Connect with us

top1

ঢাকার মানুষের মাথাপিছু আয় ৫১৬৩ মার্কিন ডলার

Published

on

ডেস্ক নিউজ 

রাজধানী ঢাকা জেলার মানুষের গড়ে মাথাপিছু আয় এখন ৫ হাজার ১৬৩ মার্কিন ডলার। এটি দেশের গড় মাথাপিছু আয়ের প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮২০ ডলার।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘ইকোনমিক পজিশন ইনডেক্স (ইপিআই)’ প্রণয়নবিষয়ক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদের সভাপতিত্ব আন্তর্জাতিক সংস্থা, অর্থনীতিবিদ, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বিবিএসের হিসাবে দেখা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৯৩ ডলার। এরপর ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৭৪৯ ডলারে। গত অর্থবছরে তা আরও কমে ২ হাজার ৭৩৮ ডলার হয়। মূলত ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় বিবিএসের হিসাবে মাথাপিছু আয়ের এ পার্থক্য দেখা দেয়।

জানা যায়,, বিবিএসের ২০১১ সালে করা জেলাভিত্তিক জিডিপির তথ্যকে ভিত্তি ধরে বিনিয়োগ, ভোগ, ব্যয়, আমদানি, রপ্তানি, আয়তন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির মতো সূচক বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা জেলার মাথাপিছু আয়ের এ হিসাব করা হয়েছে।

সর্বশেষ গত মে মাসে জাতীয় মাথাপিছু আয়ের তথ্য প্রকাশ করে বিবিএস জানায়, বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন (২০২৪-২৫ অর্থবছর) ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার। এর আগের অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৩৮ ডলার। যদিও বিবিএস বিভাগ বা জেলাভিত্তিক মাথাপিছু আয়ের হিসাব প্রকাশ করে না।

মাথাপিছু আয় কোনো ব্যক্তির সরাসরি আয় নয়; এটি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও প্রবাসী আয়ের মোট যোগফলকে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে নির্ণয় করা হয়।

আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী। তিনি জানান, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় একটি অংশ সম্পন্ন হয় ঢাকা জেলায়। দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৪০ শতাংশ আসে এই জেলা থেকে। ঢাকাকে বিবেচনা করা হয় আর্থিক খাতের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সাড়ে ৭০০- এর বেশি কোম্পানির প্রধান কার্যালয় ঢাকা জেলায় অবস্থিত।

আসাদুজ্জামান বলেন, দেশের শহুরে জনসংখ্যার ৩২ শতাংশের বাস ঢাকা জেলায়। আর মোট জনসংখ্যার ১১ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ ঢাকায় থাকেন। ঢাকা খুবই শিল্পঘন জেলা। দেশের মোট পণ্য রপ্তানির ৪০ শতাংশের বেশি হয় এ জেলা থেকে। সব মিলিয়ে মোট দেশজ আয়ে (জিডিপি) এককভাবে ৪৬ শতাংশ অবদান রাখছে ঢাকা জেলা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

পানি উন্নয়ন বোর্ড নয়, স্লুইস গেটের ব্যবস্থাপনা দেখবে স্থানীয় প্রশাসন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

স্টাফ রিপোর্টার

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) আর স্লুইস গেটের দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা এ দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের পেকুয়ায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়মিত ঘটনা। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার টেকসই ও শক্তিশালী বেড়িবাঁধ নির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ পানি নিষ্কাশনের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় স্থানে স্লুইস গেট নির্মাণ করা হচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, লবণাক্ততা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সময়ের প্রভাবে অনেক সময় বেড়িবাঁধ ও স্লুইস গেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পালন করলেও স্লুইস গেট পরিচালনা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি জানান, এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজন অনুযায়ী স্লুইস গেট খুলে পানি নিষ্কাশন এবং প্রয়োজন হলে লবণাক্ত পানি প্রবেশ ঠেকাতে গেট বন্ধ রাখা হবে। এতে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে এবং জনদুর্ভোগ কমবে।

এর আগে পেকুয়া উপজেলা মাঠে শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য ১০০টি ঘর নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও গবাদিপশুপালকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিতরণ করা সহায়তা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

