Connect with us

ক্যাম্পাস

ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থীদের অনিয়মের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

Published

on

ডেস্ক নিউজ

চলমান ডাকসু নির্বাচনে ভোটে অব্যবস্থাপনা এবং কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এনেছেন বিভিন্ন প্যানেলের তিনজন হেভিওয়েট প্রার্থী।

স্বতন্ত্র ঐক্যজোটের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা বলেন, তাদের পোলিং এজেন্টদের পরিবর্তন করা হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব এজেন্টদের আমরা মেয়েদের হলে দিয়েছি, তাদের ছেলেদের হলে দেওয়া হয়েছে। যাকে ছেলেদের হলে দিয়েছি তাকে মেয়েদের হলে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সকালে সমাধান করবে বললেও করেনি। আমরা সকালে এসে দেখি বিশৃঙ্খল অবস্থা। পরে আমাদের বিষয়টি সমাধান করতে হয়েছে।

ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ তাদের পোলিং এজেন্টকে বের করে দিয়ে ছাত্রদলের পোলিং এজেন্টকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। এ ধরনের আচরণকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিয়ে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা দুঃখজনক।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদেরও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনেছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর তিনি এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, নির্বাচন কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভাগাভাগি করে শিবির ছাত্রদলকে নির্বাচনে কারচুপি করতে, অনিয়ম করে সহযোগিতা করেছে।

সার্বিক বিষয়ে চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মো. জসীম উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীরা স্বতস্পূর্তভাবে ভোট দিচ্ছে। বড় ধরনের কোনো ব্যতয় ঘটেনি। দুটি কেন্দ্র থেকে যে অভিযোগ এসেছে তার একটিতে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, অন্যটিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

top3

সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষা নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ববিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির মানববন্ধন

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির প্রগতিবাদে  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নাম্বার গেটের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধননে ছাত্রশক্তির নেতারা মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক মনে করেন এবং দ্রুত এই পদক্ষেপ থেকে সরকারকে সরে আসার জন্য অনুরোধ জানান৷

মানববন্ধনে ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক শহিদুল ইসলাম শাহেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান আল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রশক্তির আরো কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম ওয়াহিদুর রহমান বলেন, “সরকারি তৃতীয়  ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাইবা বোর্ডে পঞ্চাশ শতাংশ মার্ক নির্ধারণ করার মাধ্যমে দলীয় পোষ্য ক্যাডার এবং লেজুর ভিত্তিক যত কর্মী আছে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়ার এক নীল নকশা চলছে। যার ফলে আমাদের চব্বিশ এর কোটা আন্দোলন ব্যর্থ হতে চলছে। এই স্বার্থপরী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি আমরা চাই দেশের সাধারণ মানুষও এই নীল নকশার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাক।”

এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল বলেন, “আমরা দেখতে পেলাম গত নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করার পরে সকল জেলা ও উপজেলায় দলীয় প্রশাসক নিয়োগ করলো। আর এখন সরকারি চাকরিতেও দলীয়করণের চেষ্টা। যেখানে একজন গরীব ছাত্র পড়াশোনা শেষ করে জীবিকা নির্বাহ করবে সেখানে যদি আপনি দলীয়করণ করা শুরু করে দেন তাহলে তা আওয়ামী লীগের কোটা পন্থার চেয়েও ভয়াবহ। এটা কারের সম্পূর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত। সরকারের উচিত এই সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা, যদি বিবেচনা না করে তাহলে চব্বিশে যেমন আমরা মাঠে নেমেছি তেমন মাঠে নামতে বাধ্য হব।”

উল্লেখ্য, গত ৬ই সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

প্রথম বারের মত দেশের সব বিভাগেই অনুষ্ঠিত হবে রাবি ভর্তি পরীক্ষা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে এবার বরিশাল বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের মোট আটটি বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বরিশাল বিভাগ বাদ পড়লেও পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো দেশের সব বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, ​’বাইরে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক শিক্ষককে পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠাতে হয়। বরিশাল বিভাগে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এবং আমাদের যেন শিক্ষক সংকট না হয়, সে কথা বিবেচনা করে প্রথমে বরিশাল বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপির ভিত্তিতে তাদের ভোগান্তি কমাতে বরিশালকেও অন্তর্ভুক্ত করে দেশের সব বিভাগেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।’

