Connect with us

top2

জামায়াত জোটে থাকছে না চরমোনাই পীর-মামুনুলের দল!

Published

on

শেষ মুহূর্তে এসে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ আট দল। সংশ্লিষ্ট লিয়াজোঁ কমিটি দফায় দফায় বৈঠক করেও একক প্রার্থী নির্বাচনে কোনো সমাধানে আসতে পারেনি। বিশেষ করে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন ও মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আসন চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় এই জটিলতা দেখা দিয়ছে বলে জানা গেছে। এমনকি চাহিদা মতো আসন না পেলে এই সমঝোতা প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে আলাদা প্লাটফর্ম করার আভাস দিয়েছে এই দুটি দল। এ ধরণের উদ্যোগের পেছনে বিশেষ কোন মহলের আশ্বাস থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

এদিকে আসন সমঝোতা নিয়ে আট দলের জটিলতার মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে এনসিপি। জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিতে তাদেরও অন্তত অর্ধশত আসনের প্রত্যাশা রয়েছে। সমঝোতা হলে তাদের জন্য সবাইকে আরো ছাড় দিতে হবে। এছাড়া আরো কিছু দল আসন সমঝোতার জন্য যোগাযোগ করছে বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে জামায়াত সংশ্লিষ্ট এই নির্বাচনি সমঝোতা নিয়ে নতুন মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্রমতে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে অংশগ্রহণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাগপা ও বাংলাদেশ ডেভলেপমেন্ট পার্টি। ইসলামী দলগুলোর ভোট একবক্সে নিয়ে সরকার গঠনেরও টার্গেটে এগোতে চায় তারা। তবে শেষ মুহূর্তে এসে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় সেই উদ্যোগ প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চাহিদা মতো আসন সমঝোতা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অন্যদের চাহিদা পূরণ করলে জামায়াতের আসন অনেক কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে প্রত্যাশা অনুযায়ী আসন না পেলে এই প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে বিকল্প সিদ্ধান্ত এবং আলাদা প্লাটফর্ম করারও চিন্তা রয়েছে কয়েকটি দলের।

তবে জামায়াতসহ সব দলই এখনো চায় সমঝোতার ভিত্তিতেই নির্বাচন হোক। এক্ষেত্রে জামায়াতকেই বেশি ছাড় দেওয়ার কথা বলছেন অন্যরা। আগামীকাল শনিবারের মধ্যে এ বিষয়ে শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে সমাধানের আশা করছেন কেউ কেউ। আর এদিন সমাধান না হলে মনোনয়ন ফরম প্রত্যাহার পর্যন্তও অপেক্ষা করতে হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তবে আট দলের আসন সমঝোতার বিষয়টি ভালোভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও আট দলের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, জামায়াতের কাছে কোনো আসন নেই, আসন সবার। আট দলের সবাই ছাড় দিবে, সবাই মিলেই ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে যাব।

তিনি আরো বলেন, আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শিগগিরই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। এনসিপির সঙ্গেও আলোচনা-যোগাযোগ হচ্ছে। আরো ডজন খানেক দল যোগাযোগ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শতাধিক আসন দাবি করছে। আর মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চাওয়া কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ আসন। খেলাফত মজলিসের অপরাংশও বেশ সংখ্যক আসন চাইছে। এসব দলের চাহিদা পূরণ করে জামায়াতের আসন সংখ্যা অনেক কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে জামায়াত অন্তত দুইশ আসনে নির্বাচন করতে চায়। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মাঝে বেশ জটিলতা বিরাজ করছে।

সূত্রমতে, একটি বিশেষ মহল থেকে ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে আলাদা জোট করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। এতে তাদের নির্ধারিত আসনে অতীতের পাতানো নির্বাচনের মতো জয়ের আশ্বাসও দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। যে কারণে এসব দল জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করতে পারে।

এমনই আভাস দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের একজন সহকারী মহাসচিব জানান, তারা ১২০টি আসনে সমঝোতা করতে চেয়েছেন। এরমধ্যে শতাধিক আসন লাগবেই। তবে এনসিপি যুক্ত হলে জুলাই যোদ্ধাদের দল হিসেবে কিছুটা ছাড় দেওয়া হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ২০টি, খেলাফত মজলিসকে ১৫টি, খেলাফত আন্দোলনকে ৪ থেকে ৫টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ২ থেকে ৩টি, জাগপা একটি এবং বিডিপিকে দুটি আসন দিলেই হয়। সেক্ষেত্রে জামায়াত দেড়শ আসন নিলে সমস্যা হবে না। আর তারা যদি ১৮০ থেকে ১৯০ আসনে অনড় থাকে তাহলে হিসাব ভিন্ন দিকে যেতে পারে।

