Connect with us

ক্যাম্পাস

জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে শাবিপ্রবিতে সাদা দলের র‍্যালি

Published

on

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল শিক্ষক ফোরামের (সাদা দল) উদ্যোগে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা।

কর্মসূচির শুরুতে নতুন সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের সামনে থেকে একটি র‍্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই জায়গায় এসে মিলিত হয়।

এ সময় শিক্ষকরা জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও তাদের ত্যাগের রাষ্ট্রীয় মূল্যায়নের দাবি জানান।

এ সময় পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, “জুলাই বিপ্লব কেবল একটি ইতিহাস নয়, এটি অন্যায়, অবিচার এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতার পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্নের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছিল আমাদের শিক্ষার্থীরা, তা ধরে রাখা এবং এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন এবং আধিপত্যবাদ মুক্ত একটি বাংলাদেশ গঠন করা। যার মধ্যে দিয়ে যাতে কোনো স্বৈরাচারী এবং ফ্যাসিবাদ শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কোনো সেক্টরেই যাতে ফ্যাসিবাদ তৈরি হতে না পারে সেটাই ছিল আমাদের জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু আজ এটার ব্যত্যয় ঘটছে। জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের সাথে মিশে গেছে। যারা এটাকে অস্বীকার করে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের শত্রু। তাদেরকে স্মরণ করে দিতে চায় হাসিনার পরিণতি একদিন ভোগ করতে হবে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

বাংলাদেশ ডিবেটার্স সোসাইটি আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “বিডিএস ইনভাইটেশনালস ২০২৬”

Published

on

By

আনাস মাহমুদ

বাংলাদেশ ডিবেটার্স সোসাইটি (বিডিএস) কর্তৃক আগামী ২৩-২৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো “আন্ত স্কুল-কলেজ” পর্যায়ে আয়োজিত হতে যাচ্ছে “বিডিএস ইনভাইটেশনাল ২০২৬” ডিবেট টুর্নামেন্ট। এশিয়ান পার্লামেন্টরি ঘরনার এই টুর্নামেন্টিতে ২২ টি দলের হয়ে সারা বাংলাদেশের পরিচিত এবং আলোচিত মোট ৬৬ জন বিতার্কিক নিজেদের যুক্তির তীক্ষ্ণতার লড়াইয়ে নামবেন।

এই টুর্নামেন্টে সকল বিতার্কিকদের তিনটি আলাদা Pool-এ বিভক্ত করে প্রত্যেক Pool থেকে একজন বিতার্কিককে নিয়ে দলসমূহ গঠন করা হয়েছে। Pool-A তে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে দেশের সুপরিচিত ২২ জন বিতার্কিককে যারা ইতিমধ্যে দক্ষতা এবং বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে নিজেদের অর্জনকে সমাদৃত করেছেন। Pool-B এবং Pool-C তে যোগ্যতা, ব্যক্তিগত অর্জন, এবং আবেদনের ভিত্তিতে ২২ জন করে বিতার্কিককে জায়গা দেয়া হয়েছে। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী Pool-A এর বিতার্কিকবৃন্দ অকশনের মাধ্যমে Pool-B এবং Pool-C থেকে একজন করে বিতার্কিককে নিজের দলে যুক্ত করতে পারবেন। অর্থাৎ এই টুর্নামেন্টের ২২ টি দলই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার শক্তিমত্তা নিয়ে বিতর্কে নামছেন।

এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে বিতর্ক অঙ্গনে বেশ আলোড়ন তৈরী হয়েছে। “আন্ত-স্কুল-কলেজ” এবং “আন্ত বিশ্ববিদ্যালয়” বিতর্ক পদ্ধতির বাইরে গিয়ে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে “আমন্ত্রনমূলক” বা “ইনভাইটেশনাল” পদ্ধতিতে বিতর্ক টুর্নামেন্ট আয়োজন এর পূর্বে দেখা যায়নি। এমন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিতার্কিকরা।

