখলে। এছাড়া বিশ্বের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডও রয়েছে তার।

Continue Reading

খেলাধুলা

১৬ হলুদ, ৪ লাল: যে রাতে ফুটবল ম্যাচ হয়ে উঠেছিল যুদ্ধক্ষেত্র

Published

on

By

ফুটবল কখনো কখনো শুধু গোলের গল্প নয়। কখনো এটি রাগের গল্প, প্রতিশোধের গল্প, নিয়ন্ত্রণ হারানোর গল্প। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন কিছু ম্যাচ আছে, যেখানে স্কোরলাইন মনে রাখতে হয় না; মনে থাকে বাঁশি, ধাক্কা, ট্যাকল, প্রতিবাদ আর রেফারির পকেট থেকে বারবার বেরিয়ে আসা কার্ড।

২০০৬ সালের ২৫ জুন, জার্মানির নুরেমবার্গে পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচটি ছিল তেমনই এক রাত। নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গ’। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচ, বড় দুই ইউরোপীয় দল, সামনে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট। কিন্তু সেই রাতে ফুটবল যেন ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে সরে গিয়ে জায়গা করে দেয় বিশৃঙ্খলাকে।

স্কোরলাইন ছিল পর্তুগাল ১, নেদারল্যান্ডস ০। গোল করেছিলেন মানিশ। কিন্তু এই ম্যাচকে কেউ শুধু সেই গোলের জন্য মনে রাখে না। মনে রাখে ১৬টি হলুদ কার্ড আর ৪টি লাল কার্ডের জন্য। বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন কার্ডের বৃষ্টি আগে দেখা যায়নি। রাশিয়ান রেফারি ভ্যালেন্তিন ইভানোভের জন্য ম্যাচটি হয়ে ওঠে এক দুঃস্বপ্নের রাত।

শুরু থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, এটি সাধারণ ম্যাচ হবে না। ট্যাকলের ভাষা ছিল কঠিন, শরীরী সংঘর্ষে ছিল উত্তাপ, দুই দলের খেলোয়াড়দের চোখে ছিল অদ্ভুত আগুন। পর্তুগাল-নেদারল্যান্ডস তখন কেবল প্রতিপক্ষ ছিল না; ম্যাচের ভেতর তারা যেন একে অন্যকে সহ্য করতেই পারছিল না। একটি ফাউল আরেকটি ফাউলের জন্ম দিচ্ছিল, একটি প্রতিবাদ আরেকটি উত্তেজনার দরজা খুলছিল।

প্রথমার্ধেই ম্যাচের স্বর বদলে যায়। পর্তুগালের কস্টিনিয়া দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এর আগে-পরে কার্ডের সংখ্যা বাড়ছিল, রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই দলের ক্ষোভও বাড়ছিল। ফুটবলে অনেক সময় রেফারি অদৃশ্য থাকলেই ম্যাচ সুন্দর হয়। কিন্তু নুরেমবার্গে রেফারি নিজেই হয়ে উঠলেন ম্যাচের সবচেয়ে দৃশ্যমান চরিত্র।

দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নেদারল্যান্ডসের খালিদ বোলাহরুজ লাল কার্ড দেখেন। পর্তুগালের ডেকোও দ্বিতীয় হলুদে মাঠ ছাড়েন। শেষে নেদারল্যান্ডসের জিওভানি ফন ব্রঙ্কহর্স্টও লাল কার্ড দেখেন। একসময় এমন দৃশ্য তৈরি হয়, যেখানে মাঠের বাইরের শাস্তিপ্রাপ্ত খেলোয়াড়রাও পাশাপাশি বসে আছেন, যেন ম্যাচের ভেতরকার যুদ্ধ শেষে সবাই একই অস্বস্তির সাক্ষী।

এই ম্যাচের সবচেয়ে অদ্ভুত দিক ছিল, ফুটবল বারবার শুরু হলেও ফুটবল বারবার থেমে যাচ্ছিল। বল গড়াচ্ছে, কিন্তু চোখ চলে যাচ্ছে রেফারির দিকে। আক্রমণ হচ্ছে, কিন্তু তার চেয়েও বেশি আলোচনা হচ্ছে পরের ফাউল নিয়ে। কে গোল করবে, সেই প্রশ্নের চেয়ে বড় হয়ে উঠছিল, কে পরের কার্ড দেখবে।

একের পর এক কার্ড দেখাতে হচ্ছিল রাশিয়ার রেফারিকে।

বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে উত্তেজনা থাকবেই। চাপ থাকবে, শরীরী খেলা থাকবে, ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ থাকবে। কিন্তু নুরেমবার্গের রাত আলাদা ছিল, কারণ সেখানে উত্তেজনা ম্যাচকে বড় করেনি, খেয়ে ফেলেছিল। পর্তুগাল জিতেছিল, কিন্তু সেই জয়ও পুরোপুরি নির্মল ছিল না। তারা কোয়ার্টার ফাইনালে গেলেও হারাল ডেকো ও কস্টিনিয়াকে। নেদারল্যান্ডস বিদায় নিল ক্ষোভ, হতাশা আর বিতর্ক নিয়ে।