তবে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, আসন সমঝোতার বিষয় নিয়ে আলোচনা এখনো চলছে। এনসিপিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আরো কিছু দল আসতে চাচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য একটু সময় লাগছে।

আপনাদের দল কাঙ্খিত আসন পাচ্ছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু কোন জোট হয়নি, এখানে পাওয়া না পাওয়ার কোন কিছু নেই। কারো কাছে চাওয়ারও কিছু নেই। কাকে কোথায় দিলে ভাল হয়-সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সবকিছু সমঝোতার ভিত্তিতেই হচ্ছে, এখনো কোন জটিলতা হয়নি। অন্য কোন চিন্তাও স্পষ্ট হয়নি। আমরা সব দিক খেয়াল রেখেই এগোচ্ছি।

বিএনপি বা অন্য কোন মহল থেকে কোন প্রস্তাব বা চাপ আছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির থেকে কয়েকদিন আগে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা বলেছে, আপনাদের জন্য আমাদের দুয়ার খোলা আছে, আসলে আসতে পারেন। তবে যেহেতু আমরা একটা ঘোষণা দিয়েছি, সেটা বাস্তবায়নের ব্যাপারে আমাদের জিম্মাদারি আছে। আমরা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।

সমঝোতা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এক শীর্ষ নেতা বলেন-আমরা আট দলের আসন সমঝোতা ও ঐক্য অটুট রাখতে চাই, তবে তা অবশ্যই আমাদের দলের সম্মান-মর্যাদা বজায় রেখে। এজন্য জামায়াতকেই বেশি ছাড় দিতে হবে। সম্মানজনক আসন না পেলে বিকল্প চিন্তা করা হবে।

সূত্রমতে, এখন পর্যন্ত দলটির কাঙ্খিত আসনের ৬০ ভাগের মত পূরণ বা সমাধান হয়েছে। অন্তত ৮০ ভাগ পূরণ হলে সম্মানজনক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে দলের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, প্রত্যেকটা দলের আসন সংখ্যার চাওয়া-পাওয়ার সমাধান করা নিয়ে দেরি হচ্ছে। আমরা চাই সুষ্ঠু ও সম্মানজনক একটা সমাধান হোক। দুইএকদিনের মধ্যে এ নিয়ে শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হবে।

তবে শেষ পর্যন্ত আসন সমঝোতা নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, আসন সমঝোতা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু হয়নি, আলোচনা চলছে। ২৭ তারিখ পর্যন্ত সময় আছে, আলোচনার। কিছু আসনে সমঝোতা হয়েছে, বাকিগুলো মনোনয়ন জমার পরও হতে পারে। তবে সবাই তাদের কাঙ্খিত আসন চায়, আবার ঐক্যটাও ধরে রাখতে চায়। তাই এই ঐক্য ভাঙার কোন আশঙ্কা আছে বলে মনে হয় না। কিছু জটিলতা থাকলেও ঐক্য অটুট এমনকি আরো বড় পরিসরে হতে পারে।

বিএনপি বা অন্য কোন মহলের প্রস্তাব বা চাপ আছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে দেওয়া হয়েছিল, এখন কোন প্রস্তাব পাইনি। অন্য কোন দলও এই ঐক্য থেকে বেরিয়ে যেতে চাচ্ছে বলে মনে হয় না। তবে এ নিয়ে কিছু গুজব আবার কিছু উস্কানি দেওয়া হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

ভারতে স্টারলিংক বন্ধ, উগ্রপন্থীদের ব্যবহারের দাবি ‘ভিত্তিহীন’: মাস্ক

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

ভারতের আকাশসীমায় স্টারলিংকের স্যাটেলাইট বিম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশটির ভূখণ্ডে কোনো ব্যক্তি বা সশস্ত্র-উগ্রপন্থী গোষ্ঠী স্টারলিংক ব্যবহার করেছে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মাস্ক বলেন, ভারতের ওপর স্টারলিংকের স্যাটেলাইট বিম বর্তমানে বন্ধ। তাই ভারতে কোনো ব্যক্তি কোনো উদ্দেশ্যে এ সেবা ব্যবহার করেছে—এমন দাবি সত্য নয়।

এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, মিয়ানমার সীমান্তের কাছে মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনী একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছ থেকে স্টারলিংকের একটি স্যাটেলাইট টার্মিনাল উদ্ধার করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এক্সে দেওয়া একটি পোস্টের জবাবে মাস্ক বিষয়টি পরিষ্কার করেন।

প্রযুক্তিগতভাবে কোনো অঞ্চলে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ফুটপ্রিন্ট বা বিম সক্রিয় না থাকলে সেখানে স্যাটেলাইটটির কোনো কার্যকর সংযোগ পাওয়া সম্ভব নয়।