বিডিএস এর চেয়ারম্যান জনাব জামান আপেল জানান, “এই টুর্নামেন্টটি বিতর্ক অঙ্গনে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। প্রথমবারের মতো স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ইনভাইটেশনাল টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে আমাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এর মাধ্যমে জুনিয়র বিতার্কিকরা নিজেদের আরো শানিত করতে পারবে এবং বৃহৎ স্কেলে নিজেদের প্রমান করার সুযোগ তৈরী হবে। আমরা বিশ্বাস করি, আজকের একজন যুক্তিবাদী বিতার্কিকই আগামী দিনের সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

বিডিএস এর ডেপুটি চেয়ারম্যান সৌমিত্র রক্ষিত বলেন, “যুক্তির আলোয় অন্ধকার ভেদ করার নামই বিতর্ক। বিডিএস নিজেদের প্রথম বছরেই একটি ব্যতিক্রমী টুর্নামেন্ট নিয়ে হাজির হয়েছে, এবং এই ধারা চলমান থাকবে। আমরা চাই, প্রতিটি বিতার্কিক যুক্তির শক্তিতে নিজেকে প্রকাশ করুক, ভিন্নমতকে গ্রহণ করতে শিখুক এবং সমাজকে দেখুক আরও গভীর ও প্রশ্নমুখী দৃষ্টিতে। এই টুর্নামেন্ট থেকে জন্ম নিক অসংখ্য চিন্তার স্ফুলিঙ্গ, তৈরি হোক আগামী দিনের যুক্তিবাদী নেতৃত্ব।”

উল্লেখ্য যে, এই টুর্নামেন্টে ৪০ জন বিচারক নিজেদের দক্ষ বিচারকার্য পরিচালনার অভিজ্ঞতা দ্বারা টুর্নামেন্টকে পথ দেখাবেন এবং সকল সমস্যা ত্বরিত সমাধানের জন্য অরগানাইজিং টিম পাশে থাকবে। টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে অনলাইনে।

Continue Reading

top3

‎‎কোটবাড়ি থেকে কুবি শিক্ষকের ১৩ বছরের ছেলে নিখোঁজ‎

Published

on

By

‎কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে অপ্রতিম (১৩) নামে এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে তাঁর পরিবার।

‎নিখোঁজ অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপ্রতিমের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, গায়ের রং শ্যামলা। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে পাঞ্জাবি ছিল।

‎পরিবার সূত্রে জানা যায়, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। তার লোকেশন ট্র্যাকিং করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

‎নিখোঁজ অপ্রতিম মা ড. নাহিদা বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নাই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন।”

‎অপ্রতিমের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কেউ অপ্রতিমের সন্ধান পেলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে—
শাহরিয়ার (বাবা): ০১৭১৯-৬২৫৬৯০
‎ড. নাহিদা বেগম (মা): ০১৭১৯-৯০০৭৬৯

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ফিলিস্তিনের উত্তর গাজায় ৫০০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি বিতরণ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি’র উদ্যোগে ফিলিস্তিনের পশ্চিম গাজার একটি শরণার্থী শিবিরে ৫০০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এ মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ৫০০০ লিটার বিশুদ্ধ পানির এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২০০ এরও বেশি পরিবার উপকৃত হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা।

হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটির সাধারণ সম্পাদক রায়হান কবির বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে গাজার শরণার্থী শিবিরে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। এর মধ্যে নগদ অর্থ, বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা রয়েছে। সংগঠনটি তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও বৃহৎ পরিসরে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। সবার সহযোগিতা পেলে গাজার মানুষের পাশে আমাদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।”

সংগঠনটির সভাপতি আমির ফয়সাল বলেন, “ফিলিস্তিনের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরেও আমরা বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব বিকাশের জন্যও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনের মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কার্যক্রমের অন্যতম অগ্রাধিকার। ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফিলিস্তিনের গাজায় এ নিয়ে মোট ১৩টি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সংগঠনটি। এর পাশাপাশি বাংলাদেশেও অসহায় ও দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই সংগঠন।

Continue Reading

Trending