Connect with us

সর্বশেষ

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

Published

on

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় রাতের আঁধারে সীমানা প্রাচীর ভেঙে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এমএ মোতালেব শরীফ।

সংবাদ সম্মেলনে মোতালেব শরীফ বলেন, কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কুয়াকাটা গেস্ট হাউসসংলগ্ন তার পৈতৃক সম্পত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দখলের চেষ্টা চালানো হয়। তার ভাগ্নে ও স্থানীয় জামায়াত নেতা শাহাবুদ্দিন ফরাজী দলবল নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন।

তিনি জানান, অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন ফরাজী কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুল মাল সম্পাদক এবং দলের রুকন সদস্য।

মোতালেব শরীফের দাবি, কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের পাশের ১২৪/১২২৬ নম্বর খতিয়ানের জমিটি তার বাবার মালিকানাধীন ছিল। বাবার মৃত্যুর পর আইনগত বণ্টনের মাধ্যমে তিনি ওই জমির মালিকানা লাভ করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জাল কাগজপত্র ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, গত ৩ জানুয়ারি অভিযুক্তরা গেস্ট হাউসের পেছনের অংশে স্থাপনা নির্মাণের হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এরপরও বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ শাহাবুদ্দিন ফরাজীর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহাবুদ্দিন ফরাজী বলেন, তিনি কোনো জমি দখল করতে যাননি। জমিটির মালিকানায় তার মা ও খালাদের ন্যায্য অংশ রয়েছে। নিজেদের প্রাপ্য বুঝে নিতেই সেখানে যাওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, বিষয়টি জমিসংক্রান্ত বিরোধ। লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে বেনজীরের প্রয়োজনীয় নথিপত্র

Published

on

By

দুবাইয়ে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারের পর তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া জোরদার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ লক্ষ্যে তার বিরুদ্ধে মামলাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র মঙ্গলবার (১৬ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ছয়টি মামলার মধ্যে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে করা একটি মামলায় আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে আবেদন করে উল্লেখ করেন, বেনজীর বিদেশে অবস্থান করছেন এবং বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতার করা প্রয়োজন। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালতের আদেশ পাওয়ার পর ১২ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে আবেদন করেন। আবেদনে গ্রেফতারি পরোয়ানা, মামলার বিবরণ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংযুক্ত করে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ঢাকা বিষয়টি ইন্টারপোলে পাঠায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে ইন্টারপোল। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডাটাবেজে তার তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয় এবং পরবর্তীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের নজরে আসেন তিনি।

দুদক জানিয়েছে, দুবাইয়ে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। এখন তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী, গ্রেফতারের ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ প্রত্যর্পণের আবেদন জমা দিতে হবে। এ কারণে দুদক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ সদর দপ্তর সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আজ বেনজীর আহমেদের মামলাসংক্রান্ত সব প্রয়োজনীয় নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে।

Continue Reading

top3

ফের সন্তানের প্রত্যাশায় নেইমার, বাড়ছে বিশ্বকাপে না ফেরার আশঙ্কা

Published

on

By

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামার আগে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমারের অনুশীলনে ফেরার কথা প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিলেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। মরক্কোর সঙ্গে লড়াইয়ে ১-১ সমতায় ড্র করার পর নেইমারের প্রয়োজনীয়তা আরও ভালোভাবে টের পাচ্ছিলেন অনেকে। তবে তার মাঠে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা যেন বেড়েই চলেছে।

এরই মাঝে পঞ্চম সন্তান প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন নেইমার ও তার বান্ধবী ব্রুনা বিয়ানকার্দি।

সোমবার (১৫ জুন) স্যোশাল মিডিয়ার এক পোস্টে তারা জানান, বিয়ানকার্দি প্রেগন্যান্ট এবং তৃতীয় কন্যা সন্তানের প্রত্যাশা করছেন। এর বাইরে বড় সন্তান ডাভি লুকা এবং হেলেনা নামে আরেকটি মেয়ে আছে নেইমারের।

এদিকে, ইএসপিএনেএক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গতকাল জাতীয় দলের অনুশীলনে ফেরার আশা ছিল নেইমারের। কিন্তু ডান পায়ের মাংসপেশিতে পাওয়া চোট নিয়ে নতুন করে পরীক্ষা করার পর তিনি অনুশীলনে যোগ দেননি। সেই পরীক্ষার ফলও তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন।

চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলার আশায় জাতীয় দলের বিমানে চড়লেও ১৭ মে সান্তোসের ম্যাচে পাওয়া চোট এখনও ডাগআউটে রেখেছে এই তারকা ফরোয়ার্ডকে।

আগামী ২০ জুন ফিলাডেলফিয়ায় ব্রাজিল নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে হাইতির বিপক্ষে। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে তার বেঞ্চে থাকার কথা আগেই জানিয়েছিলেন আনচেলত্তি। কিন্তু হাইতি ম্যাচের আগে পুরোদমে অনুশীলনে ফেরার প্রত্যাশা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