তবে ভারতে স্টারলিংকের বাণিজ্যিক সেবা চালুর ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাস্ক। তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী নিজেদের বাজারের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে স্টারলিংককে আটকে দিচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত ভারতের ১১ হাজার ২৫৬টি গ্রামে ফোর-জি নেটওয়ার্ক পৌঁছায়নি। প্রত্যন্ত অঞ্চল, দ্বীপ ও পাহাড়ি এলাকায় ফাইবার অপটিক বা মোবাইল টাওয়ার স্থাপন ভৌগোলিকভাবে জটিল হওয়ায় স্টারলিংকের মতো লো-আর্থ অরবিট (এলইও) স্যাটেলাইট ইন্টারনেট দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেওয়ার কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।

এদিকে ৭ অক্টোবর ‘ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস ২০২৬’-এ বক্তব্য দেন স্টারলিংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট (বিজনেস অপারেশনস) লরেন ড্রেয়ার। তিনি জানান, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনি কাঠামো মেনে স্টারলিংক নিজস্ব আর্কিটেকচার তৈরি করেছে।

ড্রেয়ার বলেন, ভারতের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিটি স্তরে কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়েছে। ভারতীয় ব্যবহারকারীদের তথ্য দেশটির ভেতরেই সংরক্ষণ করা হবে। এ লক্ষ্যে ভারতে ইতোমধ্যে ২০টি গেটওয়ে সাইটে শত শত অ্যান্টেনা নিয়ে স্থলভিত্তিক অবকাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে।

নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভারতে স্টারলিংকের অনুমোদন প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে—এমন খবরও নাকচ করেন ড্রেয়ার। তিনি জানান, দেশব্যাপী সংযোগ নিশ্চিত করতে ভারত সরকারের সঙ্গে স্পেকট্রাম বরাদ্দ ও বাণিজ্যিক লাইসেন্স পাওয়ার বিষয়ে তাদের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

Continue Reading

top2

রাবিতে সাংবাদিকদের উপর হামলায় ইবি সাংবাদিকদের প্রতিবাদ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উপর ছাত্রদল কর্তৃক হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে চোখে কালো ব্যাজ ধারণ করে এই প্রতিবাদ জানান তারা। ক্যাম্পাসের কর্তব্যরত তিন সাংবাদিক সংগঠন—ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটি, প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতি— যৌথভাবে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।

এসময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. সাকিব আসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি আবির হোসেন ও সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম সহ তিন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে তাঁদের চোখে কালো ব্যাজ ধারণ করে হাতে প্লে-কার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়। এসময় ‘ক্যামেরা কেড়ে নেওয়া যায়, সত্য নয়; কালো হাত ভেঙে দাও, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা দাও; সাংবাদিকদের সুরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করুন, রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা স্বীকার করুন; সাংবাদিকদের উপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করুন; Press freedom is our right, we will fight; প্রক্টর স্যার অসহায়, পুলিশ লেজ গুটিয়ে পালায়, সন্ত্রাসীরা দেশি অস্ত্র চালায়’ ইত্যাদি প্রতিবাদী লেখা সম্বলিত প্লে-কার্ড দেখা যায়।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ জানান, বাক স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত করায় আমরা কোনো বক্তব্য দেয়নি। মুখে কালো ব্যাজ ধারণ করে মৌন প্রতিবাদ জানিয়েছি। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা এবং সকল ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Continue Reading

top2

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, চাঁদাবাজির অভিযোগ নাকচ পুলিশের

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চাঁদাবাজির কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশের দাবি, নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গিয়াস উদ্দিন ইত্তেফাক ডিজিটালকে বলেন, হামলাটি সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। নিউ গিনি প্রপার্টিজের মালিক পক্ষের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

তিনি বলেন, সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা চাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো যোগসূত্রও পাওয়া যায়নি। পুরো বিষয়টি প্রপার্টিজের মালিক পক্ষের ব্যক্তিগত বিরোধ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্টুডিওটি ওই প্রপার্টিজের ভেতরে থাকায় ভাঙচুরের সময় সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতির ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি।

ভিডিওতে স্টুডিওর চেয়ার, টেবিল, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন আসবাব ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায়। কয়েকজন কর্মীকেও সেখানে কান্নারত অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিওতে সালমান জানান, হামলায় তার স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির অভিযোগ করেছিলেন, চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা চালানো হয়েছে। স্টুডিওর সিসি ক্যামেরা, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও আসবাব ভাঙচুরের পাশাপাশি কিছু মালামাল লুটের অভিযোগও ওঠে।

তবে পুলিশের বক্তব্য, হামলার মূল কারণ ছিল নিউ গিনি প্রপার্টিজের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধ। চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কারা জড়িত এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Continue Reading

Trending