Connect with us

top3

বেরোবিতে বাংলা বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ ইউজিসির

Published

on

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি :

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) বাংলা বিভাগে একটি প্রভাষক পদের বিপরীতে দুজনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বাজেট অ্যাসেসমেন্ট দলের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে এ পর্যন্ত দেওয়া বেতন-ভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিশন।

ইউজিসির নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ও ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে কমিশনের একটি দল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেট অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মোট ২৯টি গুরুতর পর্যবেক্ষণ ও অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে প্রথম ক্রমিকেই বাংলা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৩ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলা বিভাগের জন্য মাত্র একটি স্থায়ী প্রভাষক পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুটি স্থায়ী প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয় বলে ইউজিসির পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে গোলাম রব্বানী ও মনির হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউজিসির হিসাবে, অতিরিক্ত নিয়োগের কারণে বছরে প্রায় ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকার অননুমোদিত আর্থিক দায় তৈরি হয়েছে। নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় এ খাতে কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইউজিসির অ্যাসেসমেন্ট দলের চূড়ান্ত সুপারিশে নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ অবিলম্বে বাতিলের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে এ পর্যন্ত দেওয়া বেতন-ভাতাসহ যাবতীয় অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা দ্রুত কমিশনকে অবহিত করতেও বলা হয়েছে।

ইউজিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাজেট অ্যাসেসমেন্টে চিহ্নিত ২৯টি পর্যবেক্ষণ নিষ্পত্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কমিশনের কাছে বক্তব্য পাঠানো হলেও বিষয়টি পুনরায় তুলে ধরা হয়।

কমিশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসব অনিয়ম দ্রুত নিষ্পত্তি না হলে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদার বিপরীতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নিতাই কুমার ঘোষ বলেন, “আমার কাছে এই বিষয়ে কোনো এভিডেন্স নেই। তাই আমি এখন কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।”

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান দাবি করেন, বিষয়টি ইউজিসির পর্যবেক্ষণে যেভাবে এসেছে, বাস্তবতা তেমন নয়। তিনি বলেন, “বিষয়টা এমন ছিল না। দুইটা বিজ্ঞপ্তিতে দুইটা নিয়োগ হয়েছে। আমরা ইউজিসিকে উত্তর দিয়েছি। বিষয়টি সময় নিয়ে আমরা তোমাদের উত্তর দেব। দুইটা বিজ্ঞপ্তি দুটো ভিন্ন সময়ে হয়েছিল।”

দুটি ভিন্ন বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ হয়ে থাকলে ইউজিসি কেন বিষয়টিকে অনিয়ম হিসেবে উল্লেখ করেছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার বলেন, “আমরা ইউজিসি থেকে যে টিম এসেছিল, তারা হয়তো বিষয়টি জানত না।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবির হলে অশ্লীল নামে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক, ডিভাইস ব্লক ও হুমকির অভিযোগ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হলের ৪০২ নম্বর কক্ষে ব্যবহৃত Wi-Fi রাউটারে অননুমোদিত প্রবেশ, নেটওয়ার্কের নাম পরিবর্তন করে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ডিভাইস ব্লক করে ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধা এবং অভিযোগ করার পর হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) লালন শাহ হল প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাকের কাছে লিখিত অভিযোগে দিয়েছেন ৪০২ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগপত্রে শিক্ষার্থীরা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে একই Wi-Fi রাউটারে অননুমোদিত প্রবেশ ও সেটিংস পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি অনুসন্ধান ও যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মীমাংসা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তারা। তবে বর্তমানে একই ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

তাদের দাবি, গত এক মাস ধরে কক্ষটির Wi-Fi নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস ধারাবাহিকভাবে ব্লক করা হচ্ছে। পাশাপাশি Wi-Fi-এর নাম পরিবর্তন করে বিভিন্ন অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অপমানজনক শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তারা ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধার পাশাপাশি মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, Wi-Fi ব্যবহার করতে না পারায় তাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ডাটা বা ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনে প্রয়োজনীয় অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এতে প্রতি মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বা তারও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। একই সঙ্গে অনলাইন ক্লাস, শিক্ষক-সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ, একাডেমিক উপকরণ সংগ্রহ, গবেষণা ও অন্যান্য শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ঘটনাটি যাচাই করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে কিছু স্ক্রিনশট ও কারিগরি তথ্য এসেছে। এর মধ্যে Device Name ও MAC Address-সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। একটি ডিভাইসকে ৪০৩ নম্বর কক্ষে অবস্থানরত শিক্ষার্থী ‘জিতু’র ব্যবহৃত বলে শনাক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