এই ম্যাচের পর সেপ ব্ল্যাটার নিজেই রেফারিং নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছিলেন, যদিও পরে তিনি সেই মন্তব্যের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেন। ইভানোভ আর ওই বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পাননি। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, দায় কি শুধু রেফারির? নাকি খেলোয়াড়দেরও? কারণ কার্ড দেখানো যত সহজ, ম্যাচের মেজাজ আগেভাগে পড়া তত সহজ নয়। নুরেমবার্গে রেফারি, খেলোয়াড়, বেঞ্চ, আবেগ, চাপ, সব মিলেই এক অগ্নিগর্ভ দৃশ্য তৈরি করেছিল।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে লাল কার্ডের গল্প অনেক আছে। ১৯৮৬ সালে উরুগুয়ের হোসে বাতিস্তা স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৫৬ সেকেন্ডে লাল কার্ড দেখে ইতিহাসে ঢুকে যান। সেটি এখনো বিশ্বকাপের দ্রুততম লাল কার্ড। কিন্তু নুরেমবার্গের ম্যাচ আলাদা। কারণ এটি একটি মুহূর্তের পাগলামি ছিল না; এটি ছিল পুরো ৯০ মিনিটের ধীরে ধীরে ভেঙে পড়া শৃঙ্খলা।

ফুটবল সৌন্দর্যের খেলা, কিন্তু সেই সৌন্দর্য টিকে থাকে সীমার ভেতর। শক্ত ট্যাকল হতে পারে, আবেগ থাকতে পারে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হতে পারে। কিন্তু যখন প্রতিটি সংঘর্ষ প্রতিশোধের মতো লাগে, প্রতিটি বাঁশি যুদ্ধবিরতির মতো শোনায়, তখন ম্যাচ আর ম্যাচ থাকে না। হয়ে যায় এক সতর্কবার্তা।

২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে। নতুন ফরম্যাট, নতুন দল, নতুন গল্প। কিন্তু প্রতিটি বিশ্বকাপই পুরোনো ইতিহাসের ছায়া নিয়ে আসে। নুরেমবার্গ সেই ইতিহাসের এক অস্বস্তিকর অধ্যায়।

Continue Reading

top2

যুক্তরাষ্ট্র না দিলেও বিশ্বকাপে ইরানকে জায়গা দিলো মেক্সিকো

Published

on

By

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে ইরানের ফুটবল দলকে মেক্সিকোতে তাদের বেজক্যাম্প করার আনুষ্ঠানিক অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি দলকে নিজ দেশে থাকার অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শিনবাউম এই মানবিক ও ক্রীড়াসুলভ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সে প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শিনবাউম সোমবার এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবারের বিশ্বকাপে ইরানের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে; কিন্তু ওয়াশিংটন ইরানের পুরো ফুটবল দলকে টুর্নামেন্ট চলাকালে তাদের দেশে অবস্থান করার অনুমতি দিতে রাজি হচ্ছে না।

এই নজিরবিহীন জটিলতা নিরসনে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সরাসরি মেক্সিকো সরকারের দ্বারস্থ হয়। শিনবাউম স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইরানের ফুটবল দলকে মেক্সিকোতে থাকার সুযোগ না দেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ আমাদের নেই।’ তবে এই বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউস বা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এদিকে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহেদী তাজ গত শনিবার এক বিবৃতিতে জানান, বিশ্বকাপ চলাকালে তাদের জাতীয় দলের প্রাথমিক বেজক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা থেকে পরিবর্তন করে এখন মেক্সিকোর সীমান্তবর্তী শহর টিজুয়ানায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা জটিলতা এড়াতেই এই বিকল্প সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ইরানি ফুটবলাররা ইরান এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটে সরাসরি মেক্সিকোতে অবতরণ করতে পারবেন এবং সেখান থেকে ম্যাচ খেলার জন্য যাতায়াত করবেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর পর থেকেই বিশ্বকাপে দেশটির অংশগ্রহণ নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।

আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত উত্তর আমেরিকায় যৌথভাবে এই ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। টুর্নামেন্টের গ্রুপ ‘জি’-তে থাকা ইরান তাদের প্রথম দুটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে। যেখানে ১৫ জুন নিউজিল্যান্ড এবং ২১ জুন বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে দলটি। এরপর আগামী ২৬ জুন সিয়াটলে নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইরান ফুটবল দল।

সূত্র: রয়টার্স

Continue Reading

Trending