Connect with us

top1

জকসু নির্বাচন: ভিপিসহ ৩ শীর্ষ পদে শিবিরের জয়

Published

on

শিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী আব্দুল আলিম আরিফ, ভিপিপ্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ও এজিএসপ্রার্থী মাসুদ রানা। ছবি : আমার দেশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তিন শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীদের পরাজয় হলো।

কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে নির্বাচন কমিশন এই ফলাফল ঘোষণা করে।

৩৮ কেন্দ্রের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, শিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিবকে ৮৭৬ ভোটে হারিয়েছেন।

ভিপি পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন মোট ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।

জিএস পদে শিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। অর্থাৎ কুবরাকে ৩ হাজার ২৬৭ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন আরিফ।

সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে শিবিরের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৪ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী তানজিলকে ১ হাজার ৫৮ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন শিবির প্যানেলের প্রার্থী মাসুদ।

উল্লেখ, এর আগে কয়েক দফা পেছানো ও স্থগিতের পর গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় বহুল আকাঙ্ক্ষিত জকসু নির্বাচন। নির্বাচনে জকসু ও হল সংসদে ১৬ হাজার ৪৪৫ জন ভোটারের মধ্যে ৬৬ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে মোট ভোটারের মধ্যে নারী ভোটার ৮ হাজার ৪৭৯ জন এবং পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ১৭০ জন। কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট প্রার্থী রয়েছেন ১৯০ জন। ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে নেওয়া হয় ভোট। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ৩৮টি কেন্দ্র এবং একটি হল সংসদের জন্য আলাদা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম শুরু

Published

on

দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল থেকে এই সেবাটি আবারও সচল করা হয়। মূলত পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন ও প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এতোদিন এই সংশোধন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন এনআইডি মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।

এনআইডি মহাপরিচালক বলেন, আমাদের ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ হয়েছে। স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এনআইডি সংশোধন সেবাটি আজ থেকে পুনরায় চালু করা হয়েছে।

কেন এতদিন এই কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল— এমন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, আমাদের ওসিভি (আউট অব কান্ট্রি ভোটিং) ও আইপিসিভি (ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং) সিস্টেম নিয়ে বড় কাজ চলছিল। এই সময়ে এসব নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এখন কাজ শেষ হওয়ায় আমরা স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এসেছি। এ ছাড়া, ভোটের মাঠে প্রার্থীদের চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টিও এনআইডি কার্যক্রম বন্ধ থাকার অন্যতম কারণ।

উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এনআইডি সংক্রান্ত যেকোনো ভুল তথ্য প্রদান বা পরিবর্তন ঠেকাতে গত বছরের ২৪ নভেম্বর থেকে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রেখেছিল ইসি। আজ নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে এটি আবারও সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হলো।

Continue Reading

top1

শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ, ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

Published

on

By

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গভীর ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে সরকার।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে এ-সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে একটি জনসমাবেশে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া হয়। যেখানে তিনি বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ভন্ডুল করতে তার দলীয় সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে সহিংসতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিপাক্ষিক বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং নিজ ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছে ঢাকা।

বাংলাদেশ সরকারের মতে, ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ এবং একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে ‘বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে’র অনুমতি দেওয়া রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতিমালা—সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ না করা। এ ছাড়া সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি। এতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে এবং এসব ‘চক্রান্ত’ নস্যাৎ করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় সরকার।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ৫ আগস্টের পর এই প্রথম ২৩ জানুয়ারি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে আসেন শেখ হাসিনা।

Continue Reading

top1

নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো সহিংসতায় দায়ী হবে আ.লীগ : অন্তবর্তী সরকারের বিবৃতি

Published

on

By

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে ‘নির্বাচন বানচালে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি’ রয়েছে উল্লেখ করে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি’ বলে দাবি করা হয়েছে।

সরকার বলছে, দিল্লিতে দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দিয়েছেন।

এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, নয়াদিল্লিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি।

‘এটি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’—উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সরকার আওয়ামী লীগকে দায়ী করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে সরকার বলছে, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে দায়িত্ব পালন করেনি। উল্টো নিজ ভূখণ্ডে তাকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

Continue Reading

Trending