তবে শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করেছেন, শুধুমাত্র Device Name বা MAC Address-এর ভিত্তিতে তারা কাউকে দায়ী করছেন না। বরং সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের মালিকানা, রাউটারের সঙ্গে তার সংযোগ, Access History এবং Wi-Fi-এর সেটিংস পরিবর্তনের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—তা নিরপেক্ষ প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন এবং হলের Wi-Fi ও নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত কারিগরি দায়িত্বে থাকা টেকনিশিয়ান ‘জয়’-এর কাছে থাকা কারিগরি তথ্য, রাউটার-সংক্রান্ত রেকর্ড এবং পূর্ববর্তী ও বর্তমান ঘটনার বিষয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ও নিউজ প্রকাশের পর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। শারীরিক শিক্ষা ও
ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ‘সাব্বির’ কর্তৃক হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগও তুলেছেন এবং পৃথকভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাব্বির হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কাউকে কোন হুমকি দে‌ই নি। তাদের রাউটার কে নিয়ন্ত্রন করছে আমি জানিনা।’

অপরদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী জিতুকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

এবিষয়ে লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি আবাসিক শিক্ষকদের সাথে এ বিষয়ে বসবো এবং অপরাধীদের বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। পরবর্তীতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত সকলের সাথে বসা হবে।’

Continue Reading

top3

ইবি দুই শিক্ষার্থীকে গুম করার প্রতিবাদে শাখা শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

১৪ বছর ধরে নিখোঁজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মুকাদ্দাসের সন্ধান এবং গুমের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও কুষ্টিয়া জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময়, ‘আমার ভাই গুম হয়, প্রশাসন কি করে’; ‘ইসলামী ছাত্রশিবির, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’; ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’; ‘আওয়ামীলীগের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’; ‘অলি ভাই গুম হয়, প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

ছাত্রশিবিরের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সময়ে গঠিত ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি’র স্থবিরতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।

এসময় বর্তমান সরকারের প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে কুষ্টিয়া জেলা শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান বলেন, অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে গুম হওয়া সকলের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে এবং এই অপরাধের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে ছাত্রশিবির কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে শিবিরের দুই মেধাবী শিক্ষার্থীকে গুম করা হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বারবার যোগাযোগ করা হলেও বিগত স্বৈরাচারী সরকার বা প্রশাসন থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত কমিটির তৎপরতা দেখতে না পায় তাহলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কেউ যদি হাসিনার মত ফ্যাসিস্ট হতে চায় তাহলে তার পরিণতি হাসিনার থেকেও ভয়াবহ হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উপর আস্থা রাখতে চাই। সমাবেশ শেষে উপাচার্যের সাথে সাক্ষাৎ করবো এবং আমাদের কনসার্ন জানাবো।

Continue Reading

top3

কুবিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মোহাম্মদ খলিলুর রহমান নবী করিম (সা.) এর জীবনাদর্শ, মানবকল্যাণে তাঁর অবদান ও সিরাত পাঠের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘রাসুলের জীবনের প্রতিটা অধ্যায় আমাদের জন্য শিক্ষা, অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। আমার-আপনার দ্বারা যদি একজন রুমমেট বা সহপাঠী, একই ক্লাসের সঙ্গী যদি নামাজি হয়, দ্বীনদার হয়; এটার উসিলায় আল্লাহ আপনার জন্য নাজাতের ব্যবস্থা করতে পারেন। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব রাসুল (সা:) এর সিরাত অধ্যায়ন করা।’

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

উল্লেখ্য, ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে সৌদি আরবের মক্কা নগরে বিখ্যাত কুরাইশ বংশে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমানরা এই দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন।

Continue Reading

Trending