​পরবর্তী বছরে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য,  ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে রাবির স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা  আগামী ৮, ৯ ও ১৬ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। ৮ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


Continue Reading

top3

রাবি আইবিএস-এর সিনিয়র ফেলো হলেন প্রফেসর ড সুলতানা মোসতাফা খানম

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশে উচ্চতর গবেষণার একমাত্র কেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (আইবিএস)-এর সিনিয়র ফেলো হিসাবে যোগদান করেছেন প্রফেসর ড সুলতানা মোসতাফা খানম। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর হতে ২০২৩ সালে অবসরপ্রাপ্ত হন এবং ২০২৫ এর এপ্রিল হতে ২০২৬ এর জুলাই পর্যন্ত বিভাগে সুপার নিউ মারারি প্রফেসর হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে সত্তরের দশকে আই বি এস প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাত্র দুইজন এই পদটি প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করেন। তারা হলেন ইতিহাসবিদ প্রফেরস আব্দুল করিম এবং অর্থনীতিবিদ প্রফেসর সনৎ কুমার সাহা।

গত ১৩ আগস্ট রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৮তম সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক ড. সুলতানা মোস্তফা খানমকে আইবিএসের সিনিয়র ফেলো হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

প্রফেসর ড সুলতানা ১৯৮২ সালে রাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগ হতে স্নাতক এবং ১৯৮৩ সালে এম এ সম্পন্ন করেন। এরপর একই বিভাগে ১৯৮৭ সালে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথ স্কলারশীপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের কীল বিশ্ববিদ্যালয় হতে মেডিকেল সোসিওলজিতে পি এইচ ডি ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ২০০৪ সালে তিনি কমনওয়েলথ ফেলোশীপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট ডক সম্পন্ন করেন।

তিনি ২০০১ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ইউনিটে এবং ২০০৩ সালে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভিজিটিং স্টাফ হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মধ্যে হায়ার এডুকেশন লিঙ্ক প্রোগ্রাম স্থাপন করেন এবং ফেলোশীপ নিয়ে পোস্ট ডক প্রোগ্রামে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত লিঙ্ক প্রোগামের কো অর্ডিনেটর এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বাংলাদেশ সরকারের কয়েকটা মন্ত্রণালয়ে পরামর্শক (কন্সাল্ট্যান্ট) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া ডিএফআইডি, ইউএনডিপি, নোরাড, ডব্লিউএফপি, কেয়ার, বিশ্ব ব্যাংক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ মঞ্জুরী কমিশনের অর্থায়নে পরিচালিত তার গবেষণা প্রকল্পের সংখ্যা ১৮ টি।

তিনি এরিয়া রিভিউ প্যানেল, এইচইকিউইপি, বিশ্বব্যাংক/ ইউজিসি, বাংলাদেশ শাখার সদস্য এবং ইউজিসির গবেষণা ও প্রকাশনা মূল্যায়ন কমিটি, বাংলাদেশর সদস্য রূপে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানেও তিনি ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশ স্টাডিজ-এর জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ড’র সদস্য।

তিনি কয়েক দফায় ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ এ সহযোগী শিক্ষক হিসাবেও কর্মরত ছিলেন। তিনি দুই দফায় বিভাগের বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার তত্ত্বাবধানে ১২ জন পিএইচডি ফেলো এবং ৭ জন এম ফিল ফেলো তাদের গবেষণা কাজ পরিচালনা করেছেন। তার আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৩৫ টির অধিক। তিনি রাজশাহী সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং কয়েকটা ভলেন্টিয়ার অরগানাইজেশনের সদস্য।

এ বিষয়ে আইবিএসের পরিচালক প্রফেসর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, সিনিয়র ফেলো হিসেবে মূলত, যারা রিটায়ার্ড শিক্ষক আছেন, যারা গবেষণায় ভালো করেছেন, গবেষণা বেশি এমন মানুষকে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। এর আগে আশির দশকে একজন আমিরিকান স্কোলারও এই পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

Continue Reading

Trending