Connect with us

top3

জীবন বিসর্জন দিলেও মা-বোনদের ইজ্জত ক্ষুণ্ন হতে দেব না: জামায়াত আমির

Published

on

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন, দেশের মানুষের অধিকার রক্ষা এবং মা-বোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি প্রয়োজনে নিজের জীবন দিতেও প্রস্তুত আছেন।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট আর সি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, জামায়াতে ইসলামী কেবল একটি দলের বিজয় নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের অধিকার ও বিজয় চায়। দেশে মা ও বোনদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের রাজনীতির অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ৫ আগস্টের আগে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তার চিরতরে অবসান ঘটবে। তিনি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুকে নির্মম হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ভবিষ্যতে এমন কোনো ঘটনা আর ঘটতে দেওয়া হবে না।

তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারগুলোর আমলে দেশ থেকে প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী জনগণের রায় নিয়ে ক্ষমতায় গেলে সেই পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে তারা কোনো আপস করবেন না এবং দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নির্বাচনী প্রচারণা ও দলের অবস্থান তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, তাদের দলকে নিষিদ্ধ করা এবং নিবন্ধন বাতিল করে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তারপরও তারা জনগণের কল্যাণ থেকে বিচ্যুত হননি।

তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর জামায়াত কোনো প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়নি বরং মানুষের জানমালের পাহাদার হিসেবে কাজ করেছে। তিনি আসন্ন নির্বাচনের প্রথম ধাপে গণভোট ও পরবর্তীতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কায় ভোট দিয়ে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে আরও যোগ করেন, জামায়াত শাসিত বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক পর্যন্ত সবার জন্য আইনের শাসন ও বিচারের মানদণ্ড হবে সমান। কোনো নির্দিষ্ট পরিবার বা দলের স্বার্থে নয়, বরং গণমানুষের কল্যাণে রাষ্ট্রের চরিত্র বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

যেখানে প্রতিটি নাগরিক তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী দেশ গড়ার সুযোগ পাবেন এবং ধর্ম-বর্ণের কোনো বৈষম্য থাকবে না। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে হলে লুটেরাদের পরিবর্তে আমানতদারদের ক্ষমতায় আনা জরুরি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

তরমুজের খোসা-বীজেও মিলবে উপকার

Published

on

By

গ্রীষ্মের কাঠফাটা গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং তৃষ্ণা মেটাতে তরমুজের বিকল্প নেই। যদিও আমরা সাধারণত সুস্বাদু এ ফলটির শুধু লাল অংশ খেয়ে থাকি। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, তরমুজের খোসার ভেতরের সাদা অংশ এবং বীজও শরীরের জন্য অনেক উপকারী।

তরমুজ প্রায় ৯২ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।

এর ভেতরে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরের নানা কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
খোসার সাদা অংশের উপকারিতা

তরমুজের লাল অংশের পরের সাদা অংশে রয়েছে সিট্রুলিন নামের উপাদান। এটি শরীরে রক্ত চলাচল ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং এনার্জি বাড়ায়। ব্যায়ামের পর ক্লান্তি কমাতেও এটি সহায়ক হতে পারে।

এতে থাকা ফাইবার হজম শক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, আর ভিটামিন এ ও সি ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে। এ ছাড়া এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল ও শর্করা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

ত্বক, কিডনি ও শরীরের জন্য উপকারী

তরমুজ শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও বর্জ্য বের করতে সাহায্য করে, যা কিডনির জন্য ভালো।

এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক সতেজ রাখতে এবং বয়সের ছাপ কমাতে সহায়তা করে। এ ছাড়া লাইকোপেন ও অন্যান্য উপাদান শরীরে জ্বালাপোড়া কমাতে এবং শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

তরমুজের খোসায় ক্যালরি খুব কম থাকে। তাই এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। নিয়মিত খেলে বিপাকক্রিয়াও উন্নত হয়।

বীজের পুষ্টিগুন

তরমুজের বীজেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। এতে ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম ও ফোলেট থাকে, যা হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে ভূমিকা রাখে।

তরমুজের সাদা অংশ ছোট টুকরা করে কেটে কাঁচা সালাদ হিসেবে খাওয়া যায়। লেবু ও বিট লবণ মিশিয়ে খেলে স্বাদ আরো ভালো হয়। এটি ডাল বা তরকারির সঙ্গে রান্না করেও খাওয়া যায়। কেউ আবার ভাজি করেও খান। তবে পুষ্টিমান অটুট রাখতে কাঁচা খাওয়াই উত্তম।