অন্যদিকে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম বলছে, নকআউট পর্বে (রাউন্ড অব ৩২) নেইমার পুরো ফিট হয়ে ফিরবেন বলে আশা করছে দলের মেডিক্যাল স্টাফরা।

মাঠে নেইমারের উপস্থিতি কতটা প্রভাব তৈরি করতে পারে সেটি মরক্কো ম্যাচে দেখা গিয়েছিল। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে তিনি ছিলেন ব্রাজিলের ডাগআউটে। এ সময় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেখা যায় আমেরিকান র‌্যাপার ট্রাভিস স্কট এবং সাতবারের সুপার বোল চ্যাম্পিয়ন টম ব্রাডিকে।

এ ছাড়া হাইড্রেশন ব্রেকে সতীর্থদের সঙ্গে কৌশল নিয়ে শলাপরামর্শ করার সময়ও নজর কেড়েছেন নেইমার। যার খানিক বাদেই ব্রুনো গুইমারেসের অ্যাসিস্টে দারুণ এক গোলে সেলেসাওদের সমতায় ফেরান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

বান্ধবী কারোল দান্তোসের সঙ্গে সম্পর্ক থাকাকালে প্রথমবার ছেলে সন্তানের বাবা হন নেইমার। সেই ডেভি লুকার বয়স এখন ১৪ বছর। পরে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার বিয়ানকার্দির গর্ভে প্রথম মেয়ে মাভিকে পান তারা। এরই মাঝে আমান্দা কিম্বার্লি নামে আরেক ব্রাজিলিয়ান মডেলের সঙ্গে রোমাঞ্চে জড়ান সান্তোস তারকা। মাভির চেয়ে নয় মাসের ছোট হেলেনার আগমন ঘটে সেই সুবাদে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৫ জুলাই নেইমার-বিয়ানকার্দির ঘরে আসে তৃতীয় কন্যা মেল–এর।

Continue Reading

top3

চাঁদা না দেওয়ায় ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চারজনকে মারধর

Published

on

By

ময়মনসিংহে চাঁদা না দেওয়া এবং নির্মাণাধীন ভবনের নির্মাণসামগ্রী স্থানীয়দের কাছ থেকে না কেনায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা, তার স্ত্রীসহ চারজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, শেরপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহ নগরের জনতা ব্যাংকের চরপাড়া শাখায় কর্মরত। ২০২৩ সালে তিনি নগরের ময়নার মোড় এলাকায় চার শতক জমি কিনে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে পাঁচতলা ভবনের ভিত্তিসহ একটি বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্মাণকাজ শুরুর পর স্থানীয় সাইফুল ইসলাম (৪০) ও তার সহযোগীরা নজরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করেন। পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রী তাদের কাছ থেকে কেনার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তবে নজরুল ইসলাম নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী মালামাল কিনে নির্মাণকাজ চালিয়ে গেলে অভিযুক্তরা ক্ষুব্ধ হন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা একাধিকবার হুমকি দিয়ে বলেন, তাদের কাছ থেকে মালামাল না কিনলে নির্মাণকাজ করতে দেওয়া হবে না। সর্বশেষ রোববার বিকেলে তারা আবারও বাড়িতে গিয়ে নির্মাণসামগ্রী কেনার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এতে রাজি না হওয়ায় একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাসুমা হায়াত, তার ভাই আজিজুল ইসলাম এবং প্রতিবেশী ব্যাংক কর্মকর্তা সাকিম আহম্মেদ আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা চাকু দিয়ে সাকিম আহম্মেদের মাথায় আঘাত করেন এবং অন্যদেরও মারধর করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রথমে কয়েকজন ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকা তিনজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে আরও কয়েকজন যোগ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র হাতে আরও কয়েকজন হামলায় অংশ নেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে নজরুল ইসলামের স্ত্রীও হামলার শিকার হন।

নজরুল ইসলামের স্ত্রী মাসুমা হায়াত বলেন, আমি বাসায় একাই থাকি। কয়েকদিন পরপর কিছু লোক এসে হুমকি দিত। রোববার ময়নার মোড়ের দিক থেকে কয়েকজন এসে হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকেও মারধর করা হয়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

নজরুল ইসলাম বলেন, ব্যাংক ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করছি। তারা চাঁদা দাবি করে এবং তাদের কাছ থেকেই মালামাল কিনতে বলে। আমি ভেবেছিলাম বিষয়টি হুমকির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কিন্তু এভাবে হামলার শিকার হব, তা কল্পনাও করিনি। আমি জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

আহত সাকিম আহম্মেদ বলেন, আমরা তিনজন দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। হঠাৎ ৫ থেকে ৭ জন দৌড়ে এসে হামলা চালায়। একপর্যায়ে একজন আমার মাথায় চাকু দিয়ে আঘাত করে।

এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি নগরের বলাশপুর কলমিস্ত্রি মোড় এলাকার বাসিন্দা।

সোমবার দুপুরে নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে সাইফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে চাঁদা না দেওয়ায় হামলার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ময়মনসসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

Continue Reading

Trending