Continue Reading

top1

কাশিমপুর কারাগার থেকে নারী কয়েদির পলায়ন, ৭ কারারক্ষী বরখাস্ত

Published

on

By

গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে এক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সাতজন কারারক্ষীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে তিন মেট্রন ও চার নারী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তকৃতরা হলেন— মেট্রন লায়লা আঞ্জুমান সুমি, মেরিনা, রেহেনা এবং নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা আক্তার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

কারাগার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৪০ জন নারী বন্দীকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ চলছিল। ওই সময় দায়িত্বে থাকা মেট্রনের অবহেলার সুযোগে কয়েদি রিম্পা কারাগারের অফিস ভবনের পাশের সীমানাপ্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। পরে কারাগারের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি পালিয়ে গেছেন।

সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পলাতক কয়েদিকে দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছে। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও কীভাবে একজন বন্দী পালাতে সক্ষম হলো—সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, পলাতক কয়েদি রিম্পা মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার রায়পুরা গ্রামের মো. হাসান হাবিবের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানার একটি সিআর মামলায় (আদালতে করা মামলা) তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দী ছিলেন।

Continue Reading

top1

ইয়ামালকে চ্যাম্পিয়ন দেখতে চান না মেসি, জানালেন পরিকল্পনা

Published

on

By

আগামীকাল রোববার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আর্জেন্টিনা বনাম স্পেনের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। 

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা, ৩৯ বছর বয়সি লিওনেল মেসি যখন আর্জেন্টিনার হয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবেন, তখন স্পেনের হয়ে মাঠে থাকবেন ফুটবলের নতুন জাদুকর ও ১৯ বছর বয়সি তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল। 

বয়সে ২০ বছরের ব্যবধান থাকা এই দুই প্রজন্মের মহা লড়াইয়ের আগে ইয়ামালকে নিয়ে সম্প্রতি নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন মেসি। 

তরুণ এই স্প্যানিশ উইঙ্গার সম্পর্কে মেসি বলেন, ‘ফুটবলে অনেক ভালো খেলোয়াড় আছেন যাদের সামনে দীর্ঘ ভবিষ্যৎ পড়ে রয়েছে। তবে তার বয়স, এখন পর্যন্ত সে যা করে দেখিয়েছে এবং সামনে তার যে অমিত সম্ভাবনা রয়েছে—সবকিছু মিলিয়ে আমাকে যদি একজনকে বেছে নিতে বলা হয়, তবে সেটা লামিন ইয়ামাল। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, আমার চোখে এই মুহূর্তে ওই সেরা।’ 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিউইয়র্কে ফিফার ‘ফ্যানাটিকস ফেস্ট’-এ অংশ নিয়ে ইয়ামালের বর্তমান ফর্মের প্রশংসা করে মেসি বলেন, ‘সে এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। আমি তার সাফল্য কামনা করি। কারণ তার সাফল্য মানেই বার্সেলোনার সাফল্য। তবে (ফাইনালে) আমরা চেষ্টা করব সে যেন নিজের সেরাটা দিতে না পারে। স্পেনের দলটা দারুণ, শুধু লামিন একাই নয়। তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি ও অস্ত্র রয়েছে।’ 

১৯ বছর বয়সি ইয়ামালকে এক ‘বৈশ্বিক তারকা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে মেসি আরও বলেন, ‘তার সামনে পুরো ক্যারিয়ার পড়ে আছে। আমি তার জন্য শুভকামনা জানাই। তবে এবার সে যেন চ্যাম্পিয়ন হতে না পারে, তার জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়ব।’ 

রোববার বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারের মতো একে অপরের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন এই দুই ফুটবলার। ৩৯ বছর বয়সি মেসি যেখানে নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরার লক্ষ্যে অবিচল, সেখানে ২০ বছর ছোঁয়ার আগেই স্পেনের এই নতুন পোস্টারবয় ইয়ামাল চাইছেন নিজের প্রথম বৈশ্বিক শিরোপার স্বাদ পেতে। 

দুই প্রজন্মের এই ঐতিহাসিক লড়াই দেখতে এখন প্রহর গুনছে পুরো ফুটবল বিশ্ব। 

Continue Reading

Trending