এ ক্ষেত্রে হালকা লেবু, বিট লবণ মিশিয়ে সালাদ বানাতে পারেন। আবার চাইলে বরফকুচি, পুদিনাপাতা ও লেবুর রসসহযোগে ব্লেন্ড করে জুস বানিয়েও খেতে পারেন। এ ছাড়া সাধারণ খাওয়ারযোগ্য পানিতে বরফের টুকরা, তরমুজের খোসার টুকরা, পুদিনাপাতা, লেবু ইত্যাদি সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন ডিটক্স ওয়াটার বানিয়ে পান করুন এই পানি।

বীজ শুকিয়ে বা হালকা ভেজে খাওয়া যায়, যা স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে কাজ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তরমুজ শুধু একটি ফল নয়, এর প্রতিটি অংশই শরীরের জন্য প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস।

Continue Reading

top3

সারা দেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজ

Published

on

By

সারাদেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টায় প্রথম দিনের ‘বাংলা’ বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে এই মেধা যাচাই কার্যক্রম শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে এই পরীক্ষা চলবে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

এর আগে, গত ৫ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় পরীক্ষার এই সূচি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষার জন্য আড়াই ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। আজকের পর আগামীকাল ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তবে দেশের তিন পার্বত্য জেলা- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ভিন্ন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে কর্তৃপক্ষ। এই জেলাগুলোতে পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত বিষয়ের মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান, ১৯ এপ্রিল বাংলা এবং ২০ এপ্রিল ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে সেখানে এবারের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে এবারও পরীক্ষা পদ্ধতিতে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ধরনের পরীক্ষার্থীরা সাধারণ সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বেশি পাবে। পরীক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ সুষ্ঠু ও সুন্দর রাখতে শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বৃত্তি পরীক্ষা চালুর এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও প্রতিযোগিতামূলক এবং মনোযোগী করে তুলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা

Continue Reading

top3

জিতেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বার্সেলোনার বিদায়

Published

on

By

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শুরুতে আশার আলো জাগিয়েও শেষ রক্ষা হলো না বার্সেলোনার। কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েও দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিদায় নিতে হলো হান্সি ফ্লিকের শিষ্যদের।

দীর্ঘ ৯ বছরের অপেক্ষা শেষে সেমি-ফাইনালের টিকিট কেটে উৎসবে মাতল দিয়েগো সিমিওনের আতলেতিকো, আর অন্য প্রান্তে থাকল কেবলই কাতালানদের দীর্ঘশ্বাস।

মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটা ছিল বার্সেলোনার দাপটে। প্রথম লেগের ২-০ ব্যবধানের ঘাটতি ঘোচাতে এদিন ইতিহাসে নিজেদের কনিষ্ঠতম একাদশ নিয়ে মাঠে নামে বার্সা। ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটেই তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালের গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

এর ঠিক ২০ মিনিট পর দানি ওলমোর সহায়তায় ফেররান তোরেস যখন বল জালে পাঠান, তখন দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন ২-২ সমতায় ফিরে আসে। গ্যালারিতে তখন নিস্তব্ধতা আর বার্সার শিবিরে রূপকথার প্রত্যাবর্তনের হাতছানি।

তবে সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয়নি স্বাগতিক আতলেতিকো। ৩১তম মিনিটে মার্কোস ইয়োরেন্তের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড আদেমোলা লুকমান। এই এক গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

বিরতির পর সমতা ফেরাতে মরিয়া বার্সেলোনার ফেররান তোরেসের একটি গোল ভিএআর-এর কারণে অফসাইডে বাতিল হলে কপাল পোড়ে ফ্লিকের দলের। ম্যাচের শেষ দিকে এরিক গার্সিয়া সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের বার্সেলোনা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

লেভানদোভস্কি ও রাশফোর্ড বদলি হিসেবে নামলেও মুসোর দেয়াল আর ভাঙা সম্ভব হয়নি। ২০১৪ ও ২০১৬ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে বার্সাকে আরও একবার কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে বিদায় করে সেমিফাইনালে পা রাখল আতলেতিকো মাদ্রিদ।

Continue Reading

Trending